• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ জুন ২০১৮

 

বাংলাদেশে ফার্মেসি শিক্ষা: বর্তমান অবস্থা এবং করণীয়

মেহেদী হাসান তানভীর

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর ড. আবদুল জব্বারের হাত ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ফার্মেসি শিক্ষা চালু করা হয়। মাত্র ২০ জন মেধাবী ছাত্রছাত্রী নিয়ে বি ফার্ম ডিগ্রি চালু করা হয়, যা ১৯৬৫ সালে ওই বিভাগের ছাত্রছাত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নাম পরিবর্তন করে বি ফার্ম (অনার্স) করা হয়। প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন (ডিএমসিএইচ) ও কয়েকজন শিক্ষক তখনকার ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষকতা করতেন।

১৯৬৯ সালে প্রথম এম ফার্ম (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রি চালু হয়। এবং ২০০৩ সালে ফার্মেসি অনুষদে ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি এবং ওষুধ প্রযুক্তি ৩টি পৃথক বিভাগ চালু হয়। তিনটি বিভাগেই এমফার্ম, এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়। ফার্মাসিস্টরা পড়াশোনা শেষে দেশ-বিদেশে সম্মানের সঙ্গে চাকরি ও গবেষণা কাজে নিয়োজিত হন।

বর্তমানে প্রায় ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৫০০ শিক্ষার্থী বি ফার্ম সম্পন্ন করছে, দুঃখের বিষয় হচ্ছে মেধাবী হলেও অধিকাংশই চাকরিতে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও ফার্মাসিস্টরা স্বাস্থ্য সেবায় অনেক অবদান রাখতে পারেন। হসপিটাল ফার্মেসি চালুর মাধ্যমে এদেশে যেমন স্বাস্থ্য সেবার বিরাট উন্নতি করা সম্ভব পাশাপাশি ফার্মাসিস্টদের কর্মসংস্থানও বাড়ানো সম্ভব। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে ফার্মাসিস্টের অপ্রতুলতাও আমাদের দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করছে।

হসপিটাল ফার্মেসি চালুর মাধ্যমে এদেশে যেমন স্বাস্থ্যসেবার বিরাট উন্নতি করা সম্ভব পাশাপাশি ফার্মাসিস্টদের কর্মসংস্থান ও বাড়ানো সম্ভব। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে ফার্মাসিস্টের অপ্রতুলতাও আমাদের দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের পথে অন্তরায়। এ দেশের মানুষের মাঝে সঠিক ও গুণগতমানের ওষুধ পৌঁছাতে ওষুধ প্রশাসনে প্রায় ৫০ জন ফার্মাসিস্ট নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন। এবং সব সরকারি হাসপাতালে ৪ জন করে এ গ্রেড ফার্মাসিস্ট ও ৮ জন করে বি গ্রেড ফার্মাসিস্ট নিয়োগ দেয়া দরকার। বাংলাদেশ পাবলিক সার্র্ভিস কমিশনে ফার্মেসি কোটার আয়তায় ৫০টি আসন অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের দাবি। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মডেল ফার্মেসি চালু হওয়ায় এ দেশের অনেক রোগী উপকৃত হচ্ছে এবং ওষুধ অধিদফতরের পূর্ণ তদারকির মাধ্যমে সারা দেশে আরও অসংখ্য মডেল ফার্মেসি চালু করলে রোগীদের ওষুধের পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ সম্ভব হবে। আজ বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবসে সরকারের প্রতি অনুরোধ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ফার্মাসিস্টদের যথাযথ মর্যাদায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে নিয়োগের ব্যবস্থা করে একটি সুখী ও সুন্দর এবং সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলুন।

[লেখক : সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস ফোরাম]

২৫ লক্ষ খাদ্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনবিহীন রেখে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব কি?

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের “জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য”

sangbad ad
sangbad ad