• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯

 

চিকিৎসক নয়, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সংস্কার প্রয়োজন

অধ্যাপক (ডা.) কামরুল হাসান খান

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৬ মার্চ ২০১৯

image

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন। এর আগেও তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছিলেন। তিনি পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিভিন্ন বিষয়ে দিক-নির্দেশনা এবং কার্যক্রমের মনিটরিং করেন, সমস্যার সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, রয়েছে বাজেট- জনশক্তির স্বল্পতা। এর পরেও গত ২ জুন ২০১৮ তারিখে যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানসেটের গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ ও মানসূচকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সার্কভুক্ত দেশেগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, নেপাল ও আফগানিস্তানের ওপরে। গবেষণায় যে ১৯৫টি দেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে তাতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩। ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানের অবস্থান যথাক্রমে ১৪৫, ১৪৯, ১৫৪। মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভারত ও পাকিস্তানের থেকে এগিয়ে রেখেছে। ভারতের কংগ্রেস নেত্রী মিসেস সোনিয়া গান্ধী, নোবেল বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন অনেকবার বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে এগিয়ে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের পরপরই কিছু কিছু গণমাধ্যম শুধু চিকিৎসকদের সমালোচনায় জড়িয়ে পড়লো- মনে হলো সকল অব্যবস্থার জন্য কেবলমাত্র চিকিৎসকরাই দায়ী- মুখোমুখি করা হলো চিকিৎসকদের গণমাধ্যমের এবং জনগণের। অনিয়ম, অব্যবস্থা যা আছে তা সংশোধন করতে হবে- এ নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই।

বিগত ১০ বছরে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে- বেড়েছে অবকাঠামো, জনশক্তি, বাজেট, চিকিৎসার সুযোগ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা আধুনিকায়ন এবং উপজেলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ, এর পরে ও বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে ১৭কোটি মানুষের অর্ধেকের কাছাকাছি মানুষকে আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছানো গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী প্রতি ১০,০০০ মানুষের জন্য প্রয়োজন ১০ জন চিকিৎসক এবং ৩০ জন নার্স। বর্তমানে বাংলাদেশে এর অবস্থান উল্টো- চিকিৎসক রয়েছে ৫.৫ জন এবং নার্স ২.১ জন। বর্তমানে দেশে প্রয়োজন ১,৭০,০০০ চিকিৎসক এবং ৫,১০,০০০ নার্স। বর্তমানে রেজিস্ট্রিকৃত চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় ৮০,০০০ (এমবিবিএস এবং বিডিএস)। গোটা বাংলাদেশে সরকারি চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ২১,৮০০ জন (মহাপরিচালক, অধ্যাপক থেকে মেডিকেল অফিসারসহ)। এর মধ্যে বেশিরভাগ নগরকেন্দ্রিক। বাংলাদেশে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে ১৫টি, স্নাতকোত্তর হাসপাতাল ১১টি, জেনারেল ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতাল ৬৩, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৪২৪টি, অন্যান্য হাসপাতাল ৯৪টি। সরকারি শয্যা সংখ্যা ৪৯,৪১৪টি, বেসরকারি শয্যা সংখ্যা ৮৭,৬১০টি, নার্স সংখ্যা ৩৭,০০০ গোটাদেশে বহির্বিভাগে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা ১৫০,০০০-২০০,০০০। মেডিকেল কলেজ ১১১টি (সরকারি, বেসরকারি, ডেন্টালসহ)। এ বছর মেডিকেল কলেজগুলোতে ১০,২২৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। নার্স টেকনোলজিস্ট এবং অন্যান্য সহকারী কর্মচারী অপ্রতুল এবং অদক্ষ। কমিউনিটি ক্লিনিক প্রায় ১৬ হাজার। রয়েছে বাজেট অপ্রতুলতা, দক্ষ জনশক্তির অভাব, দুর্নীতি এবং সর্বোপরি সর্বস্তরে অব্যবস্থাপনা। বাজেট মাথাপিছু ৩২ ডলার। গভীরভাবে সবাইকে অনুভব করতে হবে এ সক্ষমতা দিয়ে ১৭ কোটি মানুষের সন্তোষজনক চিকিৎসা দেয়া সম্ভব কি না? চিকিৎসা ক্ষেত্রে কিছু বাস্তবচিত্র সবারই অবগত হওয়া দরকার।

১। চিকিৎসকের জীবনযাপন : প্রখর মেধা নিয়ে দুর্দান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে একজন মেডিকেল ছাত্রকে ভর্তি হতে হয় দু চোখ ভরা স্বপ্ন, দেশপ্রেম এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়ে। মেডিকেল কলেজ জীবন শুরু হয় আবাসন সমস্যা, নিম্নমানের খাবারসহ নানা সংকট নিয়ে। নতুন করে বড় সংকট হিসেবে দাঁড়িয়েছে তীব্র শিক্ষক সংকট। এত সংকটের মধ্যে তারুণ্য প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশ ও পরিবারের কাছে নানা দায়বদ্ধতা নিয়ে চিকিৎসক হিসেবে বেরিয়ে আসে। ছাত্রাবস্থায় একটা সাধারণ অভিযোগ থাকে মেডিকেল ছাত্রের পেছনে রাষ্ট্রের নাকি সবচেয়ে বেশি খরচ হয়। বিভিন্ন সমীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে মেডিকেলের ছাত্রের চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের পেছনে রাষ্ট্রের বেশি খরচ হয়। ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ডাক্তার হলেই সরকারি চাকরির নিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে শুধু পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পেতে হয় স্বল্পসংখ্যক মেডিকেল অফিসার পদে। শেখ হাসিনা সরকার প্রায় ছয় হাজার ডাক্তার এডহক নিয়োগ দিয়েছিলেন, সম্প্রতি ১০,০০০ নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং সামনে আরও ১০ হাজার নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে। এখন প্রায় ৫০,০০০ ডাক্তার বেকার রয়েছে। এদের সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। কেউ অনেক কষ্ট করে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের চেষ্টা করছে। কেউ কেউ লজ্জাজনক বেতনে ক্লিনিকে অনিশ্চিত চাকরি করছে। ইন্টার্নি চিকিৎসকদের বেতন যে কোন নিম্নআয়ের মানুষের চেয়ে কম- মাত্র ১৫,০০০ টাকা। অথচ এরা সারা দিন-রাত রোগীর পাশে থেকে হাসপাতালকে জাগিয়ে রাখে।

বাংলাদেশের যে কোন চিকিৎসক যে কোন সময়ে তার আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী, এলাকার মানুষের বিনা মূল্যে যে চিকিৎসা প্রদান করে তা বিশ্বে নজিরবিহীন, এমনকি দক্ষিণ এশিয়াতেও।

এদেশের মেডিকেল ছাত্র-চিকিৎসকরাই নিজের শরীরের রক্ত দিয়ে রোগীর সেবা করেন। ড্রাগ ব্যাংক বানিয়ে দরিদ্র রোগীদের বিনা মূল্যে ওষুধ প্রদান করে, নগদ অর্থ সংগ্রহ করে অসহায় রোগীদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়- এ খবরগুলো খুব একটা দেখা যায় না। সম্প্রতি শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের অগ্নি দুর্ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ স্থাপন করেছেন চিকিৎসক, মেডিকেল ছাত্র, নার্স, কর্মচারীরা।

(২) গ্রামে যেতে চায় না বা থাকতে চায় না- একটি ঢালাও অভিযোগ ডাক্তারদের শুনতে হয়- তাহলে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো চলছে কীভাবে? একটি কেন্দ্রও তো কখনও শোনা যায় না বন্ধ হয়ে গেছে বা একদিনও খোলা হয়নি। হয়তো কোথাও কোথাও অনিয়ম আছে- সেখানে ব্যবস্থা নিলেই তো শুধরে যাবে। কোথাও অনিয়ম থাকলে আত্মমর্যাদাবান, মেধাবী চিকিৎসদের সতর্ক করলে বা কোন ধরনের ব্যবস্থা নিলে তারা সংশোধন করে নেবে। আমার বিশ^াস, চিকিৎসকরা কখনও অবাস্তব দাবি করেনি। কিছু সমস্যা তো প্রান্তিক পর্যায়ে রয়েছে। কোন চিকিৎসক কখনও বলেনি এ সমস্যার সমাধান না হলে আমি যাব না- এমনটা কখনও শোনা যায় না। গোটা বাংলাদেশে যে কোন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীরা প্রতিদিন ডাক্তারের সাক্ষাৎ নিয়েই বাড়ি ফেরে নইলে নগর থেকে গ্রামে প্রতি হাসপাতালে, প্রতি কেন্দ্রে প্রতিদিন উপচেপড়া রোগীর ভিড় থাকে কীভাবে? সেখানে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তার সব দায় চিকিৎসকের ওপরে দিলে ঠিক হবে না।

যেহেতু এসব সমস্যা নিয়ে প্রায়ই সাংবাদিক বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা হলে অনেকেই আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন- ধরুন আজকে বাংলাদেশে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কতগুলো অভিযোগ হয়েছে- তারাই জবাব দিয়েছে ‘খুবই অল্প’- ১৭ কোটি মানুষের দেশে এটা নগণ্য। সাংবাদিক বন্ধুদের এ কথাগুলো আমাদের আশ্বস্ত করে, উৎসাহিত করে।

আমাদের অনেক চিকিৎসক যারা বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ তৃণমূলে থেকে মানুষের সেবা দিয়ে আসছে ঢালাওভাবে যখন অভিযুক্ত করা হয় তখন তাদের মানসিক অবস্থাটা কী দাঁড়ায়? স্বাভাবিকভাবে কষ্ট এবং হতাশা তাদের গ্রাস করে।

কোন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যখন অনিয়ম বা অন্যায় প্রমাণিত হয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে চিকিৎসকদের সংগঠন কখনও তার প্রতিবাদ করেনি। কোন চিকিৎসক অনিয়ম করলে চিকিৎসকদের মধ্যে তাদের ব্যাপারে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। অল্পসংখ্যক চিকিৎসকদের অভিযোগের দায়ভার গোটা চিকিৎসক সমাজ গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়।

(৩) চিকিৎসকের দায়িত্ব : প্রশাসনে যারা রয়েছে তারা বাদে অধিকাংশ চিকিৎসকের দায়িত্ব হচ্ছে চিকিৎসা প্রদান। উন্নত দেশে বা উন্নয়নশীল দেশের হাসপাতালে চিকিৎসক শুধু রোগী দেখে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা প্রদান করে এবং পরে ফলোআপ করেন। শল্য চিকিৎসকরা অপারেশন করেন। এর বাইরে তাদের কোন দায় নেই- এমনকি রোগীর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলারও দায় নেই, সেখানে আলাদা নির্ধারিত অচিকিৎসক ব্যক্তি আছেন যিনি রোগীর স্বজনদের তথ্য সরবরাহ করেন। যেহেতু ওসব জায়গায় একটা সিস্টেম দাঁড়িয়ে গেছে। আর আমাদের দেশে সব দায় চিকিৎসকদের বহন করতে হয়। এদেশের চিকিৎসকরা হাসিমুখে সে দায় নিচ্ছে কিন্তু সেখানে প্রয়োজন অনভিপ্রেত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রতিটি চিকিৎসক প্রতিটি মুহূর্তে উৎকণ্ঠায় থাকে কখন আক্রমণের শিকার হবে কারণ শুধু বাংলাদেশ কেন উন্নয়নশীল দেশের কোন হাসপাতালই রোগীর সম্পূর্ণ সন্তোষজনক চিকিৎসা প্রদানের সক্ষমতা অর্জন করেনি। তবে চিকিৎসকদের প্রশান্তির বিষয় হলো সাধারণ মানুষের চিকিৎসা নিয়ে তেমন কোন অভিযোগ নেই বরং তারা দীর্ঘ লাইন ধরে যে চিকিৎসা পাচ্ছে সন্তুষ্টিচিত্তে তা নিয়ে বাড়ি ফিরছে। (চলবে)

[লেখক : সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়]

উন্নয়নে অংশীদারিত্ব বাড়াতে নারীর গৃহস্থালি কাজের মূল্যায়ন জরুরি

ভর্তিযুদ্ধে উত্তীর্ণ হয়ে জারিন তাসনিম সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। আনন্দের খবরটা নিকটাত্মীয় এক বড় ভাইয়ের বউকে

ক্রাইস্টচার্চ, মসজিদ এবং শান্তির বার্তা

image

কার্ডিনাল এবং ঢাকার আর্চবিশপ প্যাট্রিক ডি. রোজারিও সিএসসি নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের মসজিদে হামলায় নিহত ও আহতদের সমবেদনা

নন্দিত নেতা জিল্লুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

image

২০ মার্চ ছিল প্রয়াত রাষ্ট্রপতি, আওয়ামী লীগের প্রথম সারির নেতা সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য রাজনীতিবিদ জিল্লুর রহমানের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৩ সালের এ দিনে

sangbad ad

শিশুকেন্দ্রিক শিক্ষায় সুফল

অনেক শিক্ষাবিদ ও মনস্তত্ত্ববিদ মনে করেন, শিশুদের শেখার ধরনের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি

‘শ্বেত শ্রেষ্ঠত্ববাদী সন্ত্রাসী’

পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ভালোবাসা সেটাই, যে অপরকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই প্রাণ উৎসর্গ করেন। তেমনিই একজন হুসনে আরা! নিউজিল্যান্ডের

ফিরে আসুক পাটের সোনালি অতীত

একসময় পাট ছিল আমাদের একমাত্র রফতানি পণ্য। কিন্তু বিদেশি চক্রান্ত ও সুদক্ষ পরিচালনা

স্মৃতির পাতায় জাতির জনক

image

এবারের ১৭ মার্চ মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিন। জাতি প্রতি বছর এ দিনটি যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করে। ২০২০ সালে পালিত হবে জাতির জনকের শততম জন্মবার্ষিকী। প্রতি বছর এ দিনটি যখন

হতাশ উপকূল অঞ্চলের চাষিরা

image

লবণ উৎপাদনের ভরা মৌসুমে লবণ বিক্রি করে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না উপকূলীয় অঞ্চলের অসহায় লবণ চাষিরা। লবণের ন্যায্যমূল্য

পাকিস্তানকে ‘শিক্ষা’ দেয়ার এখনই সময়

উগ্র ইসলামি জঙ্গি গ্রুপ গঠন করে তাদের অর্থ-অস্ত্র দিয়ে ভারতে প্রবেশ করিয়ে কাশ্মীরে

sangbad ad