• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯

 

পাকিস্তানকে একঘরে করুন উপমহাদেশে যুদ্ধ নয়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

গত মঙ্গলবার ভোরে পাকিস্তানের বালাকোটে জয়েশ-ই-মহম্মদসহ একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত। বিমান হামলায় তিন শতাধিক জঙ্গি মারা গেছে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোসাল বলেছেন, জয়েশ-ই-মহম্মদ আরও জঙ্গি হামলার ছক করছিল। বিমান হামলাকে তিনি ‘প্রতিরোধমূলক অসামরিক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেন। পাকিস্তানে বিমান হামলার ঘটনাকে ভারতের সব রাজনৈতিক দল স্বাগত জানিয়েছে। পাকিস্তান বিমান অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করলেও হামলা বা হতাহতের কথা স্বীকার করেনি। গত মঙ্গলবার কাশ্মীর সীমান্তে দু’দেশের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন সেনা মারা গেছে। পাকিস্তান বলছে, আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় দুটি ভারতীয় বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে এবং এক ভারতীয় বৈমানিককে আটক করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির সঙ্গে বৈঠক আহ্বান করেছেন। এ কমিটিই পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের সর্বোচ্চ ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

চলতি মাসের মাঝামাঝি ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা চালায় জয়েশ-ই-মহম্মদ। সেই হামলার জবাব দেয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদির ওপর অভ্যন্তরীণ চাপ ছিল। পাকিস্তানে বিমান হামলার ঘটনাকে ভারতের সব রাজনৈতিক দল স্বাগত জানিয়েছে। এতে বোঝা যায়, দেশটি জঙ্গি হামলার জবাব দিতে উন্মুখ হয়েছিল। প্রশ্ন হচ্ছে, এ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক এবং এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর কী প্রভাব ফেলবে। বালাকোটে বিমান হামলায় যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির উদ্ভব হবে কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে। চিরবৈরী দুই প্রতিবেশী অতীতে চারবার যুদ্ধে জড়িয়েছে। এর মধ্যে তিনবারই কাশ্মীর ইস্যুতে যুদ্ধ হয়েছে। অন্য আরেকটি যুদ্ধের আশঙ্কাকে অনেকেই উড়িয়ে দিতে পারছেন না। যদিও ভারত বিমান হামলাকে অসামরিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। পাকিস্তানকে পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে এ অঞ্চলে একটি টেনশন তৈরি হয়েছে।

২০১৩ সালে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দু’দেশই যুদ্ধে না জড়ানোকেই শ্রেয় মনে করেছে। আমরা প্রথমেই বলতে চাই, কোন দেশেই জঙ্গি হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। জঙ্গিবাদের টেকসই প্রতিকার অবশ্যই করতে হবে। তবে যুদ্ধ এর সমাধান নয়। যুদ্ধ বা যুদ্ধাবস্থায় আখেরে জঙ্গিগোষ্ঠীই লাভবান হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে এর নজির রয়েছে। বাস্তবতা হচ্ছে, একক প্রচেষ্টায় প্রবল শক্তিমান দেশের পক্ষেও জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদকে পরাস্ত করা সম্ভব নয়। দেশগুলোর বিশেষ করে প্রতিবেশীদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে জঙ্গিবাদকে পরাস্ত করা যেতে পারে। সমস্যা হচ্ছে, পাকিস্তান জঙ্গি পোষণের অলিখিত নীতি গ্রহণ করেছে। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছে অন্যদিকে ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছে। পাকিস্তান সামরিক অর্থে জঙ্গি উৎপাদন ও রফতানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্তর থেকে দেশটিকে সন্ত্রাসবাদের পক্ষ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু দেশটি উক্ত ধর্মীয় গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দেশটির রাজনৈতিক দল, প্রতিরক্ষা বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থার সর্বত্র উগ্রবাদীদের বিচরণ রয়েছে। এ অবস্থায় তারা সহসাই শান্তির পক্ষে ফিরবে বলে মনে হয় না। সে ক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ হচ্ছে, পাকিস্তানের ওপর বৈশ্বিকভাবে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা। কাজটি করতে হবে এ অঞ্চলের শান্তিকামী সব শক্তিকে একজোট হয়ে।

দৈনিক সংবাদ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

সমাজ ও ব্যক্তির জন্য সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ সংকট

দেশে সংস্কৃতিচর্চার সুযোগ দিন দিন কমছে। সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারি, জবাবদিহি ও আন্তরিকতার অভাব। সংস্কৃতি

দেশের বাঁধগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে সংস্কারের লক্ষ্যে মনিটরিং করুন

ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশ অতিক্রম করে গেছে। ভারতের ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানার পর পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড়।

পরিবহন সেক্টরকে মাফিয়ামুক্ত করুন

সাত দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে গত সোমবার দিনভর দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত

sangbad ad

জঙ্গিবাদের হুমকি মোকাবিলায় ঐক্য গড়ে তুলুন

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে হামলার পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার

গণধর্ষণ মামলার চার্জশিট প্রশ্নবিদ্ধ পুলিশের ভূমিকা

সুবর্ণচরে গণধর্ষণের শিকার নারীর অভিযোগ ছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দেয়ায় তার ওপর নির্যাতন হয়েছে

বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত করতে হবে

চাহিদার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যুৎ বিভাগ মানসম্মত বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায়

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাই কঠোর মনিটরিং

আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রিসাইক্লিংয়ে পরিকল্পিত ও স্থায়ী উদ্যোগ নিন

ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ইলেকট্রনিক বা ই-বর্জ্যরে পরিমাণও। এসব ই-বর্জ্যরে দূষণ থেকে প্রাণ ও প্রকৃতিকে রক্ষা

বর্ষার আগেই ঢাকাডুবি কেন নগর কর্তৃপক্ষ কী করছে

চৈত্র মাসেই বৃষ্টির পানি জমে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ এলাকার রাস্তা

sangbad ad