• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

সড়ক দুর্ঘটনার শেষ কোথায়?

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২০

করোনা এবং বন্যার মধ্যেও দেশে সড়ক দুর্ঘটনা থেমে নেই। ঈদ পরবর্তী গত কয়েকদিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ। গত শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন পর্বতারোহী রেশমা নাহার রত্না। রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার চন্দ্রিমা উদ্যানসংলগ্ন লেক রোডে সাইক্লিং করার সময় একটি প্রাইভেট কার পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে চাপা দেয় তাকে। এ নিয়ে গত রোববার গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

করোনা প্রতিরোধে বিশ্ব রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। বৈশ্বিক এ দুর্যোগ বাংলাদেশকেও বিপর্যস্ত করেছে। তবে দেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকাংশে করোনার চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠছে সড়ক দুর্ঘটনা। প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা; বড় হচ্ছে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, আমাদের দেশে প্রতিদিন গড়ে এখন পর্যন্ত ৮-১০ জন মারা যান সড়ক দুর্ঘটনায়। কিন্তু হাসপাতালসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ মৃত্যুর গড় ১৫-১৬ জন। বাংলাদেশে ২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ও দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে বলে উঠে এসেছে সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে করা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র বার্ষিক প্রতিবেদনে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭৮৮ জন নিহত হয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম ৪ মাসে বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ১২৩ জন নিহত হন বলে জানিয়েছে যাত্রীকল্যাণ সমিতি। অন্যদিকে দেশে বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে এপ্রিল পর্যন্ত মারা যান ১৬৮ জন। এমনকি ২৬ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হলেও লকডাউনের ১ মাসে ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে ২১১ জন নিহত ও ২২৭ জন আহত হয়েছেন। অর্থাৎ লকডাউনের মধ্যে দেশব্যাপী গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকলেও চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় করোনার চেয়েও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। পাশাপাশি এ বছরের মে মাসে ২১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ২৯২ জন ও জুনে ৩৫৮টি দুর্ঘটনায় ৩৬৮ জন মানুষ নিহত ও ৫১৮ জন আহত হন। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বৈশ্বিক মহামারী প্রতিরোধে ব্যস্ত, সেখানে বাংলাদেশকে ভাবতে হচ্ছে মহামারী প্রতিরোধের পাশাপাশি সড়কগুলোতে কীভাবে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করা যায়।

দুর্ঘটনার কারণগুলো সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাই কমবেশি জানেন। এর মধ্যে রয়েছেÑ দেশে সড়ক অবকাঠামো এবং স্থলভাগের আয়তন অনুপাতে জনসংখ্যার চাপ বেশি। সড়কের তুলনায় মোটরযানের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। একই সড়কে চলছে বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কার, রিকশাসহ নানা রকম মিশ্র যানবাহন। উপরন্তু সড়ক ও মহাসড়কগুলো ত্রুটিপূর্ণ। দেশব্যাপী মহাসড়কের অনেক স্থানেই রয়েছে বিপজ্জনক বাঁক। এসব বাঁকের কারণে প্রায়শই সেসব জায়গায় দুর্ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি দুর্ঘটনা মহামারীর আকার ধারণ করার জন্য যেসব কারণকে দায়ী করা হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চালকের অসতর্কতা ও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো। এ সমস্যা বারবার চিহ্নিত হলেও এর কোন প্রতিকার নেই। এছাড়া সড়ক আইন করা হলেও তা প্রয়োগ হচ্ছে না। আর অপরাধী বাসচালকদের তো শাস্তি হচ্ছেই না। সরকার বদল হলেও কার্যত কোন সরকারই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

প্রতিবার দুর্ঘটনার পরপরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই তদন্ত প্রতিবেদন কোনদিন আলোর মুখ দেখে না। আর সঙ্গত কারণেই দোষীদের শাস্তিও হয় না। সমাজের উঁচু স্তর থেকে নিচু শ্রেণীর মানুষ-যারাই দুর্ঘটনার শিকার হন না কেন কোন একটি ঘটনার বিচার হয়েছে এমন দৃষ্টান্ত মেলা ভার। আর বিচারহীন, প্রতিকারহীন অবস্থায় কোন কিছু চলতে থাকলে সেটির পুনরাবৃত্তিও তো ঘটবেই। প্রশ্ন হচ্ছে, কত প্রাণ গেলে, মৃত্যুর মিছিল কত দীর্ঘ হলে তবে থামবে এ হত্যাযজ্ঞ?

সড়ক দুর্ঘটনায় শুধু মৃত্যুর মিছিলই বড় হচ্ছে না; পাশাপাশি অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে এবং দেশও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই বাংলাদেশে করোনা প্রতিরোধের পাশাপাশি অতি দ্রুত সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। নতুবা করোনাভাইরাস থেকে বেঁচে গেলেও সড়ক দুর্ঘটনায় জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

কোন অজুহাতেই উপবৃত্তির টাকা থেকে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করা যাবে না

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেয়া উপবৃত্তির টাকা নিয়ে চলছে তুলকালাম কান্ড।

সাইবার অপরাধ রোধকল্পে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইন্টারনেটের কারণে যেমন যোগাযোগ বেড়েছে, তেমনি নানা ধরনের সুবিধা পাচ্ছে মানুষ। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে সাইবার অপরাধও।

ব্যাংক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন ফিরিয়ে আনুন

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ব্যাংকগুলো যে জনগণের আমানতে

sangbad ad

অনলাইন ক্লাস নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধ করুন

অনলাইন শিক্ষা নিয়ে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। এ নিয়ে

গ্যাং কালচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং সদস্যদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।

কারাবন্দী প্রবাসী শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিন

ভিয়েতনাম ও কাতার ফেরত ৮৩ প্রবাসী শ্রমিককে বন্দীদশা থেকে মুক্তি দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সেটা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

দুর্নীতির রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে

দেশে দুর্নীতি এবং অনিয়মের মাত্রা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তার একটি স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায় সাম্প্রতিক সময়ের দুটি আলোচিত খবরে

ধান-চাল সংগ্রহ প্রক্রিয়ার ব্যর্থতা দায় নেবে কে?

সময় বাড়িয়েও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ধান-চাল সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য মন্ত্রণালয়। এবার মোট ১৯ লাখ ৫০ হাজার টন ধান-চাল সংগ্রহের

বন্ধ করুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত দুই বছরে দেশে মামলা হয়েছে এক হাজারেরও বেশি।

sangbad ad