• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

নদীভাঙন রোধে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০

দেশের বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে গ্রাম, বসতবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বন্যার পানি কমতে থাকায় দক্ষিণাঞ্চলের নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার সংবাদে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইতোমধ্যে পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙনের কারণে বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকেই। গত ৫১ বছরে প্রায় ৬৬৩ বর্গ কিলোমিটারের বেশি জমি বিলীন হয়ে গেছে পদ্মা নদীতে। এছাড়া বরিশাল জেলার মুলাদী থানার নাজিরপুর গ্রামের বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে গ্রাম রক্ষা বাঁধ। আড়িয়াল খাঁ ও জয়ন্তিকা নদীর সংযোগ স্থলের দক্ষিণ তীরে এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। নদীভাঙনের কারণে নাজিরপুর, সাহেবের চর, নন্দীরবাজার, মুলাদীর রাস্তার মাথা লঞ্চঘাট, বার্ণিমদ্দন, বাটামারা, চরকালেখান, গাছুয়া ও সফিপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

নদীভাঙনে হাজার হাজার পরিবারের আশ্রয়হীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ার খবরটি বেদনাদায়ক। তবে বিষয়টি যে শুধু এবারই প্রথম বা এত ব্যাপক আকারে হচ্ছে তা নয়। দেশে বন্যা বা বন্যা পরবর্তী সময়ে নদী-ভাঙনের রূঢ় বাস্তবতা বাংলাদেশের কোন কোন অঞ্চলের মানুষকে দুঃস্বপ্নের মতোই তাড়িত করছে। দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় জেলায় বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নদীর ভয়াল থাবায় দিন দিন বাড়ছে সহায়-সম্বলহীন মানুষের সংখ্যা। কমে যাচ্ছে ফসলি জমি। নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো মানুষগুলো কেউ বসবাস করছে খোলা আকাশের নিচে আবার কেউ পাড়ি জমাচ্ছে শহরে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, জীবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সর্বস্বহারা জনগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত নদীর স্রোতের মতো শহরমুখী হচ্ছে। শহরে এসে তারা জীবন-জীবিকার তাগিদে নানা সমাজবিরোধী কাজেও জড়িয়ে পড়ে। আশ্রয় নিচ্ছে বস্তি বা রাস্তার ফুটপাতে। এসব বাড়তি জনগোষ্ঠী শহুরে অর্থনীতিতেও বিস্তার করে নেতিবাচক প্রভাব। ক্ষতিগ্রস্ত হয় জাতীয় অর্থনীতিও।

ভাঙন বিপর্যয় ঠেকাতে এখনও পর্যন্ত কোন টেকসই কর্মসূচি নেয়নি সরকার। অন্যদিকে নদীভাঙনের পরিণতিতে জেগে ওঠা চরগুলোও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়ার কোন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ফলে নদীভাঙনের শিকার জনগোষ্ঠী সর্বস্ব হারিয়ে বেদুইনের মতো চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রশাসনের নির্লিপ্ত ভূমিকার কারণে জেগে ওঠা চরগুলোতে আধিপত্য বিস্তার করছে ভূমিদস্যুরা। অথচ জেগে ওঠা চরগুলোতে নদীভাঙনের শিকার জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনে সরকার পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো যেত। বাংলাদেশে নদীভাঙনের কবল থেকে গ্রামগঞ্জ-জনপদ রক্ষা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্যে দীর্ঘদিন ধরে নদী শাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এখনও এ বিষয়ে বিশেষ অগ্রগতি হয়নি। বিষয়টি দুঃখজনক।

নদীভাঙনের শিকার নিঃস্ব মানুষগুলোর দুর্ভোগ-দুর্দশা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জীবনযাত্রাকে স্পর্শ করছে। নদীতে সর্বস্বহারা এ নিঃস্ব ভাসমান মানুষগুলো গ্রামীণ দারিদ্র্যকে প্রসারিত করে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে স্থবির করে দিচ্ছে। বিষয়টি জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় সরকারকে এখনই তৎপর হওয়া উচিত। কাক্সিক্ষত সাফল্য পেতে প্রয়োজন একটি দীর্ঘমেয়াদি নদী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা। মজবুত নদী শাসনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙন রক্ষা সম্ভব। নদীভাঙন প্রতিরোধ ও জেগে ওঠা চরগুলোতে ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা গেলে অর্থনীতিকে চাপমুক্ত রাখা যাবে। একই সঙ্গে এই বিশাল জনগোষ্ঠী জাতীয় অগ্রগতিতেও অবদান রাখার সুযোগ পাবে।

কোন অজুহাতেই উপবৃত্তির টাকা থেকে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করা যাবে না

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেয়া উপবৃত্তির টাকা নিয়ে চলছে তুলকালাম কান্ড।

সাইবার অপরাধ রোধকল্পে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইন্টারনেটের কারণে যেমন যোগাযোগ বেড়েছে, তেমনি নানা ধরনের সুবিধা পাচ্ছে মানুষ। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে সাইবার অপরাধও।

ব্যাংক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন ফিরিয়ে আনুন

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ব্যাংকগুলো যে জনগণের আমানতে

sangbad ad

অনলাইন ক্লাস নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধ করুন

অনলাইন শিক্ষা নিয়ে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। এ নিয়ে

গ্যাং কালচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং সদস্যদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।

কারাবন্দী প্রবাসী শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিন

ভিয়েতনাম ও কাতার ফেরত ৮৩ প্রবাসী শ্রমিককে বন্দীদশা থেকে মুক্তি দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সেটা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

দুর্নীতির রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে

দেশে দুর্নীতি এবং অনিয়মের মাত্রা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তার একটি স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায় সাম্প্রতিক সময়ের দুটি আলোচিত খবরে

ধান-চাল সংগ্রহ প্রক্রিয়ার ব্যর্থতা দায় নেবে কে?

সময় বাড়িয়েও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ধান-চাল সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য মন্ত্রণালয়। এবার মোট ১৯ লাখ ৫০ হাজার টন ধান-চাল সংগ্রহের

বন্ধ করুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত দুই বছরে দেশে মামলা হয়েছে এক হাজারেরও বেশি।

sangbad ad