• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

 

কিশোর গ্যাং থেকে মুক্তি মিলবে কি?

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

download

সম্প্রতি গোটা দেশজুড়ে উদ্বেগজনকহারে বেড়েই চলছে কিশোর গ্যাং কালচার। রাস্তাঘাট, পাড়া, মহল্লা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কিশোর গ্যাং নামে উঠতি বয়সী তরুণরা। দাপটের সঙ্গে চাঁদাবাজি, ভূমি দখলদারিত্ব, অপহরণ, মেয়েদের উত্ত্যক্তসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ড করে চলেছে তারা। পকেটে নগদ টাকা, হাতে অস্ত্র ও মাদকের নেশায় বুঁদ হয়ে বুনো উল্লাসের সঙ্গে হত্যার মতো ঘটনা ঘটাতেও কুণ্ঠাবোধ করছে না । অতি সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে বগুড়া জেলায় ।

কিশোর গ্যাং গড়ে ওঠার মূল কারণ নেপথ্যে থাকা এলাকার নেতা কিংবা প্রভাবশালী বড় ভাইদের রাজনৈতিক ছত্রছায়া। ব্যক্তিগত স্বার্থে টাকার বিনিময়ে নেপথ্যে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কিশোর গ্যাংদের দিয়ে বিভিন্ন অসামাজিক ও বেআইনি কর্মকান্ড করায়। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা এদের হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করে থাকে। ফলে একদিকে যেমন নেতা ও প্রভাবশালী বড় ভাইদের স্বার্থ হাসিল হচ্ছে অপরদিকে কিশোর গ্যাং সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় আলাদা একটা প্রভাব বিস্তার লাভ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে- কিশোরদের মধ্যে হিরোইজম ভাব বেশি কাজ করে। যখন তারা দেখে যারা অপরাধ করছে, তারা সমাজে বেশ লাভবান তখন কিশোররা সেটিই অনুসরণ করে থাকে। তাছাড়া আমাদের সমাজে নানা অসংগতিও রয়েছে বটে। দেশীয় সংস্কৃতিকে দূরে ঠেলে বিদেশি সংস্কৃতিকে ধারণ করে কিশোররা নিজেদের জীবনে তার চর্চা করছে। অনলাইন ভিত্তিক সস্তা জনপ্রিয় মাধ্যম টিকটক ও লাইকির মাধ্যমেও অপু ভাইয়ের মতো কিশোর গ্যাংও গড়ে উঠছে।

কিশোর গ্যাং দিন দিন একটি জাতীয় সমস্যার দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং কালচার যেভাবে বাড়তে শুরু করেছে, এখনই মোক্ষম সময়ে এ লাগাম টেনে ধরার। অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এদিকে খুব একটা নজর দিতে পারেন না। যদিও ইতোমধ্যে প্রসাশন এ ব্যাপারে কিছুটা তৎপর হয়েছে কিন্তু সে তৎপরতা আরও জোড়ালো করতে হবে। অত্যন্ত দুঃখজনক- মাঝে মাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় কিশোর গ্যাংয়ের কিছু সদস্য গ্রেফতার হলেও কোন বিচার না করে দু-চার দিনের মাথায় প্রভাবশালী নেতাদের সহায়তায় ছাড়া পেয়ে যায়। আর বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই তারা পূর্বের চেয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে, বেড়ে যায় অপরাধপ্রবণতা।

তাই কিশোর গ্যাং রোধে সর্বপ্রথম আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করার বিকল্প নেই। প্রতিটি এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের এবং একইসঙ্গে নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী নেতা কিংবা বড় ভাইদেরও আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আইন প্রয়োগে যেন বাধা-বিপত্তি না আসে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যথেষ্ট সজাগ দৃষ্টি দিকে হবে। শিশু-কিশোরদের জন্য কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা এবং তাদের সংশোধনের জন্য প্রতিটি জেলায় রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার গড়ে তুলতে হবে। কিশোরদের মাঝে সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শিশু পরিচর্চা কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। তাদের কে সৃজনশীল ও বিভিন্ন সামাজিক ইতিবাচকতামূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রাখতে হবে। একইসঙ্গে এলাকার জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মূল্যবোধসম্পন্ন তরুণ সমাজকে সোচ্চার হতে হবে। সর্বোপরি পরিবার কে সচেতন থাকতে হবে । তাদের সন্তান কিভাবে বেড়ে উঠছে, কাদের সঙ্গে মিশছে, চলাফেরা করছেন- তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমরা চাই, গ্যাং কালচারের এই ভয়ংকর অপরাধ থেকে বাঁচতে এবং নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে।

মোহম্মদ শাহিন

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

নদীপথে স্বল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে এক স্থান থেকে অন্যত্র যাওয়া যায়। বালাশীঘাট থেকে জামালপুর যেতে সহজ ও স্বল্প খরচের একমাত্র পথ হলো ইঞ্জিনচালিত নৌকা।

ভোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের প্রত্যন্ত অঞ্চল দ্বীপজেলা ভোলা। আয়তনে ৩,৪০৩.৪৮ বর্গ কিমি. এই দ্বীপে বসবাসকারী মোট লোকসংখ্যা ২০,৩৭,২০১ জন। ৭টি উপজেলা, ৯টি থানা, ৫টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই জেলার মানুষের শিক্ষার হার ৪৭%।

সড়কে বিশৃঙ্খলার দায় কার

নিরাপদ সড়কসহ নয় দফা দাবি নিয়ে শিক্ষার্থীদের দেশ কাঁপানো আন্দোলনের দুটি বছর পেরিয়ে গেলেও সড়কে ফেরেনি শৃঙ্খলা।

sangbad ad

টেলিটকের দুর্দশা ঘুচবে কবে

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটক অপারেটরের গ্রাহকের তুলনায় বেসরকারি অপারেটরের গ্রাহক বেশি।

অপ্রয়োজনে হর্ন নয়

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে যানবাহনের বিকল্প নেই। কিন্তু যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত এবং অতিমাত্রায় হর্ন বাজানো পরিবেশ এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই

image

বেশ ছোটবেলায়, বয়স কত হবে আর সাত কিংবা আট, সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা, ডবল ফেলুদা, আবার ফেলুদা সিরিজের বইগুলো পড়তে শুরু করেছি।

দ্রব্যমূল্যে দুর্বিষহ জনজীবন

image

পিয়াজের পর আলুর মূল্য বৃদ্ধিতে জনমনে হতাশা ও ভোগান্তি বেড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আলুর মূল্য বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক বলে অভিহিত করা হয়েছে।

সেশন জট থেকে রক্ষা করুন

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি ২০১৫ সালের ডিসেম্বও মাসে। আমাদের সেশন ছিল ২০১৫-২০১৬। অনার্স শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালে।

রাজধানীতে খেলার মাঠ চাই

সুস্থ দেহ, সুন্দর মন রক্ষার্থে খেলাধুলার প্রয়োজন। আর এই খেলাধুলার জন্য প্রয়োজন মাঠ।