• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০

 

পলিব্যাগ ও প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন হোন

মোহম্মদ শাহিন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০

তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সবকিছু আমাদের হাতের নাগালে থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা সত্যই খুবই অসহায়। মানবসভ্যতা যতই উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ততই আমরা কিছু অমীমাংসিত সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়ছি। তেমনি একটি সমস্যা- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা। জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যার ক্ষেত্রে বহু কারণ আমাদের সামনে দন্ডায়মান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা যতটা না প্রাকৃতিক তার চেয়েও বেশি মনুষ্যসৃষ্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পলিব্যাগ ও প্লাস্টিক দূষণ।

আমাদের নিত্যব্যবহার্য দ্রব্যের মোড়কে প্রতিদিনই পলিব্যাগ ও প্লাস্টিক ব্যবহার করা হচ্ছে এবং উক্ত দ্রব্যগুলো ব্যবহারের পর বর্জ্য হিসেবে ড্রেন-রাস্তাঘাট, মাঠে-ময়দানে, নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবা কিংবা ফসলের মাঠে ফেলা হচ্ছে। বিষাক্ত পলিব্যাগ ও প্লাস্টিক মাটিতে ফেলার দরুন মাটি হারাচ্ছে তার উর্বরতা, ড্রেন ও রাস্তাঘাটে ফেলার দরুন ড্রেনগুলোতে ময়লা পানি নিষ্কাশনে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে এবং খাল-বিল, নদী-নালাতে ফেলার দরুন একদিকে নদীগুলো তার নাব্যতা হারাচ্ছে অপরদিকে খাল-বিলগুলোতে মাছ চাষে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সমুদ্রের ঢেউ ও সূর্যের আলোর প্রভাবে পলিথিন ও প্লাস্টিক পণ্যগুলো ধীরে ধীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকে পরিণত হয়।

পানি ও খাদ্যের সঙ্গে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক বিভিন্ন জীবের দেহে প্রবেশ করে। একসময় ফুড চেইন বিশেষকরে মাছের মাধ্যমে তা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। এছাড়া ক্লোরিনযুক্ত প্লাস্টিক বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ নির্গত করে যা ভূগর্ভস্থ ও ভূপৃষ্ঠের পানির সঙ্গে মিশে যায়। এভাবে একসময় পানি ও মাছের মাধ্যমে আমাদের খাদ্যচক্রে ঢোকার মাধ্যমে মানবদেহ চরম বিপর্যয়ে পড়ছে এবং আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। অন্যদিকে এই প্লাস্টিক ও পলিথিন উৎপানের প্রক্রিয়ায় গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে। শুধু তাই নয় পলিব্যাগ কিংবা প্লাস্টিকে মোড়ানো মাছ, মাংস, সবজি ইত্যাদি ব্যবহারে মানবদেহে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন- পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে হরমোন বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে দেখা দিতে পারে বন্ধ্যাত্ব, নষ্ট হতে পারে গর্ভবতী মায়ের ভ্রুণ, বিকল হতে পারে লিভার ও কিডনি

আমাদের উচিত পলিথিন তথা প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ বর্জন করা। পলিব্যাগ ও প্লাস্টিকের ব্যবহার যারা করছে, যত্রতত্র প্লাস্টিকসামগ্রী না ফেলতে এবং এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তাদের সচেতন করতে হবে। পলিব্যাগ সম্পর্কে বিদ্যমান আইনের ব্যাখায় দুর্বলতা দূর করে কঠোরভাবে এ সংক্রান্ত আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে দেশের অবৈধভাবে পলিব্যাগ ও প্লাস্টিক উৎপাদনের কারখানা ও সিন্ডিকেন্ট চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনা এবং যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর, ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং সিটিকর্পোরেশন থেকে পলিথিন ও প্লাস্টিক উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে। প্রয়োজনে এসব বর্জ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন- অধিক জনসংখ্যা আর অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশের মানুষ পলিব্যাগ ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বেশি করে। সুতারাং- সরকারকে এ ব্যাপারে টেকসই চিন্তাভাবনা করার বিকল্প নেই। পলিব্যাগ ও প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সস্তা পরিবেশবান্ধব পণ্য উদ্ভাবন করতে হবে। প্লাস্টিকের পরিবর্তে পাটজাত দ্রব্যের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের হারানো সোনালী ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। মনে রাখতে হবে- সুষ্ঠু, সুন্দর ও বসবাসের যোগ্য বাংলাদেশ গড়তে পলিব্যাগ ও প্লাস্টিক সংকট সমাধানের বিকল্প নেই। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি যদি আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হই তাহলেই প্রচ্ছন্ন পলিব্যাগ ও প্লাস্টিক দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

স্কুলে ভর্তি লটারি প্রক্রিয়া হোক স্বচ্ছ

image

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সরকার এবার ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীকে নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

অর্থনীতিতে প্রান্তিক নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে

আদিকাল থেকেই নারী কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পৃথিবীতে শস্য উৎপাদনের জন্য নারীর হাত দিয়েই রোপিত হয়েছিল প্রথম বীজ।

শিক্ষাক্ষেত্রে অচল অবস্থার অবসান ঘটুক

করোনার কারণে ৮ মাসের বেশি সময় ধরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এই বন্ধের মধ্যে অনলাইনে বেশির ভাগ বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা চললেও সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুধু অনলাইনের ক্লাস চলছে।

sangbad ad

আমার বাবা সনদবিহীন এক মুক্তিযোদ্ধা

ছোটবেলা থেকেই বাবার মুখে শুনতাম বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, ছাত্র রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।

অসহায় বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ান

image

রাজধানীর মহাখালীতে সাততলা বস্তিতে আগুনে পুড়ে গেছে বহু ঘর ও বস্তিবাসীর স্বপ্নের আবাসস্থল।

অনলাইন ক্লাস প্রসঙ্গে

মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে শিক্ষাখাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দেশে অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এটা শিক্ষার্থীদের কাছে আশীর্বাদস্বরূপ।

শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন

image

ষড়ঋতুর পালাবদল আর প্রকৃতির মনভুলানো রূপলাবণ্য ধারণ করে আমাদের জন্মভূমি পৃথিবীর সব দেশ থেকে আলাদা হয়ে আছে।

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

নদীপথে স্বল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে এক স্থান থেকে অন্যত্র যাওয়া যায়। বালাশীঘাট থেকে জামালপুর যেতে সহজ ও স্বল্প খরচের একমাত্র পথ হলো ইঞ্জিনচালিত নৌকা।

ভোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রত্যন্ত অঞ্চল দ্বীপজেলা ভোলা। আয়তনে ৩,৪০৩.৪৮ বর্গ কিমি. এই দ্বীপে বসবাসকারী মোট লোকসংখ্যা ২০,৩৭,২০১ জন। ৭টি উপজেলা, ৯টি থানা, ৫টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই জেলার মানুষের শিক্ষার হার ৪৭%।