• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

 

স্বাধীনতা দিবস- আটচল্লিশ বছর পর

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯

চল্লিশ বছর আগে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল একটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। এর আগে ২৪টি বছর কেটেছে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে। দীর্ঘ গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে।

গণতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতন্ত্রের অঙ্গীকার ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রণোদনা। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রের চার মূলনীতি হিসেবে গণতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতন্ত্র স্থান করে নিয়েছিল। হিসাব মেলাতে গেলে দেখা যাবে, ৪ রাষ্ট্রীয় মূলনীতির ৩টিই আজ নির্বাসিত। সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ অবৈধ সামরিক শাসকের সঙ্গিনের খোঁচায় সংবিধান থেকে নির্বাসিত। গণতন্ত্র দুর্বল ও ভঙ্গুর।

একদিনে এ অবস্থা হয়নি। ১৯৭৫ সালে রক্তাক্ত সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। এর পরপরই জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হলো কারাগারের তথাকথিত নিরাপদ হেফাজতে। তারপর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা ছিল হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র, সামরিক অভ্যুত্থান এবং সামরিক-বেসামরিক স্বৈরশাসন। এ ষড়যন্ত্র, হত্যা, ক্যু আর রক্তাক্ত সামরিক শাসনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নছবি ভেঙে চুরমার করে দেয়া হয়েছে। ১৯৭৭ সালে জেনারেল জিয়ার সামরিক ফরমান বলে জনগণের দীর্ঘ সংগ্রাম ও লড়াইয়ে অর্জিত ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সমাজতন্ত্রকে বাদ দেয়া হয় সংবিধান থেকে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ নামক উদ্ভট এক তত্ত্ব আমদানি করে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেয়া হলো, বিতর্কিত করে তোলা হলো স্বাধীনতার আরেকটি মীমাংসিত ইস্যুকে। এরশাদ আমলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হলো। বাংলাদেশ পড়ল নামে-বেনামে সামরিক শাসন, লুটপাটের রাজনীতি আর রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের কবলে। সমাজ, অর্থনীতি, রাজনীতি এবং রাষ্ট্রের সর্বস্তরে কালো টাকা ও অবৈধ অস্ত্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হলো। সন্ত্রাস ও দুর্নীতি ক্রমে সমাজ ও রাষ্ট্রের নিয়ামক শক্তি হয়ে উঠল। ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িকতা, মোনাফেকি ও ফতোয়াবাজি, নারী নির্যাতন বাংলাদেশের সমাজে এক নারকীয় বাস্তবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেল।

১৯৯০-এর পর থেকে এক যুগে চার-চারবার নির্বাচন ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তর হলেও গণতন্ত্র শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে- সেটা বলা যাবে না। বরং ২০০১ সালের নির্বাচনের পর দেশে রাজনৈতিক সংঘাত আরও বেড়ে গিয়েছিল। গণতন্ত্র শক্তিশালী হওয়ার পরিবর্তে যেন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কবর রচনার সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়ে গিয়েছিল। বহু সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারকে উৎখাতের পর আশা করা গিয়েছিল, এদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে, হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের রাজনীতির অবসান ঘটবে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। গত এক যুগের অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে, সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হওয়া দূরে থাকুক সংসদই ঠিকমতো চালানো হয়নি। বাংলাদেশে কার্যকর সংসদ এখনও একটা স্বপ্ন হয়েই আছে। চার চারটি নির্বাচিত পার্লামেন্ট চলেছে কার্যত বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে বা তাদের অগ্রাহ্য করে। রাজনীতিতে ভিন্নমত রূপ নিয়েছে তীব্র বিরোধ, সংঘাত এবং প্রতিহিংসায়। জাতিকে বিভক্ত করার বিরুদ্ধে সেøাগান দিয়ে ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত সরকার দেশ, সমাজ ও সর্বস্তরের মানুষকে সরাসরি দু’ভাগে ভাগ করে ফেলেছে। স্থায়ী আমলাতন্ত্র তথা সরকারি প্রশাসনের নিরপেক্ষতাকে ধ্বংস করে দলীয়করণ চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। নির্বাচনের পর সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামা ও নারী নির্যাতনের ধারা সৃষ্টি হয়েছিল। নজিরবিহীন সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি তথা জনজীবনের সর্বগ্রাসী সংকটের মোকাবিলার পরিবর্তে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে দেশবাসীর ওপর সবকিছু চাপিয়ে দিয়েছিল। সেই সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পরও নীল নকশার নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নিয়েছিল দলীয় রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিয়োগ করে। তার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি ছিল ওয়ান-ইলেভেনের সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

আটচল্লিশ বছরের স্বাধীনতায় বাংলাদেশ তার অস্তিত্বের সংকটে পড়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট, যখন ইসলামী জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদিন সারা দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা হামলা করেছিল। এরপর শুরু হয়েছিল জঙ্গিবাদের আরেক ভয়াবহ স্তর আত্মঘাতী বোমা হামলা। এ হামলার লক্ষ্য হলো আদালত, বিচারক, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কর্মী, পুলিশ বাহিনীর সদস্য প্রভৃতি। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত এ জঙ্গি হামলায় শুধু যে বিচারক, আইনজীবী, পুলিশ এবং সাংস্কৃতিক কর্মীসহ ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং দুই শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন তাই নয় এ হামলার ফলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশই আক্রান্ত হয়েছিল। ইসলামী জঙ্গিবাদীদের লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে ধ্বংস করে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার নামে একটি ধর্মীয় মৌলবাদী জঙ্গি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। অনেক দেরিতে, অর্থাৎ ৬৩ জেলায় হামলা এবং আদালত, বিচারকসহ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো আক্রান্ত হওয়ার পর ইসলামী জঙ্গিদের বিপদ সম্পর্কে তদনীন্তন জামায়াত-বিএনপির চারদলীয় জোট সরকারের টনক নড়তে দেখা যায়। এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পত্র-পত্রিকার পক্ষ থেকে ইসলামপন্থিদের তৎপরতা, সংগঠিত হওয়া এবং উত্থান সম্পর্কে বারবার হুঁশিয়ার করা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে জোট সরকারের সব মন্ত্রী এবং নেতা দেশে ইসলামী জঙ্গিদের অস্তিত্বই অস্বীকার করেছিলেন। রাজশাহীতে চারদলীয় জোটের মন্ত্রী এবং এমপিদের যৌথ ব্যবস্থাপনায় বাংলাভাই নামক আরেক হিংস্র ইসলামী জঙ্গির উত্থান ঘটানো হয়েছিল। বাংলাভাই যখন রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ অঞ্চলে একের পর এক মানুষকে হয় জবাই করে, না হয় গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করছে রাজশাহীর সরকারি দলের নেতাদের ছত্রছায়ায় এবং পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের মদদে চালাচ্ছে সমান্তরাল সরকার, তখনও মিডিয়াতে বাংলাভাই সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো জোট সরকার উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিল ‘বাংলাভাই মিডিয়ার আবিষ্কার’ বলে। বিএনপি সরকার বরাবরই মিডিয়া এবং বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে, দেশে ইসলামী জঙ্গি আছে বলে তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। শেষ পর্যন্ত সত্যিই যখন বাঘ এলো, রাষ্ট্রকে আক্রমণ করল জামা’আতুল মুজাহিদিন নামের জঙ্গিরা তখন জোট সরকার বাধ্য হলো তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যেতে। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা দেশগুলোর মধ্যে সামনের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপেই যে শেষ পর্যন্ত জোট সরকার শায়খ আবদুর রহমান, বাংলাভাই এবং জেএমবির বিরুদ্ধে অভিযানে গেছে, সেটা এখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট। এখনও দেশে প্রকাশ্যে সেøাগান দেয়া হচ্ছে ইসলামী আইন, আল্লাহর আইন বা শরিয়া শাসন ব্যবস্থা কায়েমের।

একথা আজ আর অস্বীকার করার উপায় নেই, সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা দুটোই বাতিল করে দেশে ধর্মভিত্তিক সাম্প্রদায়িক রাজনীতির জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান এবং সেখান থেকেই জঙ্গিবাদের সূত্রপাত। ’৭৫-পরবর্তী বছরগুলোতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির নামে আনুকূল্য পেয়ে পেয়ে এখন জঙ্গিবাদ আক্রমণ করতে সমর্থ হয়েছিল বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার অর্জন হিসেবে এদেশের সংবিধানে যে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সেটা ছিল অত্যন্ত সুচিন্তিত একটি পদক্ষেপ। সংবিধানের আদি রচয়িতারা ভবিষ্যতের এ বিপদের কথা ভেবেই ধর্মকে রাজনীতি থেকে আলাদা করার প্রয়াস পেয়েছিলেন। কিন্তু পঁচাত্তরের পরের সরকারগুলো ঠিক সেই কাজটিই করল যার পরিণতিতে দেশ, সমাজ এবং মানুষ ইসলামী জঙ্গিবাদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। জোট সরকার শীর্ষ জঙ্গিবাদীদের ধরেছে, নিষিদ্ধ করেছে কয়েকটি সংগঠন কিন্তু দেশকে এর হাত থেকে মুক্ত রাখার জন্য এ পদক্ষেপ মোটেই যথেষ্ট নয়। এর জন্য জঙ্গিবিরোধী তৎপরতা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি আদর্শিক এবং রাজনৈতিকভাবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি আবহ তৈরি করতে হবে যেন সব সময়ের জন্য ধর্ম ও রাজনীতি আলাদা থাকে। আর এর জন্যই সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে যে ধারাগুলো ছিল সেগুলো পুনঃসন্নিবেশিত করা দরকার। দেশকে জঙ্গিবাদের বিপদ থেকে মুক্ত রাখতে হলে এর কোন বিকল্প নেই।

আটচল্লিশ বছর এ স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক গণহত্যা দিবস হিসেবে ২৫ মার্চের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস বর্তমান সরকার এ লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে এবং গণহত্যা দিবসের স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হবে। যেমন সক্ষম হয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে।

দৈনিক সংবাদ : ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাই কঠোর মনিটরিং

আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রিসাইক্লিংয়ে পরিকল্পিত ও স্থায়ী উদ্যোগ নিন

ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ইলেকট্রনিক বা ই-বর্জ্যরে পরিমাণও। এসব ই-বর্জ্যরে দূষণ থেকে প্রাণ ও প্রকৃতিকে রক্ষা

বর্ষার আগেই ঢাকাডুবি কেন নগর কর্তৃপক্ষ কী করছে

চৈত্র মাসেই বৃষ্টির পানি জমে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ এলাকার রাস্তা

sangbad ad

পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে হবে

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের স্বজনরা।

স্বাভাবিক পুঁজিবাজার চাই অনৈতিক কারসাজি দমন করুন

দেশের পুঁজিবাজারে এখনও কারসাজি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সুকৌশলে নিয়ন্ত্রণ করছে এমন

দ্রুত সম্পন্ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব

অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তির লাখো মামলা বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে। মামলা নির্ধারিত সময়ে নিষ্পত্তি হচ্ছে কিনা তা মনিটর করার কেউ

রোজার মাসে ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখুন

রমজান সামনে রেখে এরই মধ্যে অস্থির হয়ে উঠতে শুরু করেছে ভোগ্যপণ্যের বাজার। বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কোন কারণ ছাড়াই

রাজধানী কি এবারও জলাবদ্ধ হয়ে পড়বে

রাজধানীর অনেক এলাকা আগামী বর্ষাতেও জলাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন হতে হবে

অগ্নিকান্ড রোধ এবং এর ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছেন। গত সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত

sangbad ad