• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০

 

করোনা প্রতিরোধে মন্ত্রিসভার নির্দেশনার বাস্তবায়ন চাই

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

ঘরের বাইরে মাস্কের ব্যবহার নিয়ে সরকারের প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনার অভাব নেই। মাস্ক না পরলে জেল-জরিমানার বিধানও রয়েছে। তারপরও সময় যত এগোচ্ছে, জনগণের মধ্যে মাস্ক ব্যবহারের উদাসীনতা তত বাড়ছে। মাস্ক ছাড়াই মানুষ ঘোরাফেরা ও দৈনন্দিন কাজ করছেন। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, রাস্তা-ঘাট, বাজার, শপিংমল এবং যানবাহনে মাস্ক ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এর প্রভাব পড়েনি কোথাও। সবকিছু চলছে আগের মতোই। এতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। জনস্বাস্থ্যবিদরা বলেছেন, মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। মাস্ক নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার। এতেও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে প্রশাসনের উচিত জেল-জরিমানা করা।

জনস্বাস্থ্যবিদদের উল্লেখিত বক্তব্যের সঙ্গে আমরাও একমত পোষণ করি। আমরাও মনে করি, করোনার দুর্যোগে মাস্ক পরিধান এবং কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। যদিও বাংলাদেশে প্রথম থেকেই এ নিয়ে গড়িমসি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হলেও সেটা মানা হয়নি। এসব নির্দেশনা মেনে চলার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়নি। যে যেভাবে পেরেছে জনসমাগম করেছে, ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই জনসমাগমে উপস্থিত হয়েছে, করমর্দন করেছে, এখন এই উদাসীনতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষকে দেখে মনেই হচ্ছে না যে, দেশে এখনও করোনা মহামারীর প্রকোপ রয়েছে, এখনও এ রোগে প্রতিদিন বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। রাস্তাঘাটে অধিকাংশ মানুষের মুখেই মাস্ক দেখা যাচ্ছে না। মাস্ক ব্যবহারে তাদের উদ্বুদ্ধ করার ব্যাপারেও রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন পদক্ষেপ নেই। বিষয়টি সার্বিক অর্থেই দুর্ভাগ্যজনক।

করোনা মহামারীর বিষয়ে হেলাফেলা কিংবা গাফিলতির সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে ইউরোপে নতুন করে প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির মধ্যদিয়ে বিশ্বব্যাপী একদিনে রেকর্ডসংখ্যক নতুন করোনা রোগী বেড়েছে। করোনার সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউ থেকে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে-এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও করোনা দ্বিতীয়বার আসবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন শীতকালে তার ভয়াবহতা বাড়তে পারে। কাজেই আসন্ন শীতে করোনার বিপর্যয় রোধে এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে।

মানুষের হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে সামনে থাকা মানুষের কাছে সরাসরি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। সঙ্গতকারণেই মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা উচিত। এটা মনে রাখতে হবে যে, মাস্ক পরলে করোনা সংক্রমণ থেকে যেমন বাঁচা সম্ভব, তেমনি অন্যকেও বাঁচানো সম্ভব। যারা মাস্ক না পরে বাইরে বের হবে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদিও ভ্রাম্যমাণ আদালত ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় জনসাধারণকে জরিমানা করছেন। এ ব্যাপারে আরও কঠোর হওয়া উচিত।

ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতের অবসান চাই

পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৩ বছর পূর্তি হয়েছে আজ। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির মধ্য দিয়ে পার্বত্যাঞ্চলে দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র আন্দোলনের অবসান ঘটে।

দখল হওয়া বনভূমি স্থায়ীভাবে পুনরুদ্ধার করুন

সারাদেশে দখল হওয়া ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ একর বনভূমির মধ্যে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬১৩ একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধারে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ বন ও জনবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

যথাসময়ে বিনামূল্যের বই ছাপা ও সরবরাহ নিশ্চিত করুন

২০২১ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন মাধ্যমের প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যবই ছাপাতে হবে প্রায় ৩৬ কোটি।

sangbad ad

ডেঙ্গু ও নিপাহ ভাইরাস নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে

আসন্ন শীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের পাশাপাশি বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। এ বছরের গত রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরে সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৩৪ জন।

মহান বিজয়ের মাস

আগামী ১৬ ডিসেম্বর ৫০তম বিজয় দিবস। একাত্তরে লাখো শহীদের আত্মত্যাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের

ধান চাল সংগ্রহ : কৃষক যেন লাভবান হয়

দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা সরকারের কাছে ধান-চাল বিক্রিতে আগ্রহ

কোভিডে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ দিন

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউই প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ পাননি।

আবাদযোগ্য জলাশয়গুলো কচুরিপানামুক্ত করুন

পানি কমে গেলেও পাবনার সুজানগর উপজেলার গাজনার বিলের কৃষকরা চাষাবাদ শুরু করতে পারছেন না।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধীদের কাছে নতিস্বীকার করা চলবে না

দেশে কোন ভাস্কর্য তৈরি হলে টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নব্য আমির জুনায়েদ বাবু নগরী।

sangbad ad