• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

 

চিঠিপত্র : পদ্মা সেতু যেন ঐক্যের প্রতীক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়

পদ্মা সেতু যেন

ঐক্যের প্রতীক

যে কোন দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত যোগাযোগ কাঠামোর উন্নতি। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলেই একটি দেশ উন্নয়নের পরবর্তী ধাপগুলোতে প্রবেশ করতে পারে। পদ্মা সেতু চালু হলে প্রথমত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এতে ওই অঞ্চলের ব্যবসা বাণিজ্য বিস্তার লাভ করবে। বিনিয়োগ বাড়বে। দ্বিতীয়ত, কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। তাদের উৎপাদিত পণ্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো যাবে। এতে পণ্যের ভালো দাম পাওয়া যাবে। তৃতীয়ত, এ সেতুর ফলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলায় গড়ে উঠবে ভারী শিল্প কারখানা। ফলে সার্বিকভাবে মোট দেশজ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ১ থেকে দেড় শতাংশ বাড়বে। দারিদ্র্যের হার কমবে দশমিক ৮৪ শতাংশ যা বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

পদ্মা সেতু এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। এক সময়ের স্বপ্নের সেতু এখন বিশ্ববাসীর চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে বাঙালি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে জানে। পদ্মার বুক চিরে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি পিলারগুলো জাতি হিসেবে আমাদের ঐক্যের নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।

মুশফিকুর রহমান ইমন

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

গ্যাসের অপচয় রোধ করুন

বাংলাদেশে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে ৩,৫০০ এমএমসিএফ (মিলিয়ন ঘনফুট)। তবে উৎপাদন করা হয় ২,৮০০ এমএমসিএফ। এই হিসেবে দৈনিক প্রায় ৭০০এমএমসিএফের উপরে ঘাটতি থাকে। এই ঘাটতির প্রধান কারণ গ্যাসের অপচয়।

বাসাবাড়িতে পানি ফোটাতে দীর্ঘসময় চুলা জ্বালিয়ে রাখা ছাড়াও কাপড় শুকানো অথবা ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রচুর গ্যাস অপচয় হয়। কেউ কেউ কাপড় শুকাতে গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখেন। শীতের সময় গৃহ তপ্ত করার জন্যও অনেকেই চুলা জ্বালিয়ে রাখেন। আবার কেউ কেউ একটি ম্যাচের কাঠি ব্যবহার করবেন না বলেও দিন-রাত চুলা জ্বালিয়ে রাখেন। তাই এসব অপচয় রোধে জনসচেতনতা প্রয়োজন।

গ্যাস অপচয়ের ব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা একেবারেই উদাসীন। যেহেতু গ্যাসের মজুত সীমিত এবং দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। তাই কর্তৃপক্ষের উচিত গ্যাস অপচয়ের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া।

ইসরাত জাহান

নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা

দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অশিক্ষাসহ নানা কারণে নির্যাতিত হচ্ছে নারীরা। এক জরিপে জানা গেছে, বিশ্বের তিন ভাগের এক ভাগ নারী তাদের জীবনে শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগ হয় পরিবারের বা খুব কাছের সদস্য দ্বারা। যৌতুক, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, তালাকসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিদ্যমান আইনগুলোর যথাযথ প্রয়োগ নেই। তাছাড়া এসব আইন সম্বন্ধে সাধারণ মানুষ সচেতনও নয়।

নারীর ওপর সহিংসতার আরেকটি কারণ, সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। নারী নিজ পরিবারেও নির্যাতিত হচ্ছে। আবার পরিবার পেরিয়ে বাইরেও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। নারী নিজ পরিবারের কাছেও সহিংসতার কথা বলতে পারেন না। দেখা যায়, পরিবারই নির্যাতিত নারীকে দোষী সাব্যস্ত করছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চাইলেও আইনের আশ্রয় নেয়া যায় না। পরিবার ও সন্তানের কথা ভেবে নিপীড়ন সহ্য করতে হয়।

নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে ব্যক্তি থেকে সমাজ, প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার। এ ক্ষেত্রে নিজে নির্যাতন থেকে দূরে থাকলেই চলবে না, সেই সঙ্গে আমাদের আশপাশে ঘটে যাওয়া যে কোন নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে হবে। সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। সেই সঙ্গে প্রচলিত আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

শাহারিয়ার বেলাল

ছিনতাইকারী মুক্ত নিরাপদ রাজশাহী নগরী চাই

রাজশাহী নগরীর শান্তিপ্রিয় মানুষের এক অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ছিনতাই। রাস্তায় বের হলেই এক ধরনের আতঙ্ক গ্রাস করে। সন্ধ্যা হতে না হতেই অলিতে-গলিতে ফাঁদ পেতে বসে ছিনতাইকারীরা। কখনও পথচারীদের মোবাইল নিয়ে উধাও, কখনও অকস্মাৎ সামনে এসে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সবকিছু কেড়ে নেয়ার চেষ্টা। প্রতিনিয়ত এমনই বহু ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে এই শান্তিপ্রিয় নগরীতে। প্রায় সব পেশার মানুষই ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন। থানায় অভিযোগ দিলেও কোন সুরাহা মিলছে না।

সমাজে যদি প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করা যায় তাহলে এসব অপরাধ কমতে বাধ্য। ছিনতাইকারীদের যথাযথ শাস্তির আওতায় আনার পাশাপাশি এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন ধরনের গাফিলতি আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। রাজশাহীকে ছিনতাই মুক্ত করে সাধারণ মানুষের নিরাপদ পথচলা নিশ্চিত করা হবে-এটাই প্রত্যাশা।

তামিম সিফাতুল্লাহ

চিঠিপত্র : ছাত্ররা কি আজ অসহায়?

ছাত্ররা কি আজ অসহায়? বাংলাদেশ সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত সব থেকে বড় নাম

চিঠিপত্র : দুর্নীতি ও উন্নয়ন সাংঘর্ষিক

দুর্নীতি ও উন্নয়ন সাংঘর্ষিক একটি সভ্য দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, মূল্যবোধ আর উন্নয়নের

চিঠিপত্র : শিশুদের মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখতে হবে

শিশুদের মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখতে হবে আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

sangbad ad

চিঠিপত্র : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে বিভ্রান্তি কাটবে কবে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে বিভ্রান্তি কাটবে কবে বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ২০২০

চিঠিপত্র : বেতারকে অনুষ্ঠান করতে হবে শ্রোতাদের মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে

বেতারকে অনুষ্ঠান করতে হবে শ্রোতাদের মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে দেশে বাংলাদেশ বেতারের

চিঠিপত্র : আঞ্চলিক ভাষা গৌরবের

বাংলাদেশ ছোট দেশ হলেও অঞ্চলভেদে প্রচলন আছে আঞ্চলিক ভাষা। রাজধানী ঢাকায় যাদের বসবাস তাদের একটা বড় অংশই এসেছেন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা থেকে।

চিঠিপত্র : অপসংস্কৃতি রোধ করুন

অপসংস্কৃতি রোধ করুন বাংলার আবহমান সংস্কৃতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ইন্টারনেট ও ভিনদেশি

চিঠিপত্র : শিশুদের প্রতি সদয় হোন

পরিবারের ছোট বা শিশুরা আয়নায় সৃষ্ট প্রতিবিম্বের মতো। তারাও পরিবারের বড়দের ঠিক একইভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করে যেমনটি আয়নায় সৃষ্ট প্রতিবিম্বটি করে।

চিঠিপত্র : ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতন হোন

ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতন হোন ৪ ফেব্রুয়ারি ছিল বিশ্ব ক্যানসার দিবস। ধূমপান, শারীরিক অনুশীলন

sangbad ad