• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০

 

লকডাউনে মানসিক দুশ্চিন্তা

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২০

করোনার দুর্বিষহ ও ভয়াবহ অবস্থায় পাশের বাসায় কান্নার শব্দ শুনলাম; একজন ধমক দিয়ে বলছে, ‘চুপ, শব্দ করে কাঁদবি না’। আমার বারন্দা থেকে তাদের রুম দেখা যায়, তাদের সবার কান্না মুহূর্তে থেমে যায়। একজন ফোনে নিকটতম আত্মীয়কে মৃত্যু সংবাদ দিল। তারপর ওই বাসায় আর একটি শব্দও শুনলাম না। এই রোগে মৃতদেহের শেষকৃত্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় এত ভয়াবহ ছবি দেখানো হচ্ছে যে, মানুষের মৃত্যুটাও যেন অপরাধ। কাফনের কাপড়ের চার কোনায় রশি বেঁধে কবরে মৃতদেহ নামানোর দৃশ্য জীবিতদের আতঙ্কিত করে। মৃত্যুর পর মরদেহ সৎকারের দায়িত্ব জীবিত মানুষের, মৃত মানুষ এর কিছুই জানতে পারে না, বুঝতেও পারে না; সত্য হচ্ছে, যেভাবেই কবরস্থ করা হোক না কেন মৃতের জন্য তা তাৎপর্যহীন। এতদসত্ত্বেও জীবিতরা এমন শবযাত্রায় ভয় পেয়ে মানসিক দুশ্চিন্তায় ভুগছে।

আমরা যারা নিয়মিত পত্রিকা পড়ি, খবর শুনি তারা একটু বেশি আতঙ্কগ্রস্ত। তাই লকডাউন উঠে গেলেও আমরা কিছু লোক বাইরে যাচ্ছি না, কাউকে বাসায় আসতেও দিচ্ছি না। পণ্যসামগ্রী কিনতেও ভয় পাচ্ছি, কারণ গৃহবন্দী অবস্থায়ও নাকি অনেকে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আমাদের পোষা কুকুর সামায়্যালকে গোসল করানোর সময় তার কানে সম্ভবত পানি ঢুকে গেছে, এটা প্রায়ই হয়। ডাক্তার বলেছেন, কটন-বাড দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে কয়েক ফোঁটা ব্যাকটিন ড্রপ দিতে হবে। কটন-বাড বাসায় নেই, বাজারে গিয়ে আনার ঝুঁকি নিইনি। বাধ্য হয়ে ন্যাকড়া প্যাঁচিয়ে কান পরিষ্কার করলাম। স্ত্রী বলল তার ফ্রিজে রাখা কাঁচা ও রান্না করা খাবার ঠাণ্ডা হচ্ছে না; আমার স্ত্রী, আমার বা মেয়ে ঐশীর কোন কারিগরি জ্ঞান নেই। আমরা খুব ভয়ে আছি, আমাদের পানি তোলার পাম্পটি যদি নষ্ট হয়ে যায় তখন পানি পাব কই। চিন্তা হয় যদি ঘরের কোথাও বৈদ্যুতিক সমস্যা হয় তখন কী করব। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ যন্ত্রপাতিগুলো সচল রাখা খুবই জরুরি হলেও তা সম্ভব নয়। কারণ বাইরের কাউকে ঘরে ঢুকানো নিরাপদ নয়। ঘরে বিদ্যুৎ না থাকা, টেলিভিশন নষ্ট হয়ে যাওয়া, ফ্রিজ বিকল হয়ে যাওয়া- এইগুলোর একটি হলেই করোনার ভয়ে আবদ্ধ জীবন অনেক বেশি দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

মেয়ে ও তার মা অনলাইনে বাজার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফর্দ অনুযায়ী অর্ডার দিয়ে সরবরাহ প্রাপ্তির প্রত্যাশায় দিন গুনছিল, ওখানেও বিরাট কিউ। এলাকার গলি বন্ধ থাকায় অনলাইন সরবরাহের গাড়ি মেইন রাস্তায় এসে কয়েকটি থলি নিয়ে আমাদের যেতে বলল। আমি আর মেয়ে ঐশী গিয়ে মেইন রাস্তা থেকে পণ্যগুলো বাসায় নিয়ে আসি। মাছ, মাংসসহ অনেকগুলো পণ্য সাবানের পানিতে অনেকক্ষণ ডুবিয়ে রেখে করোনা মুক্ত করলাম। ধনিয়া পাতা সাবানের পানিতে ধোয়ার কারণে স্ত্রী রাগ করল, একদিনেই সব পচে যাবে। লন্ডন থেকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিনের ছাত্র আমার নাতি নির্ঝর বললো, ‘করোনায় নয়, সাবান খেয়ে তোমরা অচিরেই মরবে’। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তো অ্যালকোহল মিশ্রিত স্যানিটাইজার আর সাবান ছাড়া ভাইরাস মারার আর কোন বস্তুর কথা উল্লেখ করেনি। গোসল করে দুপুরে খাবার খেয়ে উত্তম-সুচিত্রা অভিনীত সিনেমা দেখছিলাম, হঠাৎ মনে পড়লো, বাইর থেকে এসে দরজার হাতল, পানির কল, ফ্রিজের হ্যান্ডল ধরেছি; তাই সিনেমা দেখা বন্ধ করে সাবানের পানি দিয়ে হাতের স্পর্শে দুষিত উক্ত বস্তুগুলো পরিষ্কার করলাম। এবার আর সিনেমা নয়, ঘুমানোর চেষ্টা করলাম; ঘুম আসবে আসবে এমন সময় খেয়াল হলো বাইর থেকে এসে কলিংবেল ও বাথরুমের সুইচ ধরেছিলাম। আবার উঠলাম। এত সতর্কতার মধ্যেও ভাইরাস থেকে বাঁচব তো? বয়স ষাটোর্ধ, তাই ঝুঁকি বেশি। করোনার কোন ওষুধ নেই, কিন্তু চিকিৎসারও যে বেহাল দশা তাতে করোনায় ধরলে বাঁচার আশা নেই।

বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অনেক কাহিনী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রতিদিন প্রচার হচ্ছে। দুঃখজনক হচ্ছে, কোন রোগেরই সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিদিনের বুলেটিনে বলা হয়, ‘শ্বাসকষ্ট হলে অবশ্যই আপনারা ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন’। ডাক্তার কই? হাসপাতাল কই? সরকারের দোষ দিয়ে লাভ নেই, ডাক্তার ও স্বাস্থকর্মীদের এই সময় চটানো যাবে না, চটালে যতটুকু করছে তাও করবে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সদস্য এনায়েত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সতীর্থ ছিল। আগে সে কদাচিৎ ফোন রিসিভ করত, এখন প্রায় প্রতিদিন ফোন করে খোঁজ-খবর নেয়। তার শিশু নাতিনের তিন দিন যাবত জ্বর। শিশু বিধায় শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কী না- বোঝা যাচ্ছে না। ডাক্তার ফোনে পরামর্শ দিয়েছেন এন্টিবাইওটিক খাওয়াতে। আমি বললাম, ‘খবরদার এমন কাজ করিস না, ডেঙ্গু হলে এন্টিবাইওটিক তার জীবনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে’। অগত্যা তাদের পারিবারিক ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নাতনিকে এপোলোর ডাক্তার চেম্বারে ঢুকতে যাওয়ার মুহূর্তে ডাক্তার ভুত দেখার মতো আতঙ্কিত স্বরে চিৎকার করে বললেন, ‘রোগী নিয়ে ভেতরে ঢুকবেন না, একজন এসে দূর থেকে রোগীর লক্ষণ বর্ণনা করুন’। ডাক্তারের পিপিই ও মাস্ক পরিহিত থাকা সত্ত্বেও এমন আচরণে এনায়েত বিস্মিত।

করোনার ভয়ঙ্কর রূপের বর্ণনা এত ব্যাপকভাবে প্রচার হয়েছে যে, শুধু চিকিৎসক নন, আপনজনরাও করোনা রোগীকে ঘৃণা করা শুরু করেছে। ভয় এবং কুসংস্কার কীভাবে আমাদের গ্রাস করছে তা বোঝা যায় যখন জন্মদাতা মা-বাবা করোনায় আক্রান্ত সন্তানকে টাকা, পানি আর পাউরুটি দিয়ে রাতের অন্ধকার বাঁশঝাড়ে ফেলে যান। এমন ঘৃণা ছড়িয়ে পড়ার কারণে করোনা রোগী কোয়ারেন্টিন বা আইসোলেশন কক্ষ ছেড়ে পালাচ্ছে, খুব বিপদে না পড়লে অনেকে করোনা রোগ গোপনে হজম করছে। চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থকর্মীরা সাধারণ রোগী আর করোনা রোগীর বিভাজন করতে না পারায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে সব ধরনের রোগী এড়িয়ে চলছেন। হাসপাতালগুলোতে এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। কারণ প্রাণ বাঁচানোর তাগিদ সবার রয়েছে। কুর্মিটোলা হাসপাতাল ও কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। কুর্মিটোলা হাসপাতালে বিছানা-চাদর ও বালিশবিহীন বেডে অযতœ-অহেলায় করোনা রোগে বাবার মৃত্যু নিয়ে নারায়ণগঞ্জের এক যুবক ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে যে ভিডিও বার্তা বহুদিন আগে দিয়েছিল তা চিকিৎসাসেবার অব্যবস্থাপনা পরিস্ফুট করে তোলে। আরেকটি ভিডিওতে দেখলাম, একই হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডের সব রোগী কয়েকদিন ধরে চিকিৎসা না পেয়ে দলবদ্ধ হয়ে সারা হাসপাতালে ডাক্তার খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

মহামারি করোনার দাপটে প্রসব বেদনা উঠলেও ডাক্তার বলেন, করোনা টেস্ট করে রেজাল্ট নিয়ে আসুন। করোনা টেস্ট করে রেজাল্ট আনতে আনতে রাস্তায় ডেলিভারি করানো ছাড়া গত্যন্তর থাকে না। আমার ভাইঝি লোরা পেটে ঃঁসধৎ বা আলসারের ব্যথা নিরাময়ের জন্য উচ্চমাত্রার ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে যাচ্ছে, বহু ডাক্তারকে ফোন করা হয়েছে, সবার এক কথা, ঘরে থেকে ওষুধ খেতে থাকুন, এখন দেখা দেয়া সম্ভব নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আমার ইমিডিয়েট বড় ভাই ড. মুনির উদ্দিন আহমেদ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনের ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে পত্রিকায় বহু কলাম লিখেছেন। কিন্তু এখন ডাক্তার পাব কই, প্রেসক্রিপশন দেবে কে? ফেসবুকের আনাড়ি বন্ধুদের প্রেসক্রিপশান দেখে আমরা অনেকে ওষুধ কিনে ঘরে জমা রাখছি। আমার আপন আরেক ভাই ডাক্তার জহির উদ্দিন আহমদের বয়স সত্তরোর্ধ, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান। আমরা কেউ রোগাক্রান্ত হলে তিনিও কোন সহায়তা করতে পারবেন বলে মনে হয় না। কারণ করোনায় আক্রান্ত ডাক্তারগণও যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। আমার বন্ধু কাইউমের বউয়ের ছোট ভাই ডা. মিজান উপজেলায় করোনার চিকিৎসা করতে গিয়ে নিজেই করোনায় আক্রান্ত; সেও ক্ষমতাবান একজনের সুপারিশের আগে ঢাকায় কোন ডাক্তার বা ল্যাবরেটরির সহায়তা পায়নি। তাই উচ্চ আদালতকে বলতে হয়েছে, হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা না পেয়ে কেউ মারা গেলে সেই মৃত্যুকে অবহেলাজনিত মৃত্যু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

শুধু চিকিৎসকদের অপরাধী করাও যথার্থ বলে মনে হয় না; কারণ মৃত্যুর আশঙ্কা থাকলে যুক্তি, মানবিকতা ইত্যাদি কাজ করে না, আত্মরক্ষার আদিম সংস্কারই প্রবল হয়ে উঠে। আমরা শুধু অসচেতন নই, করোনার উপসর্গ গোপন করে চতুরতা দেখাতেও আমরা ওস্তাদ। করোনা নেই মর্মে ভুয়া ডাক্তারি সার্টিফিকেট নিয়ে চার বাঙালি নাকি জাপানে ধরা খেয়েছেন। অনেক চিকিৎসক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা করে যাচ্ছেন, তারা সমাজের সর্বস্তরে বাহবাও পাচ্ছেন; কিন্তু অনেক রোগীর চিকিৎসা না পাওয়াটা অধিকতর পীড়াদায়ক বিধায় জীবনপণ করে যারা সেবা দিচ্ছেন তাদের কাজ ঢাকা পড়ে যাচ্ছে, আমরাও অসহায় বোধ করছি। নাঙ্গা তলোয়ার হাতে দৈত্যের তাড়া খেয়ে চৈত্র মাসে শক্ত মাটির ঢেলায় হোঁচট খেয়ে পড়ে যাচ্ছি-ভয়ে ঘুমের মধ্যে চিৎকার করে উঠলে মা সুরা পড়ে বুকে ফু দিয়ে বলতেন, ‘ভয় কিসের, এই তো আমি আছি’। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এমন একটি আশ্বাস বাণী শুনলে ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করার সাহস পেতাম। বহুদিন গত হওয়ায় আধ্যাত্মিক, অলৌকিক কোন আরাধনা এখন আর সাহস জোগাচ্ছে না। বিজ্ঞানের সফলতা এখনও অদৃশ্য। বরফের নিচে প্রচুর ভাইরাস কোটি কোটি বছর ধরে ঘুমিয়ে আছে, বরফ গলতে থাকলে বরফাচ্ছাদিত ওই সব অজানা নতুন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আরও হতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী আশঙ্কা করছেন। ভাইরাসের এমন প্রাদুর্ভাব হলে মেধাবীরা শিক্ষার বিষয় ও পেশা বেছে নিতে গিয়ে এখন বোধ হয় চিকিৎসাসেবাকে আর অগ্রাধিকার দেবেন না। তবে বর্তমানে পছন্দসই আভিজাত্য ডাক্তারি পেশায় অভাব, অভিযোগের যুক্তি দিয়ে দায়িত্ব পালন থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার অত্যুগ্র বাসনা বাঙালি জাতির জন্য লজ্জার।

[লেখক : বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী

পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]

ahmedzeauddin0@gmail.com

ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি

কথায় আছে কালি কলম মন লেখে তিনজন। তিনটির সমন্বয় না হলে লেখা হবে না। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে জনজীবন স্থবির

করোনা সংক্রমণ রোধে জনগণই নিয়ামক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

দফায় দফায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ৬৬ দিন পর দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করে তুলতে ৩১ মে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ফ্লয়েড থেকে বাংলাদেশে নিখিল তালুকদার হত্যা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর মে মাসের ২৬ তারিখ থেকে আন্দোলন শুরু হয়, এখনও তা চলছে। শ্বেতাঙ্গ

sangbad ad

স্বপ্নের দেশ, দুঃস্বপ্নের দেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

করোনার এ দুঃসময়ে খবর মানেই মন খারাপ করা খবর, সংবাদ মানেই দুঃসংবাদ। তার মাঝেই হঠাৎ করে সারা পৃথিবী থেকে একটা খবর নির্মল

ক্ষমার অযোগ্য বর্বরতা

বরগুনায় রিফাত নামের এক যুবককে নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

বাজেটের চাপের মধ্যেই থেকে গেল মধ্যবিত্ত

প্রতি বছরই রাষ্ট্র পরিচালনা ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে বাজেট ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে উন্নত দেশের স্বপ্ন সোপানে। আর এ স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়ে প্রতি বছরই বড় হচ্ছে বাজেটের আকার। বাস্তবায়ন হচ্ছে,

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নিয়ে বিদেশে প্রথম পা

১৮ সালেই বার্সেলোনা ভ্রমণের পর রাষ্ট্রীয় কাজে একবার জাপানও গিয়েছিলাম।

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের স্পেনের বার্সিলোনায় আয়োজিত বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসের ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ-রিভ সিস্টেমের

কৃষকের ধান ক্রয় নাকি চাল রফতানি?

গত সপ্তাহে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক-শোতে একজন সরকারি অর্থনীতিবিদের কথা শুনছিলাম। সরকারি বলছি এ কারণে যে তিনি

sangbad ad