• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯

 

লবণে লোকসান

হতাশ উপকূল অঞ্চলের চাষিরা

নিতাই চন্দ্র রায়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০১৯

image

লবণ উৎপাদনের ভরা মৌসুমে লবণ বিক্রি করে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না উপকূলীয় অঞ্চলের অসহায় লবণ চাষিরা। লবণের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন তারা। অনেকে উৎপাদন বন্ধ রেখেছেন। গত দু’বছর ধরে ক্রমাগত লোকসানের কারণে লবণ চাষিদের মেরুদন্ড ভেঙে গেছে। পূর্ব পাকিস্তানে মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমীনের সময় এদেশে একবার লবণের তীব্র অভাব দেখা দিয়েছিল। টাকা দিয়েও সে সময় লবণ পাওয়া যেত না। এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় লবণ মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছিল। মানুষ কচু পাতায় লবণ কিনে বাড়িতে নিয়ে আসত। এখনও মানুষ নূরুল আমীনকে লবণ চোরা বলে অভিহিত করে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুঠির শিল্প সংস্থার মতে, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা, কক্সবাজার সদর, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, চকরিয়া, পেকুয়া ও টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে দেশের সিংহভাগ লবণ উৎপাদিত হয়। চলতি মৌসুমে দেশে এসব এলাকা থেকে বিসিকের লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১৮ লাখ মেট্রিক টন। আর পুরো বছরের জন্য লবণের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ লাখ ৫৭ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৯ মার্চ পর্যন্ত লবণ উৎপাদিত হয়েছে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন। জানা যায়, মাঠপর্যায়ে গত একমাস ধরে ৫০ কেজি ওজনের প্রতিমণ লবণ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। অথচ প্রতি মণ (৫০ কেজি) লবণ উৎপাদনে চাষিদের খরচ হয়েছে ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা। দুর্ভাগ্য বর্তমানে উৎপাদন খরচের অর্ধেক দামে চাষিদের লবণ বিক্রি করতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ লবণ চাষি সমিতির তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ সালে দেশে লবণের ঘাটতি ছিল ৮০ হাজার টন। ২০১৭-১৮ সালেও ১ লাখ ১ হাজার টন লবণ ঘাটতি ছিল। গত দুই অর্থ বছরে লবণের মোট ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৮১ হাজার টন। এর মধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সরকার বিদেশ থেকে লবণ আমদানি করে ৩ লাখ মেট্রিক টন। এ হিসেবে দেশে বর্তমানে লবণ উদ্বৃত্ত আছে ১ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন। বিসিকের তথ্য মতে, গত মৌসুমে ৫৯ হাজার ৫৬৪ একর জমিতে ১৪ লাখ ৯৩ হাজার মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছে। গত বছর লবণের চাহিদা ছিল ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টন। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার টন বেশি লবণ উৎপাদন হয় গত বছর। বাঁশখালী উপজেলার একজন লবণ চাষি দুঃখ করে বলেন, ৩৮ থেকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে লবণ চাষের জন্য এক কানি (৪০ শতক) জমি ইজারা নিতে হয়। মাঠ তৈরি করতে খরচ করতে হয় ৬ হাজার টাকা। সেচ দিতে খরচ হয় ৪ হাজার টাকা। প্রতি কানি জমিতে লবণ তৈরিতে শ্রমিক খরচ লাগে ২০ হাজার টাকা। পলিথিন বিছাতে খরচ হয় আরও ৪ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে প্রতি কানি জমিতে লবণ উৎপাদনে খরচ হয় ৭২ থেকে ৭৪ হাজার টাকা। অন্যদিকে প্রতি কানি জমিতে লবণ উৎপাদিত হয় ২০০ মণ। ভালোমানের প্রতি মণ লবণের বর্তমান বিক্রয়মূল্য ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সে হিসেবে এক কানি জমির উৎপাদিত লবণ থেকে চাষিদের আয় ৩৪ থেকে ৩৬ হাজার টাকা। তাই প্রতি কানি জমিতে লবণ উৎপাদন করে চাষিকে লোকসান দিতে হচ্ছে প্রায় ৩৮ হাজার টাকা। দিনরাত হাড়ভাঙা প্ররিশ্রম করে চাষিরা লবণের উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না- এ দুঃখের কথা কৃষক বলবে কার কাছে? উপকূলের হাজার হাজার লবণ চাষির কথা- গরিব চাষিদের বাঁচাতে সরকারকে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি সীমিত করতে হবে। অন্যথায় চাষিদের লবণ উৎপাদন বন্ধ করে অন্য পেশা গ্রহণ ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এ প্রসঙ্গে বাঁশখালী লবণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির ভাষ্য হলো- আমদানিকৃত লবণের মজুদ থাকায় ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকে লবণ কিনছেন কম। কৃষকদের মাঠপর্যায়ে লবণ সংরক্ষণের কোন সুযোগ না থাকায় উৎপাদন মৌসুমেই চাষিরা পানির দামে লবণ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে বড় কোম্পানিগুলো চাষিদের ঠকিয়ে মাঠ থেকে কম দামে লবণ কেনার এক অশুভ ফাঁদ তৈরি করেছেন। এ কারণে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপকূলের লবণ চাষিরা। চট্টগ্রামের কোহিনূর সল্টের মালিকের কথা- লবণ শিল্প বাঁচাতে হলে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ এ লবণের ওপর উপকূলের হাজার হাজার লবণ চাষি ও তাঁদের পরিবার-পরিজনের জীবন-জীবিকা জড়িত। পুরো মৌসুমে লবণ উৎপাদনের লাভের অর্থ দিয়ে চাষিদের সারা বছর সংসার চলতো। আর এখন লাভ তো দূরের কথা, লবণ বিক্রি করে চাষিরা উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। লবণ চাষিরা লবণের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে পথে বসলেও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো মৌসুমের সময় কম দামে লবণ কিনে ৮ থেকে ১০ গুণ বেশি দামে লবণ বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন।

উপকূল অঞ্চলের চাষি পর্যায়ে বর্তমানে প্রতি কেজি অপরিশোধিত লবণ ৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৬০ পয়সা দামে বিক্রি হলেও সারা দেশের হাট-বাজারে প্যাকেটজাত লবণ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩৫ টাকা কেজিতে। সম্প্রতি ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পূবালী, তীর ও এসিআই কোম্পানির প্রতি কেজি লবণ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ২০, ৩০ ও ৩৫ টাকা দামে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, উপকূলীয় অঞ্চল থেকে অপরিশোধিত লবণ চট্টগ্রামের মাঝির ঘাট, চাক্তাই ও পটিয়ায় মিলগুলোতে নিয়ে আসা হয় পরিশোধনের জন্য। বর্তমানে এসব এলাকায় বস্তা প্রতি (৭৪ কেজি) অপরিশোধিত লবণ বিক্রি হচ্ছে ৬২০ থেকে ৬৪০ টাকা। যার কেজি প্রতি মূল্য দাঁড়ায় ৮ থেকে ৯ টাকা। ক্রাশিং শেষে মিল থেকে বেড়িয়ে এ লবণ বিক্রি হচ্ছে প্রতি বস্তা ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা, অর্থাৎ প্রতি কেজি ১০ টাকা দামে। আর সেই লবণই প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন ব্যান্ডের নামে পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩৫ টাকা। অথচ লবণ চাষিরা, যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে লবণ উৎপাদন করছেন, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করছেন, তারা লবণ উৎপাদনের আসল খরচটাও তুলতে পারছেন না- এর চেয়ে পরিতাপের বিষয় আর কি হতে পারে?

দেশের লবণ পরিশোধন কোম্পানিগুলোর কথা- শিল্পের নামে খাওয়ার লবণ আমদানি করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এ লবণ আসছে সরাসরি পরিশোধিত অবস্থায়। এক শ্রেণীর আসাধু ব্যবসায়ী আয়োডিন না মিশিয়েই পরিশোধন ছাড়াই শিল্প কারখানার নামে লবণ এনে প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করছে। এতে এক দিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অন্যদিকে লবণ চাষিরাও বঞ্চিত হচ্ছেন লবণের ন্যায্যমূল্য থেকে। লবণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, শিল্প খাতে আমদানিকরা লবণের একটি বড় অংশ খাওয়ার লবণ, যা শিল্প লবণ নামে আমদানি করে খাওয়ার লবণ হিসেবে বাজারে ছাড়া হচ্ছে। জানা যায়, শিল্প খাতে লবণ আমদানিতে মোট করভার ৩৭ শতাংশের মতো। অন্যদিকে খাওয়ার লবণ আমদানির মোট করভার ৮৯ শতাংশ। ফলে শিল্প লবণ আমদানিকরাটাই বেশি লাভজনক। একটি কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী পরিশোধিত অবস্থায় এক কেজি শিল্প লবণ আমদানির খরচ হয় ১২ টাকা। স্থানীয় পরিশোধিত লবণের দাম পড়ে ২০ টাকার মতো।

দেশের প্রায় ৪৫ হাজার চাষি লবণ উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। এছাড়া লবণ উৎপাদন, বিপণন, পরিশোধন এবং বাজারজাতকরণের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রায় ৫ লাখ লোকের জীবনজীবিকা জড়িত। লবণ শিল্প একটি কৃষিভিত্তিক শিল্প। উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে ২০১১ সালে জাতীয় লবণ নীতি প্রণয়ন করা হয়। লবণ চাষিদের আশা ছিলÑ জাতীয় লবণ নীতি প্রণয়ণের ফলে চাষিরা লবণের ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্র থেকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলের জমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। ফলে লবণ উৎপাদন এলাকায় কর্মচাঞ্চলের সৃষ্টি হবে। বেকার জনগণের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে। একই সঙ্গে এ নীতির ফলে উপকূলীয় জনজীবনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে। জাতীয় লবণ নীতির উদ্দেশ্য হলোÑ দেশে বছরভিত্তিক লবণের চাহিদা নিরূপণ এবং চাহিদা মোতাবেক লবণ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও কৌশল নির্ধারণ। এছাড়া চাষযোগ্য জমির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং একর প্রতি লবণের উৎপাদন বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণ। কালো লবণ উৎপাদনে চাষিদের নিরুৎসাতি করে সাদা লবণ উৎপাদনে উদ্বুদ্ধকরণ ও বিসিক উদ্ভাবিত পলিথিন পদ্ধতির প্রচার ও প্রসার। মাঠপর্যায়ে জরিপের মাধ্যমে লবণ চাষে ব্যবহৃত প্রকৃত জমির পরিমাণ, চাষির সংখ্যা ও মিল মালিকের সংখ্যা নির্ধারণ করে সিঙ্গেল ডিজিট হার সুদে লবণ চাষি ও মিলমালিকদের পর্যাপ্ত ঋণ সহায়তা প্রদান। লবণ চাষিদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধান এবং আপদকালীন সময়ের জন্য বাফার স্টকের ব্যবস্থাকরণ। বিশেষ পরিস্থিতিতে চাহিদা অনুযায়ী দেশের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী লবণ আমদানি। স্বাস্থ্যসম্মত ভেজাল মুক্ত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন নিশ্চিতকরণ ও বাজারজাতকরণে সহায়তা প্রদান। উৎপাদিত লবণ সংরক্ষণ, সরবরাহ এবং বাজারজাতকরণের অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদান।

২০১১ সালে জাতীয় লবণ নীতি প্রণয়নের পর দীর্ঘ ৮ বছর কেটে গেলেও তার সুফল দৃশ্যমান হচ্ছে না দরিদ্র লবণ চাষিদের মধ্যে। জাতীয় লবণ নীতির সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে চাষিদের লবণের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হলে লবণ আমদানি সীমিতকরণসহ শিল্পের নামে আমদানিকৃত লবণ খাওয়ার কাজে ব্যবহার বন্ধের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন লবণ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ।

[লেখক : সাবেক মহাব্যস্থাপক (কৃষি), নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস্ লি.]
netairoy18@yahoo.com

দৈনিক সংবাদ : ১৪ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৭ এর পাতায় প্রকাশিত

আমার বন্ধু শামিম কবির

image

সেই সোমবারে সকাল ১০টার পরও ঘুমাচ্ছিলাম। বহু বছর আগে অবসর নেয়ার পর থেকেই বেলা পর্যন্ত ঘুমানোর অভ্যাস আমার। টেলিফোনটার

সংস্কৃতির মূলধারা সঙ্কুচিত হচ্ছে

দেশে সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ দিন দিন কমছে। সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারি, জবাবদিহি ও আন্তরিকতার অভাব। সংস্কৃতি

সাত দশকে আওয়ামী লীগের অর্জন ও ব্যর্থতা

২৩ জুন ২০১৯ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আওয়ামী লীগ এ উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন দল। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী

sangbad ad

বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও শেখ হাসিনা

১১ জুন বাঙালি জাতির জীবনে একটি রেড লেটার ডে। আজ থেকে ১১ বছর আগে ২০০৮ সালের এই দিনে (১১ জুন) সেনাসমর্থিত

জিয়া-মঞ্জুর হত্যা এবং এরশাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল

ইংরেজিতে একটি কথা আছে, ‘বেটার লেট দ্যান নেভার’ অর্থাৎ একেবারে না হওয়ার চেয়ে বিলম্বে হওয়াটা ভালো। বিলম্বে হলেও বিচার

চিনি শিল্পে সংকট ও উত্তরণ

সময় মতো আখ বিক্রির টাকা না পেয়ে ক্ষোভে-দুঃখে জমি থেকে আখ উপড়ে ফেলেছেন জয়পুরহাট চিনি কলের কৃষক। আখের বদলে আবাদ

চুকনগর গণহত্যা দিবস : গণহত্যার সাক্ষ্য বহন করে চলেছে চুকনগরের মাটি

image

২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, তখনও ঢাকাসহ কয়েকটি

জাহানারা ইমাম নিরলস যুদ্ধ করেছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে

দিল মনোয়ারা মনু

image

আমাদের দেশে যখন মুক্তিযোদ্ধারা সূর্যরশ্মির মতো ছড়িয়ে পড়েন সবখানে, মুক্তিযুদ্ধে যখন হয়ে ওঠেন এক অবিনশ্বর আকাশ, যেখানে

জঙ্গিদের পরবর্তী লক্ষ্য কোন দেশ!

রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশকিছু ওলোট-পালটের ঘটনা ঘটছে। শিগগিরই আরও কিছু ঘটবে বলে মনে হচ্ছে। মারাত্মকভাবে হতাশায় নিমজ্জিত দলগুলোতেই

sangbad ad