• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০

 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২০

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া শরণার্থী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মায়ানমারে প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। গত কয়েক বছরেও রাখাইনের পরিবেশ অনুকূল হয়নি। বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনাভাইরাসের মধ্যেও সেখানে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন চলছে বলে জানা গেছে। মায়ানমার বস্তুত রোহিঙ্গাদের না ফেরানোর নীতি নিয়েই এগুচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়ার আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিরোধিতা করছে আন্তর্জাতিক মহল। রোহিঙ্গারাও বিদ্যমান পরিবেশে সেখানে ফিরতে আগ্রহী নয়। এই অবস্থায় বাংলাদেশ পড়েছে গভীর সংকটে।

২০১৭ সালের আগস্টের শেষ দিকে রাখাইন থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে থাকে। মানবিক কারণে তাদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয় বাংলাদেশ সরকার। এরপর কমবেশি সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ২০১৭ সালের আগে বিভিন্ন সময়ে আরও ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। সীমিত সম্পদ দিয়ে সাড়ে ১১ লাখ শরণার্থীকে বছরের পর বছর আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গারা যেসব স্থানে আশ্রয় নিয়েছে সেসব স্থানের পরিবেশ বিশাক্ত হয়ে পড়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। শরণার্থী রোহিঙ্গাদের একটি অংশ নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ক্যাম্পগুলোতে শরণার্থীরাও ভালো নেই। বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনাভাইরাসের কারণে তাদের ক্যাম্পজীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে।

রোহিঙ্গাদের দুর্দশা আর বাংলাদেশের সংকট কেবল তখনই দূর হতে পারে যখন মায়ানমার এসব শরণার্থীকে নিজদেশে ফিরিয়ে নেবে। কিন্তু দেশটি এখনও রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়। আন্তর্জাতিক মহল যখন রাখাইনের পরিবেশ উন্নত করার কথা বলছে, দেশটি তখন সেখানে নির্যাতন-নিপীড়ন অব্যাহত রেখেছে। দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বা আন্তর্জাতিক মহলের চাপ কোন কিছুই মায়ানমারকে রোহিঙ্গা নিধনের নীতি থেকে বিরত রাখতে পারেনি। দেশটিকে আন্তর্জাতিক আদালতে নেয়া গেলেও কোন বিচার আজও নিশ্চিত করা যায়নি।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ততদিন সাফল্য মিলবে না যতদিন না চীন, ভারতের মতো শক্তি মায়ানমারকে চাপ দেবে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন ও ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছে। আমরা চাইব এই আলোচনা অব্যাহত রাখা হোক। এই ইস্যুতে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের শীর্ষ নেতৃত্বকে এক সঙ্গে বসতে হবে। এক্ষেত্রে চীন, রাশিয়া, ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য পরাশক্তিকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। বিশ্ববাসীকে বুঝতে হবে যে, রোহিঙ্গা শরণার্থী কোন একটি দেশ বা মহলের সমস্যা নয়, গোটা বিশ্বের সমস্যা। আমরা চাই, রোহিঙ্গারা পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে শীঘ্রই নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যাক।

রাজস্ব আদায়ে কর্মীদের অতিমাত্রায় ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারিতা বাড়াবে

২০২০-২১ অর্থবছরের নতুন বাজেট অনুযায়ী রাজস্ব কর্মকর্তারা চাইলে যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হানা দিতে পারবেন। ব্যবসায়ীরা আগের

মোবাইলে কথা বলা এবং ইন্টারনেটের খরচ কমাতে হবে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

২০২০-২১ অর্থবছরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়তে যাচ্ছে। বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর কর

অক্সিজেন নিয়ে কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনাভাইরাসের প্রেক্ষিতে দেশে এবার অক্সিজেন সিলিন্ডার, পালস অক্সিমিটার, জীবনরক্ষাকারী বিভিন্ন ওষুধের দাম

sangbad ad

সংবাদপত্র বাঁচাতে কমাতে হবে কর-ভ্যাট

সম্পাদকীয়

image

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়েছে সংবাদপত্র শিল্প। বিজ্ঞাপন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। পত্রিকার গ্রাহকও কমেছে। এ অবস্থায় সংবাদপত্র টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বাজেট

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গতকাল ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের বক্তব্য ইতিবাচক

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ঢাকা ও বেইজিং সম্মত হয়েছে। গত শুক্রবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার উৎসে কর বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাহার করুন

প্রস্তাবিত বাজেটে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে সব দেশ সম্মত হলেও মায়ানমারের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে

ইরান-মার্কিন বিরোধেও কি বাংলাদেশ জড়িত থাকবে

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে লেখা এক চিঠিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

sangbad ad