• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯

 

ব্যাংক খাতে বিদ্যমান সংকট উত্তরণে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ

রেজাউল করিম খোকন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

সম্প্রতি তিনটি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন অনুমোদন পাওয়া তিনটি ব্যাংক হলো বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটিজেন ব্যাংক এবং পিপলস ব্যাংক। সিদ্ধান্ত আগেরই, বাকি ছিল শুধু ঘোষণা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সম্প্রতি নতুন তিন ব্যাংকের অনুমোদন দিয়ে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এসব ব্যাংককে দুই বছরের মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। অনুমোদন পর্যায়ে ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা করে। ২০০৯ থেকে মহাজোট সরকারের তিন মেয়াদে এখন পর্যন্ত ১৪টি বেসরকারি ব্যাংকের অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ নতুন তিনটি ব্যাংকের আগে নতুন ব্যাংক পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ পুলিশও। সেই ব্যাংকগুলো হলো, সীমান্ত ব্যাংক এবং কমিউনিটি ব্যাংক। নতুন তিন ব্যাংকের অনুমোদনের ফলে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২টিতে। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ব্যাংক নাজুক অবস্থায় রয়েছে, একথা সবাই জানেন। প্রয়োজন আছে বলেই বেঙ্গল কমার্শিয়াল, পিপলস ও সিটিজেন ব্যাংক নামে তিনটি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনেই নতুন ব্যাংক অনুমোদন পাচ্ছে। প্রয়োজন না থাকলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিশ্চিতভাবে এ কাজ করত না। তাদের (কেন্দ্রীয় ব্যাংকের) হয়তো বিশ্লেষণ আছে, প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে, তাই অনুমোদন দিয়েছে।’ এক সময় এ নতুন নতুন ব্যাংকগুলো অনুমোদন দেয়ার আগে সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত চাওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক তখন বলেছিল যে আপাতত নতুন ব্যাংক হওয়ার বাস্তবতা নেই দেশে। তারপরও নতুন ব্যাংক অনুমোদন দেয়া হয়। সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ ব্যাপারে মন্তব্য করেছিলেন, রাজনৈতিক কারণে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দিতে হয়েছিল। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগেও তিনি বলেছিলেন যে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে।’

বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ক’টি ব্যাংক আছে এটা ব্যাপার না। ব্যাংকগুলো যদি নিয়মনীতি মেনে চলে, কার্যক্রম যদি থাকে, যে উদ্দেশ্যে ব্যাংক করা যদি সেই উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে, অর্থাৎ গ্রাহকদের সেবা দিতে পারে, তাহলে সংখ্যা দিয়ে কিছু হবে না।’ তিনি আরও বলেছেন, আমাদের যে ব্যাংকগুলো আছে ৪০০ কোটি, ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন, বিদেশের একটা শাখার সমপরিমাণ আমাদের ২০টি ব্যাংকেরও নেই। আমি মনে করি নম্বর দিয়ে নয়। আমাদের চাহিদা আছে কিনা, যদি চাহিদা নিরূপণ করে ব্যাংক করা হয়ে থাকে তো ভালো। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, মনে হয় সবাই একটা সমীক্ষা করে তার ভিত্তিতেই কাজ করেছেন।’ নতুন ব্যাংকের লাইসেন্সের ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন ৪০০ থেকে ১০০ কোটি বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এটি খুব ভালো হয়েছে, আস্তে আস্তে ব্যাংকগুলো যদি পরিশোধিত মূলধন বাড়িয়ে নেয়, নিরাপত্তা জালটা তখন বড় হয়।’

বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। তৎকালীন এরশাদ সরকারের মেয়াদে (১৯৮২-৯০) ৯টি ব্যাংক অনুমোদন পায়। ১৯৯১-৯৬ সালে বিএনপি সরকারের সময়ে নতুন ৮টি ব্যাংক অনুমোদন পায়। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে অনুমোদন পায় ১৩ ব্যাংক। আর ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত তিন মেয়াদে ১৪টি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত এক দশকে সরকারি ব্যাংকের মতো বেসরকারি ব্যাংকেও নিয়ম না মেনে ঋণ বিতরণ, বেনামি ঋণ, সুশাসনের অভাবে পুরো খাতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে নতুন অনুমোদন পাওয়া কয়েকটি ব্যাংক বড় ধরনের অনিয়মের কারণে ধুঁকছে। মালিকানায়ও বড় ধরনের রদবদল ঘটেছে। ২০১৩ সালে কার্যক্রম শুরু করা ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) সমস্যা পুরো ব্যাংক খাতকে সমস্যায় ফেলেছে। বর্তমানে দেশে ৫৯টি ব্যাংক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর মধ্যে ৪১টি বেসরকারি খাতে ও ৯টি বিদেশি ব্যাংক। আর রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক রয়েছে ৯টি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১০ বছরে দেশে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে চারগুণ। এর বাইরে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলো অবলোপন করেছে ৪৯ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকার ঋণ।

একটা বিষয় সবাইকে মানতে হবে, পেশাদারদের দিয়ে ব্যাংক না চালালে, তা দেশের অর্থনীতিতে কোনো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবে না। অতীতে রাজনৈতিকও সামাজিক বিবেচনায় ব্যাংক হয়েছে। তা কিন্ত ভালো হয়নি, মানুষ এই ব্যাংকগুলোকে আস্থায় নিতে পারেনি। এর ফলে আর্থিক খাতও বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদি নতুন ও অভিনব ধারণা নিয়ে পেশাদারদের যুক্ত করে ব্যাংক পরিচালিত হয়, তাহলে হয়তো কিছু ভালো ফল আসতে পারে।

ব্যাংক খাতে সংস্কার এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাংক কমিশন গঠনের দাবি অনেকদিনের। সবার প্রত্যাশা ও ধারণা ছিল, খুব শীঘ্রই হয়তো ব্যাংক কমিশন গঠিত হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যাংক কমিশন বা ব্যাংক খাত সংস্কার কমিশন হচ্ছে না। হচ্ছে না এ বিষয়ে কোন টাস্কফোর্সও। তার বদলে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। খেলাপি ঋণ পর্যালোচনা কমিটি শীর্ষক এ কমিটির সদস্য হবে আপাতত পাঁচজন, পরে বাড়তেও পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামালকে প্রধান করে গঠিত কমিটিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দু’জন যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা থাকবেন। বাকি দু’জন থাকবেন রাষ্ট্র মালিকানাধীন দুই ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ব্যবস্থাপনা পরিচালক)। এ খেলাপি ঋণ আদায়ের কৌশল নির্ধারণ, খেলাপি ঋণ আর না বাড়ার উপায় অনুসন্ধান এবং বিপুল পরিমাণের ঋণ অবলোপনের কারণ খতিয়ে দেখবে। পরে কমিটি এসব বিষয়ে তাদের মতামত প্রতিবেদন আকারে অর্থমন্ত্রীর কাছে দাখিল করবে।

বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে প্রথম বলেছিলেন, ব্যাংক খাতের কার্যকম মূল্যায়নে তিনি একটি কমিশন গঠন করতে চান। তার যুক্তি ছিল, ব্যাংক খাতের উল্লেখযোগ্য প্রসার হয়েছে। এখন প্রয়োজন এ খাতের সঞ্চায়ন, সুষ্ঠু নীতিমালা ও প্রবৃদ্ধির ধারা নির্ধারণ। ব্যাংক খাতের প্রচলিত কার্যক্রম এবং এ খাতের সার্বিক অবস্থান মূল্যায়ন ও বিবেচনা করার জন্য একটি ব্যাংক কমিশন গঠনের চিন্তাভাবনা তাদের রয়েছে- এমন কথাও বলেছিলেন তিনি। এরপর থেকে চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরসহ প্রতি বাজেট বক্তব্যেই আবুল মাল আবদুল মুহিত ব্যাংক কমিশন গঠনের পক্ষে কথা বলে গেছেন।

খেলাপি ঋণ নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকের (বিএবি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের মূল চিন্তা খেলাপি ঋণ কমানো। এটা নিয়ে জাতির উৎকণ্ঠা, আমার নিজেরও উৎকণ্ঠা। তবে এক টাকাও খেলাপি ঋণ আর বাড়তে পারবে না।’

খেলাপি ঋণ ব্যাংক খাত তথা গোটা অর্থনীতিতে একটি বড় সমস্যা সন্দেহ নেই। কিন্ত ব্যাংক খাতে মূলধন পর্যাপ্ততা, প্রভিশন ঘাটতি, পুনঃতফসিল, পুনর্গঠন, সুশাসনের ঘাটতি-এসব সমস্যাও রয়েছে। ব্যাংক কমিশন বা ব্যাংক খাত সংস্কার কমিশন গঠিত হলে এগুলো সমাধানে গভীর এবং ভালো কিছু পরামর্শ পাওয়া যেত।

ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র জানতে বিশেষ পরিদর্শন শুরু করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারই অংশ হিসেবে নমুনা ভিত্তিতে রাষ্ট্রমালিকানাধীন, বেসরকারি ও ইসলামী ধারার একটি করে মোট তিনটি ব্যাংক পরিদর্শন করা হবে। পরিদর্শনে প্রাপ্ত তথ্যাদি পাঠানো হবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। এর ভিত্তিতে ব্যাংক খাত নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। রাষ্ট্র মালিকানাধীন জনতা ব্যাংক, বেসরকারি খাতে এবি ব্যাংক ও ইসলামী ধারার আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংককে বিশেষ পরিদর্শনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশেষ এ পরিদর্শনে ব্যাংকগুলোর সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে কারা বড় অংকের ঋণ পেয়েছেন। তার যথাযথ ব্যবহার হয়েছে কিনা, গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা আছে কিনা, এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা চেম্বার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ঢাকা চেম্বারের নেতারা প্রত্যাশা করেন, মন্দ ঋণ কমাতে সরকারিও বেসরকারি ব্যাংকের ঋণ প্রদানে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ নিশ্চিত করবে সরকার। এর পাশাপাশি সরকার ব্যাংক ঋণের সুদের হার এক অংকের ঘরে নামিয়ে আনবে।

সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে বলা যায়, আমাদের ব্যাংক খাত এখন ভালো সংকটের সময় পার করছে। বর্তমান সময়ে যেভাবে চলছে তা যদি অব্যাহত থাকে অদূর ভবিষ্যতে সংকট আরও বাড়বে। বড় আকারের খেলাপি ঋণ তো আছেই। হস্তক্ষেপ করে এবং বাস্তবতার বাইরে গিয়ে যেভাবে সুদের হারকে নয় ও ছয় শতাংশ করা হলো, সত্যিই তা নয় ছয় হয়েছে। ব্যাংক খাত কি আদৌ এর জন্য প্রস্তুত? যদি না হয়, খাতটিকে আরও খারাপ দিকে নিয়ে যাওয়ার একটি ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। ওদিকে আছে ১ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ। অবলোচন আছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। পুনঃতফসিলের পরিমাণটা অবশ্য বলা নেই। তবে প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে খেলাপি ঋণ বাড়ে আর ডিসেম্বরে তা কমে। পুনঃতফসিল হলো অ্যাডহক, দীর্ঘ মেয়াদে সমাধান নয় এককালীন জমা দিয়ে দু’বার, তিনবার পুনঃতফসিল করা যায়। আসলে যেসব গ্রাহক পুনঃতফসিল করতে আসেন, তারাই আসল এখানে। একদল আছেন যারা আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসেন। আবার কেউ বলেন, পুনঃতফসিল না করলে আমি দিতে পারছি না। ব্যাংকের তখন আর কী করণীয় থাকে? পুনঃতফসিল না করলে খেলাপি করতে হয় বা অবলোপন করতে হয়। তখন আবার ব্যাংককে এর বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রাখতে হয়। প্রভিশন রাখতে গেলে আবার ঋণ দেয়া বা মুনাফা অর্জনের সক্ষমতাও কমে যায়। ব্যাংকের উদ্যোক্তাদেরও ভালো মুনাফা দেয়া যায় না।

অর্থনীতির ভিত্তি দুর্বল হয়ে যায় ত্রুটিপূর্ণ ব্যাংকিং খাতের জন্য। আমাদের এগিয়ে চলা অর্থনীতির সব অর্জন ম্লান হয়ে যায় ব্যাংক ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে। আমরা কোনোভাবেই আমাদের অর্থনীতির অবক্ষয়, বিপর্যয় প্রত্যাশা করি না। ব্যাংক খাতকে যত দ্রুত সম্ভব খেলাপি ঋণের বোঝা মুক্ত করে সুশাসন শুদ্ধাচার নিশ্চিত করে সুস্থ, সুন্দর সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে। আর এ জন্য দরকার অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, আমানতকারী, নীতি-নির্ধারকসহ সব পক্ষকে নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে বাস্তবমুখী কার্যকর জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ।

[লেখক : ব্যাংকার ]

দৈনিক সংবাদ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বুধবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

আসন্ন বাজেট : উন্নয়ন ও পাবনা

২০১৯-২০২০ সালের বাজেট আসন্ন জুনের অধিবেশনে পাস করা হবে এবং জুলাই থেকে তা কার্যকরী হওয়ার কথা। এ কথা ভাবাই যায়, খসড়া বাজেট প্রণয়ন কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং এখন হয়তো তার ঝাড়াই-বাছাই চলছে।

নাটকের নাম ‘আমি’

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সাহিত্য অঙ্গনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিকশিত শিল্প হচ্ছে নাটক। টিকিট করে নাটক দেখা শুরু হয় স্বাধীনতা

অনেক নাটকীয়তার পরে অবশেষে শপথ

রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশকিছু ওলোট-পালটের ঘটনা ঘটছে। শিগগিরই আরও কিছু ঘটবে বলে মনে হচ্ছে। মারাত্মকভাবে হতাশায় নিমজ্জিত দলগুলোতেই

sangbad ad

প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে

image

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশজ উৎপাদন জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮.১৩ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল মঙ্গলবার

বিধ্বংসী আত্মঘাতী বোমা

ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা, তিনটি অভিজাত হোটেল ও দুটি জনবহুল স্থানে সিরিজ বোমা হামলায় এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে

হতাশায় নিমজ্জিত সরকারবিরোধী দল এ অবস্থা চিরস্থায়ী হতে পারে না

রাজনীতির সঙ্গেই ‘উত্থান-পতন’ শব্দটা জড়িত। একটার থেকে অন্যটা আলাদা করা যায় না। রাজনীতিকদের জীবনেও

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসে ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ দেখতে রিভ সিস্টেম দেখতে যাবার পথে হঠাৎ একটি বাক্য দেখে

দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন জাতীয় বিল্ডিং কোডের যথাযথ বাস্তবায়ন

অগ্নিদুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না রাজধানী ঢাকার। মাত্র ৩৭ দিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় ঘটল আরেকটি বিভীষিকাময় আগ্নিকান্ড। গত ২০

রাজনীতিকে নোংরামির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষ এ দুই খেলোয়াড়

রাজনীতিতে সর্বকালেই দুষ্টু গ্রহণের আবির্ভাব হয়েছে। তারা রাজনীতির মতো সুন্দর ও সম্ভাবনাময় অঙ্গনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, নোংরা করেছে।

sangbad ad