• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

 

চিঠিপত্র : করলে শাকসবজি চাষ, আয় আসবে বারোমাস

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়

করলে শাকসবজি চাষ, আয় আসবে বারোমাস

আমাদের প্রায় সবারই বসত বাড়ির আশেপাশে পতিত জায়গা বা খালি জায়গা পড়ে থাকে বছরের পর বছর। আমরা নিজেরা যদি একটু পরিশ্রম করে কিছু শাকসবজি রোপণ করি তা দিয়ে নিজেদের খাবারের চাহিদার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বর্তমান করোনাকালীন সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সব জিনিস হাতের নাগালের বাহিরে, ফলে সাধারণ মানুষ শাকসবজি কিনে খেতেও হিমশিম খাচ্ছে। এই মানুষেরা যদি একটুখানি খালি জায়গায় কিছু শাকসবজি রোপণ করত তাহলে এভাবে কষ্ট করতে হতো না। এক প্যাকেট বীজের দাম ৩০-৫০ টাকা কিন্তু এই এক প্যাকেট বীজ রোপণ করে ভালোমতো পরিচর্যা করতে পারলে নিজেরা খেয়ে বাড়তিগুলো বিক্রিও করতে পারবে, এইভাবে প্রতিটি পরিবারে পুষ্টি চাহিদার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উৎস হবে। আবার আমরা যদি তরিতরকারি বাজার থেকে কিনি তখন দেখা যায় যে, নানা রকম ফর্মালিন এবং কীটনাশক মেশানো তরিতরকারিতে বাজার সয়লাব এগুলো খেলে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে এবং খাবারের আসল স্বাদ পাওয়া যায় না। কিন্তু আমরা যদি বাজার থেকে না কিনে অল্প পরিমাণে চাষ করি তাহলে ফ্রেশ এবং টাটকা শাকসবজি খেতে পারব।

কৃষি বিভাগ থেকে স্বল্প মেয়াদে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সেখানে দেখা যায় যে, তৃণমূল পর্যায়ের কৃষকেরাই আসলে কৃষিকে এখনও ধরে রেখেছে। তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রশিক্ষণে কোন মৌসুমে কি কি শাকসবজি লাগাতে হবে, কোন ফসল সবচেয়ে বেশি লাভজনক এবং বাজার ভালো, কোন রোগে কি কি ওষুধ ব্যবহার করতে হবে এবং কি পরিমাণ ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি। দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে কৃষি অফিস আছে এবং একজন করে কৃষি কর্মকর্তা আছে। প্রত্যেক কৃষকের উচিত এইসব কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে বাড়ির পতিত জায়গায় উন্নতমানের শাকসবজি চাষ করা। রোগ বালাই দমনে কার্যকরি ওষুধ প্রয়োগের জন্য মাঝে-মধ্যে কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা ও পরামর্শ চাওয়া। আধুনিক কৃষি বীজ ব্যবহার করলে যেমন বেশি ফলন পাওয়া যাবে, তেমনি পরিবারের আয়ও বাড়বে। আর এইসব শাকসবজি লাগাতে খুব বেশি জায়গায় প্রয়োজন হয় না, আবার খুব একটা খরচও লাগে না। বেকার যুবকেরা ইচ্ছা করলে “একটি বাড়ী একটি খামার” প্রকল্প থেকেও লোন নিয়ে বাড়ির আশেপাশে পতিত জমিতে শাকসবজির খামার গড়ে তুলতে পারে। এতে যেমন নিজের কর্মের সংস্থান নিজেই করতে পারবে, তেমনি বেকারত্ব ঘুচিয়ে অন্যের কর্মের সংস্থানও করতে পারবে।

বর্তমান করোনাকাল আমাদের অনেকভাবেই শিক্ষা দিচ্ছে চারিদিকে খাদ্যের হাহাকার এবং অর্থনৈতিক সংকট। মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিমত খেতে পারছেনা, বাজারের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও কৃত্রিম সংকট। এখন আমরা নিজেদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে যদি বারোমাস শাকসবজি একটু একটু লাগাই তাহলে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারব এবং এর মাধ্যমে বেকার যুবকেরা খুব সহজেই স্বাবলম্বী হতে পারবে।

পরিশেষে দরকার বেকার যুবক ও কৃষকদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ, উন্নতমানের বীজ এবং কীটনাশক সরবরাহ করে শাকসবজি চাষে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা করা। শাকসবজি চাষ করতে গিয়ে তারা যাতে দমে না যায় এবং পোকা ও বিভিন্ন রোগে ফসল বিনষ্ট হলেও যাতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। একসময় এই যুবকেরাই নিজেরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে এবং কৃষিতে অবদানের পাশাপাশি নিজের পরিবার ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

জি. এম আরিফ

চিঠিপত্র : গাইবান্ধায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চাই

গাইবান্ধা একটি অবহেলিত জেলা। এই জেলার বেশিরভাগ লোকজন কৃষির উপর নির্ভরশীল।

চিঠিপত্র : পারিবারিক সহিংসতা রোধে চাই সচেতনতা

পারিবারিক সহিংসতা রোধে চাই সচেতনতা পরিবার হলো পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রাচীনকাল থেকে

চিঠিপত্র : আর্সেনিক এক নীরব ঘাতক

আর্সেনিক এক নীরব ঘাতক পানির অপর নাম জীবন। গ্রামাঞ্চলে বাড়ির পাশের নলকূপের পানি

sangbad ad

চিঠিপত্র :শীতে কী হবে ছিন্নমূল মানুষের?

শীতকাল কারো জন্য সুখকর ও আশীর্বাদ হলেও অনেকের জন্য অভিশাপ। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও বস্তিতে বসবাসরত মানুষের জন্য শীত ভয়াবহ অভিশাপ।

চিঠিপত্র :অ্যাসাইনমেন্ট পেপারের দাম বৃদ্ধি রোধ করতে হবে

কোভিড১৯ এর প্রার্দুভাবে মার্চের ১৬ তারিখ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

চিঠিপত্র : ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে এসে মানুষ

চিঠিপত্র : ইঁদুর নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নিন

ইঁদুর একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রাণী। ছোট এ প্রাণীটির ক্ষতির ব্যাপকতা হিসাব করা খুবই কঠিন।

চিঠিপত্র : কেমন বাংলাদেশ চাই

কেমন বাংলাদেশ চাই সময়ের বদলের সঙ্গে সঙ্গে দেশের অবকাঠামোর পরিবর্তন হয়েছে। উন্নতির পথে

চিঠিপত্র : রাস্তাটির সংস্কার হচ্ছে না কেন?

১৯৮৮ সালের বন্যাতেও যে রংপুর মহানগরী পানিতে ডুবে যায়নি, সেই রংপুর নগরী এবারের বন্যায় পানিতে তালিয়ে ছিল বেশ কয়েকদিন।

sangbad ad