• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯

 

রাজনীতির পথে প্রান্তে

গণশুনানির তামাশা এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ

ফকীর আবদুর রাজ্জাক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০২ মার্চ ২০১৯

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পূর্ব ঘোষিত গণশুনানির কাজ শুরু করেছে। ড. কামাল হোসেন এই গণশুনানির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সুপ্রিমকোর্ট বার সমিতির অফিসে বসেছিল ওই শুনানির কর্মসূচি। পরের দিনই বার সমিতির ভিন্নমতের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সুপ্রিমকোর্ট বার সমিতির অফিসে একটি রাজনৈতিক জোটের ওই কর্মসূচি পালন করা যাবে না। আবার চেষ্টা করা হলে বাধা দেয়া হবে। কারণ বার সমিতির কার্যালয় সুপ্রিমকোর্টের সকল সদস্যদের জন্য। সমিতি অফিস কোন দল বা জোটর নয়। তারপর থেকে গণশুনানির কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে। আর কোন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে না। প্রথম দিন ১০-১৫ জন প্রার্থীর বক্তব্য শোনার পর এখন থেমে গেছে। অন্য কোন ভেন্যুতেও কর্মসূচি পালনের কথা ঘোষণা করা হয়নি। ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক আগেই বলেছিলেন ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি গণতামাশায় পরিণত হবে। এখন দেখছি পরিস্থিতি তেমন পরিণতিই পেতে যাচ্ছে! একটা ভেন্যুর ব্যাপারে আপত্তি উঠলে আয়োজকরা অন্য একটা ভেন্যু ভাড়া করেও তাদের বহু প্রচারিত গণশুনানি অব্যাহত রাখতে পারতেন। রহস্যজনকভাবে ব্যাপারটা কেমন যেন চাপা পড়ে যাচ্ছে। ঘটনাটি কি? তাহলে কি ফ্রন্টের অভ্যন্তরে গণশুনানি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তবে দেশের যে কোন কৌতূহলী মানুষই লক্ষ্য করেছেন প্রথম দিনের গণশুনানিতে যা হয়েছে তাকে তামাশা ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। কেননা সেদিন শুনানিতে যে কয়জন প্রার্থী বক্তব্য রেখেছেন তারা সবাই একই কথা বলেছেন। কারচুপি হয়েছে, আগের রাতেই ব্যালট বাক্স ভরে রাখা হয়েছিল, এজেন্টদের কেন্দ্রে যেতে দেয়া বা কর্মীদের কেন্দ্রের কাছেও যেতে দেয়নি। সব ধরনের প্রশাসন কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারের পক্ষে কাজ করেছেন নির্বাচন কর্মীরাও ওই একই কাজ করেছেন। গোটা জানুয়ারি মাস ধরে বিএনপি নেতা ও ঐক্যফ্রন্ট নেতারা ওই একই অভিযোগ তুলে আকাশ-বাতাশ ঘোলাটে করে ফেলেছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে গণশুনানি করতে এসে কেউ একটাও নতুন কথা বলতে পারেননি। অথচ আমরা আশা করেছিলাম- গণশুনানিতে এসে প্রার্থীরা তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরবেন, ছবি, ভিডিও, সাক্ষী প্রভৃতি তুলে ধরে তাদের অভিযোগের পক্ষে বিশ্বাসযোগ্য বিষয় দেশবাসীর সামনে তুলে ধরবেন।

কিন্তু দুঃখজনক হলো- তার কিছুই তারা পারেননি। বিশ্বাস করার মতো একটা উদাহরণও দিতে পারেননি। অনেকেই বলেছেন, আমরাও বলেছি এবং সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন- বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনই করেনি। নির্বাচনে অংশ নেয়ার নামে তারাই চরম প্রহসন করেছে। যদি নির্বাচন করত যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামত তাহলেই কেবল জানতে পারত- সরকারি দল ও প্রশাসনের লোকেরা কি কি ভাবে জালিয়াতি করেছে। তখন অবশ্যই কিছু না কিছু জালিয়াতির তথ্য-উপাত্ত তাদের হাতে থাকত। আসলেই যারা নির্বাচনে তেমনভাবে অংশই গ্রহণ করেনি তারা কেমন করে দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত বা ডকুমেন্টারি প্রমাণ দেবে?

দেশের কোথাও কোথাও বিএনপি প্রার্থীরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। তাদের প্রতিকূল পরিবেশ ছিল। কেন ছিল তা বিএনপির নেতারা সঠিকভাবেই জানেন। কেবল মিডিয়ার কাছে বলেছেন ভিন্ন কথা। তবু অনেক প্রার্থীই প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করেই নির্বাচন করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে ছিলেন। তাদের বেশির ভাগ জিততে না পারলেও ভালো ভোট পেয়েছেন, অন্তত জামানত হারাতে হয়নি। যেমন রাজশাহী শহর থেকে বিএনপির যে প্রার্থী নির্বাচন করেছেন এক সময় মনেই হয়েছিল তিনি জিতে যাবেন। কিন্তু সামান্য ব্যবধানে হেরে গেছেন। তিনি বা তার মতো নির্বাচন করা প্রার্থীরা এখনও কেউ গণশুনানিতে আসেননি। ভবিষ্যতে যদি আসেন তাহলে নির্বাচনে জালিয়াতির কিছু প্রামাণ্য তথ্য হয়তো দিতে পারবেন। কিন্তু যারা নির্বাচনই করেননি, কেবল মিডিয়াতে অসত্য মনগড়া তথ্য প্রচারেই ব্যস্ত ছিলেন অথবা প্রতিপক্ষ সরকারি দলের প্রার্থীর জনপ্রিয়তা দেখে সত্যিটা বুঝে তাদের অনেকেই আবার নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে কৌশলে সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে বাহবা নেয়ার চেষ্টা করেছেন। ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের বোঝার ঘাটতি থাকলেও ড. কামালের তা থাকার কথা না। তিনি বেশ ভালো করেই জানতেন শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে চলে গিয়েছে। তিনি যখন দল ছেড়ে চলে যান তখনকার অবস্থা এখন শেখ হাসিনার নেই। জাতির পিতার যোগ্য কন্যা ছাড়াও তিনি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যে বিস্ময়কর সাফল্য দেখিয়েছেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি যেভাবে দেশের সামগ্রিক উন্নতির জন্য কাজ করে গেছেন, মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করেছেন, জিডিপি সাত ভাগের উপরে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন এবং বড় বড় দুঃসাহসিক মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে একের পর এক তা বাস্তবায়ন করে চলেছেনÑ তাতে দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষই পুনরায় তাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চেয়েছিলেন। তারাই বুকভরা ভালোবাসা দিয়ে উজাড় করে ভোট দিয়েছে। অর্থাৎ শেখ হাসিনা এবারের নিবাচনে বিপুলভাবে বিজয়ী হবেন তা দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষ যেমন জানতেন তেমনি বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সরকার ও তাদের মিডিয়া জগতও জানত। নির্বাচনের আগেই তার আভাস তারা দিয়েছিল। কিন্তু অন্য কেউ না বুঝতে চাইলেও ড. কামাল হোসেনের মতো একজন বিজ্ঞ প-িত ব্যক্তিকে আমরা অদূরদর্শী বলতে চাই না। শুনানির তামাশা বা নাটক করে তিনি কি বোঝাতে চান? এতে করে তার প্রজ্ঞা-বিচার বুদ্ধির ঘাটতি প্রমাণিত হচ্ছে না?

সম্প্রতি বিএনপির একজন নেতা এবং নির্বাচনেও প্রার্থী ছিলেন- মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান একটা কলাম লিখে বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে কথা না বলাই মঙ্গল। কথাটা আত্মসমালোচনার মতো। নিজে বোধ হয় নির্বাচনটা স্বচক্ষে উপলব্ধি করেই ওই কথা বলেছেন। নির্বাচনে তো ত্রুটি-বিচ্যুতি, দুর্নীতি হয়েছেই, তবে তা পুকুর চুরির মতো নয়। তাতে ফলাফলের বিরাট কোন হের ফের হতো না। দেশের জনগণের কিন্তু পুকুর চুরি দূরের কথা সাগর চুরি করার ঘটনার কথাও মনে আছে। বিএনপি-জাতীয় পার্টির নেতারা কি তাদের অতীত চেহারা আয়নায় দেখতে পারেন? বাস্তবতা মেনে ভুল স্বীকার করা সাহসের কাজ। সেই সাহস তারা কোনদিনও দেখাতে পারেনি; যদি পারত তাহলে অনেক আগেই জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা ভুল সিদ্ধান্ত তা স্বীকার করে নিয়ে নতুন প্রজন্ম যারা সংখ্যায় শক্তি ও মেধায় এখন দেশের সবচাইতে বড় শক্তি তাদের কাছে টানার সুযোগ নিতে পারতেন। তাই ‘কান কাটার পর কানে হাত না দিয়ে চিলের পেছনে দৌড়িয়ে’ আর লাভ নেই। বাস্তবতা মেনে নিয়ে দল, নেতৃত্ব যেমন পুনর্গঠন করতে হবে, তেমনি নীতি আদর্শ ও লক্ষ্যেরও ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। তবেই নতুনভাবে দাঁড়াতে পারবে বিএনপি।

ডাকসু নির্বাচন
আগের একটি লেখাতেই বলেছিলাম ২৮ বছর পরে ডাকসুতে যে নির্বাচন হতে চলেছে যে কোন মূল্যে তাকে স্বাগত জানাতে হবে; সফল করে তুলতে হবে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন বা জোটের নানা দাবি-দাওয়া থাকবেই সেসব দাবি দাওয়ার সবই যৌক্তিক নয়, তা নয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যখন একটা নিয়ম বিধি-বিধান গঠনতন্ত্র সবার পরামর্শ নিয়েই প্রণয়ন করে তার ভিত্তিতে নির্বাচনের আয়োজন করেছেন, তখন ছাত্র সমাজকে তা মেনে নিয়ে নির্বাচন করাটাই সবচাইতে বুদ্ধিমানের কাজ। বন্ধ হয়ে থাকা নির্বাচনটা একবার চালু হয়ে গেলে ভবিষ্যতে ছাত্ররা দাবি দাওয়ার কথা তুলে কর্তৃপক্ষের দ্বারা তা বহাল করিয়ে নিয়ে পারবে। যৌক্তিক দাবি হলে কেন মানবেন না তাদের শিক্ষক কর্তৃপক্ষ? তারা এখনই দাবি-দাওয়ার কথা তুলে নির্বাচনটা নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। ছাত্রদলের হয়ে কোন মহল হাইকোর্টে রিট করেছিলেন নির্বাচন স্থগিত করার জন্য। ইতিপূর্বে বহুবার এ রকম ঘটনা ঘটেছে। ফলে বারবার নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। এবারও সেই চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্ট ওই রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে সর্বশেষ খবর- সকল ছাত্র সংগঠনই তাদের প্যানেল ঘোষণা রয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দিতে শুরু করেছে। ওদিকে ছাত্রলীগের মনোনয়নবঞ্চিতরা একটা ভিন্ন প্যানেল দিয়েছিল, শেষপর্যন্ত তারাও সেই প্যানেল প্রত্যাহার করে নিয়েছে। সব মিলিয়ে এখন নির্বাচনী পরিবেশ জমজমাট। সব ছাত্র সংগঠনই বলেছে- এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যেমন ভালো রয়েছে শেষদিন পর্যন্ত তা যদি থাকে তাহলে তা হবে ডাকসু নির্বাচনের জন্য শুভ লক্ষণ। দেশের শিক্ষানুরাগী প্রতিটি মানুষই চায় ডাকসু নির্বাচন সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হোক এবং ক্যাম্পাসে আবার প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসুক। অস্ত্রের ঝনঝনানি কারও আর কাম্য নয়।

এমপিও
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বহু বছর ধরে স্কুল, কলেজ ও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়টা চলে আসছে। অর্থাৎ সরকার শিক্ষালয় ও শিক্ষকদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধার দায়িত্ব নিয়ে থাকে। যতদিন স্কুল-কলেজ সরকারিকরণ না হবে ততদিন চলে এ ব্যবস্থা। এরই মধ্যে দেশের বহু কলেজ বিদ্যালয় সরকারি হয়েছে এবং বহু বেসরকারি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তির অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি সরাসরি দেখাশোনা ও নিয়ন্ত্রণ করে শিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। সার্বিকভাবে দায়িত্ব পালন করে প্রাথমিক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অতএব সরকারি নিয়ম বিধি-বিধান অনুযায়ী সব কিছু হয়ে থাকে এটাই ধরে নেয়া যায়। তবু অনেক স্কুল-কলেজ মানসম্মত হওয়ার পরও সরকারি হয় না বা এমপিওভুক্ত করা হয় না। এসব ক্ষেত্রে থাকে দুর্নীতি। এটা বহু কাল ধরেই চলে আসছে। মানসম্মত হলে বা শর্ত পূরণ করা হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমে অনার্স ও পরে মাস্টার্স শ্রেণী খোলার অনুমোদন দেয় বেসরকারি ও সরকারি কলেজে। এটা সরকারের উচ্চশিক্ষা প্রসারের নীতি। সম্প্রতি দেশের বহু বেসরকারি কলেজের শিক্ষকরা মানববন্ধন করে সরকার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে। এটাই শিক্ষকদের বা কলেজ কর্তৃপক্ষের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে দাবি জানানোর পদ্ধতি। অবশ্যই এ ধরনের পদ্ধতি শান্তিপূর্ণ। সরকার এসব দাবির প্রতি গুরুত্ব দেবে এটাই ধরে নেয়া হয়। স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি ডিসি, ইউএনও’দের অনেকই সহানুভূতিশীল ব্যবহার করে স্মারকলিপি গ্রহণ করে যথাস্থানে প্রেরণ করেন আবার কিছু কিছু কর্তাব্যক্তি আছেন, যারা কলেজ শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেও দ্বিধা করেন না। একজন কলেজ শিক্ষকের কাছ থেকে জেনেছি- একটি জেলার ডিসি সাহেব তাদের স্মারকগ্রহণের সময় বলেছেন- কে আপনাদের অনার্স খোলার অনুমতি দিল, কি লেখাপড়া হয় কলেজে কি মান তার? এ ধরনের কথাবার্তার মাধ্যমে ডিসি সাহেবের অযোগ্যতাও প্রমাণ হয়েছে তা বেশ পরিষ্কার। কারণ কোন কলেজে অনার্স এমএ খোলার অনুমতি দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। তাও নিয়ম-বিধি-শর্তের মাধ্যমে। সরকারের এসব আইনকানুন সম্পর্কে ডিসির অজ্ঞতা রয়েছে। এ ধরনের কর্তব্যক্তিরাই সরকারের প্রিয়পাত্র হওয়ার জন্য সবচাইতে কার্যকর ক্ষতি করে সরকারেরই। দলীয় কর্মীদের দ্বারা যে ক্ষতি হয় তা পুষিয়ে নেয়া যায় কিন্তু বড় বড় কর্তাব্যক্তিরা অতি মোসাহেবি দ্বারা এসব কাজ করে সেটাই কার্যত ক্ষতি করে, যা পুষিয়ে নেয়া যায় না। যেমন এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে এক শ্রেণীর কর্মকর্তারা বাড়াবাড়ি করেছেন সরকারের প্রিয়পাত্র হওয়ার লক্ষ্যে, যার কোনই প্রয়োজন ছিল না। দুর্নাম হয়েছে সরকারের।

দুই শিল্পমন্ত্রীর বাকযুদ্ধ
দুই সাবেক শিল্পমন্ত্রী কেমিক্যাল কারখানা সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে একে অন্যের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন। একজন তো ক্ষিপ্ত হয়ে মহাজোটের শরিক সাবেক শিল্পমন্ত্রীকে বলেই দিয়েছেন- এদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্যতা নেই। বস্তুত, জোটের রাজনীতির খুবই কঠিন। নীতি লক্ষ্যের বিষয়। পুরান ঢাকার প্রচ- ঘনবসতি এলাকা থেকে কেমিক্যালের কারখানা সরিয়ে একটি কেমিক্যাল পল্লী গড়ে তুলতে হবে। এটা সরকারের নীতি। কিন্তু নীতি বাস্তবায়ন করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এটাই সত্য। উচ্চ আদালতের মতে কাউকে না কাউকে দায়িত্ব নিতেই হবে। বারবার এত প্রাণহানি জাতি মেনে নিতে পারে। তাই একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ না তুলে কালবিলম্ব না করে ঘরে ঘরে কেমিক্যাল কারখানা ও গুদাম বন্দ করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে হবে। এই বাস্তবতা আজ উপলদ্ধি করে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এটাই হোক প্রতিজ্ঞা।

[লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট]

দৈনিক সংবাদ : ২ মার্চ ২০১৯, শনিবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

আসন্ন বাজেট : উন্নয়ন ও পাবনা

২০১৯-২০২০ সালের বাজেট আসন্ন জুনের অধিবেশনে পাস করা হবে এবং জুলাই থেকে তা কার্যকরী হওয়ার কথা। এ কথা ভাবাই যায়, খসড়া বাজেট প্রণয়ন কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং এখন হয়তো তার ঝাড়াই-বাছাই চলছে।

নাটকের নাম ‘আমি’

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সাহিত্য অঙ্গনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিকশিত শিল্প হচ্ছে নাটক। টিকিট করে নাটক দেখা শুরু হয় স্বাধীনতা

অনেক নাটকীয়তার পরে অবশেষে শপথ

রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশকিছু ওলোট-পালটের ঘটনা ঘটছে। শিগগিরই আরও কিছু ঘটবে বলে মনে হচ্ছে। মারাত্মকভাবে হতাশায় নিমজ্জিত দলগুলোতেই

sangbad ad

প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে

image

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশজ উৎপাদন জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮.১৩ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল মঙ্গলবার

বিধ্বংসী আত্মঘাতী বোমা

ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা, তিনটি অভিজাত হোটেল ও দুটি জনবহুল স্থানে সিরিজ বোমা হামলায় এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে

হতাশায় নিমজ্জিত সরকারবিরোধী দল এ অবস্থা চিরস্থায়ী হতে পারে না

রাজনীতির সঙ্গেই ‘উত্থান-পতন’ শব্দটা জড়িত। একটার থেকে অন্যটা আলাদা করা যায় না। রাজনীতিকদের জীবনেও

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসে ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ দেখতে রিভ সিস্টেম দেখতে যাবার পথে হঠাৎ একটি বাক্য দেখে

দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন জাতীয় বিল্ডিং কোডের যথাযথ বাস্তবায়ন

অগ্নিদুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না রাজধানী ঢাকার। মাত্র ৩৭ দিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় ঘটল আরেকটি বিভীষিকাময় আগ্নিকান্ড। গত ২০

রাজনীতিকে নোংরামির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষ এ দুই খেলোয়াড়

রাজনীতিতে সর্বকালেই দুষ্টু গ্রহণের আবির্ভাব হয়েছে। তারা রাজনীতির মতো সুন্দর ও সম্ভাবনাময় অঙ্গনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, নোংরা করেছে।

sangbad ad