• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯

 

বায়ুদূষণের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে হবে রাজধানী ঢাকাকে

নিতাই চন্দ্র রায়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০১৯

প্রতি বছর বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে পৃথিবীতে যত মানুষ মারা যায় তার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ মারা যায় পরিবেশ দূষণের কারণে। বর্তমান বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর পঞ্চম কারণ হলো বায়ুদূষণ। বায়ুদূষণের প্রভাবে এ বছর পৃথিবীতে ৭০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বায়ুদূষণ। গ্রিনপিসের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক ইয়েব সানোর মতে, বায়ুদূষণ মানুষের জীবিকা ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিচ্ছে। মানুষের মৃত্যু ছাড়াও বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বব্যাপী চিকিৎসা বাবদ খরচ হচ্ছে ২২৫ বিলিয়ন ডলার। বায়ুদূষণের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে আমাদের স্বাস্থ্য এবং সঞ্চিত অর্থের ওপরও।

‘বৈশ্বিক বায়ুমান সূচক-২০১৮’ অনুসারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীর মধ্যে সবচেয়ে দূষিত বাতাসের রাজধানী শহর হলো ভারতের দিল্লি। আর দ্বিতীয় শীর্ষ বায়ুদূষণের রাজধানী শহর হলো বাংলাদেশের ঢাকা। সম্প্রতি (৪.৩.২০১৯) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্রিনপিস ও এয়ার ভিজুয়াল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩ হাজার ৯৫টি শহরের বায়ুর গুণগতমান নিয়ে গবেষণা করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ৩০টি শহরের মধ্যে ২২টি ভারতের, ৫টি চীনের, ২টি পাকিস্তানের এবং অন্য ১টির মধ্যে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহর রয়েছে। দূষণের শীর্ষে থাকা ৩০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৭তম।

বাতাসে ২ দশমিক ৫ ম্যাক্রোমিটার ব্যাসের সূক্ষ্ম কণাকে পিএম ২ দশমিক ৫ বলা হয়। অতি সূক্ষ্ম হওয়ায় সহজেই এ কণাটি মানবদেহে প্রবেশ করে। বায়ুদূষণে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো সূক্ষ্ম এসব কতা। প্রতিবেদন অনুয়ায়ী বিভিন্ন দেশের রাজধানীর মধ্যে এ ধরনের সূক্ষ্ম কণা সবচেয়ে বেশি আছে দিল্লির বাতাসে, প্রতি ঘনমিটারে ১১৩ দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রাম। রাজধানী হিসেবে এরপরই সর্বোচ্চ অতিসূক্ষ্ম বস্তুকণা রয়েছে ঢাকার বাতাসে, প্রতি ঘনমিটারে ৯৭ দশমিক ১ মাইক্রোগ্রাম। তৃতীয় সর্বোচ্চ সূক্ষ্ম বস্তুকণা রয়েছে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের বাতাসে, প্রতি ঘনমিটারে ৬১ দশমিক ৮ মাইক্রোগ্রাম।

বিশ্ব সংস্থার মান অনুয়ায়ী, বাতাসে অতিসূক্ষ্ম কণার ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ১০ মাইক্রোগ্রাম হলে তাকে স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। সে হিসেবে ঢাকার বাতাসে যে মাত্রায় অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা রয়েছে, তা খুবই অস্বাস্থ্যকর মাত্রা নির্দেশ করে। এসব কণা কঠিন ও তরলের মিশ্রণে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ফোঁটা আকারের বাতাসে ভেসে বেড়ায়। চুলের মতো চওড়া জায়গার মধ্যে ৪০টি পিএম ২.৫ বস্তুকণা আটাআটিভাবে সংযুক্ত হয়ে থাকতে পারে। এই কণা অতি সহজেই নিঃশ্বাসের মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। চিকিৎসকদের মতে, বাতাসে সহনীয় মাত্রার অতিরিক্ত অতিসূক্ষ্ম এ বস্তুকণা স্বল্প মেয়াদে মাথা ব্যথা, শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ নানা ব্যাধির জন্য দায়ী। এর প্রভাবে দীর্ঘ মেয়াদে ফুসফুস ক্যান্সার, হার্টঅ্যাটাক, অ্যাজমা, ব্রংকাইটিসের মতো জটিল রোগ হতে পারে। বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞগণের মতে, বাতাসে অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণার কারণে হাঁপানিসহ শ্বাসতন্ত্রের রোগ বেশি হয়। শ্বাসতন্ত্র ছাড়াও বায়ুদূষণের কারণে কিডনি ও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগের কারণও বায়ুদূষণ।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলেন, সনাতন ইটভাটা, পুরাতন যানবাহন, কলকারখানার কালো ধোঁয়া, অপ্রতুল গাছপালা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও নির্মাণকাজ রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ। সনাতন পদ্ধতির ইটভাটার কারণে শতকরা ৫৮ ভাগ বায়ুদূষণ হয়। পুরাতন গাড়ির জন্য বায়ুদূষণ হয় ২০ ভাগ। আর অবকাঠামো নির্মাণকাজে বায়ুদূষণ হয় শতকরা ২০ ভাগ এবং শিল্পকারখানার কারণে বায়ুদূষণ হয় শতকরা ১০ ভাগ। এছাড়া বাতাসে সিসার উপস্থিতিও বায়ুদূষণ মাত্রাকে বৃদ্ধি করে। ব্যাটারি শিল্প বাতাসে বায়ুদূষণের মাত্রাকে বাড়িয়ে তুলছে। সমলোচকরা বলছেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিবেশবাদীদের সমন্বয়হীনতার কারণে রাজধানী ঢাকার পরিবেশ পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হচ্ছে না। বায়ুদূষণকে সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস কোম্পানিগুলো, বিদ্যুৎ বিভাগ, বিএরটিএ, কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আর আমরা মনে করি, পরিবেশ দূষণ রোধে রাজধানীর সব সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগর সরকারের মতো একটি একক ছাতার নিচে নিয়ে আসা প্রয়োজন।

বায়ুকে নির্মল করে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকারকে যেমন দায়িত্বশীল হতে হবে, তেমনি পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা বাড়াতে হবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো পরিবেশ দূষণ নিয়ে বাংলাদেশও আজ উদ্বিগ্ন। পরিবেশ দূষণের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি। বাড়ছে আইলা, সিডর ও মহাসেনের মতো ঘূর্ণিঝড়। তীব্রতর হচ্ছে নদী ভাঙ্গন। ঘরবাড়ি, সহায় সম্পদ হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে হাজারও মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বায়ুম-লীয় অবস্থার পরিবর্তন ঘটছে এবং এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে পরিবেশের ওপর। অন্যদিকে কারখানাসহ বিভিন্ন জায়গার জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে অপরিকল্পিত নগরায়ণকে বায়ুদূষণের জন্য সবচেয়ে দায়ী হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বায়ুদূষণের কারণগুলো বন্ধ করার জন্য সরকার ও জনগণÑ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। সনাতন ইটভাটার পরিবর্তে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যেতে হবে আমাদের। দেশের দেড় হাজারের বেশি সনাতন ইটভাটা দ্রুত বন্ধ করা উচিত। ইটের বিকল্প ব্লক এখন দেশেই তৈরি হচ্ছে। ব্লকের ব্যবহার বাড়াতে পারলে বায়ুদূষণ রোধের সঙ্গে রক্ষা পারে দেশের উর্বর কৃষিজমি, বৃক্ষরাজি ও বনাঞ্চল। বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে বছরে ১ লাখ ২২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। আর বায়ুদূষণের কারণে শিশুমৃত্যুর হারের দিক থেকে পাকিস্তানের পরেই রয়েছে বাংলাদেশের অবস্থান। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে দূষিত বাতাসের শহর হলো ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের গুরুগ্রাম। যেখানে বাতাসে পিএম ২.৫-এর মাত্রা ২০০-এর বেশি। তালিকায় শীর্ষ ১০টি দূষিত শহরের মধ্যে গুরুগ্রামের পরেই রয়েছে দিল্লিসংলগ্ন ভারতের আরেকটি শহর গাজিয়াবাদ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ। এরপর চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে- ভারতের ফরিয়াবাদ, ভিবাডি, নয়ডা ও পাটনা। অষ্টম স্থানে আছে চীনের হুতাম শহর এবং নবম স্থানে রয়েছে ভারতের লক্ষ্মৌ ও দশম স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর।

ইকোনমিক টাইমসের এক খবরে জানা যায়, উত্তর ভারতে ফসল কাটার পর মাঠে থাকা খড় পুড়িয়ে ফেলার কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণ প্রবল আকার ধারণ করেছে। বায়ুদূষণের কারণে ওই অঞ্চলে শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহ বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে এ বায়ুদূষণের ফলে ভারত স্থানীয়ভাবে প্রতি বছর আনুমানিক ৩ হাজার কোটি ডলারের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বায়ুদূষণের ভয়াবহতা থেকে রাজধানী দিল্লিকে বাঁচানোর জন্য দূষণবিরোধী বিক্ষোভ, র‌্যালি ও প্রতিবাদ কর্মসূচিসহ নানা ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে দিল্লির বাসিন্দারা। আন্দোলকারীদের মতে, দিল্লিকে বাঁচাতে হলে নগর পরিকল্পনাবিদদের নতুন ধরনের চিন্তা-ভাবনা ও পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়তে থাকায় দিল্লিতে কাজ করতে আসা বিদেশিদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। গাছ কাটা বন্ধ করতে সম্প্রতি দিল্লি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঢাকার মহাখালী, ফার্মগেট, মগবাজার, সোনারগাঁও এবং সায়েন্স ল্যাব এলাকার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের আধিক্য স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি এবং এসব এলাকায় বসবাসকারী মানুষ সর্বাধিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৭০ লাখ লোক এখন হাঁপানি রোগে ভুগছে, যার অর্ধেকই শিশু। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের এক হিসাব অনুযায়ী বলা হয়, যদি বায়ুদূষণের পরিমাণ ২০ ভাগ কমানো যায়, তাহলে স্বাস্থ্যরক্ষার খরচ বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার কমে আসবে। বায়ুদূষণ নীতিমালা প্রণয়ন ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্মল বায়ু ও পরিবেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৪৬ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও বায়ুদূষণ রোধে তার অগ্রগতি তেমন দৃশ্যমান নয়। নির্মল বায়ু এবং টেকসই পরিবেশ ব্যতীত টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই বায়ুদূষণ থেকে রক্ষা পেতে হলে আরও ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বায়ুদূষণ রোধে কিছু বাস্তব ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বেইজিংয়ে বাতাসের গুণগতমানের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ২০১৭ সালে বেইজিংয়ের বাতাসে অন্যতম দূষক পিএম ২.৫Ñএর গড় ঘনত্ব ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৫৮ মাইক্রোগ্রাম, যা ২০১৬ সালের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। জ্বালানি, শিল্প ও যোগাযোগ কাঠামো সুসংহত করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বায়ুদূষণ রোধে কাজ করা হয়েছে প্রচুর। গত বছর পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সংস্কার, গ্রামে কয়লা ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংস্কার করা হয়েছে। এছাড়া বেইজিং কর্তৃপক্ষ কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ, পরিবেশবান্ধব প্রতিষ্ঠান বা কর্মকা-কে অর্থনৈতিক প্রণোদনা প্রদান এবং পরিবেশ সুরক্ষার মানদ- প্রণয়ন করাসহ বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে বায়ুর গুণগতমান সার্বিকভাবে উন্নত করতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে বেইজিং শহর কর্তৃপক্ষ অব্যাহতভাবে পিএম ২.৫ দূষণমুক্ত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আইন, অর্থনীতি ও বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে দূষণকারী পদার্থের নির্গমন কমানোর কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নগর কতৃপক্ষ, যার মাধ্যমে ২০২০ সালে বেইজিং শহরে পিএম ২.৫-এর গড় ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৫৬ মাইক্রোগ্রামে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আমাদের কথা হলো চীন যদি বেজিংয়ের বায়ুদূষণ মাত্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমাতে পারে, তাহলে ঢাকার বায়ুদূষণও কমানো সম্ভব। প্রয়োজন শুধু সময়মতো সঠিক ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ।

[লেখক : সাবেক মহাব্যবস্থাপক (কৃষি), নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লি.]
netairoy18@yahoo.com

দৈনিক সংবাদ : ১২ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭ এর পাতায় প্রকাশিত

চুকনগর গণহত্যা দিবস : গণহত্যার সাক্ষ্য বহন করে চলেছে চুকনগরের মাটি

image

২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, তখনও ঢাকাসহ কয়েকটি

জাহানারা ইমাম নিরলস যুদ্ধ করেছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে

দিল মনোয়ারা মনু

image

আমাদের দেশে যখন মুক্তিযোদ্ধারা সূর্যরশ্মির মতো ছড়িয়ে পড়েন সবখানে, মুক্তিযুদ্ধে যখন হয়ে ওঠেন এক অবিনশ্বর আকাশ, যেখানে

জঙ্গিদের পরবর্তী লক্ষ্য কোন দেশ!

রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশকিছু ওলোট-পালটের ঘটনা ঘটছে। শিগগিরই আরও কিছু ঘটবে বলে মনে হচ্ছে। মারাত্মকভাবে হতাশায় নিমজ্জিত দলগুলোতেই

sangbad ad

এক বাগানের ফুল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত জাপান নতুন যুগে পদার্পণ করতে চলেছে। আড়ম্বরের সঙ্গে আয়োজন করা হচ্ছে- জাপানের ভাবী সম্রাট নারুহিতো

প্রাচীন বাংলার ইতিহাস জাতিরাষ্ট্রের মাপকাঠিতে আটকে রাখা যায় না

image

প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মন মাতানো গান ‘আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলার গান গাই...’ নানা জনের মুখে মুখে ফেরে। ‘বাংলা’

বোরো ধানের ব্লাস্ট রোগ : কারণ ও প্রতিকার

ব্লাস্ট ধানের একটি ছত্রাকজনিত মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ। পাইরিকুলারিয়া ওরাইজি (Pyriculria Orayzai) নামক

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই গড়ে তুলব বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা

বাঙালির অবিসংবাদিক নেতা ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে।

মুজিবনগর সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব

image

১৭ এপ্রিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। ১৯৭১-এর এ দিনে কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের আম্রকাননে একাত্তরে যুদ্ধ পরিচালনাকারী

মাদক আসছেই

জাতীয় দৈনিক পত্রিকা সূত্রে জানা যায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের পরও ঝিনাইদহের মহেশপুর ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর

sangbad ad