• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

করোনা নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক উদ্যোগ প্রয়োজন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার ৯ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত। এর মধ্যে আবার ৭৮ শতাংশই উপসর্গহীন। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর’বি) করা এক খানাজরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে।

রাজধানীর দুই সিটিতে অন্তত দেড় কোটি মানুষের বাস বলে ধরে নেয়া হয়। এই বিপুলসংখ্যক মানুষের উপসর্গহীন থাকার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর অর্থ হলো, যারা করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না তারা বা তাদের আশপাশের মানুষ জানছেই না যে সেই ব্যক্তিটি করোনা আক্রান্ত এবং এভাবে নিজের শরীরে ভাইরাস বহন করে আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের শরীরেও সংক্রমণ ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিষয়টি যে শুধু রাজধানীতেই হচ্ছে তা নয়, করোনা সংক্রমণ গোটা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে এবং এখন গ্রামগঞ্জেও উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মহামারী পরিস্থিতির ওপর সরকারের কোনরকম নিয়ন্ত্রণ নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ কার্যকরভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারছে না। একদিকে প্রয়োজনের তুলনায় পরীক্ষা কম হচ্ছে, অন্যদিকে পরীক্ষার ফলাফলে সামঞ্জস্য থাকছে না। সংক্রমণ কমার জন্য যেসব উদ্যোগ প্রয়োজন, সেগুলোর কোনটাই ঠিকমতো হচ্ছে না। নমুনা সংগ্রহ অর্ধেকে নেমে এসেছে। সংক্রমণ এক জেলায় কমলে অন্য জেলায় বাড়ছে। ফি নির্ধারণসহ নানা ধরনের শর্ত আরোপ করায় মানুষ পরীক্ষা করতে আসছেন না। উপসর্গ নেই এমন সন্দেহজনকদের পরীক্ষা করা হচ্ছে না। তাছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে গেছেন এমন লোকজনদের কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে তিনটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবেÑ মহামারী কি নিয়ন্ত্রণে, সংক্রমণ আবার মাথাচাড়া দিলে তা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কি প্রস্তুত এবং নতুন রোগী শনাক্তকরণ ও তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত (কনট্যাক্ট ট্রেসিং) করার সামর্থ্য কি আছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিনটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তথ্যের ঘাটতি যেমন আছে, তেমনি আছে সর্বাত্মক উদ্যোগের অভাব।

স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, মহামারী মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া মানদ- পুরোপুরি ব্যবহার করছে না বাংলাদেশ। পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা কেউ বলতে পারছে না। বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক। পরিস্থিতি বিবেচনা করে অতি জরুরিভিত্তিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সব ধরনের সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা বাঞ্ছনীয়। সংক্রমণ পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। রাজধানীসহ দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্তসংখ্যক রোগ শনাক্তকরণ ল্যাবরেটরির ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি নির্ভরযোগ্যভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত করার জন্য সুনির্দিষ্ট পরীক্ষার কৌশল থাকতে হবে।

মহামারী সামাল দিতে পুরো সরকার ব্যবস্থাকে সম্পৃক্ত হতে হবে। মহামারী মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া নীতি ও কর্মপন্থা ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করতে হবে। এটা শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার কাজ নয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত না করলে মহামারী নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।

কারাবন্দী প্রবাসী শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিন

ভিয়েতনাম ও কাতার ফেরত ৮৩ প্রবাসী শ্রমিককে বন্দীদশা থেকে মুক্তি দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সেটা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

দুর্নীতির রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে

দেশে দুর্নীতি এবং অনিয়মের মাত্রা কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তার একটি স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায় সাম্প্রতিক সময়ের দুটি আলোচিত খবরে

ধান-চাল সংগ্রহ প্রক্রিয়ার ব্যর্থতা দায় নেবে কে?

সময় বাড়িয়েও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ধান-চাল সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য মন্ত্রণালয়। এবার মোট ১৯ লাখ ৫০ হাজার টন ধান-চাল সংগ্রহের

sangbad ad

বন্ধ করুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত দুই বছরে দেশে মামলা হয়েছে এক হাজারেরও বেশি।

মিঠাপুকুরে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকারী আওয়ামী লীগ নেতা ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিন

সম্প্রতি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার জায়গীরহাট ঈদুলপুর এলাকায় শত বছর ধরে বসবাস করা

সড়ক দুর্ঘটনা একটি গুরুতর জাতীয় সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ কোথায়

সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির খবর প্রকাশিত হয়।

সরকারি কেনাকাটায় এখন ‘মহাসাগর চুরি’ এই মহাদুর্নীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে মহাবিপর্যয়ে পড়তে হবে

দেশে যে পুকুরচুরি এখন অপ্রতিহত গতিতে মহাসাগর চুরির দিকে ধাবিত হচ্ছে, সম্প্রতি

যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা বাড়াতে হবে, দুর্নীতি দূর করতে হবে

মেগা প্রকল্পগুলোর সময় ও ব্যয় দফায় দফায় বেড়েই চলেছে। সময় ও ব্যয় বাড়িয়েও প্রকল্পের কাজে কাক্সিক্ষত গতি আনা যাচ্ছে না। সরকারের

অপব্যবহারকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন

সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে গাড়ি কেনার জন্য বিনা সুদে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, চালকের বেতন এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতি

sangbad ad