• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০

 

চিঠিপত্র : নিত্যপণ্যের মূল্যে লাগাম টানুন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়

নিত্যপণ্যের মূল্যে লাগাম টানুন

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি বর্তমানে একটা অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। করোনাকালীন এ সময়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য পণ্যসামগ্রী মজুদ করে রাখছে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির সীমা শতগুণ বেড়ে যাচ্ছে। চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা, কৃত্রিম অভাব সৃষ্টিকারী, মজুদদারি, মুদ্রাস্ফীতি ও কালোবাজারি ইত্যাদি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। চোরাকারবারি ও অসাধুব্যবসায়ীরা আজ সারাদেশে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম করেছে।

এই ঊর্ধ্বগতি জনজীবনে এক অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি করেছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস যেমন চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ, রসুন, তরি-তরকারি কিনতে গিয়েও সাধারণ মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈশ্বিক মহামারীর সংকটকালীন এ সময়ে মুনাফালোভী প্রতারকদের এমন আচরণ মোটেই কাম্য নয়। তাই দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধি রোধে অসাধু ব্যাবসায়ী ও মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। প্রয়োজনে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে। ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির ব্যাপক ব্যবস্থা করতে হবে, পণ্য সংরক্ষণ, মজুদকরণ এবং পণ্য পরিবহন এ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ করতে হবে। তবেই বাজারে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব এবং এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

মিশকাতুন জান্নাত

করোনায় বাড়ছে স্মার্টফোন আসক্তি

করোনা মহামারীতে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে সচল থাকে সে জন্য অনলাইন ক্লাসের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। শতভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভার্চুয়াল এই অনলাইন ক্লাসে যুক্ত না হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিষ্ঠান পাঠদান করছে অনলাইন মাধ্যমে। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়েই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে মত বিনিময় করছে প্রশ্নোত্তরের। মোবাইলের স্ক্রিনে বিরতিহীন চোখ রেখেই পাঠ নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। দীর্ঘ ৫-৬ ঘণ্টার রুটিনে ক্লাস চালিয়ে যেতে স্মার্টফোনকে যেন অতি আপনজন করে নিতে হচ্ছে সবার। তবে এত দীর্ঘ সময় অনলাইনে যুক্ত থেকে লেখাপড়া চালিয়ে গেলেও তার অনেক নেতিবাচক প্রভাবও পড়ছে ছেলেমেয়েদের ওপর।

পরিবারের কোনোরকম বাধা নিষেধ ছাড়াই দিনের পর দিন অনায়াসে ব্যবহার করতে পারছে স্মার্টফোন আর সে জন্য তাদের মাঝে তৈরি হচ্ছে মোবাইলের প্রতি তীব্র আসক্তি। এই আসক্তির ফলে নিম্ন-মাধ্যমিক, মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত কিশোর-কিশোরীদের সমস্যা সবচেয়ে বেশি লক্ষণীয়। কিং জর্জস মেডিকেল ইউনিভার্সিটির একজন সিনিয়র মনোবিদ বলেছেন, ‘মোবাইলে অনলাইন ক্লাস করার সুযোগে অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে অল্প-বয়স্ক অনেক শিক্ষার্থীরা। তারা এই ডিভাইস ব্যবহারে আসক্ত হয়ে পড়ছে। যার ফলে অল্পতেই মেজাজ হারানো কিংবা খিদে না পাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিচ্ছে।’

কেউ কেউ আবার ঝুঁকছে ভিডিও গেমের প্রতি। এই গেম আসক্তি সাধারণত ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে: প্রথমে কৌতূহল, হয়ত কোন নতুন ভিডিও গেম একবার খেলে দেখা দ্বিতীয় পর্যায়ে হলো ‘এনজয়মেন্ট’ বা আনন্দ পাওয়া; তৃতীয় পর্যায়ে ‘হ্যাবিচুয়েশন’ বা অভ্যেস হয়ে যাওয়া চতুর্থ পর্যায়ে অপব্যবহার, অর্থাৎ মাত্রাতিরিক্ত মিডিয়া ভোগ করা আর শেষ পর্যায়ে হলো নেশা। তখন গেমাররা তাদের বন্ধুবান্ধব বা অন্যান্য কাজ কর্ম অবহেলা করতে শুরু করে, এমনকি স্কুল-কলেজেও যেতে অনীহা প্রকাশ করতে থাকে।

ভারতের চার্টার বিশ্ববিদ্যালয় তাদের একটি গবেষণায় দেখিয়েছে, স্মার্টফোনের অধিক ব্যবহারে চোখের রেটিনা, কর্নিয়া এবং অন্যান্য অংশের ক্ষতি হওয়ার বিপুল সম্ভবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলছেন, করোনাকালীন এই সময়ে অনেকটা সময় স্মার্টফোনের স্ক্রিনে চোখ রেখে ক্লাসে অংশগ্রহণ করায় চোখ লাল হওয়া ও চোখ থেকে পানি পড়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এমনকি অতিরিক্ত স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার ফলে দৃষ্টিশক্তিও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া মাথাব্যথা, চোখ জ্বালা করার মতো সমস্যা তো রয়েছেই।

তবুও বর্তমান এই করোনা সিচুয়েশনে সব ধরনের সমস্যা উপেক্ষা করে শিক্ষার চাকা সচল রাখতে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প নেই। তবে অনলাইনে অধিকসময় ব্যয় করে পাঠে অংশগ্রহণ যাতে কোনভাবেই স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হতে না পারে সে বিষয়ে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সচেতন হতে অভিভাবকদের, ক্লাসবহির্ভূত সময়টা যেন ছেলেমেয়েরা স্মার্টফোনে আসক্ত না থাকে সে বিষয়েও সুদৃষ্টি দিতে হবে।

দেলোয়ার হোসেন রনি

চিঠিপত্র : গাইবান্ধায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চাই

গাইবান্ধা একটি অবহেলিত জেলা। এই জেলার বেশিরভাগ লোকজন কৃষির উপর নির্ভরশীল।

চিঠিপত্র : পারিবারিক সহিংসতা রোধে চাই সচেতনতা

পারিবারিক সহিংসতা রোধে চাই সচেতনতা পরিবার হলো পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রাচীনকাল থেকে

চিঠিপত্র : আর্সেনিক এক নীরব ঘাতক

আর্সেনিক এক নীরব ঘাতক পানির অপর নাম জীবন। গ্রামাঞ্চলে বাড়ির পাশের নলকূপের পানি

sangbad ad

চিঠিপত্র :শীতে কী হবে ছিন্নমূল মানুষের?

শীতকাল কারো জন্য সুখকর ও আশীর্বাদ হলেও অনেকের জন্য অভিশাপ। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও বস্তিতে বসবাসরত মানুষের জন্য শীত ভয়াবহ অভিশাপ।

চিঠিপত্র :অ্যাসাইনমেন্ট পেপারের দাম বৃদ্ধি রোধ করতে হবে

কোভিড১৯ এর প্রার্দুভাবে মার্চের ১৬ তারিখ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

চিঠিপত্র : ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে এসে মানুষ

চিঠিপত্র : ইঁদুর নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

ইঁদুর একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রাণী। ছোট এ প্রাণীটির ক্ষতির ব্যাপকতা হিসাব করা খুবই কঠিন।

চিঠিপত্র : কেমন বাংলাদেশ চাই

কেমন বাংলাদেশ চাই সময়ের বদলের সঙ্গে সঙ্গে দেশের অবকাঠামোর পরিবর্তন হয়েছে। উন্নতির পথে

চিঠিপত্র : রাস্তাটির সংস্কার হচ্ছে না কেন?

১৯৮৮ সালের বন্যাতেও যে রংপুর মহানগরী পানিতে ডুবে যায়নি, সেই রংপুর নগরী এবারের বন্যায় পানিতে তালিয়ে ছিল বেশ কয়েকদিন।

sangbad ad