• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

 

পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চাই সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০

গত মঙ্গলবার রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে সেনা টহলে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সন্ত্রাসী হামলায় এক সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই সন্ত্রাসী মারা যায়। নিহত দু’জন জেএসএসের সদস্য বলে জানা গেছে।

পাহাড়ে সংঘাত-সংঘর্ষের অবসান হচ্ছে না। গত ২৯ মাসে তিন পার্বত্য জেলায় ৪৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর নেতাকর্মী। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলো মূলত আধিপত্য বিস্তারের জন্য ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত-সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বার্থ নিয়ে তাদের কোন মাথাব্যথা নেই। এসব সংগঠন দখল, চাঁদাবাজি, অপহরণ প্রভৃতি অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অনেকে মনে করছেন, ভ্রাতৃঘাতী এ সংঘাত-সংঘর্ষের পেছনে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ইন্ধন রয়েছে। এ গোষ্ঠী চায় না যে, পাহাড়ে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা পাক। পাহাড় অশান্ত থাকলেই তাদের ফায়দা হাসিলে সুবিধা হয়। এ গোষ্ঠী চায়, পাহাড়কে কেন্দ্র করে অপরাধের রাজত্ব বজায় থাকুক।

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তি চুক্তি হওয়ার পর প্রায় ২৩ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পাদনকারী আওয়ামী লীগ সরকার চার মেয়াদে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকেছে। অথচ এখনও পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা পায়নি। আওয়ামী লীগ দাবি করে, চুক্তি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, পাহাড়ে শান্তি ফিরছে। তবে জেএসএস বলছে, চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক নয়। মূল বিষয়গুলো উপেক্ষা করে তথাকথিত উন্নয়ন করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়ে মূল সমস্যা হচ্ছে জমি। এ সমস্যার যতদিন সমাধান করা না হবে ততদিন পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা পাবে না।

পার্বত্যাঞ্চলে এক সময় পাহাড়ি-বাঙালি সংঘাত ছিল নিত্যকার ঘটনা। এখন এ সংঘাত বহুমাত্রিক হয়েছে। পাহাড়ি সংগঠনগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে চড়াও হচ্ছে। প্রতিটি সংগঠনই অস্ত্র আর অর্থের ভান্ডার গড়ে তুলেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এত অস্ত্র তারা পায় কোথায়। পাহাড়ে সক্রিয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর অপরাধের রাজত্ব অবসানে স্থানীয় প্রশাসন কী ভূমিকা রাখছে- সেই প্রশ্ন উঠেছে। পাহাড়ে অশান্তি জিইয়ে রাখার হীন উদ্দেশে পেছন থেকে একটি গোষ্ঠীর কলকাঠি নাড়ার যে অভিযোগ উঠেছে সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা যে কোন মূল্যে পাহাড়ে টেকসই শান্তি দেখতে চাই। ইট-সিমেন্ট দিয়ে উন্নয়নের দেয়াল গড়া গেলেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না। সরকারের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পাদনকারী দলের, পাহাড়ির সঙ্গে বাঙালির, পাহাড়ির সঙ্গে পাহাড়ির আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। পারস্পরিক সন্দেহ-অবিশ্বাস দূর করতে হবে। এজন্য শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন জরুরি। সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।

বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা

আজ বিজয়া দশমী। শারদীয় দুর্গাপূজা ও আনন্দ উৎসবের আজ সমাপনী দিবস।

শিক্ষক প্রশিক্ষণে যথাযথ গুরুত্ব দিন

শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের গুণগতমান অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকের যোগ্যতার ওপর। এজন্য বেশির ভাগ দেশেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের পরপরই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হয় শিক্ষকদের।

চীনের প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে

নিজ দেশ মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে সন্দেহ-সংশয় দিন দিন গভীর হচ্ছে।

sangbad ad

সালতা নদী খনন প্রকল্পে দুর্নীতির দায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সালতা নদী খনন প্রকল্পে ঠিকদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম নদী, খননে ধীরগতি ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সড়ক কবে নিরাপদ হবে

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে চতুর্থবারের মতো পালিত হলো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস।

সব থানায় অনলাইনে জিডির সুযোগ রাখতে হবে

করোনাকালে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা দিতে যেখানে অনলাইনকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে, ডিএমপি সেখানে ব্যতিক্রম।

প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন

ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিন

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট এবং ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়াকে বায়ুর দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালিক-শ্রমিককে আলোচনায় বসতে হবে

এগারো দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন নৌযান শ্রমিককরা।

sangbad ad