• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

 

ফিরে আসুক পাটের সোনালি অতীত

আবু আফজাল সালেহ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯

একসময় পাট ছিল আমাদের একমাত্র রফতানি পণ্য। কিন্তু বিদেশি চক্রান্ত ও সুদক্ষ পরিচালনা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবে প্রায় মরে গেছে এ শিল্প। বর্তমান সরকার এ খাতকে গতিসঞ্চার করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

সম্প্রতি পাটের উৎপাদন বাড়ছে। উন্নতির গ্রাফচিত্র আমরা তুলে ধরতে পারি। ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে পাটের উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে পাটের উৎপাদন ছিল ৫১ লাখ মেট্রিক টন। সর্বশেষ অর্থবছরে পাটের উৎপাদন হয়েছে ৯২ লাখ মেট্রিক টন। এতে দেখা যাচ্ছে প্রতি বছর পাটের উৎপাদন বাড়ছে। পাটের রফতানিও বেড়েছে। যেমন ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পাট রফতানি হয়েছে ৪১ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। আগের বছর একই সময়ের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৪ সালে দেশের পাটের উৎপাদন ছিল ৬৫ লাখ বেল, ২০১৫ সালে ৭০ লাখ বেল, ২০১৬ সালে ৮৫ লাখ বেল এবং ২০১৭ সালে ছিল ৯২ লাখ বেল। কৃষিজমির হ্রাস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রয়োজনে ‘পাটচাষ জোন’ গড়ে তোলা যেতে পারে। পাটপণ্যের পাশাপাশি হরেক, বাহারি, নিত্যব্যবহার্য, ফ্যাশনেবল বহুমুখী পাটসামগ্রীর প্রসার ও বিপণন এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন গতিসঞ্চার করেছে। বাংলাদেশে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৯১ দশমিক ৯৯ লাখ বেল কাঁচা পাট উৎপাদন হয়েছে। কাঁচা পাট রফতানি হয়েছে ১৩ দশমিক ৭৯ লাখ টন। পাট রফতানিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। এ খাতে রফতানি আয় ১ হাজার ২৯৪ দশমিক ৬৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশ বিশ্বের মোট পাটের ৩৩ শতাংশ উৎপাদন করে এবং কাঁচা পাটের প্রায় ৯০ শতাংশই রফতানি করে।

আমাদের ব্যবহারিক জীবনে পাটের গুরুত্ব অপরিসীম। এই পাট থেকে উৎপাদিত পণ্য যেমনÑ বস্ত্র, থলে, দড়ি, কাছি, সূক্ষ্ম বস্ত্র ও কার্পেট প্রভৃতি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে প্রতিনিয়ত ব্যবহার হয়ে থাকে। এ বাংলাদেশের পাট থেকে তৈরি ‘জুটন’ পৃথিবীর নানা দেশে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। আমাদের পাটকলের তৈরি কার্পেট পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে এখনও বিশেষভাবে সমাদৃত। এছাড়া পাটের তৈরি ঝুড়ি, শিকে এবং কারুকাজশোভিত অন্যান্য দ্রব্য বিদেশিদের শুধু দৃষ্টি কাড়ছে। এগুলো রফতানি করে বাংলাদেশ এখনও যথেষ্ট পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। বাজারে পাটের তৈরি চালের বস্তা ও সুতলি থেকে গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার বহুমুখী পাটপণ্যের বাজার সৃষ্টি হয়েছে। পাটপণ্যের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক ব্যাগ, সেমিনার ফাইল ও প্রমোশনাল পণ্য, নানা ধরনের গৃহস্থালি, বাহারি সাজসজ্জায় ব্যবহৃত পণ্যসামগ্রী অন্যতম। বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা থাকলেও ধারাবাহিকভাবে বছরে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বহুমুখী পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে গত বছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার বহুমুখী পাটপণ্য রফতানি হয়েছে।

করতে হবে পাটের বহুমুখীকরণ। পাটের বহুমুখীকরণ যত বাড়ানো যাবে ততই পাটের অর্থনীতিতে অবদান বাড়বে। শুধু পাটেই নয় যে কোন পণ্যের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য। আমরা যতই আধুনিক হচ্ছি ততই রুচিবোধে ভেরিয়েশন আসছে। আর একারণেই বহুমুখীকরণ ছাড়া অন্য উপায় কম ফলপ্রসূ হবে। মানুষের রুচির ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। এবং তা অতি দ্রুততার সঙ্গে পরিবর্তন হচ্ছে। খাপ খাওয়াতে তাই পাটের বহুমুখীকরণে সুষ্ঠু পরিকল্পনা দরকার।

পাটের মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ ও বিধিমালা-২০১৩ আছে। কিন্তু মোড়কজাতের বাইরেও পাটের অন্যান্য বিষয়েও আইন করা দরকার। বিপণন, বীজ, সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত রূপরেখা আইনে সংযোজন করা যেতে পারে। পলিথিন উৎপাদন, বিপণন, ব্যবহার বন্ধ ও পাটপণ্যের মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের লক্ষ্যে চাহিদা অনুযায়ী গুণগত মানস¤পন্ন পণ্য উৎপাদন এবং এর প্রচার বাড়াতে হবে। মানসম্মত পাট উৎপাদন, পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, পাটপণ্যের বহুমুখীকরণ, পাটকলের আধুনিকায়ন, পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এ পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘জাতীয় পাটনীতি-২০১৮’-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পাটের গুরুত্বের বিষয়টি প্রকাশের জন্য সরকারে যে আন্তরিকতা তা প্রশ্নাতীত। কারণ বর্তমান সরকারের উদ্যোগে ২০১৭ সালেই সর্বপ্রথম ৬ মার্চকে জাতীয় পাট দিবস হিসেবে পালন করা হয়। প্রতিবারই নতুন সেøাগান নিয়ে সরকার প্রচার ও প্রসার বাড়াতে সচেষ্ট। তাই দেশ-বিদেশে পাটের বাজার পুনরুজ্জীবিত করতে ‘জুট পাল্প পেপার অ্যাক্ট’ এবং ‘পাট আইন’ প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি।

পাটের উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণের জন্য প্রশিক্ষণের পাশাপাশি দরকার গবেষণা। এক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

ভালোমানের বীজের অভাব সবসময়েই থাকে। অনেক ক্ষেত্রে চোরাইপথে আসা ভারতীয় নিম্নমানের পাটের বীজে আশানুরূপ ফল পাই না আমরা। নিজস্ব বীজ উৎপাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। না হওয়া পর্যন্ত সরকারি নিয়ন্ত্রণে ভালো বীজ আমদানি করে কৃষকের মধ্যে বিতরণ/বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। পাট চাষ, সংরক্ষণ ও বিতরণের উন্নয়নে কৃষি ঋণের সহজিকরণ করতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাংগুলোর ওপর তদারকি বাড়াতে হবে।

পাটের কম দাম পান প্রান্তিক কৃষকেরা। কৃষকের চেয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা বেশি লাভবান হয়। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি পাট ক্রয়ের ব্যবস্থা বাড়াতে হবে। এসব নেতিবাচকদিকগুলো শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এতে কৃষকরা লাভবান হবে এবং পাটচাষে ঝুঁকবে।

পাটসংশ্লিষ্ট কুটির শিল্পের জোরদারকরণ প্রকল্প হাতে নিতে হবে। দক্ষ জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে বহুমুখীকরণে তাড়াতাড়ি ফল পাব আমরা। তাদেরও পুনঃপুন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ থেকে দক্ষতর জনবল হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে বৈচিত্র্য আনতে পারব। সরকারের নতুন নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দ্রুত খাপ খাওয়াতে পারবে তারা। পাট ও পাটসামগ্রী বিপণনে হাট-বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে, গুদাম মেরামত বা নতুন তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের মাঝে ব্যংকগুলোকে স্বল্পসুদে ঋণের ব্যবস্থাকরণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

সোনালি ব্যাগের প্রসারের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষতিকারক পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে এতে আকৃষ্ট করতে হবে। প্রয়োজনে প্রথমদিকে সোনালিব্যাগের উন্নয়ন/ব্যবহারে ভুর্তুকির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। আমদানি করা পচনশীল পলিমার ব্যাগের যে দাম তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ দামেই পাওয়া যাবে সোনালি ব্যাগ। বর্তমানে এক কেজি পলিথিন তৈরি করতে ২০০-২৫০ টাকা খরচ হয়। এর চেয়ে ৫০-১০০ টাকা বেশিতেই পাওয়া যাবে প্রতি কেজি সোনালি ব্যাগ। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে দাম আরও কমবে। ব্যাগটির দাম কমিয়ে দেবে মূলত এর বিভিন্ন বাই-প্রডাক্ট (উপজাত)। এর গুরুত্বপূর্ণ দুটি বাই-প্রডাক্ট হলো লিগনিন ও হেমোসেলুলোজ। বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহার করা হয় লিগনিন। এটি ভালো দামে বিক্রি হবে। আর হেমোসেলুলোজ সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পাটের যে আঁশ এই ব্যাগ তৈরিতে ব্যবহার করা হয় তার মাত্র ২-৩ শতাংশ উচ্ছিষ্টাংশ হিসেবে বেরিয়ে আসবে। বাকি ৯৭-৯৮ শতাংশই হবে কোন না কোন প্রডাক্ট। পাট একটি পরিবেশবান্ধব পণ্য। পরিবেশবিনাশী পলিথিন এমন একটি রাসায়নিক বস্তু যা পচনশীল নয়। এটি পোড়ালেও দুর্গন্ধযুক্ত ধোঁয়া বের হয়ে পরিবেশ নষ্ট করে দেয়। এটি যেখানে পড়ে থাকে সেখানে থেকেই কৃষি ফসলের জমিতে মাটির রস চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে। বিভিন্ন খাল-বিল, নদী-নালা, ড্রেন, নর্দমাÑ সব জায়গায় পরিত্যক্ত পলিথিন জমে জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়ে স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে থাকে। সেজন্যই পলিথিনের বিকল্প হিসেবে শুধু বাংলাদেশে নয়, আমাদের প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে ক্যারিং ব্যাগ হিসেবে পাটের তৈরি ব্যাগ অনায়াসে ব্যবহার করা হচ্ছে।

পাটের কোনকিছুই ফেলনা নয়। ছোট-বড় সব ধরনের পাটগাছ থেকে পাতা নিয়ে পুষ্টিকর পাটশাক খাওয়া যায়। এ পাটশাক শুকনো হিসেবেও দীর্ঘদিন ঘরে সংরক্ষণ করে খাওয়ার সুযোগ থাকে। পাটের পুরো মৌসুমে জমির মধ্যে যে পাতা পড়ে, তা উক্ত জমির জৈব পদার্থ যোগে উর্বরতা বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। পাটের শিকড়, গাছ, পাতা থেকে সার যোগ হলে পরবর্তী ফসল আবাদে ওই জমিতে আর কোন বাড়তি সার প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে না।

জনগণের মধ্যে দেশীয় পণ্যের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টিতে নানামুখি পদক্ষেপ নেয়া।

বর্তমানে বাংলাদেশের পাটশিল্পে বেশ কিছু সমস্যার কথা আগেই উল্লেখ করেছি। এছাড়া স্থবিরতা বা রফতানি মূল্য হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি; পুরনো যন্ত্রপাতির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস; শ্রমিক সমস্যা; বহুবিস্তৃত দুর্নীতি; অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, মূলধন ঋণে উচ্চ সুদের হার আদায়, রাষ্ট্রায়ত্ত মিলে অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, অনিয়ন্ত্রিত অপচয়, বিদ্যুৎ ঘাটতি, অদক্ষ বা আধা দক্ষ শ্রমিক, অধিক জনবল নিয়োগ, জবাবদিহির অভাব, সর্বস্তরে দুর্নীতি, যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণ ও স্থলাভিষিক্ত নীতির শূন্যতা, রুগ্ণ ট্রেড-ইউনিয়ন চর্চা ইত্যাদি সমস্যা এ শিল্পের অন্তরায়। এ বিষয়গুলো ভালোভাবে দেখতে হবে বা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

পাট একটি পরিবেশবান্ধব বস্তু। এ জন্য সরকার ২০১০ সালে সরকার পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। বর্তমানে মোট ১৭টি পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে পাট পণ্যের চাহিদা প্রায় ৭.৫০ লাখ মেট্রিক টন এবং এর মধ্যে যা বাংলাদেশ রফতানি করে ৪.৬০ লাখ মেট্রিক টন। যা প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও বেশি। পাট থেকে উন্নতমানের ভিসকস সুতা উৎপাদন হয়। যার সুতি কাপড় থেকে ও বাজার মূল্য বেশি। পাটখড়ি জ্বালানির প্রধান উৎস হলে গত কয়েক বছর ধরে পাটখড়ির চারকোল বিদেশে রফতানি হচ্ছে আয় হচ্ছে হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে পাট থেকে তৈরি হচ্ছে চা। এতে জীবনরক্ষাকারী উগাদান আছে। প্রচলিত ব্যবহারের পাশাপাশি বহুমুখী ব্যবহারের ফলে পুনরুদ্ধার হচ্ছে রফতানি বাজার। দেশব্যাপী পাটের আবাদ, উৎপাদন ও দাম বেড়েছে। দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার পাটের চট বা জিও টেক্সটাইলের অভ্যন্তরীণ বাজার তৈরি হয়েছে।

পাটকলগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর বিশদ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। দেশে ও বিদেশে পাটের বাজার বাড়াতে পাটজাত পণ্যের প্রদর্শনী, মেলা, প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। বিভিন্ন দুতাবাসের মাধ্যমে বিদেশে প্রচারের কাজ ত্বরান্বিত করা যাবে।

আর দরকার জনসচেতনতা সৃষ্টি। ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে পলিথিন বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক জিনিসপত্র ব্যবহারে অনুৎসাহিত করে ইতিবাচক জনমত গড়ে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি-মিডিয়া-বেসরকারি সেক্টর সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে আমরা ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব। ইতোমধ্যে সবার প্রচেষ্টাই আমরা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফল হয়েছি।

[লেখক : কবি, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট]

abuafzalsaleh@gmail.com

দৈনিক সংবাদ : ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার, ৭ এর পাতায় প্রকাশিত

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই গড়ে তুলব বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা

বাঙালির অবিসংবাদিক নেতা ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে।

মুজিবনগর সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব

image

১৭ এপ্রিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। ১৯৭১-এর এ দিনে কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের আম্রকাননে একাত্তরে যুদ্ধ পরিচালনাকারী

মাদক আসছেই

জাতীয় দৈনিক পত্রিকা সূত্রে জানা যায়, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের পরও ঝিনাইদহের মহেশপুর ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর

sangbad ad

চৈত্রসংক্রান্তি : আদি-অন্তের সুলুকসন্ধান

‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’। ‘চৈত্রসংক্রান্তি’- বাংলা বছরের শেষ মাস চৈত্রের শেষ দিন, ঋতুরাজ বসন্তেরও

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হওয়ার সেই দিনটি

image

বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি বাঙালি জাতির জন্য বরাবরই আনন্দের দিন। ১৫ বছর আগের এ দিনটি সমগ্র বিশ্বের সব বাঙালির জন্য

‘এখনও সারেঙ্গিটা বাজছে’

কেমন যেন অধরা, ছিপছিপে শরীরে এক স্বতঃস্ফূর্ত স্বভাব তার। তার গতির সঙ্গে কেউ এঁটে উঠতে পারে না, সবাইকে দূরে ফেলে ছুটে যাওয়াতেই

খেলাপিদের সুবিধা এবং টাইম ভ্যালু

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী দেশের ঋণখেলাপিদের জন্য বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছেন। মাননীয় মন্ত্রিমহোদয়ের ঘোষণা থেকে জানা যায়

ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা; এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক অনন্য উদাহরণ

২০১৮ ও ২০১৯ সাল দক্ষিণ এশিয়ায় গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল পার করছে। নেপালের ২০১৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর

মুক্তির কোন বয়স নেই

‘স্বাধীনতার বয়স ৪৮ বছর, আমার বয়স ৪৩ বছর। কিন্তু মুক্তির কোন বয়স নেই, কারণ

sangbad ad