• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯

 

সড়কপথে হত্যালীলা নিত্যদিন প্রতিদিন!

রণেশ মৈত্র

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৪ এপ্রিল ২০১৯

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন গড়ে তুলল তাদের দুই সতীর্থের আকস্মিক ও নির্মম হত্যার প্রতিবাদে। আকস্মিকভাবে গড়ে ওঠা স্বতঃস্ফূর্ত এ আন্দোলনে সারা দেশে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা হিসাবে আনলে কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষ পথে নেমেছিলেন ওই দাবির ভিত্তিতে গড়ে তোলা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয় সংহতি জানাতে। চলমান দশকের হয়তো বা এটাই বিবেচিত হবে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের দাবিতে সর্বাধিক গণমুখী আন্দোলন। ওই তরুণ-তরুণীরাই এ দেশের আগামী দিনের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক- এমন একটা সুখকর অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই।

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে গড়ে ওঠা এই অভূতপূর্ব আন্দোলন শেষ পর্যন্ত স্পষ্টত: ‘আমরা সুবিচার চাই,’ ‘আইনের শাসন চাই’ ‘...’ এ দাবির রূপ ধারণ করে। সেদিনকার রাজপথে, সড়কে, মহাসড়কে যে সব মিছিল দেখা গিয়েছিল ওই সব মিছিলকারীদের অনেকেই দেখেছি ‘...’ লেখা ব্যানার বহন করতে। তা দেখেছি সুদূর অস্ট্রেলিয়ায় বসেও বাংলাদেশের টেলিভিশনে, সংবাদপত্রে এবং ফেসবুকে।

প্রবাসী বাঙালিরাও নানা দেশ থেকে ওই তরুণ-তরুণীদের গড়ে তোলা ন্যায্য দাবি আদায়ের ধরন, নিয়মতান্ত্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ জনস্বার্থের অনুসারী ‘আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী’ বা ‘সরকার বিরোধী চক্রান্ত’ বলে আখ্যায়িত করা, পেছনে জামায়াত-বিএনপির মদদ থাকার কথা প্রচার করা নেহায়েতই অনাকাক্সিক্ষত।

সরকারের এটা উপলব্ধি করা প্রয়োজন জনস্বার্থে সংঘটিত কোন যৌক্তিক আন্দোলন নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলে তাদের দাবি যদি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে মেনে নিয়ে তা কার্যকর করা না হয়- তবে সরকারের পতন যারা চায় তারা তো কলকাঠি নাড়ার সুযোগ পেয়ে যেতেই পারে। তার জন্যে মূল আন্দোলনকারীরা তো আদৌ দায়ী হতে পারে না। আবার শহীদুল আলমের মতো স্বনামে খ্যাত এবং আন্তর্জাতিক পরিসরেও তার শিল্পকর্মের মাধ্যমে পরিচিতি ব্যাপকভাবে থাকা সত্ত্বেও তাকে অযথা আন্দোলনে মদদ জুগিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহে লিপ্ত বলে অভিযোগ এনে নিজেদেরকেই মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার প্রভৃতির ক্ষেত্রে বিরোধী বলে চিত্রিত হওয়া ছাড়া অন্য কিছু হয় না।

সরকারের বরং জোর দেয়া উচিত পরিবহন খাতের তাবৎ ঝামেলা, নিত্যদিন অসংখ্য মৃত্যু- বিপুলসংখ্যক মানুষের আহত হওয়ার মতো ঘটনাগুলো যাতে আর না ঘটে তার জন্যে উপযুক্ত সব ব্যবস্থাদি গ্রহণ করে মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করা। সড়ক, রেল ও নদী মন্ত্রীদের বুলগেরিয়ার মতো কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক। ঢাকা শহর যে যে কারণে সমগ্র পৃথিবীর দুর্নাম কুড়িয়েছে তার মধ্যে প্রধানতম ব্যাপারই হলো অস্বাভাবিক যানজট। কেউই জানেন না- ঢাকা শহরেরই একস্থান থেকে রওনা হয়ে আধা ঘণ্টার রাস্তায় গন্তব্যস্থানে পৌঁছাতে ২ ঘণ্টাতেও পৌঁছাতে পারবেন কিনা। জীবনটাকে তো হাতের মুঠোয় নিয়েই চলতে হয়।

এই যে সময় মেনে চলতে না পারার প্রধান কারণ অস্বাভাবিক যানজট। যে সমস্যা দিনে দিনে আরও প্রকট থেকে প্রকটতর হয়ে উঠছে। কেউই তা অনুমান করতে পারছেন না কোথায় গিয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটি দাঁড়াবে। তাই কখনও ধারণা করা হয় বস্তি উচ্ছেদ করতে পারলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কেউ ভাবছেন রাস্তার ধারের ফুটপাতগুলো থেকে সব দোকান তুলে দিতে পারলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কেউ ভাবছেন ধীরগতির এবং তিন চাকার যানবাহন রিকশা, স্কুটার, ভ্যান এবং নসিমন করিমন বেআইনি ঘোষণা করলেই রাস্তা-ঘাট পরিষ্কার হয়ে যাবে- সবার যানজটমুক্ত ঢাকা নগরী দেখতে পাবেন ইত্যাদি।

এখানেই শেষ না। নতুন নতুন ফ্লাইওভার নির্মাণ, মেট্রোরেল প্রবর্তন ইত্যাদি কত কিছু ভাবা হচ্ছে- নগরীর চতুর্দিক দিয়ে নদী নির্মাণ করে জলপথ সৃষ্টি করে জলযান চালু করার প্রকল্পও অনেকদিন শোনা গেল। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সম্ভবত ফাইলবন্দি হয়ে কোন হোমরা-চোমরার টেরিলের ড্রয়ারে অথবা কোন একটা আলমারিতে থাকতে থাকতে উধাও হয়ে গেছে। আরও হয়তো বহু প্রকল্প গৃহীত হয়ে থাকবে বা আলোচনার প্রাথমিক স্তরে থাকতে পারে যা আমার জানা নেই।

নতুন পরিবর্তিত আইন সংসদে পাস হবে শীঘ্রই এ কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তার আগে সরকারকে বলতে হবে বিদ্যমান আইন (পরিবহন সংক্রান্ত) আদৌ মানা হচ্ছে কি ? না মানা হলে কেন মানা হচ্ছে না এবং কারা তা মানছেন না।

সবাই জানি, সরকারি কর্মকর্তারাই তা মানছেন না। মানছেন না সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতিবাজ অংশ। তার ফলে বিদ্যমান পরিবহন আইনকে কার্যত; অকেজো করে ফেলা হয়েছে। কিন্তু তা কার স্বার্থে, যাত্রী সাধারণের স্বার্থে কি? না পুরোপুরিভাবেই যাত্রীদের স্বার্থের বিরুদ্ধে। এবং তা এক বা একাধিক মন্ত্রীর গোপন প্রশ্রয়ে।

আইনে আছে রীতিমতো যান্ত্রিকভাবে নিরাপদে চালানোর যোগ্য কিনা তা রীতিমতো পরীক্ষা করে প্রতিটি যানবাহনকে ফিটনেস সার্টিফিকেট দিতে হবে। ওই ফিটনেস সার্টিফিকেট থাকলেই শুধু যানটি সড়ক মহাসড়কে চালানো যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে। কিন্তু তা কি করা হয় ? আন্দোলনের পর বাধ্য হয়ে যে সব পুলিশি অভিযান চালানো হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রকাশিত খবরগুলোর মাধ্যমে জানতে পারছি তা হলো বেশিরভাগ যানবাহনই ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই চলছে।

এখন প্রশ্ন, তা হলে হাইওয়ে পুলিশ কেন ? তারা কি চেক করেন? এতগুলো যানবাহন যদি ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া বছরের পর বছর রাস্তায় চলতে পারে-তাহলে ওই পুলিশের প্রয়োজন কি? সবাই জানে পুলিশের পকেটে কিছু দিয়ে দিতে পারলেই ওই সার্টিফিকেটের নাকি দরকার পড়ে না।

তেমনই ব্যাপার দাঁড়িয়েছে চালকদের লাইসেন্সে র ব্যাপারে। দেখা যাচ্ছে, বেশির ভাগ ড্রাইভারেরই বৈধ লাইসেন্স নেই কিন্তু তারা দিব্যি দিবা-রাত্র কি দূরের কি নিকটের রুটে দিব্যি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছু টাকা বখশিশের বিনিময়ে। আর যানবাহনগুলোর মালিক-শ্রমিকেরা দিব্যি ঘাটে ঘাটে ঘুষ দিয়ে ফিটনেসবিহীন গাড়িসহ সব যানবাহন দিব্যি চালাচ্ছেন লাইসেন্স না থাকা চালক-হেলপারদের দ্বারা। ফলে হাজার হাজার অসহায় যাত্রীর প্রাণ অকালে সড়কে ঝরে পড়ছে।

এ অনিয়মের কারণে যে হাজার হাজার মানুষ পথেঘাটে প্রাণ হারাচ্ছেন, তাদের পরিবার-পরিজন আজীবনের জন্য অসহায় হয়ে পড়ছেন অথচ এ গুরুতর বিষয়কে দিব্যি সড়ক দুর্ঘটনা বলে উড়িয়ে দেয়ার যে ঐতিহ্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। সচেতন ভাবে ফিটনেসবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চালালে এবং যানের কারণে যে মৃত্যুঘটে তা সম্পূর্ণত সচেতন হত্যালীলা। অনুরূপভাবে গাড়ির ফিটনেস থাকলেও যদি চালক-হেলপারদের লাইসেন্স ঠিকমতো না থাকে এবং একই সঙ্গে তাদের যদি উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়া না হয়ে থাকে তবে তাদের দ্বারা যেসব মৃত্যু ঘটে তাকেও নিশ্চিতভাবে হত্যাকান্ড বলে অভিহিত করতে হবে।

এছাড়াও যে সব দুর্ঘটনা রাস্তার সংকীর্ণতার জন্য ঘটে তার জন্যেই বা কাকে দায়ী করা যাবে। সরকারের তো উচিত কোন রুটে কতগুলো এবং কোন কোন গাড়ি চলবে তা নির্ধারিত করে দেয়া রাস্তার ধারণ ক্ষমতার ভিত্তিতে। নির্ধারিত স্টপেজগুলোতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্যও গাড়ি থামা বাধ্যতামূলক করা উচিত- না থামলে তাকে দন্ডনীয় অপরাধ ঘোষণা করা উচিত। তদুপরি আইনের প্রয়োগ না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর জবাবদিহিতাই বা কোথায় ?

ফিটনেসবিহীন গাড়ি, লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে গাড়ি চালানোর দায়-দায়িত্ব অবশ্যই সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলোর মালিক-শ্রমিক, বিআরটিএ এবং পুলিশকে সমভাবে নিতে হবে। এই চতুর্শক্তির কর্মকান্ডের ফলেই তো মানুষের সড়কযাত্রা ভীতিকর বিষয়ে পরিণত হয়েছে-অসংখ্য মানুষ নিত্যদিনই হতাহত হচ্ছেন দেশের নানা অঞ্চলে। তাই এগুলোকে সুস্পষ্টভাবে আইনের যথাযথ সংশোধনী এনে ‘হত্যাকান্ড’ বলে অভিহিত করে সর্বেচ্চ দন্ডের বিধান সংযোজন করা জরুরি। সঙ্গে সঙ্গে ভাবতে হবে কিভাবে এগুলো বন্ধ করা যায়। সমস্যার মূলে আছে জনসংখ্যার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, গাড়ি-ঘোড়া যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, রাস্তাগুলোর সড়ক-মহাসড়ক নির্বিশেষে, পরিসর অত্যন্ত কম, ঢাকা সিটির এলাকা প্রয়োজনের তুলনায় কম, পরিবহন নীতিমালার অভাব, পরিবহনের ব্যবস্থাপনা সেকেলে, যানবাহনের মালিকদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভ, বেকারত্বজনিত কারণে চালক-হেলপার নামমাত্র বেতনে এবং লাইসেন্স ছাড়াই অথবা উপযুক্ত প্রশিক্ষণহীন লোকজনকে টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স প্রদান প্রভৃতি দায়ী। তাই কোন মলম দিয়ে বা ট্রাফিক সপ্তাহ জাতীয় আনুষ্ঠানিকতা দিয়ে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

তাই নিম্নোক্ত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করতে সুপাশি করছিÑ

এক. ঢাকা সিটির এলাকা মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত প্রসারিত করা হোক।

দুই. হাইকোর্ট-সুপ্রিমকোর্ট-ঢাকা জেলা ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত মানিকগঞ্জে স্থানান্তরিত করা হোক এবং সেখানে বিচারক-কর্মচারী-আইনজীবীদের বাসস্থান গড়ে তোলা হোক।

তিন. ঢাকা সিটির বাণিজ্যিক এলাকা নারায়গঞ্জে স্থানান্তরিত করা হোক।

চার. সম্প্রসারিত ঢাকা নগরীতে অন্তত ত্রিশটি বহুতল বিশিষ্ট শিক্ষা ক্যাম্পাস গড়ে তুলে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সেখানে স্থানান্তরিত করে সেখানেই শিক্ষকদের আবাসস্থল, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনমতো ছাত্রাবাস-ছাত্রীবাস ও নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক।

পাঁচ. ফিটনেস লক্কড়-ঝক্কড় মার্কা সব গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে সরকারি গুদামে রাখা হোক এবং বিআরটিএ পুনর্গঠন করা হোক।

ছয়. হাইওয়ে পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত করার কার্যকর ব্যবস্থা অবলম্বন করা।

সাত. স্বল্প গতিসম্পন্ন তিন চাকার গাড়ি যেমনÑ রিকশা, স্কুটার, ইঞ্জিনচালিত রিকশা প্রভৃতি চলাচলের লেন তৈরি করা।

আট. ফুটপাতের দোকানগুলো কঠোরভাবে তুলে দিয়ে স্বল্পভাড়ায় তাদের জন্য দোকানের ব্যবস্থা করা।

নয়. নতুন নতুন বিকল্প রাস্তা তৈরি ও সম্প্রসারণ করা।

দশ. রেলপথ উত্তর ও দক্ষিণ বাংলায় ব্যাপকভাবে নির্মাণ করে রেলগুলোকে ভারতের মতো প্রধান যাত্রী বহনকারী যানে পরিণত করা। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বগি ও ইঞ্জিন দ্রুত আমদানির ব্যবস্থা করা। বিনা টিকিটে ব ছাদে যাত্রী বহন কঠোরভাবে বন্ধ করা। বর্তমানে চালু থাকা ট্রেনগুলোকে অবিলম্বে দ্বিগুণ সংখ্যক বগি ও শক্তিশালী ইঞ্জিন স্থাপনের ব্যবস্থা করা। চলমান রেলপথগুলো আরও বেশি সংখ্যক ট্রেন চালু করা এবং রেল ভ্রমণ অধিকতর আরামদায়ক ও সময়মতো চলাচলের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে রেলওয়ে যাত্রীসেবা আধুনিক করা হোক।

এগারো. যতই কঠিন হোক নদীপথগুলোকে নদী খনন ও বেদখল নদীর জমি উদ্ধার করে নদীখনন ব্যাপকভাবে করে নদীপথে যান চলাচল, কৃষকের সেচের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশ উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এসব নানামুখী ব্যবস্থা স্বল্প-মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে গ্রহণ করে পরিবহন সংকটের স্থায়ী সমাধান করা হোক।

(সিডনি থেকে)

[লেখক : সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, ঐক্য ন্যাপ]

সাংবাদিকতায় একুশে পদক প্রাপ্ত

দৈনিক সংবাদ : ৪ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নিয়ে বিদেশে প্রথম পা

১৮ সালেই বার্সেলোনা ভ্রমণের পর রাষ্ট্রীয় কাজে একবার জাপানও গিয়েছিলাম।

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের স্পেনের বার্সিলোনায় আয়োজিত বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসের ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ-রিভ সিস্টেমের

কৃষকের ধান ক্রয় নাকি চাল রফতানি?

গত সপ্তাহে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক-শোতে একজন সরকারি অর্থনীতিবিদের কথা শুনছিলাম। সরকারি বলছি এ কারণে যে তিনি

sangbad ad

আসন্ন বাজেট : উন্নয়ন ও পাবনা

২০১৯-২০২০ সালের বাজেট আসন্ন জুনের অধিবেশনে পাস করা হবে এবং জুলাই থেকে তা কার্যকরী হওয়ার কথা। এ কথা ভাবাই যায়, খসড়া বাজেট প্রণয়ন কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং এখন হয়তো তার ঝাড়াই-বাছাই চলছে।

নাটকের নাম ‘আমি’

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সাহিত্য অঙ্গনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিকশিত শিল্প হচ্ছে নাটক। টিকিট করে নাটক দেখা শুরু হয় স্বাধীনতা

অনেক নাটকীয়তার পরে অবশেষে শপথ

রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশকিছু ওলোট-পালটের ঘটনা ঘটছে। শিগগিরই আরও কিছু ঘটবে বলে মনে হচ্ছে। মারাত্মকভাবে হতাশায় নিমজ্জিত দলগুলোতেই

প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে

image

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশজ উৎপাদন জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮.১৩ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল মঙ্গলবার

বিধ্বংসী আত্মঘাতী বোমা

ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা, তিনটি অভিজাত হোটেল ও দুটি জনবহুল স্থানে সিরিজ বোমা হামলায় এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে

হতাশায় নিমজ্জিত সরকারবিরোধী দল এ অবস্থা চিরস্থায়ী হতে পারে না

রাজনীতির সঙ্গেই ‘উত্থান-পতন’ শব্দটা জড়িত। একটার থেকে অন্যটা আলাদা করা যায় না। রাজনীতিকদের জীবনেও

sangbad ad