• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১

 

রক্তাক্ত মাতৃভাষা, বঙ্গবন্ধু ও বাংলা ভাষা

মোস্তাফা জব্বার

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১

image

সোয়েটো ভাষার প্রথম শহীদ হেক্টর পিটারসন

দুই

বেলুচ, পাঞ্জাবি ও উর্দু : ব্রিটিশ উপনিবেশ ভারতকে দুভাগে ভাগ করে দুটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও ভারত দুটি রাষ্ট্রেই ভাষার সংকটের পাশাপাশি জাতিসত্তার সংকটও তৈরি করে দিয়ে যায়। ৬০ ও ৭০ দশকে বাঙালিদের স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের বেলুচিস্তান, সিন্ধু, পেশোয়ার ইত্যাদি অঞ্চলেও ভাষাভিত্তিক স্বাধীনতা আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে। দুর্ভাগ্য তাদের যে যথাঙথ নেতৃত্বের অভাবে বেলুচিস্তানের ভাষা আন্দোলন বা স্বাধীনতা আন্দোলন কোনটাই সুসংগঠিত হতে পারেনি। তাদের ভাষার দাবীর পাশাপাশি স্বাধীনতার দাবি অনেক জোরালো। তাদের প্রতি আফগানিস্তানের সমর্থন রয়েছে। পাকিস্তান দাবি করে বেলুচদের ভারত সহায়তা করে থাকে। বেলুচরা ওমান, আরব আমিরাত, সুইডেন ও নরওয়ে থেকে সমর্থন পায় বলেও দাবি করা হয়। বেলুচ আন্দোলনের ইতিহাসকে ১৯২০ সালে সূচনা বলে মনে করা হয়। ১৯৩৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে কালাত জাতীয় পার্টি গঠন করে বালুচরা সংগঠিত হতে চেষ্টা করে। অন্যদিকে করাচিতে বসবাসরত বালুচ বুদ্ধিজীবীরা গঠন করে বালুচ লীগ। পাকিস্তানে পাঞ্জাবি ভাষার জন্যও আন্দোলন চলছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাবিরা তাদের মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এমনকি উর্দুভাষীরাও উর্দুর একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বহুভাষিক ও বহুজাতিক বিভিন্ন সংস্কৃতির দেশ পাকিস্তান শুধু বাঙালিদের বিদায় করে ভাষা-সংস্কৃতি নিয়ে সুখে নেই। ফলে যেভাবে তারা ধর্মের নামে পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিল একইভাবে ধর্ম, সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদকে ভিত্তি করেই পাকিস্তানকে সামনে নিতে চেষ্টা করছেন। অসাম্প্রদায়িক, বহুভাষিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্য বজায় রেখে একটি রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখা যে কঠিনতম সেটি পাকিস্তান প্রবলভাবে টের পাচ্ছে। ভারতেও তেমন চ্যালেঞ্জ আছে। তবে ভালো ব্যবস্থাপনার দিক থেকে ভারতের অবস্থা উল্লেখ্য।

নেপালে ভাষা আন্দোলন : নেপালের নেয়ার ভাষাভাষীরা তাদের ভাষার স্বীকৃতির জন্য আন্দোলন করছে। কিন্তু নেপাল সরকার ও প্রতিবেশীরা কোনভাবেই তাদের ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিচ্ছে না। বরং ভাষার দাবির জন্য তারা জুলুম-নির্যাতনের শিকারও হচ্ছে। অবস্থা এমন যে এটিকে ইউনেস্কো বিশ্বের অন্যতম সংকটাপন্ন ভাষা হিসেবে বিবেচনা করছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার ভাষার লড়াই : আমরা জানিই না যে সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়, ১৯৭৬ সালের জুনের ১৬ তারিখ, প্রায় ৭০০ স্কুলের ছেলেমেয়েকে হত্যা করা হয়েছিল, তাদের ভাষা আন্দোলন থামানোর জন্য। আফ্রিকার বান্টু ভাষাগোষ্ঠীর সোঠো, জুলু, সোয়াতি বা সেটসোয়ানা ভাষা ব্যতীত দক্ষিণ আফ্রিকার ইংরেজি ও ডাচ্ উপনিবেশকারীদের মধ্যে প্রচলিত ছিল আফ্রিকান্স ভাষা। আফ্রিকার সরকার ১৯৭৪ সালে জারি করে এক ফরমান। তাতে উল্লেখ করা হয়, আফ্রিকান্স ভাষাই হবে কৃষ্ণাঙ্গদের স্কুলের ভাষা। এ ফরমান ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই গর্জে ওঠে কৃষ্ণাঙ্গ ছাত্রছাত্রীরা। শুরু হয় আন্দোলন। তাদের এ-আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে।

১৯৭৬ সালের ১৬ জুন কৃষ্ণাঙ্গ প্রায় কুড়ি হাজার ছাত্রছাত্রী সোয়েটো শহরের রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করে। এ বিক্ষোভ চলাকালীন বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে। এতে ১৩ বছরের হেক্টর পিটারসনসহ ১৭৬ জন ছাত্রছাত্রী মারা যায়। ন্যক্কারজনক এ ঘটনার প্রতিবাদে দেশের শ্বেতাঙ্গ নাগরিকরাও আন্দোলনে সামিল হয়। আন্দোলন সোয়েটো থেকে কেপটাউন বা এলিজাবেথ, জোহানেসবার্গেও ছড়িয়ে পড়ে। একই বছরে রাষ্ট্রীয় এ আগ্রাসনে মারা যায় ৬০০ এরও বেশি মানুষ।

ভাষা-আন্দোলনে এত রক্তক্ষয়, প্রাণক্ষয়ের ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তাই ১৩ বছরের হেক্টর পিটারসন সোয়েটোর ভাষা-আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছে সেখানে। আসুন হেক্টরসহ দক্ষিণ আফ্রিকার ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

যুক্তরাষ্ট্র : আমেরিকায় সুদীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন নেটিভ আমেরিকান ভাষা সু-দীর্ঘকালব্যাপী ইউরোপীয় কলোনিয়াল শাসকদের জাঁতাকলে পিষ্ট ছিল। অনেক নেটিভ আমেরিকান ভাষার মৃত্যু হয়েছে। গত শতাব্দীর ষাট-সত্তরের দশকে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সময় এই নেটিভ আমেরিকান ভাষা রক্ষার ব্যাপারটিও আসে। মূল প্রস্তাবনার দীর্ঘ ২০ বছর আন্দোলন এবং আলোচনার পর ১৯৯০ সালের ৩০ অক্টোবর আমেরিকার বিভিন্ন নেটিভ/আদি/স্থানীয় ভাষা রক্ষা এবং সংরক্ষণের জন্য একটি আইন পাস হয়। মজার ব্যাপার যুক্তরাষ্ট্রে, ইংরেজি ভাষা সরকারি কিংবা রাষ্ট্রভাষা কোনটিই নয়। দক্ষিণের অঙ্গরাজ্যগুলোতে স্প্যানিশ ভাষার প্রভাব দিন দিন বেড়ে চলছে। তাই এখন আবার নতুন করে ইংরেজিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

শুধু ইংরেজি : তবে যুক্তরাষ্ট্রে শুধু ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের জন্যও সুদীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চলছে। প্রসঙ্গটির সূত্রপাত হয় ১৭৫০ সালে যখন পেনসিলভানিয়ায় ইংরেজি ও জার্মান সাইনবোর্ড লেখায়। সেখানকার অভিবাসী জার্মানদের সুবিধার্থে জার্মান ভাষা ব্যবহার করায় অন্যরা শুধু ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের পক্ষে দাবি তুলে। তবে সাম্প্রতিককালে শুধু ইংরেজি ব্যবহারের বিপক্ষের পাল্লাটা ভারি হচ্ছে।

কানাডা : কানাডাতে, বিশেষত কানাডার পূর্ব অংশের অঙ্গরাজ্য কুইবেকে ভাষা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। এই অঞ্চল এক সময় সংস্কৃতি এবং ভাষার প্রশ্নে স্বাধীনতা চেয়েছিল।

লাটভিয়া : সর্বশেষ লাটভিয়াতে লাতভিয়ান-রাশিয়ান ভাষার মনোমালিন্যর কারণে, রাশিয়ান ভাষার স্বীকৃতির বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। গণভোটে লাতভিয়ানরা কয়েকশ’ বছরের প্রধান ভাষা (রাশিয়ান সাম্রাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ থাকা সময়) রুশ ভাষাকে সরকারি ভাষা হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যান্য দেশ : ভিন্ন প্রেক্ষাপটে তবুও অনেক আন্দোলনের অন্যতম নিমিত্ত ছিল ভাষা বেলজিয়ামে ফ্রেঞ্চ-জার্মান-ডাচ্ তাছাড়া ইউরোপের বলকান অঞ্চল, স্পেনের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য, আফ্রিকারগোল্ড কোস্ট অঞ্চলের বিভিন্ন ভাষার মধ্যে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে গোটা মধ্যপ্রাচ্য আরবি-ফারসি-তুর্কি কিংবা তৎকালীন মেক্সিকোর উত্তরাংশে স্প্যানিশ-ইংরেজি। সপ্তাদশ-অষ্টাদশ শতাব্দীতে চীনে ম্যান্ডারিন-মঞ্চুরিয়ান বিরোধ সর্বজনবিদিত।

আমরা খুব সহজেই এটি অনুভব করতে পারি যে, বিশ্বে শুধু বাঙালিরাই প্রথম তার মাতৃভাষার দাবিতে সোচ্চার হয়নি। তবে বাংলা ভাষার জন্য আমাদের লড়াইটি ছিল অনন্য। আমি অন্তত ১১ মার্চ ১৯৪৮ কে ভাষা আন্দোলনের জন্মদিন বলে মনে করি। সেদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই আন্দোলনের জন্ম দেন। এবার সেই আন্দোলনের ৭০ বছর পূর্ণ হবে। শহীদ দিবসের ৬৮ বছর পূর্তি এবং ভাষা আন্দোলনের ৭১তম জন্মদিনে একদিকে যেমনি আমরা আমাদের অর্জনকে স্মরণ করব তেমনি আমরা বাংলা ভাষার জন্য আসামে রক্ত দানকারী শহীদদেরসহ সারা বিশ্বে ভাষার জন্য জীবনদানকারী সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই ও যারাই তাদের মাতৃভাষার দাবি প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছেন তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানাই। বস্তুতপক্ষে আমরা বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য দায়িত্ব হচ্ছে ১৯ মে’কেও স্মরণ করা। কমলাসহ অন্য শহীদদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তোলাটাও বিশ্বের একমাত্র বাংলার রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য একটি দায়িত্ব হতে পারে। একই সঙ্গে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকাসহ অন্য সব দেশের ভাষা আন্দোলনকেও স্মরণ না করে পারি না। ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করার ফলে বিশ্বের সব মাতৃভাষার প্রতি সম্মান দেখানোও আমাদের দায়িত্ব হয়ে পড়েছে।

প্রসঙ্গত এটিও বলা দরকার যে আমাদের কর্তব্য ও দায়িত্বের মাঝে বিশ্বের সব মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করার দায় আমাদের ওপরই পড়ছে। এসব ভাষা যাতে ডিজিটাল দুনিয়াতে হারিয়ে না যায় এবং প্রযুক্তি যেন তাদের ভাষা ও হরফকে গিলে খেতে না পারে সেটি দেখারও দায়িত্ব আমাদের।

আমরা নিজেরাই প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার অগ্রগতিকে তেমনভাবে এগিয়ে নিতে পারিনি তাই নিজের ও অন্যের ভাষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমার আশাবাদটা হলো যে আমাদের নিজেদের মেধাবী জনগোষ্ঠী যেমনি করে বাংলা ভাষার জন্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে পারবে তেমনি করে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষাসমূহ ও বিশ্বের সব মাতৃভাষার প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করতে পারবে।

১৯৭৬ সালের ১৬ জুন কৃষ্ণাঙ্গ প্রায় কুড়ি হাজার ছাত্রছাত্রী সোয়েটো শহরের রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করে। এ বিক্ষোভ চলাকালীন বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে। এতে ১৩ বছরের হেক্টর পিটারসনসহ ১৭৬ জন ছাত্রছাত্রী মারা যায়

জন্য রক্ত দেয়ার ঋণ শোধ করা হবে।

মাতৃভাষার সুসময় : বস্তুত সময়টা এখন একভাষিক কোথাও নয়। বিশ্বটা এখন বহুভাষিক। আমাদের মতো ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোতে যদিও এখনও ইংরেজি ভাষায় একতরফা প্রতি দেখা যায়, বাস্তবে দিনে দিনে ইংরেজির প্রসার কমছে। আমাদের মানসিকতায় এখনও এটি বিরাজ করে যে ইংরেজি না জানলে-ইংরেজিতে না পড়লে বিশ্বে অচল। বাস্তবতা মোটেই তাই নয়। বরং মাতৃভাষার দক্ষতা বিশ্বের যে কোন ভাষা আয়ত্ত করতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে। প্রযুক্তি ভাষার বিভিন্নতাকে বিলীন করে দিচ্ছে। দিনে দিনে বিশ্বজুড়ে ভাষাপ্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে বিধায় ভাষায় ভাষায় দূরত্বটাও কমে আসছে। অধিক প্রচলিত ভাষাগুলো ইতোমধ্যে সেই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে ফেলেছে। আমরা বা আমাদের মতো ভাষা প্রযুক্তি নিয়ে কম কাজ করা ভাষাগুলো এখনও পিছিয়ে থাকলেও সম্ভবত খুব বেশি দিন এই অবস্থা বিরাজ করবে না। আসুন আমাদের মাতৃভাষা বাংলার সফলতার পাশাপাশি বিশ্বের সব মানুষের মায়ের ভাষার সফলতা কামনা করি।

(নিবন্ধটির জন্য উইকিপিডিয়া ও মুক্তমনা ব্লগ থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে।)

ঢাকা। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯। সর্বশেষ সম্পাদনা : ৭ মার্চ, ২১।

[লেখক : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাসের চেয়ারম্যান- সাংবাদিক, বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যারের জনক]

mustafajabbar@gmail.com

দুই কুকুরের কামড়া-কামড়ি তত্ত্ব

’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশের ভেতরে কয়েকটি অঞ্চলে বামপন্থিদের নেতৃত্বে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল।

একটি মানবিক বিপর্যয়ের দলিল

ভাষাজ্ঞান মানুষকে তথ্য পরিষ্কার করে বুঝতে ও আত্মস্থ করতে সাহায্য করে।

অদ্ভুত লকডাউনে দেশ

দেশে লকডাউন চলছে। কিন্তু কোন জায়গাই এখন আর লক নেই। পুরোটাই আনলক!

sangbad ad

মুক্তিযুদ্ধে চিরুলিয়া-বিষ্ণুপুর

’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশের অভ্যন্তরে কয়েকটি অঞ্চলে বামপন্থিদের নেতৃত্বে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল।

‘হিট শকে’ বিপর্যস্ত কৃষক

image

একদিকে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস মহামারী, অন্যদিকে প্রলম্বিত বন্যার কারণে চালের উৎপাদনে ১৫ থেকে ২০ লাখ টনের যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে

হেফাজত, সঙ্গীতাঙ্গন, গ্রন্থাগার এবং আগুন

image

হেফাজতে ইসলামের সমর্থকরা হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, পৌর মিলনায়তন, রেলস্টেশন ইত্যাদিতে

হেফাজতের আন্দোলন মোদিবিরোধী না মুক্তিযুদ্ধবিরোধী?

image

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের প্রতিবাদে হেফাজত দেশজুড়ে নারকীয় তান্ডব চালায়।

সড়ক দুর্ঘটনা : থামাতে হবে এ হত্যাযজ্ঞ

নিসচার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গত ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে প্রায় ৫ হাজার মানুষ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয়

image

লকডাউনের পথে হাঁটছে বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এশিয়ার দেশগুলোতে আবার করোনায় মৃত্যুর আক্রান্ত বেড়েছে।

sangbad ad