• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০

 

করোনা সংক্রমণ রোধে জনগণই নিয়ামক

মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

দফায় দফায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ৬৬ দিন পর দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করে তুলতে ৩১ মে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদে সব ধরনের সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হলো সীমিত পর্যায়ে। সঙ্গে খুলছে পুঁজিবাজারসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানও। তবে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঠদান বন্ধ রেখে প্রয়োজনে অফিসের কার্যক্রম চালু রাখা যাবে। গণপরিবহন চলাচলেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে কিছু শর্তসাপেক্ষে। বাসে, ট্রেনে, লঞ্চে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ কারণে বাসের ভাড়া শতকরা ৬০ ভাগ বৃদ্ধিরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জনগণকে বইতে হবে এ বাড়তি ভাড়ার বোঝা। দেশে যখন প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার, বেড়ে চলছে মৃত্যু, সেই মুহূর্তে সীমিত পরিসরে হলেও অফিস খুলে দেওয়াকে ভালো চোখে দেখছেন না অনেকে। এ ফলে দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে ধারণা তাদের। বাস্তবে অনেকটা ঘটছেও তাই। ৬ জুন ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৪৩ জনে এবং মৃতের সংখ্যাও একদিনে সর্বোচ্চ ৪২ জন। আরও লক্ষণীয় এর আগে যেদিন অফিস খুলে দেয়ার ঘোষণা এলো (৩১ মে) সেদিনই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঘোষণায় করোনার কারণে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ ৪০।

অফিস খুলে দেশের অর্থনীতি সচল রাখা বর্তমান করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সময়ে কতখানি যুক্তিযুক্ত এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক বক্তব্য আসছে। বাস্তবতা বিবেচনায় দুপক্ষেই যুক্তি কম জোরালো নয়। প্রশ্ন, জীবন আগে নাকি জীবিকা আগে? জীবন বাঁচলেই তবে জীবিকা- এটা যেমন সত্য, তেমনি জীবিকা ছাড়া জীবনকে কতদিন সচল রাখা যায়! কাজ ছাড়া তো জীবন চলে না। দেশে দিন এনে দিন খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যা অনেক। দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস গার্মেন্টসগুলো দীর্ঘ কাল ধরে বন্ধ ছিল। বলতে গেলে গত মার্চ থেকে কোন সেক্টরেই কাজ হয়নি তেমন কোন। সে কারণে রপ্তানি আয়ে ধস নামার মুহূর্তে কিছু গার্মেন্ট কারখানা হঠাৎ করে খোলার ঘোষণা এলো। গ্রাম-গ্রামান্তর থেকে ঢাকার পথে ছুটতে লাগলো শ্রমিকের দল। তখন যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। পায়ে হেঁটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা ছুটতে হলো, পাছে চাকরিটা চলে যায়। তখন ফেরিঘাটের মানুষের ভিড়ের অমানবিক চিত্র সচেতন মহলে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে তুলেছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের মুখে এমন গাদাগাদি, ঠাসাঠাসি করে মানুষের চলাচল করোনা বিস্তারে আরেক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে।

গেল ২৬ মার্চ থেকে যে কদিন লকডাউনে কড়াকড়ি ছিল প্রথম সেই কটা দিন ছাড়া ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায়, তখনও মানুষকে রাস্তাঘাটে চলাচল করতে দেখা গেছে। বাজারে সব সময়ের জন্য ভিড় লক্ষ করা গেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিয়ে সব সময়ই ঢিলেঢালা ভাব দেখা গেছে। লকডাউন যেন একটা প্রহসনে পরিণত হয়েছে। মাস্ক পরা, না-পরা নিয়ে জনমনে একটা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রয়েছে সব সময়েই। মনে হয়েছে, করোনাভাইরাসের মতো একটি অপ্রতিরোধ্য জীবাণুর বিস্তার দেশের জন্য কোনো সমস্যাই নয়। আরও কঠিন পরিস্থিতি লক্ষ করা গেছে গেল ঈদের ছুটিতে। এবারের টানা পাঁচ দিন ঈদের ছুটিতে জনগণকে যার যার অবস্থানে থেকে ঈদ উৎসব পালন করতে বার বার বলা হলেও বাস্তবে তা দেখা যায়নি। বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মানুষ। শেষ মুহূর্তে প্রাইভেটকার চলাচলের অনুমতি দেওয়ায় প্রাইভেটকারই গণপরিবহনে রূপ নিয়েছে। উচ্চ ভাড়া দিয়ে প্রাইভেটকারে বা অটোরিকশায় মানুষ জড়ো হয়েছে ফেরিঘাটে। লোকে লোকারণ্য ফেরিঘাটে কোনো রকম সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। ঢাকার বাইরে করোনাভাইরাস বিস্তারে ঈদযাত্রার এই বেহাল অবস্থা প্রভাব ফেলেছে নিঃসন্দেহে।

লকডাউন সফল করতে সরকারের পক্ষ থেকে গৃহীত পদক্ষেপে খুব একটা কড়াকড়ি আরোপিত হতে দেখা যায়নি প্রথম থেকেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের রাস্তায় নামিয়ে কিছুদিন চেষ্টা করেও তেমন সফলতা লাভ করেনি। তারা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেননি। তবে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছাড়া লকডাউন, কারফিউ যাই বলি না কেন কোনকিছুই বাস্তবে রূপ দেয়া যায় না। তবে লকডাউন কার্যকর করতে প্রশাসনের কিছু সদস্যের এবং জনপ্রতিনিধির অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির কঠোর সমালোচনা এবং প্রতিবাদের মুখে প্রশাসনের কার্যক্রম নমনীয় হয়ে যায় বলে কথিত রয়েছে। মানুষ যেন এই সুযোগটিই অনায়াসে গ্রহণ করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সরকারের নির্দেশ অমান্য করে সামাজিক দূরত্ব না রেখে চলাফেরা করে, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বেপরোয়া ঘুরে ফিরে কেউ কি সরকারকে ঠকিয়েছে? অ্যাম্বুলেন্সে রোগী বহনের মিথ্যে স্টিকার লাগিয়ে বিনোদনে বেরিয়ে কাকে ফাঁকি দেওয়া হয়েছে! করোনা সংক্রমণের পর বেপরোয়াভাবে পরিবারের সঙ্গে মিলে মিশে বরং নিজের মা-বাবা, ভাইবোন, স্ত্রী-সন্তানকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

সরকার যে সর্বক্ষেত্রে সব সময়ে শতভাগ সফল সেকথা কেউ বলবে না। দেশে হাসপাতালের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। করোনা চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক হাসপাতাল, রোগীর জন্য যথেষ্ঠ বেড নাই। কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশনের জন্য সুযোগ-সুবিধা সীমাবদ্ধ। ভেন্টিলেটরের রয়েছে অভাব। পিপিই’র সরবরাহ নিয়ে রয়েছে অভিযোগ। মাস্কের মান নিয়ে বিতর্কের সুরাহা শোনা যায়নি আজও। জনপ্রতিনিধের চাল চুরি, তেল চুরির জন্য তেমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে দেখা যায়নি। এতকিছুর পরও সরকারের সফলতার কিছু সত্য স্বীকার করতে হবে। রোগীর দেহে প্লাজমা ট্রান্সমিশন সফলভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে দেশে যা পৃথিবীর অনেক দেশ এখনও পারেনি। উন্নত বিশে^ও কোনো দেশই করোনা সংক্রমণ রোধে তেমন রাতারাতি সফলতা দেখাতে পারেনি। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এক অদৃশ্য কীটের কাছে হেরে গেছে সবাই। দেশের নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসকগণ নিরলস সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। রোগীর প্রাণ বাঁচাতে অকাতরে বিসর্জন দিয়েছেন নিজের অমূল্য জীবন। তাদের এ আত্মদানে পথে বসেছে পরিবার পরিজন। একইভাবে করোনা সংক্রমণ থেকে দেশের মানুষকে রক্ষার প্রচেষ্টায় পুলিশবাহিনীর সদস্যেদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করবে।

করোনা সংক্রমণ রোধে কেন সাধারণ ছুটি ঘোষণা বারবার, কেন দেওয়া হচ্ছে না লকডাউন বা কারফিউ-এ নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। এর পেছনে যুক্তিও তুলে ধরা হচ্ছে। সাধারণ ছুটি বলায় এটাকে মানুষ শুধু ছুটি হিসাবে মনে করে নিয়েছে। লকডাউনের মতো ব্যাপারটা গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু ছুটিতে তো শুধু ঘরে থাকতে বলা হয়েছে বারবার। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কজন মেনেছে তা। আর লকডাউনও কি জনগণ সঠিকভাবে মেনেছে। মানেনি। তারা রীতিমত বাজারে গেছেন, রাস্তায় ঘোরাঘুরি করেছে স্বাভাবিক সময়ের মতো। ঈদের বাজার সরগরম করে রেখেছেন। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পর্যন্ত জীবনঝুঁকির মধ্যে ফেলে বাজারে নিয়ে গেছেন। ঈদের ছুটিতে দেশের বাড়িতে ছুটে গেছে সামাজিক দূরত্বের বালাই না রেখে গাদাগাদি করে। যারা এমনটি করলেন তারা কখনোই ভাবেননি একবার ঈদে নতুন জামা না পরলে তেমন কি ক্ষতি হয়? একটি বার মাত্র ঈদের আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে না মিললে কি মানুষ মরে যায়?

সরকারকে অনেক অর্থনৈতিক ক্ষতি স্বীকার করে এ ধরনের লকডাউন ও সাধারণ ছুটি দিতে হয়েছে। দেয়া হয়েছে জনগণের জীবন রক্ষার অভিপ্রায়ে। আগামী দিনে কখনও করোনাভাইরাসের ইতি ঘটলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিকে ফিরিয়ে আনতে সরকারকে অনেক বেগ পেতে হবে। ইতোমধ্যে দেশে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের কাজ দিতে হবে। বিদেশ প্রত্যাগতদের মধ্যে যারা আর বিদেশে ফিরে যেতে পারবেন না তাদের নিয়েও আলাদা করে ভাবতে হবে সরকারকেই। তার ওপর বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বোঝা রয়েছে সরকারের মাথায়। বিভিন্ন খাতে সরকারকে ভতুর্কি দিয়ে চালাতে হয়েছে। দেয়া হয়েছে বিশাল অঙ্কেও প্রণোদনা। দেশের লাখ লাখ সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীকে তিন মাস ঘরে বসিয়ে রেখে বেতন দিতে হয়েছে। খাদ্য সহায়তা দিতে হয়েছে অসংখ্য মানুষকে। তাই সরকারকে কোন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যেকোনো কাজে হাত দিতে হয় অনেক কিছু মাথায় রেখে। বাইরে থেকে অনেক আলোচনা-সমালোচনা করা চলে অতি সহজে। তবে যে কোন সরকারের সময় দেশে চলমান অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ অবশ্যই করা দরকার। তাতে সরকারি প্রশাসনযন্ত্র সজাগ থাকে। কাজের জবাবদিহিতার ব্যাপারে সচেতন হয়। শুধু প্রতিবাদের খাতিরে প্রতিবাদ কখনও কোন কাজের সমাধান বয়ে আনে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের যে দ্রুত বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে তাতে আগামী দিনে আরও কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে দেশ। এখনই দেশের অঞ্চলভেদে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করে লাল অঞ্চলকে অধিক গুরুত্ব সহকারে করোনা প্রতিরোধী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পর্যায়ক্রমে অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ হলুদ জোন এবং আরও পরে সবুজ জোনে কার্যক্রম চালু করার কথা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কেননা করোনা কখনোই সব জায়গায় একই সময়ে সমভাবে বিস্তার লাভ করে না। প্রাথমিক অবস্থায় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ এবং মাদারীপুরে বিস্তৃত হয়ে ক্লাস্টার রূপে পরবর্তীতে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। অবস্থার অবনতি ঘটলে দেশে ক্লাস্টার পর্যায়ে আবার লকডাউন এমনকি কারফিউর প্রয়োজন পড়াও অস্বাভাবিক নয়। তবে সরকারকে যে পন্থাই অবলম্বন করতে হোক না কেন তা মেনে চলতে হবে জনগণকেই। সবাইকে ঘরে থাকতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে বেরোতে হলে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস পরে নিতে হবে। সামাজিক দূরত্ব মেনে বাইরের জরুরি কাজগুলো দ্রুত সমাধা করে ঘরে ফিরতে হবে। ফিরেই পোশাক বদলিয়ে স্নান সেরে ফেলতে হবে। সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে বার বার। কারও মধ্যে করোনা লক্ষণ দেখা গেলে তাকে আইসোলেশনে চলে যেতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জনগণকে অবশ্যই বিশ^াস রাখতে হবে করোনা প্রতিরোধে গৃহীত সব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে জনগণের মঙ্গলার্থে। সাধারণ ছুটি, লকডাউন বা কারফিউ-করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ জনগণকে যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে নিজেদের স্বার্থেই। অন্যথায় আগামী দিনে বড় ধরনের বিপদ অপেক্ষা করছে যার মাশুল দিতে হবে জনগণকেই।

[প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক]।

দৈনিক সংবাদ : ১৩ জুন ২০২০, শনিবার, পাতা ৪-এ প্রকাশিত

লকডাউনে মানসিক দুশ্চিন্তা

করোনার দুর্বিষহ ও ভয়াবহ অবস্থায় পাশের বাসায় কান্নার শব্দ শুনলাম; একজন ধমক দিয়ে বলছে, ‘চুপ, শব্দ করে কাঁদবি না’।

ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি

কথায় আছে কালি কলম মন লেখে তিনজন। তিনটির সমন্বয় না হলে লেখা হবে না। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে জনজীবন স্থবির

যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ফ্লয়েড থেকে বাংলাদেশে নিখিল তালুকদার হত্যা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর মে মাসের ২৬ তারিখ থেকে আন্দোলন শুরু হয়, এখনও তা চলছে। শ্বেতাঙ্গ

sangbad ad

স্বপ্নের দেশ, দুঃস্বপ্নের দেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

করোনার এ দুঃসময়ে খবর মানেই মন খারাপ করা খবর, সংবাদ মানেই দুঃসংবাদ। তার মাঝেই হঠাৎ করে সারা পৃথিবী থেকে একটা খবর নির্মল

ক্ষমার অযোগ্য বর্বরতা

বরগুনায় রিফাত নামের এক যুবককে নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

বাজেটের চাপের মধ্যেই থেকে গেল মধ্যবিত্ত

প্রতি বছরই রাষ্ট্র পরিচালনা ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে বাজেট ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে উন্নত দেশের স্বপ্ন সোপানে। আর এ স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়ে প্রতি বছরই বড় হচ্ছে বাজেটের আকার। বাস্তবায়ন হচ্ছে,

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নিয়ে বিদেশে প্রথম পা

১৮ সালেই বার্সেলোনা ভ্রমণের পর রাষ্ট্রীয় কাজে একবার জাপানও গিয়েছিলাম।

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের স্পেনের বার্সিলোনায় আয়োজিত বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসের ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ-রিভ সিস্টেমের

কৃষকের ধান ক্রয় নাকি চাল রফতানি?

গত সপ্তাহে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক-শোতে একজন সরকারি অর্থনীতিবিদের কথা শুনছিলাম। সরকারি বলছি এ কারণে যে তিনি

sangbad ad