• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

 

চিঠিপত্র : এইচএসসি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়

এইচএসসি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে বিশ্বময়। পৃথিবীর প্রত্যেকটি ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে কোভিড-১৯। বিপর্যয়ের খাদ থেকে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করেছে বিশ্বের সব দেশ। অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্মীয় কার্যক্রম, খেলাধুলা, পর্যটন শিল্প, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সকল ক্ষেত্রকে স্বাভাবিকীকরণের চেষ্টা চলছে। কিন্তু পিছিয়ে আছে কেবল শিক্ষাব্যবস্থা! পৃথিবীর দেড়শ’ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনে চলছে চরম অনিশ্চয়তা। আমেরিকা ও ইউরোপের অনেকগুলো রাষ্ট্র শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে করোনার উচ্চ সংক্রমণের সাক্ষী হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশ অবশ্য করোনাকালে শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে এগোচ্ছে খুব সন্তর্পণে। এখনো শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার চ্যালেঞ্জ সরকার নিতে চাচ্ছে না। কারণ করোনাভাইরাসের আঞ্চলিক গতি-প্রকৃতি, বিস্তার, প্রতিরোধ ও প্রতিকার নিয়ে আমাদের যেমন উল্লেখযোগ্য কোনো গবেষণা নেই, তেমনি দুর্যোগকালে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও নেই কার্যকরী কোনো উদ্যোগ। করোনার আক্রমণে তাই দেশের প্রায় ৫ কোটি শিক্ষার্থীর ভাগ্য ঝুলে গেছে অনিশ্চয়তার দড়িতে।

করোনার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বিটিভি ও সংসদ টিভিতে ক্লাস পরিচালনা করে কোনোরকমে চালিয়ে নেয়া হচ্ছে। তাতেও বঞ্চিত হচ্ছে টিভি ও স্মার্টফোনের সুবিধা না থাকা কোটি শিক্ষার্থী। ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কপাল ভালো ছিল! অল্পের জন্য তাদের পরীক্ষা শেষ করা গিয়েছিল লকডাউনের আগেই। তাই কিছুটা দেরিতে হলেও তাদের ফলাফল প্রকাশ ও একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়েছে। এখন সদ্য ভর্তি হওয়া একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদেরকে পুরাতন ব্যাচের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মতো করেই কলেজভিত্তিক অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য চলছে অনলাইন ক্লাস। ল্যাপটপ-স্মার্টফোন সুবিধা না থাকা, গ্রামগুলোতে নেটওয়ার্ক স্পিডের দৈন্যদশা ও ডাটা প্যাকেজের উচ্চমূল্যের কারণে দেশের অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা সৃষ্টি করেছে নতুন মাত্রার বৈষম্য। অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী যুক্ত হতে পারছে না তাদের অনলাইন ক্লাসে। এমতাবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানার বাধ্যবাধকতা দিয়ে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০২০ সালের এইসএসসি পরীক্ষার্থীরা হলো সবচেয়ে দুর্ভাগা! প্রায় ১৪ লক্ষ শিক্ষার্থীর ভাগ্য আজ চরম অনিশ্চয়তায়। সাড়ে ৬ মাসেরও অধিক সময় ধরে চলমান লকডাউনে এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, পরের সপ্তাহেই আসবে এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন। কিন্তু হঠাৎ করে ৭ অক্টোবর সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি জানালেন, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা হচ্ছে না! জেএসসি আর এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর এইচএসসির ফল!

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের। সচেতন নাগরিকদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তাদের আমলে নিতে হবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

১. জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল দেখেই যদি উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল দেয়া হয়, তবে কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা কি শিখল- তা বোঝা যাবে কি করে? কলেজে ২ বছর যারা অত্যন্ত পরিশ্রম করেছে, পাঠে মনোযোগী ছিল-তাদের জন্য ‘নতুন আইডিয়া’র এই মূল্যায়ন হবে অত্যন্ত অন্যায়। আগের দুই পাবলিক পরীক্ষায় যারা খারাপ করেছিল, কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য কলেজ পর্যায়ে প্রচুর পড়াশোনা করেছে, আপনারা তাদের পরিশ্রমের মূল্যায়ন তাহলে কীভাবে করবেন? আবার আগের পরীক্ষাগুলোতে যারা ভালো রেজাল্ট করেও কলেজ পর্যায়ে পড়াশোনা করেনি, তাদের যদি নতুন পদ্ধতি অনুসারে জিপিএ-৫ দিয়ে দেন, তাহলে সেটা কতটুকু ন্যায়সঙ্গত? আমার পরিচিত অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যাদের দেখেছি যে, মাধ্যমিকে ভালো ফল করেও উচ্চমাধ্যমিকে খারাপ করে ফেলেছে। আবার অনেককে দেখেছি, মাধ্যমিকে খারাপ করেও উচ্চমাধ্যমিকে অত্যন্ত ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। অর্থাৎ জেএসসি-এসএসসির ফল আর এইসএসসির ফল হলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ের পড়াশোনার মূল্যায়ন। তাই এইচএসসি পরীক্ষার ফল দেখে যেন শুধু কলেজের ২ বছরের পরিশ্রমই মূল্যায়ন করা যায়, একমাত্র তেমন প্রক্রিয়া অনুসরণই হবে যুক্তিযুক্ত। ২. নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে অন্যান্য বছরে যারা এইসএসসি পাস করেছে, তাদের সঙ্গে ২০২০ সালের এইসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফলাফল কি একই মাপকাঠিতে তুলনা করা যাবে? ধরুন কোন চাকরির পরীক্ষায় ন্যূনতম যোগ্যতা এইচএসসি পাস। একই ফলাফল কিন্তু ২০১৯ ও ২০২০ সালে এইচএসসি পাস করা দু’জন চাকরিপ্রার্থীর সিভি এবার আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? প্রাথমিক বাছাইয়েই সৃষ্টি হবে বৈষম্য। অন্যান্য বছরে উচ্চ মাধ্যমিক পাসকারীর সঙ্গে ২০২০ সালে এইসএসসি পাস করা কোন শিক্ষার্থীর যেন কোন বৈষম্য ভবিষ্যতেও সৃষ্টি না হয়- এমন মূল্যায়ন পদ্ধতির বিকল্প নেই। কিন্তু ঘোষিত মূল্যায়ন পদ্ধতি কী নতুন বৈষম্য সৃষ্টির ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে না? ৩. উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরই উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুরু করতে হয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তির যুদ্ধ। নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি সেখানেও সৃষ্টি করবে জটিলতা। যেমন, বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায় মূলত এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। কিন্তু এবছর ভর্তি পরীক্ষার জন্য তারা কীভাবে পরীক্ষার্থীদের বেছে নেবে? ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতির ফলাফলের ভিত্তিতেই কি তারা লিখিত পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার্থী বাছাই করবে? নাকি পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা কয়েকগুণ করে ফেলে ব্যাপক পর্যায়ে মূল্যায়ন করবে? আবার বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার সুযোগ দেয়ার ফলে বুয়েট কর্তৃপক্ষকেও পড়তে হবে নতুন জটিলতায়। তাছাড়া মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্নাতক পর্যায়ে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য নির্ধারিত একটি নম্বর থাকে এইসএসসির ফলাফলের ওপর। এবছর তাহলে সেই নম্বর বণ্টন নিয়েও ব্যাপক প্রশ্ন রয়ে যাবে। বঞ্চিত হবে অনেক যোগ্যপ্রার্থী।

মোটকথা, জেএসসি-এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারিত হলে তাতে মেধা ও পরিশ্রমের সঠিক মূল্যায়ন হবে না; সেই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও চাকরিক্ষেত্রে নতুন জটিলতা তৈরি করবে। এই বিষয়গুলোর যৌক্তিক সমাধানে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের বিকল্প নেই।

এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বারবার করোনা পরিস্থিতিকে দোষারোপ করা হচ্ছে। অথচ আমরা হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, দেশের হাট-বাজার, মসজিদ-মাদ্রাসা, অফিস-আদালত, পর্যটনকেন্দ্র, লঞ্চ-বাসসহ সবকিছুকেই স্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছে এবং ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানার নজির কোথাও দেখা যাচ্ছে না। প্রত্যেকটি ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক করে দিয়ে কেবল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাটা বাতুলতা বৈ অন্য কিছু নয়। কারণ শিক্ষার্থীরা এ সময় ঘরে বসে নেই এবং তাদের বাবা-মা, ভাইবোনেরা চাকরিক্ষেত্রে ঠিকই জনসমাগমের মুখোমুখি হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীরা এই ছুটিতেও করোনার ঝুঁকিমুক্ত নেই। তবে অধিক গুরুত্বের স্বার্থে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা যেতেই পারে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতেই হবে। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হোক। তার জন্য প্রথম পর্যায়ে অনার্স শেষ বর্ষ, মাস্টার্স এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা না নিলে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর বড় রকমের ক্ষতি হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে আরও জটিলতা সৃষ্টি হবে। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জোর দাবি জানাচ্ছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচিত হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২০২০ সালের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সব প্রস্তুতি অতি সত্বর সম্পন্ন করা। আশা করব, সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।

মো. ইমরান হোসেন

বাঙালির ভালবাসার ধন বঙ্গবন্ধু ও ঘুড়ি

বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ শাহজাহান মৃধা বেনু

বঙ্গবন্ধুর জন্য আপামর বাঙালির ভালবাসার উপমা যোগান্দ্রীনাথ সরকার রচিত ‘‘দাদখানি চাল মসুরের

চিঠিপত্র : নিত্যপণ্যের মূল্যে লাগাম টানুন

নিত্যপণ্যের মূল্যে লাগাম টানুন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি বর্তমানে একটা অভিশাপ হয়ে দেখা

চিঠিপত্র : পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন চাই

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

sangbad ad

চিঠিপত্র : প্লাস্টিক বর্জ্য ও আমাদের করণীয়

২০০২ সালে প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশে একটি আইন প্রনয়ণ করা হয়েছিল।

চিঠিপত্র : করলে শাকসবজি চাষ, আয় আসবে বারোমাস

আমাদের প্রায় সবারই বসত বাড়ির আশেপাশে পতিত জায়গা বা খালি জায়গা পড়ে থাকে বছরের পর বছর।

চিঠিপত্র : মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব

করোনা মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। বিশেষজ্ঞদের

চিঠিপত্র : হাত ধুলে নিয়মিত থাকব সবাই করোনামুক্ত

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

করোনা মহামারীর প্রাক্কালে এবারের বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের গুরুত্ব অন্যবারের তুলনায় অনেক বেশী।

চিঠিপত্র : কেমন আছে অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ কমাতে এবং রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের মান উন্নয়নের জন্য ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়।

চিঠিপত্র : ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত তো?

বর্তমানে দেশ নভেল করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত। সবাই মনে একরকম আতঙ্ক ও উৎকন্ঠা নিয়ে বসবাস করছে । কিন্তু এ মহামারীর

sangbad ad