• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

 

উপাসনালয়ে জঙ্গি-আক্রমণ

জিয়াউদ্দীন আহমেদ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ২৪ মার্চ ২০১৯

কয়েক দিন আগে নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে এক শ্বেতাঙ্গ জঙ্গির সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জন মুসলমান মারা গেছেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের ওপর এমন বর্ণবাদী ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় বিশ্বের বিবেকবান সকলে স্তম্ভিত। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি। অস্ট্রেলিয়ার বংশোদ্ভূত আটাশ বছর বয়সী ব্রেন্টন ট্যারান্ট সুপরিকল্পিতভাবে কাছাকাছি দুটি মসজিদ- আল নূর ও লিনউড মসজিদে লাইসেন্স করা আধা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে নামাজরত মুসলমানদের হত্যা করে।

এ হামলায় প্রত্যক্ষভাবে শুধু ব্রেন্টন ট্যারান্ট জড়িত হলেও পুলিশ ইতোমধ্যে তিন জন পুরুষ এবং একজন নারীকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু নিউজিল্যান্ডে মৃত্যুদন্ড রহিত করা হয়েছে ১৯৮৯ সালে; যেসব দেশে মৃত্যুদন্ড নেই সেসব দেশে হত্যার জন্য ৫০ বা ৬০ বছরের কারাদন্ড হয়ে থাকে। এ ভয়াবহ ঘটনাটি আমি তাৎক্ষণিক জানতে পারি কানাডা প্রবাসী আমার ভাতিজা শামীম আহমেদ জিতুর ফেসবুক পোস্ট থেকে। ১৭ মিনিট ধরে এই জঙ্গি শুধু গুলিই করেনি, তা সরাসরি প্রচারও করেছে। অথচ নিউজিল্যান্ডের পুলিশ তাৎক্ষণিক সংবাদটি পেল না কেন- জিতুর এমন একটি বক্তব্য সত্যি তাৎপর্যপূর্ণ।

চরম ডানপন্থী জঙ্গি ব্রেন্টন ট্যারান্ট তার হেলমেটে রাখা ক্যামেরা দিয়ে তার নিজের নৃশংস হত্যাকান্ডের ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা সরাসরি প্রচার করে। ভয়ঙ্কর এ লোকটি মৃত্যুপথযাত্রী মুমূর্ষুকে শুধু নড়ে উঠার কারণে দ্বিতীয়বার গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশের যে মেয়েটি গুলির শব্দ শুনে প্রতিবন্ধী স্বামীকে রক্ষা করতে ছুটে এসেছেন তাকেও সে নির্বিকার চিত্তে গুলি করে মেরে ফেলেছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ স্পৃহায় সে কতটুকু উন্মাদ হয়ে গিয়েছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় এমন একটি ভয়াবহ হত্যাকান্ডের বীভৎস দৃশ্য বিশ্ববাসীকে দেখানোর আগ্রহ থেকে। আদালতে হাতকড়া বাঁধা অবস্থায় আঙুল দিয়ে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের প্রতীক বর্ণবাদী লোগো দেখানোর হাসিমাখা মুখ দেখে মনে হয়েছে এমন হত্যা করতে পেরে সে তৃপ্ত। এই ঘাতক আবার ‘দ্য গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’ নামে চুয়াত্তর পৃষ্ঠার একটি ইশতেহারও প্রকাশ করেছে; এ ইশতেহারে সে উল্লেখ করেছে যে, শ্বেতাঙ্গরা মুসলমানদের দ্বারা গণহত্যার শিকার এবং সেজন্য সে মুসলিমদের জন্য ভীতিকর পরিবেশ তৈরির প্রস্তাব করেছে। তার অভিমত হচ্ছে, মুসলমান জঙ্গিরা যেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে নিরীহ শ্বেতাঙ্গদের হত্যা করছে, তা প্রতিরোধে এমন ভীতিকর অবস্থার সৃষ্টি করতে হবে; যাতে মুসলিম জঙ্গিরা আর কোন হামলা করতে ভয় পায়। ইউরোপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া রোধ করার পক্ষে সে। তার অভিমত হচ্ছেÑ ইউরোপ শুধু সাদা মানুষের আবাসভূমি হবে। এই জঙ্গি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একনিষ্ঠ সমর্থক; তার বক্তব্য অনুযায়ী ট্রাম্প বর্ণবাদী, সাদা বর্ণের লোকদের সমর্থক। সে ইশতেহারে আরও উল্লেখ করেছে, নরওয়ের অ্যান্ড্রেস ব্রেইভিক এ হামলা চালানোর জন্য তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে; নরঘাতক এই অ্যান্ড্রেস ব্রেইভিক ২০১১ সালে নরওয়েতে হামলা চালিয়ে ৭৭ জনকে হত্যা করে।

তার ভাষ্যমতে, মসজিদে তার এ হামলা হচ্ছে, সুইডেনে মুসলিম হামলার প্রতিশোধ; ২০১৭ সালে এক উজবেক মুসলিম নাগরিকের ট্রাক হামলায় সুইডেনে ১২ বছরের শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু এবা আকারলাউন্ডসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

মসজিদে জঙ্গি ব্রেন্টনের ব্যবহৃত রাইফেলের গায়ে ‘এবার’ হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের কথা লেখা ছিল। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা বন্দুকে মুসলমান বিদ্বেষী কিছু সন্ত্রাসীর নামও লেখা ছিল; যারা বিভিন্ন সময়ে মুসলমানদের ওপর আক্রমণ করেছে বা প্রতিশোধ নিয়েছে। পাশ্চাত্যে কেউ নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যা করলে হত্যাকারীকে প্রায়ই মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে গণ্য করা হয়Ñ

ব্রেন্টন ট্যারান্টের ক্ষেত্রে তা যে হবে না তা এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অবস্থান থেকে প্রতিপন্ন হচ্ছে। সন্ত্রাসী এ হামলায় শোক ও নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টসহ আমাদের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ ও মুসলমানদের প্রতি সংহতি জানানোর কিছু অভিনব পন্থা বিশ্বের সবার দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে। যুক্তরাজ্যের একটি গির্জার সঙ্গে যুক্ত ৫৭ বছর বয়সী অ্যান্ড্রু গ্রেস্টোন সেখানকার স্থানীয় মদিনা মসজিদের বাইরে একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে মুসলমানদের ভীতিমুক্ত হয়ে নামাজ আদায় করতে সাহস জুগিয়েছেন; তার হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- ‘তোমরা আমার বন্ধু, তোমাদের নামাজের সময় আমি পাহারা দেব।’ নিউজিল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় কস্তা বারবারুসেস অস্ট্রেলিয়ান ‘এ’ লিগের ম্যাচে গোল করার পর খেলার মাঠে সেজদার ভঙ্গিতে নিউজিল্যান্ডের দুটি মসজিদে নিহত ও আহত মুসলমানদের প্রতি সম্মান জানিয়েছেন। অভিবাসনবিরোধী ও মুসলিমবিদ্বেষী অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের সিনেটর ফ্রেজার অ্যানিংয়ের মাথায় ডিম ভেঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের বাসিন্দা সতেরো বছরবয়সী উইল কনোলি ‘এগ বয়’ বা ‘ডিম বালক’ নামে সারা বিশ্বে অভিহিত হচ্ছে।

মসজিদে এ হামলার জন্য ফ্রেজার অ্যানিং দায়ী করেন অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে মুসলিম ধর্মান্ধদের বসবাসের অনুমতি দেয়ার সহজ পদ্ধতিকে। তিনি মনে করেন, বিশ্বব্যাপী কুকর্মকারী মুসলিমরা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে সর্বত্র মানুষ খুন করছে।

সিনেটর যখন এমন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন তার মাথায় ডিম ভেঙে সিনেটরের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে এই ‘এগ বয়’। বিশ্বে মানবতাবাদী প্রতিটি লোকসহ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও এই ডিম বালকের পক্ষে। অস্ট্রেলিয়ার ৫ লক্ষাধিক মানুষ অ্যানিংকে পার্লামেন্ট থেকে বহিষ্কারের আবেদন করেছেন। তাদের প্রতিবাদ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের এমন অভিনব পদ্ধতি দলমত নির্বিশেষে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে।

নিউজিল্যান্ড শান্তির দেশ; এখানে পুলিশ অস্ত্র বহন করে না, প্রধানমন্ত্রীর চলাফেরায়ও প্রহরী থাকে না। নিউজিল্যান্ডে নিজের কাছে হাল্কা অস্ত্র রাখার জন্য কোন অনুমতি লাগে না; সামরিক ধরনের সেমি অটোমেটিক বন্দুকের জন্যই শুধু লাইসেন্স করতে হয়। জঙ্গি ট্যারান্ট ৫টি বন্দুক কিনে এই হত্যাকান্ডে ব্যবহার করেছিল। দেশটির ৫০ লাখ অধিবাসীর মধ্যে ১২ লাখ অস্ত্র রয়েছে এবং আড়াই লাখ মানুষের কাছে বন্দুকের লাইসেন্স আছে। অস্ত্রের এই সহজলভ্য আইন সন্ত্রাসবাদে উৎসাহ জোগাচ্ছে বলে অনেকের বিশ্বাস। কিন্তু ফ্রেজার অ্যানিং বিশ্বাস করেন না যে, এই নৃশংস হত্যাকান্ডের সঙ্গে বন্দুক সংক্রান্ত আইন বা জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবুও নিউজিল্যান্ডে অস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব ইতোমধ্যে তাদের মন্ত্রিপরিষদে তোলা হয়েছে এবং মন্ত্রিপরিষদ তা বিবেচনা করবে বলে জানা গেছে। অন্য ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, প্রার্থনারত লোকদের হত্যা করা কোন ধর্ম সমর্থন করে বলে আমার জানা নেই। না জানার এই অজ্ঞতা আমাকে বিস্মিত করে যখন পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন উপাসনালয়ে অন্য ধর্মাবলম্বী বা ভিন্ন তরিকার লোকেরা আক্রমণ করে তৃপ্তি পায়। কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফ ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ে আক্রমণ তো সাম্প্রতিককালের ঘটনা। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে শিয়া-সুন্নির দ্বন্দ্বে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় আক্রমণ অহরহ হয়ে থাকে। ২০১০ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ারে জুমার নামাজের সময় মসজিদে বোমা হামলায় ৫০ জন, ২০১৩ সালে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি শিয়া মসজিদের বাইরে বোমা হামলায় ৫৩ জন, ২০১৫ সালে সিন্ধু প্রদেশে একটি শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণে ৬১ জন, ২০১৬ সালে করাচির একটি শিয়া মসজিদে শোক মজলিশ চলাকালীন বোমা হামলায় এক কিশোর নিহত হয়। ২০১৭ সালে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলমানদের একটি মসজিদে বোমা হামলায় ১৪ জন, ২০১৮ সালে সেনাঘাঁটির ভেতরের একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে ২৬ জন, একই বছর আরও দুইটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ এবং আরেকটি মসজিদে সেনাবাহিনীর আক্রমণে মোট ১৩৮ জন নিহত হয়। অন্যদিকে ফিলিপিন্স, সিরিয়া, ইরাক, মিসর, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া ইত্যাদি দেশে মসজিদ, গির্জায় বোমা হামলায় বহু ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ২০০১ সালে আমাদের গোপালগঞ্জে বোমা হামলায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ১০ জন, ২০১৩ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ার শহরের এক গির্জায় বোমা হামলায় ৮০ জন, ২০১৫ সালে পাকিস্তানের লাহোরে দুটি গির্জায় বোমা হামলা ১৪ জন, ২০১৯ সালে ফিলিপিন্সের একটি গির্জায় প্রার্থনা চলার সময় বোমা হামলায় ২১ জন, প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির আমলে মিসরে দুটি গির্জায় বোমা হামলায় ৪৪ জন নিহত হয়। এখানে শুধু কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করা হলো। নাইজেরিয়ায় ধর্মান্ধ মুসলিম সংগঠন বোকো হারাম প্রতিনিয়ত মসজিদে আক্রমণ করে মুসল্লিদের মারছে। সন্ত্রাসীরা প্রার্থনারত ধর্মপ্রাণ লোকদের মারার জন্য আবার ধর্মের দোহাই দিয়ে থাকে।

সন্ত্রাস সন্ত্রাসের জন্ম দেয়। যারা অন্য ধর্ম ও বর্ণের লোকদের হত্যা করে উৎফুল্ল হয় তাদের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত বলা যাবে না। প্রতিশোধ স্পৃহা মানুষকে অমানুষ করে দেয়। ডিম বালক, সেজদারত ফুটবল খেলোয়াড় কস্তা বারবারুসেস, প্ল্যাকার্ড হাতে অ্যান্ড্রু গ্রেস্টোনের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পাচ্ছে; এদের অভিনব প্রতিবাদ এবং মুসলমানদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশকে সবাই অভিনন্দিত করছে। এমন প্রতিবাদ ও সংহতির বন্ধন সৃষ্টিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

মুসলিম জঙ্গির আক্রমণে অন্য ধর্মাবলম্বী নিহত হওয়ার পর কোন মুসলমান যদি এমনভাবে সংহতি প্রকাশ করে তখনি সত্যিকারের মানবতা ফিরে আসবে। তা কিন্তু অতীতে আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব বেশি পরিলক্ষিত হয়নি। ডিম ভাঙার ভিডিও আমরা যেভাবে আগ্রহ নিয়ে প্রচার করছি, দেখছি সেভাবে একজন মুসলমান ড্রাইভার কর্তৃক ফ্রান্সের নিসের হত্যাকান্ড কিন্তু প্রচার করিনি।

সন্ত্রাসীরা ধর্মকর্ম করে বলে মনে হয় না; এরা ধর্ম রক্ষার নামে হত্যাকান্ড চালাতে বেশি আগ্রহী। এদের কোন ধর্ম নেই; এরা শ্রেষ্ঠত্বের অহংবোধে জঙ্গিপনায় উন্মাদ হয়ে যায়। নিউজিল্যান্ডের মসজিদে যে জঙ্গি হামলা হয়েছে তা ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষী মনোভাবপ্রসূত। সাম্প্রদায়িকতা আর সন্ত্রাসবাদ দিয়ে বিজ্ঞানমনষ্ক মানুষের মন জয় করা যাবে না, এজন্য যা প্রয়োজন তা হচ্ছে শান্তি আর সম্প্রীতি। ‘ডিম বালক’ দেখিয়ে দিয়েছে, সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে ধর্ম-বর্ণ, জাত, বয়স, সংখ্যা কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে না। ডিম বালকের মতো সবাই আজ থেকে বলি- সন্ত্রাসবাদের কোন ধর্ম নেই। নতুবা জাত ও ধর্মের বড়াইকারী ‘আমি’ আর ব্রেন্টন ট্যারান্টের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না।

[লেখক : বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক]
eauddinahmed@gmail.com

দৈনিক সংবাদ : ২৪ মার্চ ২০১৯, রোববার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

ডিজিটাল বিপ্লবীদের দেশে

২০১৯ সালের বিশ্ব মোবাইল কংগ্রেসে ৮ নাম্বার হলে আমাদের এক টুকরো বাংলাদেশ দেখতে রিভ সিস্টেম দেখতে যাবার পথে হঠাৎ একটি বাক্য দেখে

দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজন জাতীয় বিল্ডিং কোডের যথাযথ বাস্তবায়ন

অগ্নিদুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না রাজধানী ঢাকার। মাত্র ৩৭ দিনের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় ঘটল আরেকটি বিভীষিকাময় আগ্নিকান্ড। গত ২০

রাজনীতিকে নোংরামির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষ এ দুই খেলোয়াড়

রাজনীতিতে সর্বকালেই দুষ্টু গ্রহণের আবির্ভাব হয়েছে। তারা রাজনীতির মতো সুন্দর ও সম্ভাবনাময় অঙ্গনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, নোংরা করেছে।

sangbad ad

গড়ে তুলুন ডিজিটাল স্কুল

image

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিগত দশকের সবচেয়ে যুগান্তকারী স্লোগানটি হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। স্লোগান হিসেবে এটি যত বেশি আলোচিত

আগুন আগুন

ত্রিশ-চল্লিশ বছর পূর্বে গ্রামের কোথাও আগুন লাগলে আমরা ‘আগুন আগুন’ বলে চিৎকার করতাম; এ চিৎকার শুনে সবাই দৌড়ে এসে

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বদলি ও পদায়ন নিয়মের মধ্যে আনুন

বদলি ও পদায়ন নিয়ে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে থাকা কর্মকর্তাদের বদলি না করা, অনিয়মে

সড়কপথে হত্যালীলা নিত্যদিন প্রতিদিন!

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন গড়ে তুলল তাদের দুই সতীর্থের আকস্মিক ও নির্মম হত্যার প্রতিবাদে। আকস্মিকভাবে

আরও ভালো হবে পঞ্চম শ্রেণী থেকে পাবলিক পরীক্ষাটা তুলে দিলে

শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পরীক্ষার চাপ কমানোর কথা চলে আসছিল বেশ আগে থেকেই। এবার সে চাপ কমে গেল। তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত আর

ডিজিটাল সংযুক্তি ও জীবনধারা

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা বিভিন্নভাবে আলোচিত হয়েছে। প্রধানত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তিনটি কৌশলের কথা বলা হয়ে থাকে।

sangbad ad