• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯

 

আমজনতার অর্থনীতি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মার্চ ২০১৯

বিগত শতাব্দীর শেষার্ধে সংক্রামক ব্যাধি নিচয়ের নিয়ন্ত্রণে গোটা বিশ্বে সবাই উঠে পড়ে লাগলেও এবং গুটি বসন্ত কলেরা যক্ষ্মা ম্যালেরিয়ার মতো মহামারী নির্মূলে সফল হতে সক্ষম হলেও মানুষের সুন্দর সাবলীল জীবনযাপনের পথে নীরবে তার সর্ব কর্মক্ষমতা হরণকারী অ-সংক্রামক ব্যাধি ডায়াবেটিসের বিস্তার রোধে ও নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি সচেতনার অনিবার্যতা এবং এর জন্য সুপরিকল্পিত সার্বজনীন উদ্যোগ গ্রহণে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণের আবশ্যকতা যথা মনোযোগ ও চেতনার চৌহদ্দিতে আনা আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান সমস্যা ও সীমাবদ্ধতাসমূহের প্রতি বিশ্ব দৃষ্টি আকর্ষণ এবং সব সরকার ও জনগণের তরফে সংহত ও সমন্বিত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে ঐকমত্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস) জাতিসংঘকে প্রস্তাব গ্রহণের আহ্বান জানায়। মূলত বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির হয়ে বাংলাদেশ সরকারের আহ্বানে এবং য়ৌক্তিকতার প্রচারণা-প্রয়াসে ১৪ নভেম্বরকে প্রতিষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ডায়াবেটিক দিবস হিসেবে ঘোষণা দিয়ে জাতিসংঘ ২০০৭ সালে ৬১/২২৫ নং প্রস্তাব গ্রহণ করে। সে থেকে জাতিসংঘের সব সদস্য দেশে, বিশ্ব ডায়াবেটিক ফেডারেশনের দুইশ’র অধিক সদস্য সংগঠনে, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সংস্থা কোম্পানী পেশাজীবী সংগঠন ও ডায়াবেটিক রোগীদের মাঝে বিশ্ব ডায়াবেটিক দিবস নানান প্রাসঙ্গিক প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে উদযাপিত হচ্ছে। ২০০৭ সালেই জাতিসংঘের গৃহীত প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গে নীল সার্কেল লোগোটিও নির্বাচিত হয়। নীল বৃত্ত জীবন ও স্বাস্থে’্যর ঋণাত্মক প্রতীক, নীলাকাশ সব জাতি নিচয়কে সংঘবদ্ধ করেছে এবং এ কারণে জাতিসংঘের পতাকার রংও নীল। নীল বৃত্ত বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিক মহামারীকে নিয়ন্ত্রণ ও জয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের প্রতীক। এবার ডায়াবেটিক সচেতনতা দিবসের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে, সুষম খাবার গ্রহণ করুন, নিয়মিত হাঁটুন ও শরীরকে সচল রাখুন, ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ ও ইনসুলিন গ্রহণ করুন। তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার ও ‘ফাস্ট ফুড’ পরিহার করুন।’

রোগ হিসেবে যার বয়স হাজার বছরের, প্রসার প্রতিপতিত্বে গজেন্দ্রগামী, আহ্বায়ক অনেক অসংক্রামকের, মহামারি আকারে যার বিস্তার বিভৎসতায় ভাবিয়ে তুলছে গোটা বিশ্বকে তাকে চিনতে-জানতে, নিয়ন্ত্রণে প্রতিরোধের নাকি এখনই সময়, সেই মহাসর্বনেশে শত্রুরূপী রোগটির নাম ডায়াবেটিস। যুগে যুগে দেশে দেশে তার হরেক নাম- মধুমেহ, বহুমূত্র, ডায়াবেটিস মেলিশাস, এন্ডোক্রাইন এবং মেটাবলিক ডিসঅর্ডারস। গোটা বিশ্বে এখন প্রতি আট সেকেন্ডে একজন করে ডায়াবেটিক রোগী মারা যাচ্ছে- এ ভয়াবহ সংবাদ ভাবিয়ে তুলছে গোটা বিশ্বকেই। নীরব ঘাতক স্বভাবের ডায়াবেটিক রোগটি এমনিতে দেহে বহু ব্যাধির (চোখ, হার্ট, কিডনিসহ মূল্যবান অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যাপক ক্ষতিসাধনে সক্ষম) আহ্বায়ক। এ রোগটির অব্যাহত অভিযাত্রায় শঙ্কিত সবাইকে এটি নিয়ন্ত্রণে যথাসচেতন করে তুলতেই বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠা দিবসকে (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) ডায়াবেটিক সচেতনতা দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে ১৯২১ সালে ফ্রেডারিক ব্যানন্টিং এবং চার্লস বেস্ট কর্তৃক ইনসুলিনের আবিষ্কার এক যুগান্তকারী অগ্রগতি- এ জন্য ব্যানিটং চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন ১৯২৩ সালে। বলাবাহুল্য, ১৪ নভেম্বর ফ্রেডারিক ব্যানন্টিংয়ের জন্মদিবসকেই তার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনার্থে বিশ্ব ডায়াবেটিক দিবস হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী ৪র্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০১৫-১৯) মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘ডায়াবেটিস রোগকে জানা এবং নিয়ন্ত্রণ’। এটি (ক) ডায়াবেটিক রোগীদের শিক্ষার মাধ্যমে ক্ষমতায়নের (খ) সরকার সমূহকে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধমূলক উপযুক্ত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি মোকাবিলার (গ) স্বাস্থ্যকর্মী পেশাজীবী সম্প্রদায়কে অধিকতর গবেষণা ও বাস্তব কৌশল উদ্ভাবনের দ্বারা উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগে যতœশীল হতে এবং ( ঘ) সব সাধারণ জনগনকে ডায়াবেটিসের ভয়াবহতা সমপর্কে অবহিত হয়ে কীভাবে এর থেকে দূরে থাকা বা প্রতিরোধ করা সম্ভব সে সম্পর্কে সচেতন হওয়ার তাগিদ দেয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে ব্যক্তির সজ্ঞান ও আন্তরিক আগ্রহ আবশ্যক তবে তাকে উদ্বুদ্ধকরণ, সার্বিক সহায়তা প্রদান, চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টি এবং উপায় উপকরণ সরবরাহ তথা পরিবেশ নির্মাণে অবিসংবাদিত ভূমিকা রয়েছে সরকার এবং সমাজের। সুস্থ জনশক্তি বা নাগরিকের সুস্বাস্থ্য সব রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার অন্যতম অবলম্বন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে ২০০০ সালে ভিত্তি বছরে বিশ্বে ডায়বেটিক রোগীর সংখ্যা যেখানে প্রায় ১৭ কোটি (বিশ্ব জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৩ ভাগ) ছিল, তাদের আশঙ্কা ২০৩০ সালে সে সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হয়ে যাবে। প্রাদুর্ভাবের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায় উন্নত বিশ্বে টাইপ ২ অর্থাৎ ইনসুলিন নিরপেক্ষ রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় দেশসমূহে সবচাইতে বেশি (১৮০%), এর পর আফ্রিকা মহাদেশে (১৬০%), তারপর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় (১৫৫%) হারাহারিমতে ডায়াবেটিক রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবার প্রবণতায় রয়েছে। বিশ্বে গড় বিস্তার যেখানে ১১৪% আমাদের বাংলাদেশে সেই বিস্তারের হার ১৪৯% যা য়থেষ্ট আশঙ্কাজনক।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষামতে নগরায়ন, ওয়েস্টার্ন ফুড আর সার্বিক পরিবেশ এর ভারসমাম্যহীনতায় এই রোগের বিস্তারকে করছে বেগবান। বিশ্ব রোগ নিরাময় কেন্দ্রের মতে এ শতকের মাঝামাঝি তক পৌঁছার আগেই এটি মানবভাগ্যে মারাত্মক মহামারী রূপে উদ্ভাসিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ডায়াবেটিক তথ্য নিকাশ কেন্দ্রের হিসাবমতে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই এই ঘাতকব্যাধি বছরে ১৩২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিসাধন করে জাতীয় অর্থনীতির।

রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে বেশিদিন ধরে থাকলে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। সাধারণত: ডায়াবেটিস বংশগত কারণে ও পরিবেশের প্রভাবে হয়। কখন কখনও অন্যান্য রোগের ফলেও হয়ে থাকে। এ রোগ সব লোকেরই হতে পারে। ডায়াবেটিস একবার হলে আর সারে না। এটা সবসময়ের এবং আজীবনের রোগ। তবে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করে এ রোগকে ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব হয়। অতিরিক্ত প্রস্রাব, অত্যধিক পিপাসা, বেশি ক্ষুধা, দুর্বল বোধ করা এবং কেটে ছিঁড়ে গেলে ক্ষত তাড়াতাড়ি না শুকানো হচ্ছে এ রোগের সাধারণ লক্ষণ। যাদের বংশে (রক্ত-সম্পর্কযুক্ত আত্মীয় স্বজনের ডায়াবেটিস আছে, যাদের ওজন খুব বেশি, যাদের বয়স ৪০ এর ওপর এবং যারা শরীর চর্চা করেন না-গাড়ি চড়েন এবং বসে থেকে অফিসের কাজকর্মে ব্যস্ত থাকেন তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অত্যধিক চিন্তা-ভাবনা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, আঘাত, সংক্রামক রোগ, অস্ত্রোপাচার, অসম খাবার, গর্ভাবস্থা এবং ওজন বেশি বেড়ে গেল এ রোগ বাড়াতে সাহায্য করে। এগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখে প্রথম থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে কোন কোন ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করা যায়। ডায়াবেটিস প্রধানত: দু’প্রকারের : (ক) ইনসুলিন নির্ভরশীল এবং (খ) ইনসুলিন নিরপেক্ষ। ইনসুলিন নির্ভরশীল রোগীদের ইনসুলিনের অভাবের জন্য ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। ইনসুলিন নিরপেক্ষ রোগীদের দেহে কিছু পরিমাণ ইনসুলিন থাকে। তবে চাহিদার প্রয়োজনে তা যথেষ্ট নয় বা শরীর ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না। এ সব রোগীদের খাদ্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনে শর্করা কমানোর বড়ি সেবন করতে হয়।

ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়। বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয়, এ ধারণা ঠিক নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা এবং ওষুধ এ রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায়। খাদ্যের গুনগত মানের দিকে নজর রেখে পরিমাণ মতো খাদ্য নিয়মিতভাবে গ্রহণ, জীবনের সবক্ষেত্রে নিয়মকানুন বা শৃঙ্খলা মেনে অর্থাৎ কাজেকর্মে, আহারে, বিহারে, চলাফেরায়, এমন কি বিশ্রামে ও নিদ্রায়, শৃঙ্খলা মেনে চলা দরকার। নিয়মশৃঙ্খলাই ডায়াবেটিস রোগীর জীবনকাঠি। ডায়াবেটিস রোগীকে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব গ্রহণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মতো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। রোগ সম্বন্ধে ব্যাপক শিক্ষা ছাড়া ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় না। তবে ডায়াবেটিস বিষয়ে শিক্ষা শুধু রোগীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। একই সঙ্গে আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুবান্ধব এবং ডাক্তার ও নার্সদের শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। রোগী যদি চিকিৎসকের সঙ্গে সহযোগিতা করে তার উপদেশ ও নির্দেশ ভালোভাবে মেনে চলেন এবং রোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা যথাযথভাবে গ্রহণ করেন তবে সুখী, কর্মঠ ও দীর্ঘজীবন লাভ করতে পারেন।

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রায় সবক’টি দেশই এক থেকে পাঁচ দশক ধরে স্বাধীনতা ভোগ করে এলেও দেশগুলো আজও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা মূল (স্থূল) জাতীয় উৎপাদনের (Gross National Product) স্বল্পতা, অক্ষরজ্ঞানের নিম্নহার, অনুন্নত কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, অপর্যাপ্ত জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা, ব্যাপক অপুষ্টি, উচ্চজন্ম ও শিশু মৃত্যুর হার এবং পৌনঃপুনিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সংগ্রাম করে চলছে। এতোসব সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি দমনের সঙ্গে সঙ্গে এই অঞ্চলের অধিবাসীদের আয়ুষ্কাল ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পক্ষান্তরে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যথা-ডায়াবেটিস মেলাইটাস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদির প্রকোপ বেড়েছে।

ডায়াবেটিক মেলাইটাস সংক্রামক রোগ না হওয়ার কারণে এখনও পর্যন্ত দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রায় সব দেশের স্বাস্থ্য কার্যক্রমের অগ্রাধিকার তালিকায় সংক্রামক রোগের তুলনায় এর স্থান অনেক নিচে। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও তাদের আঞ্চলিক অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। সুতরাং ডায়াবেটিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা কর্মসূচি এ সব দেশে সন্তোষজনকভাবে গড়ে ওঠেনি। সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনা মূল্যে চিকিৎসা করা হয় ঠিকই কিন্তু রোগীকে ইনসুলিন দেয়া হয় শুধু হাসপাতালে ভর্তি হলেই, বহির্বিভাগের রোগীকে কখনই ইনসুলিন দেয়া হয় না। দেশের শতকরা ৮৫ ভাগ অধিবাসী যে পল্লী অঞ্চলে বাস করে, সেখানে ইনসুলিন পাওয়া যায় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডায়াবেটিসের মতো আজীবন রোগের ক্ষেত্রে যে ভিন্নতর দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন এ সব উন্নয়নশীল দেশে সে সস্পর্কে যথেষ্ট সচেতনতাও নেই। যেসব হাসপাতালে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করা হয় সেখানেও এই সব রোগীর কোন নথি কিংবা তালিকা রক্ষা করা হয় না; এমনকি কোন কেন্দ্রীয় নিবন্ধনও নেই।

ড. মোহাম্মদ আবদুর মজিদ, সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির চিফ কো অর্ডিনেটর mazid1273@hotmail.com

দৈনিক সংবাদ : ৭ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

রাষ্ট্রভাষার প্রয়োগ হচ্ছে না

বাংলাদেশে বাংলা ভাষা-সাহিত্য ও বাংলা হরফ নিয়ে প্রচুর মাতামাতি থাকলেও আসলে বাংলাদেশে বাংলার সেই মর্যাদা নেই যেটির সাংবিধানিক

উপাসনালয়ে জঙ্গি-আক্রমণ

কয়েক দিন আগে নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে এক শ্বেতাঙ্গ জঙ্গির সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জন মুসলমান মারা গেছেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের ওপর এমন

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান

image

মহান রাষ্ট্রনায়ক, স্থিতধি রাজনীতিবিদ, প্রখ্যাত জননেতা, ভাষাসৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশিকোত্তম ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি

sangbad ad

‘বাংলাদেশের গণহত্যা-রাজনীতি ও প্রতিহিংসার ইতিহাস’- পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ

বাংলাদেশে গণহত্যা কার্যক্রম অপারেশন সার্চলাইটের অধীনে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে পূর্ব

মুজিব : ভাষারাষ্ট্রের পিতা

image

মুজিব তোমাকে শততম জন্মদিনের শুভেচ্ছা। বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম বাঙালি, বিশ্বের একমাত্র বাংলা ভাষার রাষ্ট্রের পিতা, বাংলা ভাষার আন্দোলনের জনক, চার

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

গ্যাস লাভজনক অবস্থায় দফায় দফায় দাম বাড়নো হচ্ছে। গত ২০১৭ সালে গ্যাসের দাম বাড়ানো

মানসম্মত শিক্ষার চ্যালেঞ্জগুলো

বাংলাদেশ দিন দিন উন্নত হচ্ছে এবং বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। কিন্তু একইসঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষার মানে

মফস্বলের সাংবাদিকরা গৃহবন্দী

বর্তমানে সাংবাদিকতা এক কঠিন অবস্থার ভেতর দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ বলে

রাজধানীর বায়ুদূষণ : আমাদের বিবেক জাগ্রত হোক

বিভিন্ন দেশের বাতাসের মান নিয়ে গবেষণা করে আসছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। সম্প্রতি বৈশ্বিক বায়ুমান প্রতিবেদন ২০১৮

sangbad ad