• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

ইয়াবা পাচার রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিন

গডফাদারদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া বন্ধ করুন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

করোনাভাইরাসের মহামারীতে জনজীবন স্থবির হয়ে থাকলেও থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা। বরং ইয়াবা পাচারে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে, বাহক হিসেবে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করা হচ্ছে? ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পথ পরিবর্তন করা হয়েছে, ইয়াবার রঙও পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রচলিত গোলাপি বা লালচে রঙের বদলে, হলুদ, বাসন্তী, হালকা গোলাপি ও সাদা রঙের ইয়াবা বড়ি সরবরাহ করা হচ্ছে। মায়ানমার থেকে সীমান্তপথে প্রতিদিন লাখ লাখ পিস ইয়াবা ঢুকছে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে। সীমান্তের উভয় পাশের রোহিঙ্গা শিবিরগুলো চোরাচালানের মূল ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি সহযোগী দৈনিকের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, টেকনাফ সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইয়াবা পাচারের পথটি টেকনাফ থেকে সরে গিয়ে বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত পয়েন্টে এসেছে। কক্সবাজার এবং বান্দরবানভিত্তিক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট মায়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে ইয়াবা চালান গ্রহণ করে।

ইয়াবাসহ মাদক পাচার বন্ধে দুই বছর আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়। জোরেশোরে চলে কথিত বন্দুকযুদ্ধও। এ সময় বিশেষ নজর দেয়া হয় ইয়াবা পাচারের সদর দরজাখ্যাত টেকনাফে। তখন অনেকে ধরে নিয়েছিলেন এবার হয়তো মাদকের পাচার ও কেনাবেচা কমে যাবে। কিন্তু এতদিন পরও এর কোন সমাধান মেলেনি। বরং এর উল্টো চিত্রই দৃশ্যমান হয়েছে।

এর মূল কারণ মাদকবিরোধী অভিযানে কোন গডফাদার বা মূল ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হয়নি? যারা আত্মসমর্পণ করেছেন তাদের মধ্যে গডফাদাররা নেই? তারা মূলত বাহক? ফলে ইয়াবার মূল ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে? এবং বেশিরভাগ গদফাদার রাজনৈতিক বা অন্য কোন পরিচয় বা আশ্রয় ব্যবহার করে প্রকাশ্যেই অবস্থান করছে? শুধু বাহক হিসেবে নতুন অনেক লোক যুক্ত হয়েছে? কৌশলে পরিবর্তন হয়েছে, রুট বদলেছে?

যদিও এসব কথা গণমাধ্যমে বারবার আলোচিত হয়েছে। মাদক পাচারের গডফাদারদের ব্যাপারে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হয়েছে, পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে। কিন্তু কেউ কর্ণপাত করেনি। মূল অপরাধীরা রহস্যজনক কারণে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। ফলে ইয়াবা পাচার বন্ধ হয়নি।

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, পৃথিবীব্যাপীই মাদকের চোরাচালান হচ্ছে। যে দেশের সরকারের সদিচ্ছা আছে তারাই মাদক নির্মূল করতে পারছে। আর যে সরকারের সদিচ্ছা নেই তারা পারছে না। কাজেই সরকারের সত্যিকারের সদিচ্ছা থাকলে দেশ থেকে শুধু ইয়াবা নয় সব ধরনের মাদকদ্রব্য নির্মূল করা সম্ভব। এবং এও উল্লেখ্য যে, সরকার যতদিন পর্যন্ত আন্তরিক না হবে ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মাদক বন্ধ করা যাবে না।

মাদকের আগ্রাসন থেকে দেশ, সমাজ ও তারুণ্যকে রক্ষা করতে রাজনৈতিক-প্রশাসনিক কমিটমেন্ট থাকতে হবে। মাদক গডফাদারদের আত্মসমর্পণ নয়, তাদের নির্মূল করার লক্ষ্যে। মাদকের ব্যবহার ও পাচার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সীমাবদ্ধতা, আইনের ফাঁকফোকর বন্ধের বিষয়ে পরিষ্কার হতে হবে। মাদকের চোরাচালান রোধে পুলিশ বাহিনীকে আরও কমিটেড, তৎপর, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রায়ই বলা হয় যে, তারা জানে, কারা ইয়াবা পাচার করে, কোন কোন পথে চোরাচালান হয়। প্রশ্ন হল, তারা যদি সেটা জেনেই থাকে তবে সে পথ বন্ধ করা হচ্ছে না কেন? কেন মাদক কারবারিদের মূলোৎপাটন করা হচ্ছে না? এর একমাত্র কারণ মাদকের গডফাদাররা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থেকেই মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান বন্ধ না হলে পুলিশের জোরালো পদক্ষেপেও মাদক ব্যবসা বন্ধ করা যাবে না। আমরা বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক আশ্রয় বন্ধ করা হলে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সত্যিকার অর্থে সক্রিয় হলে দেশ থেকে মাদক নির্মূল করা দুরূহ হবে না।

অনলাইন ক্লাস নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধ করুন

অনলাইন শিক্ষা নিয়ে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। এ নিয়ে

গ্যাং কালচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং সদস্যদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।

কারাবন্দী প্রবাসী শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিন

ভিয়েতনাম ও কাতার ফেরত ৮৩ প্রবাসী শ্রমিককে বন্দীদশা থেকে মুক্তি দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সেটা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

sangbad ad

দুর্নীতির রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে

দেশে দুর্নীতি এবং অনিয়মের মাত্রা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তার একটি স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায় সাম্প্রতিক সময়ের দুটি আলোচিত খবরে

ধান-চাল সংগ্রহ প্রক্রিয়ার ব্যর্থতা দায় নেবে কে?

সময় বাড়িয়েও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ধান-চাল সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য মন্ত্রণালয়। এবার মোট ১৯ লাখ ৫০ হাজার টন ধান-চাল সংগ্রহের

বন্ধ করুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত দুই বছরে দেশে মামলা হয়েছে এক হাজারেরও বেশি।

মিঠাপুকুরে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকারী আওয়ামী লীগ নেতা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিন

সম্প্রতি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার জায়গীরহাট ঈদুলপুর এলাকায় শত বছর ধরে বসবাস করা

সড়ক দুর্ঘটনা একটি গুরুতর জাতীয় সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ কোথায়

সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির খবর প্রকাশিত হয়।

সরকারি কেনাকাটায় এখন ‘মহাসাগর চুরি’ এই মহাদুর্নীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে মহাবিপর্যয়ে পড়তে হবে

দেশে যে পুকুরচুরি এখন অপ্রতিহত গতিতে মহাসাগর চুরির দিকে ধাবিত হচ্ছে, সম্প্রতি

sangbad ad