• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

 

পরিবহন সেক্টরকে মাফিয়ামুক্ত করুন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৪ মে ২০১৯

সাত দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে গত সোমবার দিনভর দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এমনকি অভ্যন্তরীণ সড়কে বাস, মাইক্রোবাস, অটোরিকশাসহ কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করেনি। এর ফলে প্রয়োজনীয় কাজে ঘর থেকে বেরিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। গত শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে ৭ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগ। সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে উদার পরিবহনের বাসের চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে তারা ৩০২ (হত্যা মামলা) ধারার বদলে ৩০৪ বি (দুর্ঘটনায় মৃত্যু) ধারা যুক্ত করার দাবি করা হয়। পূর্ব ঘোষণা অনুসারে সিলেট বিভাগে শুরু হয় পরিবহন ধর্মঘট। পূর্বঘোষিত এ কর্মসূচি চলাকালে কোন ধরনের পিকেটিং না করার অঙ্গীকার করলেও সকাল থেকে নগরীর কদমতলীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে অবস্থান নেন পরিবহন শ্রমিকরা। এছাড়া নগরীর প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত হুমায়ুন রশীদ চত্বর, চন্ডীপুল, তেতলী এলাকায় পরিবহন ধর্মঘটের মতো পিকেটিং করা হয়। গত সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা ছিল। ধর্মঘটের ফলে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, সিলেটে পরিবহন ধর্মঘটের নামে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে শ্রমিকরা। অতীতেও দেখা গেছে সড়কে দুর্ঘটনার মৃত্যুর শাস্তি গুরুদন্ডের আইন প্রণীত হলেও মালিক-শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গুরুদন্ড লঘুদন্ডে পরিণত হয়েছে। এবারও একই পথ বেছে নেয়া হয়েছে। একের পর এক দুর্ঘটনা সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। অবশ্য সব দুর্ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা বলার সুযোগ আছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যে দুর্ঘটনার জন্য সিংহভাগ দায়ী চালক, সেই দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে সেটিকে কেউ দুর্ঘটনা না বলে হত্যাকান্ড বললে কি অযৌক্তিক হবে?

বলাবাহুল্য, সড়ক পরিবহন খাতের মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের দাপটের কাছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্র নির্লিপ্ত ভূমিকার পরিচয় দিচ্ছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা মিলে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তারা পরিবহন খাতকে জিম্মি করে রেখেছে। পরিবহন খাতের কারো গায়ে আঁচড় পড়লে বা তাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে ধর্মঘট ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে যাত্রীসাধারণকে জিম্মি করে দাবি আদায়ের চেষ্টা করেছে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা আইনের তোয়াক্কা করে না। তারা আদালতের রায়কে অবজ্ঞা করে। দেশে এমন একটি অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যে, তারা যদি অপরাধ করে থাকে, তবুও কোন অপরাধীর বিচার করা যাবে না। এ যেন ‘মামা বাড়ির আবদার’।

এ অনাচার কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। বেপরোয়া চালকের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনরকম ছাড় দেয়া চলবে না। তবে পরিবহন সেক্টরের বিদ্যমান নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে একজন-দুজন অপরাধীর বিচার হওয়াই যথেষ্ট নয়। গোটা পরিবহন সেক্টরকে আইন মেনে চলতে বাধ্য করা না গেলে এ ধরনের ঘটনা যে চলতেই থাকবে, এটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। তাই আমরা বলব, যেসব প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে এ সেক্টরটিতে অরাজকতা বিরাজ করছে, তাদের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেয়া হোক। পরিবহন সেক্টরকে মাফিয়ামুক্ত করা হোক। সরকারকে বুঝতে হবে এর সঙ্গে শুধু জননিরাপত্তা নয়, সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্নও জড়িত।

দৈনিক সংবাদ : ৪ মে ২০১৯, শনিবার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধীদের কাছে নতিস্বীকার করা চলবে না

দেশে কোন ভাস্কর্য তৈরি হলে টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নব্য আমির জুনায়েদ বাবু নগরী।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় চাই সমন্বিত পদক্ষেপ

বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের উদ্যোগ নিতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, করোনা মোকাবিলায় গোটা সরকারব্যবস্থাকে যুক্ত করা দরকার।

সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা থাকা জরুরি

প্রায় ১০ কোটি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পাওয়ার আশ্বাস মিলেছে। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস (গ্যাভি) ৬ কোটি ৮০ লাখ ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট তিন কোটি টিকা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

sangbad ad

তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটন করুন

আবার আগুন লাগল রাজধানীর কালশীর বাউনিয়াবাদের বস্তিতে। এ নিয়ে গত ১১ মাসে সেখানে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল। কিন্তু এসব অগ্নিকান্ড কেন ঘটছে, তার তদন্ত হচ্ছে না।

গণঅভ্যুত্থান, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি এবং বিএমএ

image

আজ যে সময়ে আমরা শহীদ ডা. মিলনকে স্মরণ করছি তখন গোটা বিশ্ব করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় অনেকটা পর্যুদস্ত, বিপর্যস্ত অর্থনীতি, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

আদিয়স ‘দিয়োস ভিভো’ ম্যারাডোনা

বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত তারকা আর্জেন্টিনার ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা (৬০) গতকাল বুধবার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

এসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ান নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করুন

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমই) দেশের কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে।

করোনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিন

আত্মঘাতী হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে ব্যবহৃত স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী।

কাগজের দাম নিয়ে কারসাজি কাম্য নয়

হঠাৎ করেই বই ছাপার কাগজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে দেশীয় কাগজ কলগুলো।

sangbad ad