• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০

 

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০১৯

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে সব দেশ সম্মত হলেও মায়ানমারের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে চুক্তি করা হয়েছে, সব রকমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মায়ানমার ফিরিয়ে নিতে আগ্রহী নয়। রোহিঙ্গাদের সহায়তাকারী আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোও এ বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। গত রোববার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট হলো যে, রোহিঙ্গা সংকট সহসাই কাটছে না এবং সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক মহল যেহেতু উদাসীন, আরও অনেকটা সময় বাংলাদেশকেই এ ভোগান্তি পোহাতে হবে। অবশ্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ যেসব শর্তে চুক্তি সই করেছিল, তাতে এ চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে শুরু থেকেই আমরা সংশয় প্রকাশ করে আসছি। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে নীতি ও অবস্থান পরিবর্তনে যেহেতু মায়ানমারের ওপর কার্যকর চাপ প্রয়োগ করা যায়নি, চুক্তি করলেও শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে তারা যে আগ্রহী হবে না, সেটাই দিনে দিনে স্পষ্ট হচ্ছে।

এটা এখন অনেকটাই পরিষ্কার যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যখন আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে শুরু করেছিল, তখনই মায়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে কার্যত তাদের শর্তে একটি প্রত্যাবাসন চুক্তি করে। কৌশলগতভাবে এতে মায়ানমারের লাভ হয়েছে। কারণ, এই চুক্তি তাদের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের চাওয়া শরণার্থী প্রত্যাবাসন কতটুকু সফল হবে, তা এক বিরাট প্রশ্ন।

শুরু থেকেই আমরা বলে আসছি যে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মায়ানমার সরকার তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করলে বা সে ব্যাপারে দেশটিকে বাধ্য করতে না পারলে শরণার্থীদের ফেরত পাঠানো কঠিন হবে। দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ইউএনএইচসিআর ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে নানা প্রক্রিয়া ও কাজে যুক্ত করলেও মায়ানমার সে ধরনের কিছু করছে না বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে রাখাইন রাজ্যে প্রবেশ ও কাজ করার অনুমতি দিচ্ছে না।

বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে মানবিক কারণে। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের ক্ষেত্রে যে মূল চেতনাটি গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া সব রোহিঙ্গার রাখাইনে নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও বসবাস নিশ্চিত করা। রোহিঙ্গারা যে ধরনের বর্বরতার শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসেছে, তাদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরা নিশ্চিত করতে হলে তাদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি। এ জন্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর রাখাইন রাজ্যে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়ার চেষ্টার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মায়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। অব্যাহত ও কঠোর চাপ ছাড়া মায়ানমার যে কাজের কাজ কিছু করবে না, তা অনেকটাই পরিষ্কার।

দৈনিক সংবাদ : ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

সাম্প্রদায়িক হামলার বিচারে দীর্ঘসূত্রতা কাম্য নয়

কক্সবাজারের রামু-উখিয়া এবং টেকনাফে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনার বিচার ৮ বছরেও শেষ হয়নি।

খাদ্যে ট্রান্সফ্যাটের বিপদ সম্পর্কে চাই জনসচেতনতা

চিকিৎসা ও খাদ্য বিজ্ঞানীরা বলছেন, ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ এবং হৃদরোগ ঝুঁকির উচ্চহার ব্যাপকভাবে সম্পর্কযুক্ত

প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বাড়ানোর অপসংস্কৃতি বন্ধ হবে কবে

অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি, তার আগেই প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আজ প্রকাশিত

sangbad ad

জনস্বার্থেই জ্বালানি তেলের দাম কমান

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের রেকর্ড দরপতন সত্ত্বেও দেশে তেলের দাম কমছে না। গত পাঁচ বছর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম

ভিয়েতনামে মানবপাচার তদন্ত করে ব্যবস্থা নিন

উচ্চবেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গত কয়েক বছরে ভিয়েতনামে ১২ শতাধিক বাংলাদেশিকে পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মতপ্রকাশের বাধাগুলো দূর করুন

তথ্য অধিকার আইন হওয়ার এক দশক পেরিয়ে গেলেও দেশের খুব কম মানুষই জানে এ সম্পর্কে।

ছাত্রলীগের অন্যায়-অপরাধের শেষ কোথায়

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের ছাত্রাবাসে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

করোনাকালে বাল্যবিবাহ রোধে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে

করোনাভাইরাস সংক্রমণের এ সময়ে দেশে বাল্যবিবাহ প্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

স্বাধীন কমিশনগুলোর স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে

একাধিক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তাদের দফতর বা সংস্থার অধীনে সংশ্লিষ্ট কমিশনকেও যুক্ত করা হয়েছে।

sangbad ad