• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০

 

শিক্ষক প্রশিক্ষণে যথাযথ গুরুত্ব দিন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০

শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের গুণগতমান অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকের যোগ্যতার ওপর। এজন্য বেশির ভাগ দেশেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের পরপরই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হয় শিক্ষকদের। আবার কোনো কোনো দেশে শিক্ষকতা পেশায় চাকরির আবেদনের শর্তেই প্রশিক্ষণ নেয়া বাধ্যতামূলক। যদিও জাতিসংঘের বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর ‘গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং (জিইএম) রিপোর্ট’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানরত শিক্ষকদের অর্ধেকই অপ্রশিক্ষিত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোয় পাঠদানরত শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষিত রয়েছে মাত্র ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ দেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের অর্ধেকই এখনো অপ্রশিক্ষিত। যদিও ভুটানে এ হার শতভাগ। প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের মধ্যে নেপালের প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষণের হার ৯৭ শতাংশ, মালদ্বীপে ৯০ শতাংশ, শ্রীলংকায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানে ৭৮শতাংশ ও ভারতে এ হার ৭০ শতাংশ। এ হিসাবেও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

শিক্ষক প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার খবরটি অত্যন্ত হতাশাজনক। প্রশিক্ষণহীনতার এ চিত্র শুধু প্রাথমিকেই নয়। একই রকম বেহালদশা দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক খাতেও। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের আগে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের সনদ নিতে হয়। শুধু প্রাথমিক নয়, শিক্ষার প্রতিটি ধাপেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ গ্রহণ অত্যাবশ্যক। কিন্তু বাংলাদেশে তা নেই। নিয়োগের শর্ত হিসেবে ছয় মাসের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। এদেশে বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয় না।

শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষককে অবশ্যই প্রশিক্ষিত হতে হয়। শিখন-শেখানো পদ্ধতি বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হয়। তাহলেই শিখন ফল অর্জন সম্ভব হয়। অথচ এ দেশে নিয়োগের দিনই শিক্ষককে পাঠানো হয় ক্লাসরুমে। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হবে, কীভাবে তাদের সঙ্গে মিশতে হবে, কীভাবে পাঠদানকে আনন্দদায়ক করে তোলা যায়- এসব বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞানই থাকে না।

প্রাথমিক শিক্ষকদের একটি বিরাট অংশ সারাজীবনে কোনো দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ পান না। মাঝে মধ্যে বিষয়ভিত্তিক দুই-এক দিনের প্রশিক্ষণ নিয়েই তাদের কর্মজীবন শেষ করতে হয়। অনেকটা এমন যেন প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্সবিহীন চালকের হাতে গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। যাদের কাঁধে জাতি গঠনের দায়িত্ব, তারাই কোনো প্রশিক্ষণ পান না। ফলে শিক্ষার্থীদের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে শিক্ষকের পাঠদান।

আমরা অনেক আগে থেকেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছি। যদিও দুঃখজনক হলেও সত্য, এ খাতে এখনো আমাদের অগ্রগতি ভালো নয়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণীকক্ষে দাঁড়ানোটা অনেক ভয়ের। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়েছেন। কাজেই শিক্ষকদের শ্রেণীকক্ষে পাঠানোর আগে তাদের শিক্ষণ বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া জরুরি। একই সঙ্গে তাদের জন্য শিখন-শেখানো কার্যক্রম সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাও যেতে পারে। কেননা এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকরা শিশুশিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হতে পারেন এবং কীভাবে শিশুদের শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়, সে সম্পর্কে জানতে পারেন। সরকার সবার জন্য শিক্ষা বিষয়টার দিকে লক্ষ্য রাখতে গিয়ে শুধু সংখ্যার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এখন গুণগতমানের দিকেই দৃষ্টি দেয়া উচিত। যার জন্য বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ খাতে বিনিয়োগ না করলে, শিক্ষকদের সঠিকভাবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে না তুললে, সর্বোপরি প্রাথমিক শিক্ষার আধুনিকায়ন করা না হলে মানোন্নয়ন সম্ভব হবে না।

করোনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিন

আত্মঘাতী হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে ব্যবহৃত স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী।

কাগজের দাম নিয়ে কারসাজি কাম্য নয়

হঠাৎ করেই বই ছাপার কাগজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে দেশীয় কাগজ কলগুলো।

সড়ক স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত করুন

গত কয়েক বছরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সড়ক সম্প্রসারণ করা হয়েছে। কোনো কোনো সড়ক ছয় লেন, কোনো কোনোটি চার লেন হয়েছে।

sangbad ad

ফায়ার সার্ভিসে জনবল ও আধুনিক সরঞ্জামাদি সংকট দূর করুন

‘প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুতি; দুর্যোগ মোকাবিলায় আনবে গতি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর ১৯-২১ নভেম্বর সারাদেশে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২০ উদযাপিত হয়েছে।

জঙ্গিবাদ দমনে আদর্শিক লড়াই চালাতে হবে

গত শুক্রবার ভোরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে একটি বাড়িতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে।

বন্যহাতি নিধন বন্ধ করুন

কক্সবাজারে মানুষের নির্মমতায় একের পর এক মারা যাচ্ছে বন্যহাতি।

ধর্ষণ প্রতিরোধে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন চাই

ধর্ষণ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০০০’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম দূর করুন

সরকারি কেনাকাটায় কিছুতেই দুর্নীতি থামানো যাচ্ছে না। সুযোগ পেলেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, অধিদপ্তরের কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা দুর্নীতি করছেন পণ্য কেনাকাটায়।

স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগ চাই

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পেরোলেও এখনও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

sangbad ad