• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

 

সিন্ডিকেটমুক্ত করুন নিত্যপণ্যের বাজার

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

আজ প্রকাশিত সংবাদের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চাল, পিয়াজ ও আলু থেকে শুরু করে দেশের প্রায় সব পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে কয়েকটি সিন্ডিকেট। এসব সিন্ডিকেট ইচ্ছে অনুযায়ী দাম বৃদ্ধি করছে। কখনও পণ্যের খরচ বেশি এমন অজুহাতে দাম বৃদ্ধি করছে; আবার কখনও পণ্যের জোগান কম অজুহাতে দাম বৃদ্ধি করছে। অর্থাৎ দেশের পুরো বাজার ব্যবস্থা এ সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি রয়েছে। এ সিন্ডিকেটের রয়েছে প্রায় সব ধরনের ব্যবসা; তারা ব্যাপকভাবে পরিচিত। যে ব্যবসায়ীর চালকল আছে, তারই আবার আলুর কোল্ডস্টোরেজ আছে, সেই ব্যবসায়ী আবার আমদানি-রফতানির সঙ্গে জড়িত। অর্থাৎ বাজারের সব ধরনের পণ্যের কলকাঠি নাড়ছে কয়েকটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।

নিত্যপণ্যের বাজার যে অবৈধ সিন্ডিকেটের দখলে চলে গেছে এটা এখন প্রায় সবাই জানে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঘোড়া জনগণকে হতাশার রাজ্যে নিয়ে যাচ্ছে। সব সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে বলে কোন দ্রব্যের কখন দাম বাড়বে তা জানে না কেউ। ঘোড়ারও বলগা থাকে, কিন্তু নিত্যপণ্যের বাজারের কোন বলগা নেই- এর রাশ টেনে ধরারও নেই কেউ। অভিযোগ রয়েছে, সরকার এ সিন্ডিকেটের খবর জানে। এ সিন্ডিকেটের কথা স্বীকার করে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতেও দেশে খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু কয়েক দফার দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। এ কারণে মিল মালিক, পাইকার ও ফড়িয়ারা মিলে অধিক মুনাফা লাভের জন্য নানারকম ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।’

প্রশ্ন হলো- সরকার যদি জেনেই থাকে যে মিল মালিক ও ফড়িয়ারা সিন্ডিকেট করে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করছে, তাহলে তাদের ধরছে না কেন? যেসব মধ্যস্বত্বভোগী বা ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা গোপনে মিটিং করে একটা পণ্যের দাম নির্ধারণ করছে এবং সেই দামে সব ব্যবসায়ীদের বিক্রি করতে বাধ্য করছে- তাদের আইনের আওতায় আনছে না কেন? এদের হাত কি সরকারের চেয়ে বড়? মুক্তবাজার অর্থনীতিতে চাহিদা ও জোগানের ওপর নির্ভর করেই পণ্যের দাম বাড়ে বা কমে। বাংলাদেশে কেন সেটি হচ্ছে না সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।

বাজার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সরকারকে কঠোর ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। চাহিদা ও সরবরাহে সামঞ্জস্য রাখতে হবে। এসবের জন্য বাজার মনিটরিং যথাযথ হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্যবসায়ী যেন সিন্ডিকেট করতে না পারে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের অবশ্যই মাঠপর্যায়ে যেতে হবে।

অর্থনীতির এটা একটা নিয়ম। সরবরাহ কমলে দাম বেড়ে যায়। এখন এ সমস্যা দুইভাবে সমাধান করা যায়। প্রথমটি হলো- সরকার নিজে চাল কিনতে পারে এবং ভোক্তার কাছে ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারে। এভাবে প্রতিটি জেলায়, থানায় সরকার নিজস্ব বাজার ব্যবস্থা তৈরি করতে পারে। এখানে সরকারের বাড়তি টাকা খরচ হবে না। কারণ সরকারও ব্যবসা করবে। সরকার যখন এটি করবে তখন সিন্ডিকেটের কাছে একটা ম্যাসেজ যাবে, তারা যদি পণ্য স্টক করে তাহলে একটা সময় তা নষ্ট হয়ে যাবে তবুও ভোক্তা বেশি দামে কিনবে না। কারণ ভোক্তা তখন বিকল্প হিসেবে সরকারের বাজার থেকে কিনবে। আর দ্বিতীয় সমাধান হলো- যখন সংকট দেখা দেবে তখন পণ্য আমদানি করতে হবে।

বাংলাদেশের প্রায় সব ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আইন আছে, কিন্তু বাস্তবে এর প্রয়োগ নেই। তাই প্রয়োগের দিকে মনোযোগ দেয়া দরকার। বাজার নিয়ন্ত্রণে আইন আছে। ওই আইনের প্রয়োগ ও বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলায় জেলায় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু থাকার কথা। বাস্তবে নেই বললেই চলে। ফলে ভোক্তা-সাধারণ নানাভাবে ঠকছে প্রতিনিয়ত। কৃষিজাত পণ্য উৎপাদনকারীরাও ঠকছে। একজন প্রান্তিক কৃষক যে মূল্যে চাল, ডাল, সবজি বা অন্যান্য দ্রব্য বিক্রি করে, তার থেকে অনেক বেশি মূল্যে ভোক্তার কাছে বিক্রি করছে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট। কৃষকের কাছ থেকে যাতে সরাসরি ভোক্তারা পণ্য কিনতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে। উৎপাদন মূল্যের চেয়ে অতি মুনাফা মূল্যে কোনো ব্যবসায়ী পণ্য বিক্রি করলে তার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। পণ্যবাহী ট্রাক থেকে পথে পথে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। প্রতিটি বাজারে পণ্যের মূল্যতালিকা টাঙিয়ে তার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার পাশাপাশি সঠিক পরামর্শ দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধীদের কাছে নতিস্বীকার করা চলবে না

দেশে কোন ভাস্কর্য তৈরি হলে টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নব্য আমির জুনায়েদ বাবু নগরী।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় চাই সমন্বিত পদক্ষেপ

বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের উদ্যোগ নিতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, করোনা মোকাবিলায় গোটা সরকারব্যবস্থাকে যুক্ত করা দরকার।

সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা থাকা জরুরি

প্রায় ১০ কোটি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পাওয়ার আশ্বাস মিলেছে। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস (গ্যাভি) ৬ কোটি ৮০ লাখ ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট তিন কোটি টিকা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

sangbad ad

তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটন করুন

আবার আগুন লাগল রাজধানীর কালশীর বাউনিয়াবাদের বস্তিতে। এ নিয়ে গত ১১ মাসে সেখানে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল। কিন্তু এসব অগ্নিকান্ড কেন ঘটছে, তার তদন্ত হচ্ছে না।

গণঅভ্যুত্থান, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি এবং বিএমএ

image

আজ যে সময়ে আমরা শহীদ ডা. মিলনকে স্মরণ করছি তখন গোটা বিশ্ব করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় অনেকটা পর্যুদস্ত, বিপর্যস্ত অর্থনীতি, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

আদিয়স ‘দিয়োস ভিভো’ ম্যারাডোনা

বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত তারকা আর্জেন্টিনার ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা (৬০) গতকাল বুধবার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

এসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ান নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করুন

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমই) দেশের কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে।

করোনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিন

আত্মঘাতী হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে ব্যবহৃত স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী।

কাগজের দাম নিয়ে কারসাজি কাম্য নয়

হঠাৎ করেই বই ছাপার কাগজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে দেশীয় কাগজ কলগুলো।

sangbad ad