• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯

 

অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তকরণ আটকে আছে

দ্রুত সম্পন্ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ০৭ এপ্রিল ২০১৯

অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তির লাখো মামলা বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে। মামলা নির্ধারিত সময়ে নিষ্পত্তি হচ্ছে কিনা তা মনিটর করার কেউ নেই। অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে হাইকোর্টের কয়েক দফা নির্দেশনা আছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি।

অর্পিত সম্পত্তি সরকারের সম্পত্তি নয়। এগুলো সরকার তদারক করছে মাত্র। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় যারা সহায়-সম্পদ ফেলে জীবন নিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাদের সম্পত্তি শত্রু সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেছিল পাকিস্তান সরকার। পরে এর নাম দেয়া হয় অর্পিত সম্পত্তি। বর্তমান সরকার এসব সম্পত্তি প্রকৃত উত্তরাধিকারীর কাছে ফেরত দিতে চায়। কিন্তু এর প্রক্রিয়াটি মসৃণ নয়। অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি এসব সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন। তাদের হটিয়ে প্রকৃত মালিককে জমি ফিরিয়ে দেয়ার কাজে তারা বাধা সৃষ্টি করছেন। একইভাবে সরকারের ভূমি অফিসের কর্মচারীরাও এসব কাজে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন।

বস্তুত অর্পিত সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে এক ধরনের টালবাহানা হচ্ছে। অন্যদিকে এ সম্পত্তি নানাভাবে দখল হচ্ছে। যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের লোকজন বেশি দখল করে। আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন মামলা নিষ্পত্তি হয় না। অথচ সরকার দ্রুত অর্পিত সম্পত্তি মূল মালিকদের কাছে ফেরত দেয়ার জন্য অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন আইন করেছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশও আছে, নির্ধারিত সময়ে মামলা শেষ করার। কিন্তু ওই নির্দেশ সম্পূর্ণ উপেক্ষিত। এসব মামলায় আপিলেরও একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করা হয় না। সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ে জবাব না দেয়া বা আপিল না করার কারণে বিচারপ্রার্থীরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় দেশের অমুসলিম সম্প্রদায় সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে বৈষম্যের শিকার হয়েছে, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। এ সম্পত্তি সঠিক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেন বিষয়টির সুরাহা হচ্ছে না সেটা অবশ্যই একটা প্রশ্ন। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের সঙ্গে এ নিয়ে যে কয়েকবার প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন, ততবারই তিনি তার উদ্যোগ ও নির্দেশনার কথা তুলে ধরেছেন। উচ্চ আদালত এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সত্ত্বেও কেন এ রকম হ-য-ব-র-ল হচ্ছে, সেটা আমরা জানতে চাই। তবে কী এটাই ধরে নিতে হবে যে, অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় বাধা প্রদানকারী অপশক্তি গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে বুড়ো আঙুল দেখানোর মতো ক্ষমতা রাখে? এখনও কী পরাজিত পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িকতার ভূত আমাদের ঘাড়ে চেপে বসে আছে?

এ অসঙ্গতি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আইন মন্ত্রণালয় নানা ধরনের বাহানা সৃষ্টি করায় অর্পিত সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা মনে করি, আইন মন্ত্রণালয়কে বিভ্রান্তির প্রকৃত ব্যাখ্যা দিতে হবে। অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা কেন মানা হচ্ছে না সেটাও স্পষ্ট করতে হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শের প্রধান অনুষঙ্গই ছিল অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। সেই পথ থেকে সরে এসে শুধু উন্নয়নের দোহাই দিলে হবে না। বাংলাদেশ স্বাধীন করার পেছনে অনেক মানুষের ভূমিকা ছিল। দেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। আমাদের সংবিধান সে অধিকারের নিশ্চয়তাও দিয়েছে। কাজেই প্রত্যেক নাগরিকের ভূমির অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।

দৈনিক সংবাদ : ৭ এপ্রিল ২০১৯, রোববার, ৬ এর পাতায় প্রকাশিত

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাই কঠোর মনিটরিং

আসন্ন রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রিসাইক্লিংয়ে পরিকল্পিত ও স্থায়ী উদ্যোগ নিন

ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ইলেকট্রনিক বা ই-বর্জ্যরে পরিমাণও। এসব ই-বর্জ্যরে দূষণ থেকে প্রাণ ও প্রকৃতিকে রক্ষা

বর্ষার আগেই ঢাকাডুবি কেন নগর কর্তৃপক্ষ কী করছে

চৈত্র মাসেই বৃষ্টির পানি জমে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ এলাকার রাস্তা

sangbad ad

পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে হবে

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের স্বজনরা।

স্বাভাবিক পুঁজিবাজার চাই অনৈতিক কারসাজি দমন করুন

দেশের পুঁজিবাজারে এখনও কারসাজি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সুকৌশলে নিয়ন্ত্রণ করছে এমন

রোজার মাসে ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখুন

রমজান সামনে রেখে এরই মধ্যে অস্থির হয়ে উঠতে শুরু করেছে ভোগ্যপণ্যের বাজার। বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কোন কারণ ছাড়াই

রাজধানী কি এবারও জলাবদ্ধ হয়ে পড়বে

রাজধানীর অনেক এলাকা আগামী বর্ষাতেও জলাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন হতে হবে

অগ্নিকান্ড রোধ এবং এর ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছেন। গত সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত

নববর্ষ উদযাপনে কোন বিধি-নিষেধ নয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পহেলা বৈশাখের দিন বিকাল ৫টার পর ক্যাম্পাস এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

sangbad ad