• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১

 

‘পশ্চাতে রেখেছো যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে’

জয়ন্তী রায়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ০৭ মার্চ ২০২১

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নানা ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি দেশে দেশে পালন করা হয়। ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে নারী দিবস পালনের ব্যাপ্তি বেড়েছে। মূলত নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েই দিবসটি পালন করা হয়।

১৯৯৭ সাল থেকে প্রতি বছর একেকটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয় সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের ফলে নারীর অবস্থা ও অবস্থান পরিবর্তনে ইতিবাচক ফল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের দেশেও নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি অবশ্যই ঘটেছে। তবে নারী-পুরুষের সমতা, ক্ষমতায়ন, অধিকারের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে এখনো নানা ধরনের বাধা আছে, সমস্যা আছে। নারীকে এখনও ঘরে-বাইরে শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। নারীর নিরাপত্তা এখনও ঝুঁকির মধ্যে। যৌন হয়রানির শিকার হতে হয় অনেক নারীকে। ধর্ষণ, গণধর্ষণ, হত্যার শিকার হতে হচ্ছে এখনও নারীদের। শেখ হাসিনার সরকার নারীবান্ধব নীতি, আইন, পদক্ষেপ নিয়ে নারীদের জীবনে অনেক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হলেও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এখনও অনেকেই উদারতা দেখাতে পারেন না।

তবে এটা ঠিক যে, অবস্থা বদলাচ্ছে। ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়ে অনেক পুরুষ এবং নারীর অনেক সাহসী উদ্যোগ-প্রচেষ্টার ফলে নারীর অধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের বৈষম্য এবং অসমতা দূর করার জন্য আরো বহু পথ হাঁটতে হবে।

নারীকে পেছনে রেখে সমাজ-সভ্যতা যে এগিয়ে যেতে পারে না- সেটা অনেক পুরুষই উপলব্ধি করেছেন। এমনকি ধর্মপ্রচারকরাও নারীর স্বাধীনতা ও অধিকারের দিকটিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, ‘জগতের কল্যাণ সৃষ্টি নারী জাতির অভ্যুদয় না হলে সম্ভবনা নেই। এক পক্ষে (ডানা) পক্ষীর উত্থান সম্ভন নয়।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘গোলামির ওপর যে সম্পর্কটা দাঁড়িয়ে আছে, তা কখনো ভালো হতে পারে? যেখানে মেয়েদের স্বাধীনতা নেই, সে জাত কখনো উন্নতি করতে পারে না।’

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও লিখেছেন- ‘যারে তুমি নীচে ফেল, সে তোমারে বাধিবে যে নীচে, পশ্চাতে রেখেছ যারে, সে তোমারে টানিছে পশ্চাতে।’ নারীদের পেছনে রেখে কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না, কারণ তারা জনগোষ্ঠীর অর্ধেক। অর্ধেক কখনো পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না। এই বোধ এবং উপলব্ধি যখন জাগ্রত হয়, তখন সমস্যা হয় না। কিন্তু এই বোধ-উপলব্ধিতে ঘাটতি যখন বেশি ছিল, তখন নারীকে দেখা হতো অর্ধেক মানুষ হিসেবে। কিন্তু ধারাবাহিক চেষ্টার ফলে এখন পরিস্থিতির পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

নারীর ভাগ্য পরিবর্তনের লড়াইটা নারীরই। তবে পুরুষের সহযোগিতা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনেক পুরুষকেও দেখা যায়, নারী-পুরুষের সমতার লড়াইয়ে শামিল হতে। এটা বাঞ্ছিত, এটাই হওয়া উচিত। রবীন্দ্রনাথের উক্তি স্মরণ করা যেতে পারে : ‘নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার, কেহ নাহি দিবে অধিকার/হে বিধাতা, নত করি মাথা, পথপ্রান্তে কেন রব জাগি/ক্লান্ত ধৈর্য প্রত্যাশা পূরণের লাগি, দৈবাগত দিনে।’

অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নারীকে ক্লান্তিহীন পথ চলতে হবে আরো বহু দিন মাস বছর।

আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন- ‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।’ এই সাম্যচিন্তা যত ব্যাপকতা ততই আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সক্ষম হব।

এবার একটু ফিরে দেখা যাক, আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পেছনের ইতিহাসের দিকে। ১৮৫৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের একটি সুতা কারখানার নারী শ্রমিকরা মজুরি বৈষম্য, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করার দাবিতে আন্দোলনে নামলে মালিক এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হয়। এই নির্যানের প্রতিবাদে এবং নারী শ্রমিকদের অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশের জন্য ৮ মার্চ নারী দিবস পালনের প্রস্তাব করা হয় ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ১৭ দেশের ১০০ নারীনেত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন জার্মানির সমাজতান্ত্রিক নারীনেত্রী ক্লারা জেটকিন। ১৯১৪ সাল থেকে দিবসটি পালন শুরু হয় সীমিতভাবে কয়েকটি দেশে। ১৯১৭ সালে লেনিনের নেতৃত্বে রুশ দেশে দুনিয়া কাঁপানো সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার পর নারী দিবস পালনের বিস্তৃতি ঘটতে থাকে। সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতে নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নতির বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ায় নারী দিবস পালনও উৎসবের মেজাজ পেতে থাকে। জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর এখন প্রায় সব দেশই দিবসটি পালন করে সরকারি এবং বেসরকারি নানা উদ্যোগ-কর্মসূচির মাধ্যমে।

বাংলাদেশে নারী দিবস পালন শুরু হয় মূলত পাকিস্তান আমলের শেষদিকে গোপন কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে সীমিত পরিসরে। মহিলা পরিষদ গঠনের পর এ সংগঠন প্রকাশ্যে নারী দিবস পালন করতে থাকে। নারীকে সম্মান করা, তাকে নারী হিসেবে না দেখে মানুষ হিসেবে দেখার দৃষ্টিটা বাম-প্রগতিশীলরাই প্রসারিত করেছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না। আমার নিজের পরিবারে কখনো নারী-পুরুষে বৈষম্য করতে দেখিনি। আমার স্বামী অজয় রায় কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে ঘরেও ৮ মার্চে আলাদা কিছু করতেন। আমার জন্য ফুল নিয়ে আসতেন, ঘরে আমার কাজে সাহায্যকারী কল্পনার হাতেও তিনি একটি ফুল দিতে ভুল করতেন না। কখনো কখনো মিষ্টিমুখও করাতেন আমাদের। এ আনুষ্ঠানিকতাটুকুও একেবারে অনান্তরিক ছিল না। একটি সংসারে শান্তি এবং সুখের পরিবেশ নিশ্চিত হয় স্বামী-স্ত্রীর পরস্পর আস্থা-বিশ্বাসের ভিত্তিতেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার মামি শাশুড়ি রেবা দত্ত আমাকে আশীর্বাদ করে পরস্পরের প্রতি সম্মানবোধ বজায় রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন। দীর্ঘ সংসার জীবনে আমরা ভালো-খারাপ কোনো সময়ই নিজেদের বিশ্বাসের জায়গা থেকে বিচ্যুত হইনি।

আজকাল ঘটা করে বিভিন্ন দিবস পালন করা হয়। তবে এক্ষেত্রে আন্তরিকতার ঘাটতিটাও নজর এড়ায় না। সত্য গোপনের একটি প্রবণতা কারো কারো মধ্যে আছে বলেই ছোটখাটো কারণে সংসার ভাঙার ঘটনাও ঘটে।

তবে আশার কথা এটাই যে, নারীরা এগিয়ে আসছেন, অনেক পুরুষও জেন্ডার সচেতন হয়ে তাদের পথের বাধা অপসারণে সহায়তা করছেন। নারীর কাজ, পুরুষের কাজ- এ বাধা কাটিয়ে প্রচলিত প্রথা ভেঙ্গে নারীরা অনেক শারীরিক শ্রমসাধ্য কাজও সাফল্যের সঙ্গে করছেন। নারীকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার পথ নারীরা তাদের সক্ষমতা দিয়েই রুখে দিতে পারছেন।

বাংলাদেশের যে সমৃদ্ধযাত্রা তাতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে। এটাকে কোনোভাবেই আর পিছনে ঠেলা যাবে না। দেশের শ্রমবাজারে নিয়োজিত ৬ কোটি ৮ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৩১ ভাগ নারী। এই নারীদের আবার ৭৫ শতাংশই গ্রামে বাস করেন। গ্রামীণ নারীর ৭২.৬ শতাংশ কৃষিতে, ১১.৫ শতাংশ গ্রামীণ শিল্পে এবং ১৫.৯ শতাংশ নারী গ্রামীণ সেবা খাতে কাজ করেন। গ্রামাঞ্চলে কৃষিতে নিয়োজিত মোট শ্রমশক্তির ৪৫ ভাগই নারী। ফসলের বীজ সংরক্ষণ, ফসল তোলা, মাড়াই ও সংরক্ষণসহ কৃষিকাজের নানা পর্যায়ে নারী অসামান্য অবদান রাখছে। হাঁস-মুরগি পালন এবং এগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যবসা-বাণিজ্যেও নারী ক্রমেই অধিক সংখ্যায় যুক্ত হচ্ছে। কিন্তু কৃষক হিসেবে নারীর স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন সেভাবে হয় না। এমনকি জমির মালিকানা না থাকায় কৃষক হিসেবে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য যে কার্ড দেওয়া হয়, তা নারীরা না পেয়ে সাধারণত পুরুষ কৃষকরাই বেশি পেয়ে থাকেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারী সমাজ আরো নানাভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবদান রাখছেন। গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণে সরাসরি কাজে অংশ নিয়ে সার্বিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করছেন, দেশের প্রধান রপ্তানিপণ্য তৈরি পোশাক শিল্পে প্রয়োজনীয় শ্রমশক্তির জোগান দিচ্ছেন নারীরা, ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ নারীরা অংশ নিয়ে আয়বর্ধক কর্মকান্ড ছাড়াও সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। মানব সম্পদ উন্নয়নে নারী অবদান রাখছেন শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগের মাধ্যমে। সন্তানদের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এনে এবং নিয়মিত স্কুলে পাঠিয়ে দেশের উন্নয়নে সুস্থ-সবল শিক্ষিত নাগরিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নারীরা নীরবে ভূমিকা রেখে চলছেন। দেশে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমার পেছনে সরকারি সাফল্যের পেছনেও নারীর সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের বিষয়টি কেনোভাবেই গৌণ নয়।

এটা এখন অনেকেই স্বীকার করেন যে, উপার্জিত অর্থ ভালোভাবে কাজে লাগানো, ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করা এবং শিশু রক্ষণাবেক্ষণে নারীর দক্ষতা বেশি। তারপরও এখনও নারী ধর্মীয় রক্ষণশীলতা, সামাজিক-পারিবারিক বিধিনিষেধসহ কিছু বাস্তব কারণে নারীরা নিজের ইচ্ছায় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে না। এ প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে।

নারী দেশ চালাতে পারে, যুদ্ধ করতে পারে, বিমান চালাতে পারে, পর্বত চূড়ায় উঠতে পারে আবার সংসারেরও হাল ধরতে পারে নিপুণ হাতে। অবহেলা, অসম্মান নয়, নারীকে দিতে হবে জীবন বিকাশের বাধামুক্ত পরিবেশ। নারীরা তাই এখন সুযোগ চায় না, চায় ন্যায্য অধিকার। ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস সেই অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অব্যাহত প্রেরণার উৎস হয়ে থাকুক- এটাই আমাদের চাওয়া।

[লেখক: মুক্তিযোদ্ধা, সমাজকর্মী]

দুই কুকুরের কামড়া-কামড়ি তত্ত্ব

’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশের ভেতরে কয়েকটি অঞ্চলে বামপন্থিদের নেতৃত্বে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল।

একটি মানবিক বিপর্যয়ের দলিল

ভাষাজ্ঞান মানুষকে তথ্য পরিষ্কার করে বুঝতে ও আত্মস্থ করতে সাহায্য করে।

অদ্ভুত লকডাউনে দেশ

দেশে লকডাউন চলছে। কিন্তু কোন জায়গাই এখন আর লক নেই। পুরোটাই আনলক!

sangbad ad

মুক্তিযুদ্ধে চিরুলিয়া-বিষ্ণুপুর

’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশের অভ্যন্তরে কয়েকটি অঞ্চলে বামপন্থিদের নেতৃত্বে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল।

‘হিট শকে’ বিপর্যস্ত কৃষক

image

একদিকে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস মহামারী, অন্যদিকে প্রলম্বিত বন্যার কারণে চালের উৎপাদনে ১৫ থেকে ২০ লাখ টনের যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে

হেফাজত, সঙ্গীতাঙ্গন, গ্রন্থাগার এবং আগুন

image

হেফাজতে ইসলামের সমর্থকরা হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, পৌর মিলনায়তন, রেলস্টেশন ইত্যাদিতে

হেফাজতের আন্দোলন মোদিবিরোধী না মুক্তিযুদ্ধবিরোধী?

image

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের প্রতিবাদে হেফাজত দেশজুড়ে নারকীয় তান্ডব চালায়।

সড়ক দুর্ঘটনা : থামাতে হবে এ হত্যাযজ্ঞ

নিসচার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গত ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে প্রায় ৫ হাজার মানুষ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় করণীয়

image

লকডাউনের পথে হাঁটছে বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও এশিয়ার দেশগুলোতে আবার করোনায় মৃত্যুর আক্রান্ত বেড়েছে।

sangbad ad