• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

 

রাজধানীর বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯

ঢাকায় বায়ুদূষণের সময় দীর্ঘ হচ্ছে। গত বছর ১৯৭ দিন রাজধানীবাসী দূষিত বাতাসে ডুবেছিল। আগের বছরগুলোতে রাজধানীর বাতাস বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১২০ থেকে ১৬০ দিন দূষিত থাকত। অর্থাৎ ঢাকার বায়ুদূষণ সময়ের বিবেচনায়ও বিপজ্জনক হারে বাড়ছে। পরিবেশ অধিদফতরের বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিবেশ অধিদফতরের তথ্যে দেখা যায়, গত ৪ বছর ধারাবাহিকভাবে দূষণের সময় বা দিন বাড়ছে। সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত রাজধানীর বাতাস দূষিত থাকে। সবচেয়ে বেশি দূষণ থাকে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু দুই বছর ধরে দেখা যাচ্ছে, মার্চ ও এপ্রিলের বাতাসও জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মতো খারাপ থাকছে। এর আগে এপ্রিলে এসে বাতাসের মান মোটামুটি ভালো অবস্থায় ফিরত। কিন্তু গত বছরের এপ্রিলেও রাজধানীর বাতাস খুবই খারাপ ছিল।

পরিবেশ অধিদফতর বলছে, রাজধানীর বাতাসে দ্রুত দূষণকারী পদার্থ ছড়িয়ে পড়ছে অনিয়ন্ত্রিত নির্মাণকাজের কারণে। আর দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই সরকারি। পরিবেশ অধিদফতর এদের কয়েকবার চিঠি দিয়ে দায় সেরেছে। কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি। প্রতিটি বড় প্রকল্পে দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিক দুর্ভোগ এড়ানোর জন্য বিশেষ বরাদ্দ থাকে। কিন্তু বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান তা ন্যূনতম পর্যায়েও মানছে না। ধুলা নিয়ন্ত্রণে ঠিকমতো পানি ছিটানো ও কর্মক্ষেত্রের চারপাশ ঘিরে রাখার কাজও করছে না তারা। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় সভায় ডাকা হলেও বেশির ভাগ সংস্থা তাদের মাঝারি পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে। অনেকে তাও করেনি।

বায়ুদূষণ রোধে সরকারি পদক্ষেপ আমাদের হতাশ করেছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, ঢাকার বেশিরভাগ মানুষ জানেই না যে তারা কত ভয়ঙ্কর বায়ু দূষণের শহরে বাস করে। মেট্রো রেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ যেসব এলাকায় চলছে, সেসব এলাকায় প্রচুর ধুলাবালি পরিবেশকে দূষিত করছে। আমাদের মেট্রোরেল প্রয়োজন। কিন্তু একই সঙ্গে বায়ুদূষণ রোধও জরুরি। দূষণ নিয়ন্ত্রণে সবগুলো অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের আলাদা বাজেট বরাদ্দ থাকে। ওই টাকা খরচ না করে কেন মুনাফায় রূপান্তর করা হচ্ছে সেটা অবশ্যই খতিয়ে দেখা দরকার।

আইনের যথাযথ প্রয়োগ, সরকারের সদিচ্ছা ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা ছাড়া বায়ু দূষণ কখনোই রোধ করা সম্ভব নয়। পরিবেশ আইন ও বিধান ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যেসব কারণে বায়ুদূষণ ঘটছে তা রোধে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নগরের আশপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ইটভাটা নির্মাণে জোর দিতে হবে। নির্মাণকাজে যাতে ধুলা কম হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নিয়ম মেনে কাজ করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে তদারকি করা প্রয়োজন।

দৈনিক সংবাদ : ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাই কঠোর মনিটরিং

আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রিসাইক্লিংয়ে পরিকল্পিত ও স্থায়ী উদ্যোগ নিন

ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ইলেকট্রনিক বা ই-বর্জ্যরে পরিমাণও। এসব ই-বর্জ্যরে দূষণ থেকে প্রাণ ও প্রকৃতিকে রক্ষা

বর্ষার আগেই ঢাকাডুবি কেন নগর কর্তৃপক্ষ কী করছে

চৈত্র মাসেই বৃষ্টির পানি জমে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ এলাকার রাস্তা

sangbad ad

পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে হবে

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের স্বজনরা।

স্বাভাবিক পুঁজিবাজার চাই অনৈতিক কারসাজি দমন করুন

দেশের পুঁজিবাজারে এখনও কারসাজি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সুকৌশলে নিয়ন্ত্রণ করছে এমন

দ্রুত সম্পন্ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব

অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তির লাখো মামলা বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে। মামলা নির্ধারিত সময়ে নিষ্পত্তি হচ্ছে কিনা তা মনিটর করার কেউ

রোজার মাসে ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখুন

রমজান সামনে রেখে এরই মধ্যে অস্থির হয়ে উঠতে শুরু করেছে ভোগ্যপণ্যের বাজার। বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কোন কারণ ছাড়াই

রাজধানী কি এবারও জলাবদ্ধ হয়ে পড়বে

রাজধানীর অনেক এলাকা আগামী বর্ষাতেও জলাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন হতে হবে

অগ্নিকান্ড রোধ এবং এর ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছেন। গত সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত

sangbad ad