• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০

 

চিঠিপত্র : পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন চাই

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন চাই

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। কিন্তু এ রকম সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক সেটা নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। আমরা প্রত্যেকেই খুব করে চাই আমাদের দেশের প্রতিটি সেক্টর ও সেবা খাতে ডিজিটালাইজেশন হোক। উন্নত দেশের মতো দেশের মানুষ সব সুবিধা ঘরে বসে হাতের নাগালে পাক। কিন্তু একুশ শতকে এসে যখন শিক্ষা, সভ্যতা ও প্রযুক্তি সুবিধা ঘরে ঘরে পাওয়ার কথা, সেখানে অধিকাংশই বঞ্চিত হচ্ছেন এসব সুবিধা থেকে।

প্রতি বছর দেখা যায়, দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশ আসন দখল করে নেয় প্রান্তিক অঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থীরা। অথচ গ্রামের কৃষকের অধিকাংশ মেধাবী গরিব সন্তানরা এইচএসসির আগে স্মার্টফোন দূরের কথা একটি সাধারণ ফোনও ব্যবহার করার সামর্থ্য রাখে না। সন্ধ্যার পরে পড়ার মতো আলোও হয়তো অনেকের ঘরে থাকে না। ঠিক এই সময়ে যখন একটি এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো না তখন গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভরসা ছিল একটি গ্রহণযোগ্য ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যার মাধ্যমে তারা মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ করোনার ভয়ে জাতির বহুল কাঙ্ক্ষিত একটি স্বপ্ন সম্পূর্ণ নতুন, অজ্ঞাত ও ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতিতে করার প্রস্তাব করেছেন। সিস্টেমের এই সামান্য হেরফেরে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে অনেক মেধাবী মুখের। তাছাড়া প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন নিয়েও থেকে যায় ধোঁয়াশা।

বৈশ্বিক মহামারী করোনা আমাদের প্রযুক্তির দিকে ধাবিত করছে এটা সত্য। কিন্তু সেজন্য পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া সব ভার্সিটি মিলে সমন্বিত ভাবে এমন একটি কাজে নামা কতটুকু বাস্তবিক? অথচ এতদিন পর্যন্ত ভার্সিটিগুলো সবাই মিলে একটা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিতেই রাজি হয়নি! সফটওয়্যারে পরীক্ষা নিতে গেলে একজন শিক্ষার্থীকে একটি রুমে একাকী বসে, ল্যাপটপ বা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ডাটা সংযোগ রেখে নিজে নিজে অ্যাপে লগইন করে তারপর এক-দেড় ঘণ্টায় পরীক্ষা দিতে হবে। প্রশ্নের উত্তরগুলো হয়তো টিকমার্ক করতে হবে। একটা নির্ধারিত সময়ে লগইন করে নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে হবে এবং এই সময় পরে উত্তরগুলো জমা হয়ে যাবে। এরকম একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ভর্তিযুদ্ধে একজন প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। কারণ, যে শিক্ষার্থী জানে না স্মার্টফোনের ব্যবহার, যেখানে নাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সুবিধা সেখানে বসে অনলাইনে ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা ছাড়া আর কিছুই না।

তাই উল্লিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষের এরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পূর্বে আরও ভেবে দেখা উচিত। এছাড়া পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলে গুচ্ছাকারে সবগুলো ভার্সিটি মিলে সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে, নানা বিধি নিষেধ আরোপ করে স্বল্প সময়ে একটি ভর্তি পরীক্ষা নিলেই বরং এইচএসসি না হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে সবার প্রতি সুবিচার করা হবে।

নিগার সুলতানা সুপ্তি

চিঠিপত্র : গাইবান্ধায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চাই

গাইবান্ধা একটি অবহেলিত জেলা। এই জেলার বেশিরভাগ লোকজন কৃষির উপর নির্ভরশীল।

চিঠিপত্র : পারিবারিক সহিংসতা রোধে চাই সচেতনতা

পারিবারিক সহিংসতা রোধে চাই সচেতনতা পরিবার হলো পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রাচীনকাল থেকে

চিঠিপত্র : আর্সেনিক এক নীরব ঘাতক

আর্সেনিক এক নীরব ঘাতক পানির অপর নাম জীবন। গ্রামাঞ্চলে বাড়ির পাশের নলকূপের পানি

sangbad ad

চিঠিপত্র :শীতে কী হবে ছিন্নমূল মানুষের?

শীতকাল কারো জন্য সুখকর ও আশীর্বাদ হলেও অনেকের জন্য অভিশাপ। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও বস্তিতে বসবাসরত মানুষের জন্য শীত ভয়াবহ অভিশাপ।

চিঠিপত্র :অ্যাসাইনমেন্ট পেপারের দাম বৃদ্ধি রোধ করতে হবে

কোভিড১৯ এর প্রার্দুভাবে মার্চের ১৬ তারিখ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

চিঠিপত্র : ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে এসে মানুষ

চিঠিপত্র : ইঁদুর নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

ইঁদুর একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রাণী। ছোট এ প্রাণীটির ক্ষতির ব্যাপকতা হিসাব করা খুবই কঠিন।

চিঠিপত্র : কেমন বাংলাদেশ চাই

কেমন বাংলাদেশ চাই সময়ের বদলের সঙ্গে সঙ্গে দেশের অবকাঠামোর পরিবর্তন হয়েছে। উন্নতির পথে

চিঠিপত্র : রাস্তাটির সংস্কার হচ্ছে না কেন?

১৯৮৮ সালের বন্যাতেও যে রংপুর মহানগরী পানিতে ডুবে যায়নি, সেই রংপুর নগরী এবারের বন্যায় পানিতে তালিয়ে ছিল বেশ কয়েকদিন।

sangbad ad