• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

 

গ্রাহকের কাছ থেকে তিতাসের অতিরিক্ত গ্যাস বিল আদায় বন্ধ করুন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

image

দেশে আবাসিক খাতে পাইপলাইনের প্রায় ৪০ লাখ গ্রাহক মাসে যে পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি বিল তাদের দিতে হচ্ছে বলে সংবাদ-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, প্রতি মাসে একজন গ্রাহক গড়ে প্রায় ৩০০ টাকা বেশি বিল দিচ্ছেন। সে হিসাবে ৪০ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে মাসে ১২০ কোটি এবং বছরে ১ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা অতিরিক্ত বিল আদায় করা হচ্ছে। আর এ টাকা তিতাস গ্যাস কোম্পানিসহ গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত ৬টি কোম্পানির কোষাগারে জমা হচ্ছে।

জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, আবাসিক খাতে পাইপে গ্যাস ব্যবহারকারীরা গড়ে যে পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করেন, তার বাণিজ্যিক মূল্য প্রদেয় বিলের চেয়ে কম। মাসিক বিল নিয়ে বিতরণ কোম্পানিগুলো লাভবান হচ্ছে, ঠকছেন গ্রাহকরা। তারা আরও বলেছেন, সারা দেশে এখনও ৫ লাখের বেশি অবৈধ সংযোগ চলছে। কিন্তু বিতরণ কোম্পানিগুলোর কোন সিস্টেমে লস নেই।

সর্বশেষ গত বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া মূল্যহার অনুযায়ী আবাসিক খাতে একমুখী চুলায় প্রতি মাসে বিল ৯২৫ টাকা এবং দ্বিমুখী চুলায় ৯৭৫ টাকা। প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১২ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

সর্বশেষ যখন গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়, সেটা নিয়েও অনেক আলোচনা-সমালোচনা এমনকি আন্দোলনও হয়েছিল। কিন্তু সরকার কোন কিছুর পরোয়া না করে দাম বাড়িয়েছিল। সেটা মানুষের মাথার উপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখন ৪০ লাখ গ্রাহকের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে এ অতিরিক্ত ৩০০ টাকা বাড়তি বিল দেয়াটা। গ্যাস এবং বিদ্যুৎ- এ দুটি নিয়ে মানুষের ওপর রীতিমতো অত্যাচার চালানো হচ্ছে। এমনিতেই সারা বছর গ্যাসের অবৈধ সংযোগ এবং গ্যাস চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়। আর এসবের সঙ্গে বিতরণ কোম্পানিগুলোর কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত থাকে।

বস্তুত মিটার, পাইপলাইন এবং সিলিন্ডার গ্যাস- এর তিন রকম মূল্য দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। যদি মিটারের মূল্যকে স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয় তবে নিশ্চিতভাবেই পাইপলাইন এবং সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রয়ে গ্রাহকদের ঠকাচ্ছে তিতাস গ্যাস। একটি স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থায় তিতাসের এ লোক ঠকানো ব্যবসা সম্পর্কে তদন্ত করে সেটা বন্ধ করা হোক এটাই জনস্বার্থে আমাদের দাবি।

বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা

আজ বিজয়া দশমী। শারদীয় দুর্গাপূজা ও আনন্দ উৎসবের আজ সমাপনী দিবস।

শিক্ষক প্রশিক্ষণে যথাযথ গুরুত্ব দিন

শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের গুণগতমান অনেকাংশেই নির্ভর করে শিক্ষকের যোগ্যতার ওপর। এজন্য বেশির ভাগ দেশেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের পরপরই বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হয় শিক্ষকদের।

চীনের প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে

নিজ দেশ মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে সন্দেহ-সংশয় দিন দিন গভীর হচ্ছে।

sangbad ad

সালতা নদী খনন প্রকল্পে দুর্নীতির দায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সালতা নদী খনন প্রকল্পে ঠিকদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম নদী, খননে ধীরগতি ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সড়ক কবে নিরাপদ হবে

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে চতুর্থবারের মতো পালিত হলো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস।

সব থানায় অনলাইনে জিডির সুযোগ রাখতে হবে

করোনাকালে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সেবা দিতে যেখানে অনলাইনকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে, ডিএমপি সেখানে ব্যতিক্রম।

প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন

ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিন

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউট এবং ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়াকে বায়ুর দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালিক-শ্রমিককে আলোচনায় বসতে হবে

এগারো দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন নৌযান শ্রমিককরা।

sangbad ad