• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০

 

মা ইলিশ রক্ষায় দরকার কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

image

জাতীয় মাছ ইলিশ রক্ষায় ১৪ অক্টোবর (বুধবার), ২০২০ থেকে ৪ নভেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এই সময়ে মা ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুদ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মা ইলিশের বিচরণ ও অভিপ্রায়ণ নিরাপদকরণসহ অবাধ প্রজননের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ইলিশের প্রবৃদ্ধি অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে মৎস্য নৌযানসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক ট্রলার কর্তৃক সমুদ্র উপকূল ও মোহনায় মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ এবং ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ইলিশ মাছ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সাগর ও নদী দুই জায়গায়ই ইলিশের বিচরণ ক্ষেত্র। বিগত বছরগুলোতে ইলিশ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল এবং এমন প্রেক্ষাপটে মা ইলিশ শিকারের ওপর অবরোধসহ সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছে ভাতে বাঙালি যেন তার পুরোনো ঐতিহ্য ফিরে পেয়েছে।

মা ইলিশের সংরক্ষণ ও সঠিক প্রজননের জন্য সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম মূলত দুটি- সেপ্টেম্বর-অক্টোবর (ভাদ্র মাস থেকে মধ্য কার্তিক) ও জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি (মধ্য পৌষ থেকে মধ্য ফাল্গুন)। তবে দ্বিতীয় মৌসুমের তুলনায় প্রথম মৌসুমে প্রজনন হার বেশি। মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছে, বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে ইলিশের গতিপথ। বৃষ্টি বৃদ্ধি পেলে নদীতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ইলিশের আমদানিও বাড়ে। এ নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রের অন্তর্গত ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধসহ দেশব্যাপী পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে বলে সরকার ঘোষণা করেছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীকে ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদন্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা যাবে।

যদিও ইলিশ লবণাক্ত জলের মাছ বা সামুদ্রিক মাছ, বেশিরভাগ সময় সে সাগরে থাকে কিন্তু বংশবিস্তারের জন্য দীর্ঘপথ অতিক্রম করে নদীতে পাড়ি জমায়। বঙ্গোপসাগর থেকে বাংলাদেশে নদীর সাধারণ দূরত্ব ৫০ কিমি থেকে ১০০ কিমি। ইলিশ প্রধানত বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা এবং গোদাবরী নদীতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং প্রজননের জন্য এ এলাকাটিকে বেছে নেয়। ইলিশ মাছ সাগর থেকেও ধরা হয় কিন্তু সাগরের ইলিশ নদীর মাছের মতো সুস্বাদু হয় না। চাঁদপুর জেলার তিন নদীর মিলনস্থলে ইলিশ মাছ বেশি পাওয়া যায়। এজন্য চাঁদপুর জেলা ইলিশের জন্য বিখ্যাত।

ইলিশ অর্থনৈতিক ভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছ। বঙ্গোপসাগরের ব-দ্বীপাঞ্চল, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীর মোহনার হাওর থেকে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ইলিশ মাছ ধরা হয়। এটি সামুদ্রিক মাছ কিন্তু এই মাছ বড় নদীর মিঠা পানিতে ডিম দেয়। ডিম ফুটে গেলে ও বাচ্চা বড় হলে ইলিশ মাছ সাগরে ফিরে যায়। সাগরে ফিরে যাবার পথে জেলেদের শিকারে এই মাছ ধরা পড়ে।

সম্প্রতি দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে বিগত বছরের ন্যায় এবছরও বাজারে বেশ ভালো ও বড় আকারের প্রচুর ইলিশ পাওয়া গেছে। ইলিশের আকার, দাম ও প্রাচুর্য্যতা দেখে মনে হয়েছে, ইলিশের সেই সুদিন আবার ফিরে এসেছে। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ও ওজনের একটি ইলিশ মাছের দাম যা ছিল, তা এ বছর কোন কোন ক্ষেত্রে অর্ধেকেরও কমে চলে এসেছে। তাছাড়া দেড়-দুই কেজির ওজনের পর্যন্ত ইলিশও বাজারে দেখা গেছে, আগে যা ছিল স্বপ্নের মতো। গত বছর গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীতে তিন কেজি ওজনের একটি ইলিশ ধরা পড়েছিল এবং তার আগের বছরও চাঁদপুরের কাছে মেঘনা নদীতে একই সাইজের তিন কেজি ওজনের একটি ইলিশ ধরা পড়েছিল।

মৎস্যবিজ্ঞানীদের মতে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে যদি এসব নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তবে প্রতি বছরই ইলিশ মাছ এভাবেই সবার জন্য সহজলভ্য হবে। এতে করে বাংলাদেশের জাতীয় মাছ হিসেবে পরিচিত ইলিশের হারানো গৌরব ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ ফিরতে খুব বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না। এজন্য মাঠ প্রশাসনের সুষ্ঠু তদারকির পাশাপাশি কঠোর নজরদারি করা যেমন দরকার, ঠিক একই সঙ্গে ক্রেতা বিক্রেতা ও জেলেদের সচেতন হওয়া একান্ত জরুরি।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড,

গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

স্কুলে ভর্তি লটারি প্রক্রিয়া হোক স্বচ্ছ

image

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সরকার এবার ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীকে নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

অর্থনীতিতে প্রান্তিক নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে

আদিকাল থেকেই নারী কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পৃথিবীতে শস্য উৎপাদনের জন্য নারীর হাত দিয়েই রোপিত হয়েছিল প্রথম বীজ।

শিক্ষাক্ষেত্রে অচল অবস্থার অবসান ঘটুক

করোনার কারণে ৮ মাসের বেশি সময় ধরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এই বন্ধের মধ্যে অনলাইনে বেশির ভাগ বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা চললেও সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুধু অনলাইনের ক্লাস চলছে।

sangbad ad

আমার বাবা সনদবিহীন এক মুক্তিযোদ্ধা

ছোটবেলা থেকেই বাবার মুখে শুনতাম বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, ছাত্র রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।

অসহায় বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ান

image

রাজধানীর মহাখালীতে সাততলা বস্তিতে আগুনে পুড়ে গেছে বহু ঘর ও বস্তিবাসীর স্বপ্নের আবাসস্থল।

অনলাইন ক্লাস প্রসঙ্গে

মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে শিক্ষাখাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দেশে অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এটা শিক্ষার্থীদের কাছে আশীর্বাদস্বরূপ।

শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন

image

ষড়ঋতুর পালাবদল আর প্রকৃতির মনভুলানো রূপলাবণ্য ধারণ করে আমাদের জন্মভূমি পৃথিবীর সব দেশ থেকে আলাদা হয়ে আছে।

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

নদীপথে স্বল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে এক স্থান থেকে অন্যত্র যাওয়া যায়। বালাশীঘাট থেকে জামালপুর যেতে সহজ ও স্বল্প খরচের একমাত্র পথ হলো ইঞ্জিনচালিত নৌকা।

ভোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রত্যন্ত অঞ্চল দ্বীপজেলা ভোলা। আয়তনে ৩,৪০৩.৪৮ বর্গ কিমি. এই দ্বীপে বসবাসকারী মোট লোকসংখ্যা ২০,৩৭,২০১ জন। ৭টি উপজেলা, ৯টি থানা, ৫টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই জেলার মানুষের শিক্ষার হার ৪৭%।