• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

 

‘বাংলাদেশের গণহত্যা-রাজনীতি ও প্রতিহিংসার ইতিহাস’- পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ

ড. ফোরকান উদ্দিন আহমদ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯

বাংলাদেশে গণহত্যা কার্যক্রম অপারেশন সার্চলাইটের অধীনে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের স্বাধিকারের দাবিকে চিরতরে নির্মূল করতে পশ্চিম পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এ কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ নয় মাস বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহায়তাকারী দলগুলো ৩০ লাখ মানুষ হত্যা করেছিল। এছাড়া ২ থেকে ৪ লাখ নারীকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করে। শুধু তাই নয়, উর্দুভাষী বিহারিরা জাতিগত সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সংঘটিত ঘটনাগুলো গণহত্যা হিসেবে পরিচিতি পায়।

বাংলাদেশের গণহত্যারও একটি রাজনীতি ছিল। পাকিস্তানের রাজনীতি ও সুপার পাওয়ারদের ভৌগোলিক বা কৌশলগত স্বার্থ। পাকিস্তানের রাজনীতির বিষয়টি আমাদের জানা। কৌশলগত ভাবে, আমেরিকা ও পাশ্চাত্য ছিল পাকিস্তানের মিত্র এবং মুসলমান অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। বাংলাদেশে গণহত্যার সময় পাশ্চাত্য বা আমেরিকার জনমত ছিল গণহত্যার বিপক্ষে এবং তা এত জোরালো ছিল যে, তাদের সরকার কাঠামোয় পাশ্চাত্য বা পরে আমেরিকাকে নতি স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন পাকিস্তান বাহিনী প্রবল গণহত্যা ও নির্যাতন চালায় তখনও এমনটি ঘটেছিল। আজ প্রায় ৫০ বছর পার হয়ে গেছে। ভূরাজনীতির পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশেও রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে এবং গণহত্যা-নির্যাতন সম্পর্কিত অপরাজনীতি আবার আলোচনায় আসছে। এবং আমরা এটি চাই যাতে বাংলাদেশে অন্তত ১৯৭১ সালের গণহত্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং ইতিহাসের সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাহলে বাংলাদেশে আর যাইহোক পরাজিতের, অপরাধীর রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে না। এ রাজনীতি ইতিহাস থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়েছে, অপরাধের রাজনীতি অপরাধ নয় বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে এবং এ পরিপ্রেক্ষিতে জাতির নৈতিকতা নামের বস্তুটি যাকে ‘মরাল ফেব্রিক’ বলা যায় তা নষ্ট করেছে। বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছে তা আর কোন একটি দেশে হয়েছে বলে জানা যায়নি। এত কম সময়ে এত বেশি মানুষ হত্যা আর নারী নির্যাতন কোথাও হয়নি। এত নির্যাতনও কোথাও চালানো হয়নি। কিন্তু, আমাদের মানসজগতে তা তেমন স্থান করে নিতে পারেনি। এটি খুবই আশ্চর্যের বিষয়। এমনকি পাশ্চাত্যে ও প্রাচ্যেও এ গণহত্যা তেমনভাবে স্বীকৃত হয়নি। যদি আমাদের মানসজগতে তা স্থান করে নিতে পারত, তাহলে বাংলাদেশে স্বাধীনতা পক্ষের ও স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি স্থান করে নিতে পারত না এবং জামায়াত বা বিএনপির এমন উত্থান হতো না। কেন এমনটি হয়েছিল এবং এর অভিঘাট কী হয়েছিল তা আলোচনা করা যেতে পারে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে ৫ লাখেরও বেশি নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সরকার তাদের সম্মান করে ‘বীরঙ্গনা’ আখ্যা দিয়েছিল। কিন্তু পরে এ অভিধা সামাজিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। কত মানুষ নির্যাতিত হয়েছে তার হিসাব জানা যাবে না। তবে ১ কোটি নারীপুরুষ শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিলেন ভারতে। শরণার্থী শিবিরে মানবেতর পর্যায়ে তাদের দিন কাটাতে হয়েছে। এটিও নির্যাতনের অন্তর্গত। বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল সেটি নিয়ে ইদানীং আগ্রহ-বিতর্ক দুই দেখা দিয়েছে। বিষয়টি একেবারে নেতিবাচক হিসেবে না দেখাই ভালো। কেননা এ বিতর্ক এবং তারপর আগ্রহ গণহত্যার বিষয়টি আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু করে তুলেছে। সম্প্রতি ইয়েমেন, সুদান প্রভৃতি দেশে বিশেষ করে মায়ানমারের সামরিক সরকার ও অং সান সুচির সরকার যৌথ সম্মতিতে রাখাইন রাজ্যে যে গণহত্যা চালাচ্ছে তাতে এটিই প্রমাণিত যে গণহত্যা বিষয় হিসেবে এখনও প্রাসঙ্গিক।

২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব-পাকিস্তানের বড় শহরগুলোতে গণহত্যা শুরু করে। তাদের পূর্বপরিকল্পিত এ গণহত্যাটি ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিচিত। এ গণহত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগে থেকেই পাকিস্তান আর্মিতে কর্মরত সব বাঙালি অফিসারকে হত্যা কিংবা গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হয়। ঢাকার পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের ইবিআরসিসহ সারাদেশের সামরিক, আধাসামরিক সৈন্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডের কথা যেন বহির্বিশ্ব না জানতে পারে সে জন্য আগেই সব বিদেশি সাংবাদিকদের গতিবিধির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয় এবং অনেককে দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়। তবে ওয়াশিংটন পোস্টের বিখ্যাত সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ব এ গণহত্যা সম্পর্কে অবগত হয়। আলোচনার নামে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার কালক্ষেপণও এ গণহত্যা পরিকল্পনারই অংশ ছিল। ২৫ মার্চ রাত প্রায় সাড়ে ১১টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। পাকিস্তানিদের অপারেশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হল এবং জগন্নাথ হলের ছাত্রদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়। ঢাকা বিশববিদ্যালয় ও আশপাশের বহু সংখ্যক শিক্ষক এবং সাধারণ কর্মচারীদেরও হত্যা করা হয়। পুরনো ঢাকার হিন্দু সম্প্রদায় অধ্যুষিত এলাকাগুলোতেও চালানো হয় ব্যাপক গণহত্যা। রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আক্রমণ করে হত্যা করা হয় পুলিশ বাহিনীর বহু সদস্যকে। পিলখানার ইপিআরের কেন্দ্রে আচমকা আক্রমণ চালিয়ে নির্বিচারে হত্যা করা হয় নিরস্ত্র সদস্যদের। কয়েকটি পত্রিকা অফিস ভস্মীভূত করা হয়। দেশময় ত্রাস সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্বিচারে হত্যা করা হয় বিভিন্ন এলাকায় ঘুমন্ত নরনারীকে। হত্যা করা হয় শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদেরও। ধারণা করা হয় সেই রাতে একমাত্র ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকাতে প্রায় এক লাখ নিরীহ নরনারীর জীবনাবসান ঘটে।

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ঘোষণায় তিনি পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রামের জন্য বাংলার জনগণকে আহ্বান জানান। চট্টগ্রামে তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে প্রচারের জন্য পাঠানো হয় সেই ঘোষণা। ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণাকে অবলম্বন করে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এমএ হান্নান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। ২৭ মার্চ অপরাহ্ণে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ৮ম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার আরেকটি ঘোষণা পাঠ করেন। এ ঘোষণাটিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠিত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নবগঠিত এ রাষ্ট্রের সরকার জোটবদ্ধ না হয়ে বিশ্বের অপর রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টিতে আগ্রহী। এ ঘোষণায় সারা বিশ্বের সরকারগুলোকে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলারও আহ্বান জানানো হয়।

পাকিস্তান বাহিনী কর্তৃক এ গণহত্যা ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ড। প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন (৩ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য) অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার ঘোষণায় পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণঅসন্তোষ সৃষ্টি হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য শহরে মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে পাকিস্তান সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করে। সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হয় কয়েকশ’ লোক। আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে সারাদেশে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয় এবং পাকিস্তান সরকার প্রদেশে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সে রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, পিলখানাসহ আনসার সদর দফতরে সশস্ত্র হামলা চালায়। তাদের হাতে বন্দী হয় ৮০০ ইপিআর অফিসার ও জওয়ান। এদের অনেককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। কিছুসংখ্যক ইপিআর সদস্য রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যান এবং পরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার সদস্যসহ পুলিশ ও ইপিআর জওয়ানরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পাকিস্তানি বাহিনী ট্যাঙ্ক দিয়ে ঢাকা শহর ঘিরে রাখে। আন্দোলনরত জনতাকে প্রতিরোধের জন্য তারা রাস্তায় রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা গড়ে তোলে এবং মেশিনগানের গুলিতে বাড়িঘর ধ্বংস করে।

২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার পর দেশব্যাপী সংগঠিত মুক্তিযোদ্ধারা দখলদার বাহিনীর ওপর পাল্টা হামলা শুরু করে। এর প্রতিশোধ নিতে হানাদার বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের শিবিরগুলো গুঁড়িয়ে দেয়ার জন্য আকাশপথে বিমান, নৌপথে নৌযান নিয়ে গ্রামের পর গ্রাম, শহরের পর শহরে হামলা চালায়। তারা শত শত গ্রামে আগুন ধরিয়ে দেয়, হত্যা করে নিরপরাধ গ্রামবাসীকে, ধর্ষণ করে যুবতী-কিশোরীদের, লুণ্ঠন করে মূল্যবান সম্পদ। ভীতসন্ত্রস্ত ও অসহায় মানুষ আশ্রয় নেয় প্রতিবেশী দেশ ভারতে। প্রেস সেন্সর ও সংবাদ পাঠানোর ক্ষেত্রে বাধানিষেধ আরোপ করায় বাংলাদেশ থেকে কোন সংবাদ বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা ছিল না। সে কারণেই বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে শুরুতে কিছু জানতে পারেনি। কিন্তু ১৯৭১ সালের জুলাই থেকে ছবিসহ বিদেশি সংবাদপত্র বাংলাদেশের গণহত্যার প্রতিবেদন প্রকাশ করতে শুরু করে। কতিপয় দেশ ছাড়া জাতিসংঘ এবং এর অপরাপর সদস্য দেশ বাংলাদেশের ব্যাপারে সচেতন হয় এবং পাকিস্তানের বর্বরোচিত গণহত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। পাকিস্তানি নৃশংসতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত ক্রমান্বয়ে জাগ্রত হতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের জন্য পাকিস্তান সরকার তার দখলদার বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় রাজাকার, আলবদর এবং আলশামস বাহিনী গড়ে তোলে। এসব বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে মিলে হত্যা ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। বুদ্ধিজীবীসহ অনেক লোককে তারা জিজ্ঞাসাবাদের নামে ধরে নিয়ে যায় এবং এদের খুব কমই জীবিত অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসেন। তাদের ক্যাম্পে নিয়ে অকথ্য নির্যাতন করা হয়, বেয়োনেট দ্বারা খুঁচিয়ে তাদের দেহ ক্ষতবিক্ষত করে শেষ পর্যন্ত গুলি করে হত্যা করে। মুক্তিবাহিনী ও তাদের সমর্থকদের ধূলিসাৎ করে দেয়াই ছিল গণহত্যার প্রধান লক্ষ্য। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে গণহত্যার পরিসমাপ্তি ঘটে। বাঙালি তার কাক্সিক্ষত সোনার বাংলাকে অদম্য সাহসিকতা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়। বাঙালি একক ও অভিন্ন জাতিসত্তার স্বীকৃতি লাভ করে। অবশেষে গণহত্যার নির্মমতা ও বর্বরতাকে ম্লান করে দিয়ে লাল সবুজের মানচিত্র খচিত এক সমুজ্জ্বল পতাকা নিয়ে পৃথিবীর বুকে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

[ লেখক : কলামিস্ট ও গবেষক ]

দৈনিক সংবাদ : ২০ মার্চ ২০১৯, বুধবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসে ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ দেখতে রিভ সিস্টেম দেখতে যাবার পথে হঠাৎ একটি বাক্য দেখে

দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন জাতীয় বিল্ডিং কোডের যথাযথ বাস্তবায়ন

অগ্নিদুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না রাজধানী ঢাকার। মাত্র ৩৭ দিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় ঘটল আরেকটি বিভীষিকাময় আগ্নিকান্ড। গত ২০

রাজনীতিকে নোংরামির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষ এ দুই খেলোয়াড়

রাজনীতিতে সর্বকালেই দুষ্টু গ্রহণের আবির্ভাব হয়েছে। তারা রাজনীতির মতো সুন্দর ও সম্ভাবনাময় অঙ্গনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, নোংরা করেছে।

sangbad ad

গড়ে তুলুন ডিজিটাল স্কুল

image

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিগত দশকের সবচেয়ে যুগান্তকারী স্লোগানটি হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। স্লোগান হিসেবে এটি যত বেশি আলোচিত

আগুন আগুন

ত্রিশ-চল্লিশ বছর পূর্বে গ্রামের কোথাও আগুন লাগলে আমরা ‘আগুন আগুন’ বলে চিৎকার করতাম; এ চিৎকার শুনে সবাই দৌড়ে এসে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বদলি ও পদায়ন নিয়মের মধ্যে আনুন

বদলি ও পদায়ন নিয়ে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে থাকা কর্মকর্তাদের বদলি না করা, অনিয়মে

সড়কপথে হত্যালীলা নিত্যদিন প্রতিদিন!

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন গড়ে তুলল তাদের দুই সতীর্থের আকস্মিক ও নির্মম হত্যার প্রতিবাদে। আকস্মিকভাবে

আরও ভালো হবে পঞ্চম শ্রেণী থেকে পাবলিক পরীক্ষাটা তুলে দিলে

শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পরীক্ষার চাপ কমানোর কথা চলে আসছিল বেশ আগে থেকেই। এবার সে চাপ কমে গেল। তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত আর

ডিজিটাল সংযুক্তি ও জীবনধারা

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা বিভিন্নভাবে আলোচিত হয়েছে। প্রধানত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তিনটি কৌশলের কথা বলা হয়ে থাকে।

sangbad ad