• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

 

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

এবি সিদ্দিক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯

গ্যাস লাভজনক অবস্থায় দফায় দফায় দাম বাড়নো হচ্ছে। গত ২০১৭ সালে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয় ২২.০৭ শতাংশ। এর প্রায় দেড় বছর আগেও গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল। গ্যাস খাত চলছে লাভজনক অবস্থায়। পেট্রোবাংলার মাসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, চলতি অর্থবছরের গত আগস্ট মাস পর্যন্ত সব ক’টি কোম্পানি কর অন্তে নিট মুনাফা করেছে ২৭০ কোটি ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা আর সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে ১ হাজার ২৫৮ কোটি ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা। এমনিভাবে প্রতি বছরই গ্যাস খাতে মুনাফা বাড়ছে, সরকারের কোষাগারে জমা পড়ছে মোটা অঙ্কের টাকা, অপরদিকে দফায় দফায় দাম বাড়িয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এবার দাম বাড়ানোর অজুহাত হলো এলএনজি আমদানিতে যে মোটা অঙ্কের লোকসান দিতে হচ্ছে তা পুষিয়ে নেয়া। গ্যাসের বর্ধিত চাহিদা মেটাতে গিয়ে আমদানি করা হচ্ছে এলএনজি। বেশি দামের এলএনজি আমদানি করতে গিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ ভর্তুকি গুণতে হচ্ছে সরকারকে। আর এই ভর্তুকির দায় চাপনো হচ্ছে জনগণের ওপর। অভ্যন্তরীণ বাজারের চেয়ে প্রায় ৫ গুণ বেশি দামে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কিনছে সরকার। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান গত বছর (অক্টোবরে) ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, এলএনজি আমদানিতে ভর্তুকি দেয়া হলেও গ্যাসের দাম বাড়ানো হবে না। তিনি বলেছিলেন ‘চলতি অর্থবছরে (২০১৭-১৮) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য সরকার ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেবে সেজন্য গ্যাসের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের গড় ভারিত মূল্য সাত টাকা ১৯ পয়সা। এটা ১ টাকা ৪৬ পয়সা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। তবে চলতি অর্থবছরে এলএনজি আমদানিতে ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রয়োজন হবে। যা সরকারি তহবিল থেকে সরবরাহ করা’। গ্যাসের চাহিদা বেড়ে চলায় চাহিদা মেটাতে সরকারকে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) গ্যাসের চাহিদা ছিল ১ হাজার ২৩৩ বিলিয়ন ঘনফুট আর চলতি অর্থবছরে চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৪৫ বিলিয়ন ঘনফুট। আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরে চাহিদা নির্ধরাণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫১৫ বিলিয়ন ঘনফুট। যে পরিমাণে গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে, সেই পরিমাণে উৎপাদন বাড়ছে না। আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি (আইওসি) এখনও দেশীয় কোম্পানির চেয়ে গ্যাস উৎপাদন করছে বেশি। পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আইওসি মোট উৎপাদনের ৬০ শতাংশ আর দেশীয় কোম্পানিগুলো ৪০ শতাংশ গ্যাস উৎপাদন করে। আর চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসের হিসাবে আইওসি’র উৎপাদন আরও বেড়ে ৬১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এখানে উল্লেখ্য, গত তিন বছর যাবৎ গ্যাসের উৎপাদন কমে আসছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট উৎপাদন ছিল ২৭ হাজার ৪৪৫ দশমিক ২৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কমে এসে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৪২৯ দশমিক ৯৮৩ মিলিয়ন ঘনফুটে। উৎপাদন কমছে দেশীয় কোম্পানিগুলোর আর বাড়ছে আইওসির। বর্তমানে ২৭টি ক্ষেত্রের ১১০টি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। সম্ভাব্য গ্যাসের মজুদ ৩৯ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট যার মধ্যে ২০১৭ সাল পর্যন্ত উত্তোলন হয়েছে ১৫ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। বর্তমান মজুদ আছে ১২ দশমিক ৫৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। গ্যাসের সর্বাধিক ব্যবহার হচ্ছে বিদ্যুৎ খাতে। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের হিসাবে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের ব্যবহার ছিল ৪শ’ বিলিয়ন ঘনফুটের বেশি যা ২০০৯-১০ অর্থবছরে ছিল ২৮৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনফুট। আর একই সময়ের ব্যবধানে ক্যাপটিভ পাওয়ারে ব্যবহার ১১২ দশমিক ৬ থেকে বেড়ে ১৬০ বিলিয়ন ঘনফুট ছাড়িয়ে যায়। বিদ্যুৎ খাতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সারকারখানায় গ্যাসের সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে সারকে আমদানি নির্ভর করে তোলা হচ্ছে। মোট ব্যবহারের মাত্র ৫ শতাংশ গ্যাস দেয়া হচ্ছে সারকারখানায়। গত অর্থবছরের হিসাব মতে শিল্পে গ্যাসের ব্যবহার ১৬ দশমিক ৫১, গৃহস্থালিতে ১৫ দশমিক ৭৫, সিএনজি’তে ৪ দশমিক ৬৮, বিদ্যুতে ৪০ দশমিক ৭৮, ক্যাপটিভ ১৬ দশমিক ২৬, বাণিজ্যিক শূন্য দশমিক ৭৫ ও চা বাগানে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ গ্যাস ব্যবহার হয়েছে। গ্যাসের এ অবস্থার মধ্যে সরকার সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছে বলা চলে। কারণ-ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় গ্যাসের মজুদ ধরে রাখতে হবে। অবশ্য সরকার বেশ আগেই এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আমদানিকৃত এ গ্যাসের দাম দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি হবে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গ্যাস ব্যবহারকারী বা ভোক্তারা চিন্তিত। বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, গত তিন দশকে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার এবং শেষ পর্যন্ত কেন আমরা এলএনজি আমদানির পথে গেলাম, তা একটু বিচার-বিশ্লেষণের দাবি রাখে। চাহিদার তুলনায় দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতাই এর কারণ। তদুপরি প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা যে গতিতে বাড়ছে, এর উৎপাদন সেই গতিতে বাড়ছে না বা বাড়বে না। এর কারণ, আমাদের অপ্রতুল প্রাথমিক উত্তোলনযোগ্য মজুত, দেশীয় বিনিয়োগের অভাব বা অক্ষমতা, বিদেশি বহুজাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোর বড় আকারের বিনিয়োগে অনিচ্ছা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার আশি ও নব্বইয়ের দশকে সন্তোষজনক ছিল না।

এই দুই দশকে যেখানে প্রবৃদ্ধি ছিল ২ থেকে ৫ শতাংশের মতো, সেখানে গত দুই অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে খাতওয়ারি অবদানেরও পরিবর্তন এসেছে। গত তিন দশকে জিডিপিতে খাতওয়ারি অবদানের হার হিসাব করলে দেখা যায় যে অতীতে (আশি বা নব্বইয়ের দশকে) কৃষি ক্ষেত্রের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি (শতকরা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ)। শিল্পক্ষেত্রে তখন অবদান ছিল কম (১০ থেকে ১৫ ভাগ)। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপিতে কৃষিক্ষেত্রের অবদান দাঁড়িয়েছে ১৫ ভাগের কম আর শিল্প ক্ষেত্রের অবদান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ শতাংশ। শিল্প ক্ষেত্রে জ্বালানি চাহিদা কৃষি বা অর্থনীতির অন্যান্য খাতের চেয়ে অনেক বেশি। সাধারণভাবেই এটা বোঝা যায় যে দেশে জ্বালানি চাহিদা বাড়ার প্রধান কারণ দেশের বিদ্যুতায়ন ও শিল্পায়ন, তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন। গত দুই দশকে জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে দেখা যাবে যে, বিদ্যুৎ, শিল্প ও গৃহস্থালি ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ও ব্যবহার বেড়েছে, অন্যদিকে সার উৎপাদন কমেছে যার ফলে সার খাতে সরকারকে বছরে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন, শিল্পায়ন ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির কারণে এ পরিবর্তন ঘটেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে ২০২১, ২০৩১ ও ২০৪১ সালে হবে যথাক্রমে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, ৪০ হাজার মেগাওয়াট ও ৬০ হাজার মেগাওয়াট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫০ ভাগ আসবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা সুবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত বলে মনে হয় না। বড় আকারে কয়লা ব্যবহার পরিবেশের জন্য বিপর্যয়কর হবে। অক্সফোর্ড জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ২০১৩ সালে এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের অপূর্ণ চাহিদার পরিমাণ প্রতি বছর ৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ঘনমিটার থেকে ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ঘনমিটার (এলএনজির হিসেবে ৭ দশমিক ৪৬ থেকে ৯ দশমিক ৬২ মিলিয়ন টন) বলে হিসাব করেছিল। নিজস্ব উৎপাদন বৃদ্ধি বা আমদানির মাধ্যমে এ চাহিদা মেটাতে হবে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে না, কিন্তু পর্যাপ্ত অনুসন্ধানের অভাবে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

ইতোমধ্যে আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের মজুত বৃদ্ধি ও নতুন মজুত যোগ করে এ ঘাটতি মেটানো যেতে পারে, যা অতীতে করা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান পরিণত পর্যায়ে যায়নি। মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় অযৌক্তিক। দেশের মূল ভূখন্ডে বড় আকারের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা কম (যদিও ছোট অনেক অনাবিষ্কৃত মজুত আছে বলে মনে করা হয়) ; সমুদ্রে প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় আকারের মজুত খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বাংলাদেশ সরকারের গ্যাস সেক্টর মাস্টারপ্ল্যান ২০১৭ অনুযায়ী, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদার তুলনায় ঘাটতির পরিমাণ বছরে প্রায় ১০ বিলিয়ন কিউবিক মিটার (এলএনজির হিসাবে যা দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন টন)। ২০১৮ সালে গ্যাসের মোট চাহিদার ১৭ ভাগ এলএনজি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হবে, যা ২০২৩ সালে দাঁড়াবে ৪০ ভাগ, ২০২৮ সালে দাঁড়াবে ৫০ ভাগ এবং ২০৪১ সালে দাঁড়াবে ৭০ ভাগ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেই হিসাবে ২০৪১ সালে এলএনজি আমদানির পরিমাণ প্রতিবছর ৩০ মিলিয়ন টন হতে পারে। জ্বালানিবিষয়ক পরামর্শ ও গবেষণা ব্যবসায়ী কোম্পানি উড ম্যাকেঞ্জি ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দিয়েছে যে ২০২০, ২০২৫ ও ২০৩০ সালে প্রতি বছর বাংলাদেশের এলএনজির চাহিদার পরিমাণ হবে ৪ মিলিয়ন টন, ৮ মিলিয়ন টন ও ১১ মিলিয়ন টন। কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ এলএনজি আমদানির দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির স্বাক্ষর করেছে। তবে বর্তমানে মধ্যমেয়াদি চুক্তিতে এবং খোলাবাজারেও (স্পট মার্কেটে) প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পর্যাপ্ত এলএনজি সহজলভ্য। আমাদের অঞ্চলে ওমান, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউগিনি ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোও এলএনজি রফতানি করে। দেখেশুনে ও বাজার যাচাই করে সুবিধামতো এলএনজি কেনার উদ্যোগ নিতে হবে। ২০১৬ সালে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, ভারত ও তাইওয়ান ছিল পৃথিবীর সর্বোচ্চ এলএনজি আমদানিকারক প্রথম পাঁচটি দেশ। এছাড়া আমাদের অঞ্চলে পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর জন্য এলএনজি আমদানি করে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০ সালের মধ্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার হবে ৮ শতাংশ। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ যদি ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ হতে চায়, তবে আগামী ২০ বছর ধরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ১০ শতাংশ হতে হবে। এর অর্থ, আরও দ্রুত শিল্পায়ন ও জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধি। সরকারের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে দেশের স্থলভাগে ও সমুদ্রসীমায় ব্যাপক আকারে প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে এবং শুধু ঘাটতির ক্ষেত্রে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। এভাবেই দেশে এলএনজি আমদানি সীমিত রাখা যাবে।

[লেখক : সাংবাদিক]
amarbangla233@gmail.com

দৈনিক সংবাদ : ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসে ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ দেখতে রিভ সিস্টেম দেখতে যাবার পথে হঠাৎ একটি বাক্য দেখে

দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন জাতীয় বিল্ডিং কোডের যথাযথ বাস্তবায়ন

অগ্নিদুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না রাজধানী ঢাকার। মাত্র ৩৭ দিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় ঘটল আরেকটি বিভীষিকাময় আগ্নিকান্ড। গত ২০

রাজনীতিকে নোংরামির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষ এ দুই খেলোয়াড়

রাজনীতিতে সর্বকালেই দুষ্টু গ্রহণের আবির্ভাব হয়েছে। তারা রাজনীতির মতো সুন্দর ও সম্ভাবনাময় অঙ্গনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, নোংরা করেছে।

sangbad ad

গড়ে তুলুন ডিজিটাল স্কুল

image

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিগত দশকের সবচেয়ে যুগান্তকারী স্লোগানটি হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। স্লোগান হিসেবে এটি যত বেশি আলোচিত

আগুন আগুন

ত্রিশ-চল্লিশ বছর পূর্বে গ্রামের কোথাও আগুন লাগলে আমরা ‘আগুন আগুন’ বলে চিৎকার করতাম; এ চিৎকার শুনে সবাই দৌড়ে এসে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বদলি ও পদায়ন নিয়মের মধ্যে আনুন

বদলি ও পদায়ন নিয়ে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে থাকা কর্মকর্তাদের বদলি না করা, অনিয়মে

সড়কপথে হত্যালীলা নিত্যদিন প্রতিদিন!

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন গড়ে তুলল তাদের দুই সতীর্থের আকস্মিক ও নির্মম হত্যার প্রতিবাদে। আকস্মিকভাবে

আরও ভালো হবে পঞ্চম শ্রেণী থেকে পাবলিক পরীক্ষাটা তুলে দিলে

শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পরীক্ষার চাপ কমানোর কথা চলে আসছিল বেশ আগে থেকেই। এবার সে চাপ কমে গেল। তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত আর

ডিজিটাল সংযুক্তি ও জীবনধারা

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা বিভিন্নভাবে আলোচিত হয়েছে। প্রধানত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তিনটি কৌশলের কথা বলা হয়ে থাকে।

sangbad ad