• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮

 

আরও অনেক দূর যাবে ফ্রান্স দলটি

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮

সংবাদ :
  • সংবাদ স্পোর্টস ডেস্ক
image

বিশ্বকাপ জয়ের পর ফ্রান্স দলের জয়োল্লাস

সুশৃঙ্খল, তারুণ্য এবং চমৎকার ফিনিশিংয়ের জ্বলন্ত উদাহরণ সৃষ্টিকারী ফ্রান্স দল গত রোববার ৪-২ গোলে ক্রোয়েশিয়াকে পরাজিত করে বিশ্বকাপ জয় করেছে। এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্স দলের পারফরমেন্স দেখে ফুটবল পণ্ডিতরা মনে করছেন দিদিয়ার দেশমের এ দলটি আরও অনেক কিছুই উপহার দিবে দেশ ও ফুটবল বিশ্বকে। বিশ্বকাপ জয়ে শুধু তাদের সাফল্যের যাত্রা শুরু হলো। ১৯ বছর বয়সী কিলিয়ান এমবাপে দারুণ খেলে দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি যে বিশ্বফুটবলকে আরও অনেক কিছু দিবেন তা নিয়ে কারুরই সংশয় নেই।

দুই বছর আগে ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পর্তুগালের কাছে হারার পর দেশমকে অনেক সমালোচনা সইতে হয়েছে। অনেকেই তখন বলেছেন দেশমের দলে কোন বৈচিত্র্য নেই। খেলা একেবারেই একঘেঁয়ে। মস্কোর পারফরমেন্স সেই সব সমালোচকদের মুখে কুলুপ এঁটে দিয়েছে। তখন থেকেই তিনি দলকে গড়ে তুলেছেন পরিকল্পিতভাবে। আক্রমণভাগে তিনি সমন্বয় ঘটিয়েছেন এমবাপের গতির সঙ্গে গ্রিজম্যানের স্কিল এবং অলিভার জিরুদের শারীরিক উপস্থিতি। এ দলটি ১৯৮৪ সালের মিশেল প্লাতিনি এবং জ্যা টিগানার মতো অতোটা সৃষ্টিশীল না। কিংবা ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের মতো অভিজ্ঞতা সম্পন্নও না। ১৯৯৮ সালে দলে ছিলেন জিনেদিন জিদানের মতো বিশ্বসেরা তারকা। যিনি দলকে চ্যাম্পিয়ন করার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। এবারের দলটি তরুণদের নিয়ে গড়া একেবারেই আধুনিক দল। বলতে গেলে এদের দুর্বলতা খুব একটা নেই। তাইতো ম্যাচ শেষে কোচ দেশম বলতে পেরেছেন, ‘আমরা হয়তো কোন ম্যাচেই অবিশ্বাস্যরকম ভালো খেলিনি। কিন্তু আমরা মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছি। তার পরেও আমরা ফাইনালে চার গোল করেছি। আমরা যোগ্য দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।’

কোন সন্দেহ নেই যে ফ্রান্স দল যোগ্যতা দিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠের পারফরমেন্সে তাদের চেয়ে কোন দলই ভালো করতে পারেনি। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে ফ্রান্স। শেষ ষোলতে এমবাপের গতির কাছে হার মানে আর্জেন্টিনা। তারা জয়ী হয় ৪-৩ গোলে। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে উরুগুয়ে এবং সেমিফাইনালে বেলজিয়ামকে পরাজিত করে নিজেদের সামর্থ্যরে স্বাক্ষর রাখে ফ্রান্স। যদিও বেলজিয়ামের সঙ্গে ম্যাচটি তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো খেলতে পারেনি। এমনকি ফাইনালেও ফ্রান্স তাদের মনমতো খেলাটা খেলতে পারেনি। বল দখলের ক্ষেত্রে ক্রোয়েশিয়াই এগিয়ে ছিল। ইভান পেরেসিচের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে কষ্ট হয়েছে রক্ষণভাগেরও। লম্বা পাস মাঝে মাঝেই বিপদের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। আত্মঘাতী গোল এবং বিতর্কিত পেনাল্টি গোল পরিস্থিতি সম্পূর্ণ প্রতিকুল করে দেয় ক্রোয়েশিয়ার জন্য। সত্যি বলতে কি, ওটা পেনাল্টিই ছিল না। ফুটবলের আইন হচ্ছে, হাতে বল খেলা এবং বল হঠাৎ হাতে লাগার মধ্যে বিস্তর ফারাক। এটা নির্ভুল করার জন্যই ফিফা ভিএআর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আর্জেন্টাইন রেফারি প্রায় ২৩৪ মিনিট ভিএআর দেখে যা দিলেন তাতে মনে হতেই পারে যে ইচ্ছাকৃতভাবে ক্রোয়েশিয়াকে শেষ করার পদক্ষেপ। তাই ভিএআর সমস্যার সমাধান নয়, বড় দলকে বাঁচানোর রক্ষাকবচ। যদিও পল পগবার তৃতীয় এবং এমবাপের চতুর্থ গোল ছিল চমৎকার। অবশ্য তখণ ক্রোয়েশিয়া বুঝেছে যে বিশ্বকাপ বড় দলগুলোর জন্যই তৈরি। আরও বিস্ময়কর হলো তাদের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার এগোলো ক্যান্টে এ ম্যাচে তেমন ভালো খেলতে পারেননি। তা সত্ত্বেও জিতেছে ফ্রান্স। অবশ্য তার ব্যর্থতা পুষিয়ে দিয়েছেন পল পগবা দারুণ খেলে। বলা যায় ম্যাচে পগবাই মাঝ মাঠ নিয়ন্ত্রণ করেছেন। ক্যান্টে ২৭ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন। এর পর থেকে তিনি আর স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারেননি। তিনি স্বাভাবিকভাবে খেলতে না পারায় সমস্যা হয়েছে ফ্রান্সের মাঝ মাঠে। তাই কোচ দেশম ৫৫ মিনিটে তাকে তুলে মাঠে নামান স্টিভেন এনজোনজিকে। এ পরিবর্তন বেশ কাজে লাগে। মাঝ মাঠে ফ্রান্সের আধিপত্য স্থাপিত হয় এবং শেষ দুটি গোল হয় তাদের দিক থেকেই। পগবা পুরো টুর্নামেন্ট খেলেছেন দুর্দান্ত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তিনি ডিফেন্সিভ দায়িত্ব পালন করলেও তার অবস্থান ছিল ট্যাকটিক্যাল। তার লম্বা এবং কার্যকর পাস ছিল প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ঙ্কর। তবে সবার নজর কেড়েছেন এমবাপে। তার দুরন্ত গতি এবং বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ অবিশ্বাস্য। তার কাছে বল যাওয়ার অর্থই হলো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়া। তিনি এখনও তরুণ। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার অভিজ্ঞতা বাড়বে যা তাকে করে তুলবে বিশ্বসেরাদের একজনে। ফ্রান্স দলটি বেশ তরুণ। তারা যে আরও উন্নতি করবে তার কোন গ্যারান্টি নেই। তাদের খেলায় সব সময় জয়ী হওয়ার মরিয়া চেষ্টার অভাব ছিল। যা ছিল ক্রোয়েশিয়ার খেলায়। কিন্তু ফ্রান্স একটি বিষয় এ টুর্নামেন্টে দেখিয়েছে এবং তা হলো প্রয়োজনীয় সময় গোল করা। ক্রোয়েশিয়া এবং আর্জেন্টিনার মতো দলের বিপক্ষে ফ্রান্স চারটি করে গোল করেছে। তাতেই বোঝা গেছে ফ্রান্স সত্যিকার অর্থেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ওয়েবসাইট।

বাংলাদেশের মেয়েরা ফাইনালে : শনিবার ফাইনাল

সংবাদ স্পোর্টস ডেস্ক

image

স্বাগতিক ভুটানকে তাদের মাঠে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল আসরের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ফাইনালে

পাকিস্তানের জালে বাংলাদেশের ১৪ গোল

ক্রীড়া বার্তা পরিবেশক

image

অসাধারণ, উড়ন্ত, দুর্দান্ত যেকোন বিশেষণই জুড়ে দেয়া যায় বাংলাদেশ নারী অ-১৫ ফুটবল দলকে। সাফ অ-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম

স্মরণীয় জয় বাংলাদেশের

সংবাদ স্পোর্টস ডেস্ক

image

তামিম-সাকিবের ব্যাটিংয়ের পর বোলারদের অসাধারণ কীর্তিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সিরিজের

sangbad ad

জমকালো বর্ণিল আয়োজনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বরণ

সংবাদ স্পোর্টস ডেস্ক

image

বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা দেশে ফিরেছেন, প্যারিসে ছিল সাজ সাজ রব। চারদিক শুধু লাল-সাদা-নীল রঙয়ের ছড়াছড়ি। উচ্ছ্বসিত জনসমুদ্রের ঢেউ সকাল থেকে জানান দেয়

অধিনায়কের পর কোচ হিসেবে দেশমের অনন্য গৌরব

আরাফাত জোবায়ের, মস্কো থেকে

image

লুঝনিকি আনন্দের প্রতীক হয়ে থাকল নীল। ফ্রান্স ৪-২ গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষায়

দেশমের ফ্রান্সই চ্যাম্পিয়ন

আরাফাত জোবায়ের, মস্কো থেকে

image

বেদনার রং নীল। লুঝনিকে আনন্দের প্রতীক হয়ে থাকল নীল। ফ্রান্স ৪-২ গোলে ক্রোয়েশিয়াকে

আবার অলিম্পিক আয়োজনের ভাবনা

আরাফাত জোবায়ের, মস্কো থেকে

সফল সমাপ্তির পথে রাশিয়া বিশ্বকাপ। রাশিয়া বিশ্বকাপের আয়োজন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন লোকাল অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান

এমেকার বন্ধুর সঙ্গে কিছুক্ষণ

ক্রীড়া বার্তা পরিবেশক, মস্কো থেকে

লুঝনিকির প্রেস সেন্টারে হঠাৎ জটলা। কাছে গিয়ে দেখা গেল নাইজেরিয়ার সাবেক ফুটবলার ড্যানিয়েল এমাকুচি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপ খেলেছেন নাইজেরিয়ানর

প্রস্তুত লুঝনিকি প্রস্তুত বিশ্ব

আরাফাত জোবায়ের, মস্কো থেকে

লুঝনিকিতে শুরু হয়েছিল সেই লুঝনিকিতেই শেষ হচ্ছে। এক মাসের অনেক ঘটনার পর এখন

sangbad ad