• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

 

সাম্প্রদায়িক হামলার বিচারে দীর্ঘসূত্রতা কাম্য নয়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

কক্সবাজারের রামু-উখিয়া এবং টেকনাফে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনার বিচার ৮ বছরেও শেষ হয়নি। হামলার ঘটনায় করা ১৮টি মামলার সবক’টি ঝুলে আছে সাক্ষীর অভাবে। কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের পিপি ফরিদুল আলম বলেছেন, সাক্ষীদের আনার জন্য ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে। কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে মামলার কার্যক্রম আপাতত বন্ধ আছে। সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা বলছেন, সবক’টি মামলার বাদী পুলিশ। তারাই ইচ্ছেমতো আসামি বানাচ্ছে, ইচ্ছেমতো অভিযোগপত্র দিচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, হামলার ঘটনায় জড়িত অনেককেই আসামি করা হয়নি। এ নিয়ে আজ (৩০ সেপ্টেম্বর) সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

দেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ন্যক্কারজনক ঘটনা প্রথম ঘটে ২০১২ সালে। ফেসবুকে ইসলাম ধর্মের অবমাননা করা হয়েছে এমন গুজব ছড়িয়ে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। সরকার বারবার সাম্প্রদায়িক হামলার বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও বিচার হয়নি। আদৌ বিচার হবে কিনা সেটা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে। বলা হচ্ছে, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে মামলার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, সাক্ষীদের হাজির করা যাচ্ছে না। প্রশ্ন হচ্ছে, মহামারীর আগে কী করা হয়েছে। যারা সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার তাদের উপেক্ষা করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে কেন সেই প্রশ্ন উঠেছে। হামলার সঙ্গে জড়িত বা হামলায় মদদ দিয়েছে এমন অনেককে আসামি করা হয়নি। বহু আসামি জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। এ অবস্থায় সাক্ষীরা কোন গরজে আদালতে যাবেন। সাক্ষীদের নির্ভয়ে আদালতে যাওয়ার পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। এখন তাদের বিরুদ্ধেই ওয়ারেন্ট জারি করা হচ্ছে। এটা আরেক ধরনের হয়রানি। আসামির বহালতবিয়তে আছে আর সাক্ষীরা ভয়ে ভয়ে দিন পার করছেন। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ও এর বিচার পাওয়ার প্রশ্নে শুরু থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় অনেক নেতাকর্মী হামলায় অংশ নিলেও পুলিশের অভিযোগে তা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

আমরা সব সাম্প্রদায়িক হামলার কঠোর বিচার চাই। কক্সবাজারে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে। হামলার সঙ্গে জড়িত বা মদদ দিয়েছে এমন অনেকের নাম আসামির তালিকায় নেই কেন সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। হামলার আগে-পরে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল সেটা সুষ্ঠু তদন্তে জানতে হবে। মামলার সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। আসামিরা যেন জামিন না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অনেক ছবি ও ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। এগুলো বিচার কাজ সহজ করবে বলে আমরা মনে করি। অসম্প্রদায়িক দেশ গড়তে হলে সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার অবশ্যই করতে হবে। বিচার করা না হলে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটতেই থাকবে। অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার যে চেতনা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল, স্বাধীনতার পক্ষের সরকারকে সেই চেতনা সমুন্নত রাখতে প্রয়োজনীয় সব কাজ করতে হবে।

চীনের প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে

নিজ দেশ মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে সন্দেহ-সংশয় দিন দিন গভীর হচ্ছে।

সালতা নদী খনন প্রকল্পে দুর্নীতির দায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সালতা নদী খনন প্রকল্পে ঠিকদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম নদী, খননে ধীরগতি ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সড়ক কবে নিরাপদ হবে

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে চতুর্থবারের মতো পালিত হলো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস।

sangbad ad

সব থানায় অনলাইনে জিডির সুযোগ রাখতে হবে

করোনাকালে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা দিতে যেখানে অনলাইনকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে, ডিএমপি সেখানে ব্যতিক্রম।

প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন

ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিন

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট এবং ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়াকে বায়ুর দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালিক-শ্রমিককে আলোচনায় বসতে হবে

এগারো দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন নৌযান শ্রমিককরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও গবেষণা দুটোই উন্নত করতে হবে

প্রতি বছর নতুন বিভাগ খোলা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বাড়ানো, বিপুলসংখ্যক প্রশাসনিক কর্মী নিয়োগ- সব মিলিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেবরের দিক দিয়ে বিশাল আকার ধারণ করলেও শিক্ষার মান ও গবেষণার দিক দিয়ে কোন উন্নতি হয়নি বলে গতকাল মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মূলত শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে গুণগতমানের দিক দিয়ে প্রত্যাশিত কোন উন্নতিই হয়নি।

ধর্ষকদের বিরুদ্ধে তীব্র সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার নির্দেশ ইন্দিরার

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, বিকৃত মস্তিস্ক, কান্ডজ্ঞানহীন বিবেক বর্জিত ও মানসিক বিকার গ্রস্তরাই ধর্ষণকারী।

sangbad ad