• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১

 

আত্মহত্যা প্রতিরোধে চাই সামাজিক আন্দোলন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে করোনায় মারা গেছে ৫০০২ জন। ঠিক একই সময়ে আত্মহত্যা করেছে ১১ হাজারের বেশি মানুষ। পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক এক জরিপে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে না কমছে সেটা তুলনা করার জন্য যথেষ্ঠ পরিসংখ্যান জানা যায় না। ২০১৪ সালে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের এক গবেষণা থেকে জানা যায়, দেশে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব থেকে জানা যায়, দেশে প্রতিবছর আত্মহত্যা করে ১০ হাজার জন। এখন বিবিএস যে পরিসংখ্যান দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের প্রথম নয় মাসেই আত্মহত্যা এগারো হাজার, যা আগের বছরের চেয়ে নিঃসন্দেহে বেশি। এ কারণে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে, মহামারী করোনার কারণে গত বছর আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে কীনা। তবে পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাছ থেকে এর কোন সদুত্তর মেলেনি।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটকে আরও বেশি শক্তিশালী করা দরকার

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোটা দাগে পাঁচ কারণে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। এগুলো হলো-যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতা, পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া, মানসিক রোগের চিকিৎসা না করা, অন্যের আত্মহত্যা দেখে প্ররোচিত হওয়া, বিষন্নতা ও মাদকাসক্ত। এসব কারণে অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে। এতে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে।

আত্মহত্যা প্রতিরোধ করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পারিবারিক বন্ধনগুলো দৃঢ় করতে হবে। পরিবারে প্রত্যেকের সঙ্গে গুণগত সময় কাটাতে হবে। শিশুদের বিকাশের সময় তাদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা সফলতার মতো ব্যর্থতাকে মেনে নিতে পারে। আত্মহত্যার উপকরণ, যেমন ঘুমের ওষুধ, কীটনাশকের সহজলভ্যতা কমাতে হবে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটকে আরও বেশি শক্তিশালী করা দরকার। তৃণমূল পর্যন্ত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়া বিশেষভাবে প্রয়োজন। কারণ, আত্মহত্যা নিয়ে কাজ করেন এমন অনেকের মতেই শহরের চেয়ে গ্রামে আত্মহত্যা বেশি ঘটছে। কিন্তু গ্রামীণ সমাজ কাঠামোর কারণেই তার প্রকাশ হয় কম।

মেয়েদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করতে হবে। নারীরা কেন যৌতুকের বলি হবে? কেন তাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে? এ সমস্যার সমাধান রয়েছে প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি ব্যক্তির সচেতন হয়ে উঠার মধ্যেই। সামাজিক এবং নৈতিক মূল্যবোধগুলোকে শক্ত ভিত দিতে হবে যেন বিশৃঙ্খলা, অনাচার আমাদের গ্রাস না করে। সঠিক সামাজিকীকরণ, সাম্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যক্তির সঙ্গে সমাজের যে সংহতি স্থাপিত হবে, তাই হবে আত্মহত্যা নিরসনের মূল হাতিয়ার।

স্বাস্থ্য খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে

স্বাস্থ্য খাতে লাগামহীন দুর্নীতিতে জড়িতরা এখনও অধরা রয়ে গেছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটা, নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, বদলিসহ সব ক্ষেত্রেই

আদালতগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক নিয়োগ দিন

মামলা জট দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা। মামলার দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কথা বলছে সরকার। অথচ

বায়ুদূষণের সবক’টি উৎস নিয়ন্ত্রণ করুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, রাজধানীর বাতাসকে এখন বিষিয়ে তুলছে যানবাহনের ধোঁয়া।

sangbad ad

চাই নারীর বিজয়

নারী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় দেশের নারী সমাজের বেশকিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে।

বিচারের অপেক্ষার অবসান চাই

যশোর টাউন হল মাঠে উদীচীর সম্মেলনে বোমা হামলা হয়েছিল ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ। তারপর কেটে গেছে ২২ বছর।

সুন্দরবন আমাদের রক্ষা করছে, বনকে রক্ষা করবে কে

মানুষের আগ্রাসনে দূষণ বাড়ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে। সুন্দরবন গবেষকরা বলছেন

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনা কি চলতেই থাকবে

অপরাধে জড়িয়ে পড়া বা সন্দেহভাজন কোন শিশুকে কারাগারে না রেখে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সংশোধনের লক্ষ্যে গাজীপুর

ধর্ষণ প্রতিরোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে

পুলিশ মহাপরিদর্শকের পক্ষে গত বুধবার হাইকোর্টে দাখিল করা এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে

সেতু নির্মাণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে

সুনামগঞ্জে একটি সেতু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ধসে পড়েছে। জেলার পাগলা-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এ সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছিল।

sangbad ad