• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

 

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক ও শেষ নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এদিন জন্মগ্রহণ করেন এবং এদিনই তার ওফাত দিবস। তাই এদিনটি বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের অত্যন্ত পবিত্র ও স্মরণীয়। এদিন শত কোটি কণ্ঠে ধ্বনিত হবে : ইয়া নবী সালামু আলাইকা।

এদিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করতে গিয়ে হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা সম্পর্কে উম্মতে মোহাম্মদির আত্মজিজ্ঞাসা প্রয়োজন। ইসলাম ধর্মে অবশ্য পালনীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো উদযাপনের ক্ষেত্রে যেমন আন্তরিকতা প্রয়োজন, তেমনি সব মুসলমানের মধ্যে এ মনোভাব জাগ্রত হওয়া প্রয়োজন যে, হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অর্থাৎ তার ব্যক্তিগত গুণাবলি নিজের জীবনে অনুশীলন ও অনুসরণ করা যতদূর সম্ভব, তা যেন করতে কখনোই বিস্মৃত না হয়। ব্যক্তিগত জীবনের সৎ গুণাবলির জন্য তার খ্যাতি ও সুনাম উম্মতে মোহাম্মদির বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে এবং একজন মহামানব হিসেবে সব মানুষের শ্রদ্ধায় তিনি অধিষ্ঠিত।

বিদায় হজের দিন মহানবী রাসুলে করিম (সা.) এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন, ‘তোমরা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, অতীতে বহু জাতি এজন্য ধ্বংস হয়ে গেছে।’ পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা গেছে, অতীতে ধর্মসংক্রান্ত ভিন্নমত প্রকাশের জন্য বহু মহামানব নির্যাতন সয়েছেন। যিশুকে ক্রুশে প্রাণ দিতে হয়েছে। কোরাইশরা সত্য ধর্ম প্রচারের অপরাধে হজরত মোহাম্মদকেও (সা.) নানাভাবে নির্যাতন করেছে। হজরত মোহাম্মদ (সা.) সে অত্যাচারীদের পরিণতির কথা মনে রেখেই এ হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলেন জীবন সায়াহ্নে। ব্যক্তিগত জীবনে কোরাইশদের নির্যাতন ও অত্যাচার সয়েও তিনি যে ক্ষমাশীলতার দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা অনুসরণে অবহেলা আজ মুসলিম জাহানের বিপর্যয় গভীর করে তুলেছে। ইসলামের স্বর্ণযুগ আজ স্মৃতিতে পর্যবসিত। আজ এ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী যখন পালিত হচ্ছে, তখন ইরাক ইঙ্গ-মার্কিন হামলার শিকার, ইসরায়েলি উগ্রপন্থিরা প্যালেস্টাইনিদের বিরুদ্ধে নির্মম হত্যালীলা চালিয়ে যাচ্ছে, অথচ মুসলিম বিশ্বে মামুলি মৌখিক প্রতিবাদ ছাড়া কোন আলোড়ন দেখা যাচ্ছে না। শান্তি ও সহনশীলতার ধর্ম ইসলামের মূল শিক্ষা ভুলে গিয়ে একটি ধর্মান্ধগোষ্ঠী পবিত্র ইসলামের ললাটে মৌলবাদ ও সন্ত্রাসের কলঙ্ক কালিমা লেপে দিচ্ছে। এ রকম বহু আত্মবৈরী কর্মকান্ড আজ মুসলিম জাহানের বিভিন্ন রাষ্ট্রে চলছে। বাইরের শত্রু নয়, নিজেদের মধ্যে অনৈক্য, অন্ধতা, স্বার্থপরতা ও সংকীর্ণতাই মুসলিম জাহানের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে।

হজরত মোহাম্মদ (সা.) সত্য ধর্ম প্রচারের মধ্য দিয়ে সারা দুনিয়ার মুসলমানদের ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে বেঁধেছিলেন। এ অবিশ্বাস্য সাফল্য তিনি অর্জন করেছিলেন সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও ভালোবাসা দিয়ে। আর এজন্যই আরবভূমিতে সত্য ধর্ম প্রচার করে যখন শত নির্যাতন-নিপীড়ন ও যুদ্ধবিগ্রহ অতিক্রম করে সফল হলেন, তখনও রাসুলে করিমের (সা.) জীবনে দারিদ্র্য ছিল নিত্যসঙ্গী। ধনাকাক্সক্ষা, বিত্তবৈভবের প্রতি তার কোন লালসা ছিল না। সবার শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত হওয়ার পরও নিজ শ্রমে আহার্য সংগ্রহ করেছেন, এমন ভূরি ভূরি দৃষ্টান্ত রয়েছে। অবাক লাগে, তার জীবনের আদর্শ অনুসরণের উপদেশ দেয়া হয় না শিশুদের শিক্ষা জীবনে, শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের শিক্ষাই দেয়া হয়। অথচ রাসুলে করিমের (সা.) জীবনের আদর্শ ও তার চরিত্র স্বীয় জীবনে, কর্মে ও চিত্তে ধারণ করার সঙ্কল্পই পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের শ্রেষ্ঠ পন্থা।

ইসলাম ধর্মের সে পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যারা সাধারণ মানুষের সারল্য ও ধর্মবিশ্বাসকে মূলধন করে তাদের ওপর ইসলামের নামে অন্ধ গোঁড়ামি চাপিয়ে দিতে উদ্যত, সত্য ধর্মের প্রকৃত অনুসারীদের তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।

আজকের পবিত্র দিনটি স্মরণে কিছু সৎকার্য, সাধু সংকল্প এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন রাখার আহ্বান ধ্বনিত হোক উম্মতে মোহাম্মদির কণ্ঠে।

তবে শুধু সদিচ্ছা ব্যক্ত করা, শুধু কিছু মহৎ বাণী উচ্চারণ নয়; বরং মহানবী হজরত মোহাম্মদ মোস্তফা (সা.)-এর জীবনাদর্শ নিজেদের জীবনে প্রতিফলন ঘটানোর সাধনা হোক আজকের পবিত্র দিনটিতে। গ্রামে-নগরে, মহল্লায়-মসজিদে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্বত্র মহানবীর সত্যবাদিতা, ক্ষমা ও সহিষ্ণুতার কথা প্রচার করা হোক। ধর্মের নাম করে কাউকে ভয় দেখানো, শাস্তিদানের হুমকি কিংবা অনুষ্ঠান-সর্বস্বতা আশ্রয় করে মহানবীর একসূত্রে গাঁথা আবির্ভাব ও ওফাত দিবসের তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। মহানবীর আদর্শ ও জীবনকে শুধু কথায় নয়, কাজে রূপ দেয়ার মহতী সাধনায় আজ এ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে সবাই নিয়োজিত হলেই ছায়ার মতো মিলিয়ে যাবে ধর্ম ব্যবসায়ীদের ফতোয়াবাজির জারিজুরি। কারও মুখের গ্রাস কেড়ে নেয়া, কারও জীবন ও জীবিকার ওপর হামলা ইসলামের বিধানে নেই। সত্য ধর্ম ইসলামের এ সত্য স্বরূপ উদ্ভাসিত হোক সবার অন্তরে এ পুণ্যদিনে।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধীদের কাছে নতিস্বীকার করা চলবে না

দেশে কোন ভাস্কর্য তৈরি হলে টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নব্য আমির জুনায়েদ বাবু নগরী।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় চাই সমন্বিত পদক্ষেপ

বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের উদ্যোগ নিতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, করোনা মোকাবিলায় গোটা সরকারব্যবস্থাকে যুক্ত করা দরকার।

সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা থাকা জরুরি

প্রায় ১০ কোটি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পাওয়ার আশ্বাস মিলেছে। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস (গ্যাভি) ৬ কোটি ৮০ লাখ ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট তিন কোটি টিকা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

sangbad ad

তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটন করুন

আবার আগুন লাগল রাজধানীর কালশীর বাউনিয়াবাদের বস্তিতে। এ নিয়ে গত ১১ মাসে সেখানে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল। কিন্তু এসব অগ্নিকান্ড কেন ঘটছে, তার তদন্ত হচ্ছে না।

গণঅভ্যুত্থান, জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি এবং বিএমএ

image

আজ যে সময়ে আমরা শহীদ ডা. মিলনকে স্মরণ করছি তখন গোটা বিশ্ব করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় অনেকটা পর্যুদস্ত, বিপর্যস্ত অর্থনীতি, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।

আদিয়স ‘দিয়োস ভিভো’ ম্যারাডোনা

বিশ্ব ফুটবলের অবিসংবাদিত তারকা আর্জেন্টিনার ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা (৬০) গতকাল বুধবার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

এসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ান নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করুন

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমই) দেশের কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে।

করোনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিন

আত্মঘাতী হয়ে উঠছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে ব্যবহৃত স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী।

কাগজের দাম নিয়ে কারসাজি কাম্য নয়

হঠাৎ করেই বই ছাপার কাগজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে দেশীয় কাগজ কলগুলো।

sangbad ad