• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

 

জামায়াতকে ছাড়লে বিএনপির সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্য

ঐক্যের জন্য বড় ছাড় দিতে প্রস্তুত বিএনপি : ফখরুল

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহত্তর ঐক্য গড়তে যাচ্ছে বিএনপি। এ বিষয়ে দলটির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলের সঙ্গেও আলোচনা করেছে। ২০ দলীয় জোটও ঐক্য গঠনে সম্মতি দিয়েছে। এ ব্যাপারে সমমনা দলগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ঐক্য গঠন প্রক্রিয়ায় যেতে বেশ কয়েকটি দল সম্মত হয়েছে। তবে জামায়াতকে না ছাড়লে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসতে রাজি নয় কয়েকটি দল। জামায়াত ছাড়ার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত না হলেও ঐক্য গঠনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। এজন্য বিএনপি ছাড় দিবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চলতি মাসের মধ্যে ঐক্য গঠন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে অক্টোবরের শুরুর দিকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। এরপর নির্বাচন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি দাবিতে মাঠে নামার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিএনপি ও ঐক্য গঠন প্রক্রিয়ায় থাকা দলগুলোর সূত্রে এমনটাই জানা গেছে।

সম্প্রতি যুক্তফ্রন্ট এবং গণফোরামের ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে ঐক্য গড়তে চাইছে বিএনপি; যা ‘জাতীয় ঐক্য’ নামে পরিচিতি পাচ্ছে। এই ঐক্যের জন্য অনানুষ্ঠানিক একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। তবে ড. কামাল এবং যুক্তফ্রন্ট নেতাদের নানা শর্তে আটকে আছে এই প্রক্রিয়া। কামাল হোসেন বিএনপিকে দেড় যুগের মিত্র জামায়াতকে ছেড়ে দেয়ার কথা বলেছেন। এছাড়া যুক্তফ্রন্ট তিনশ আসনের মধ্যে ১৫০ আসন চাইছে। এসব দাবি মেনে নেয়া হবে কি না- সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছু না বললেও গত শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘তাদের কিছু দাবি থাকতে পারে। কোন ভালো কিছুর জন্য তো কিছু না কিছু ছাড় দিতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি অতি দ্রুত জাতীয় ঐক্য হবে। সমস্ত জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারী সরকারকে হটাবে।’

জানতে চাইলে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী সংবাদকে বলেন, ‘বৃহত্তর ঐক্য গঠনের ব্যাপারে বিএনপির সঙ্গে আমাদের কোন আলোচনা হয়নি। তবে আলোচনায় যেতে আমরা জামায়াতকে ছাড়ার দাবি জানিয়েছি। এটা হলে আমরা আলোচনায় বসব।’ দাবির বিষয়ে বিএনপি সম্মত হলে কি প্রক্রিয়ায় ঐক্য গঠন হবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগে আমাদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হোক। তারপর বলা যাবে। আপাতত আমাদের (গণফোরাম ও যুক্তফ্রন্ট) কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করে জামায়াতকে নিয়ে আন্দোলন করে বিফল হয় বিএনপি। জাতীয় সংসদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এরপর থেকেই অনেকটা কোণঠাঁসা হয়ে পড়েছে বিএনপি। তাই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার পাশাপাশি নানা কৌশল অবলম্বন করে দলটি। এরমধ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই। সম্প্রতি একাদশ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর ঐক্য গঠনে তোড়জোর শুরু করে দলটি। ঐক্য গড়ার ব্যাপারে ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম, অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা বাংলাদেশ, আসম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য, বঙ্গবীর কাদের ছিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও কয়েকটি বাম দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করে বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। দলগুলো সম্মত হওয়ায় সম্প্রতি এবিষয়ে আলোচনায় বসে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সঙ্গেও। গত রোববার খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কর্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ওই বৈঠক শেষে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান বলেন, ২০ দল সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠনে সম্মত হয়েছে। এ বিষয়ে খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে জাতীয় ঐক্যের যে কথা বলেছেন, তাতেও সমর্থন জানিয়েছে জোট। বৈঠক শেষে শরিক দলের এক নেতা জানান, ‘বৈঠকের মূল আলোচনা ছিল চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধান, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার সুচিকিৎসা এবং আগামী সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে করার দাবি আদায়ে যেকোন মূল্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠন।’ জোটের শরিক আরেকটি দলের নেতারা বলেন, ‘জোটের আলোচনার মূল বিষয় ছিল বৃহত্তর ঐক্য। যেকোন মূল্যে জাতীয় ঐক্য গঠনে ২০-দলীয় জোট সম্মত হয়েছে। এছাড়া জোটের ঐক্য ধরে রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’

জানা গেছে, বিকল্পধারা ও গণফোরামের নেতৃত্বে যে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তাতে বিএনপির যুক্ত হওয়ার পথে প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে জামায়াত। কারণ গণফোরাম ও যুক্তফ্রন্ট (বিকল্পধারা, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) জামায়াতসহ স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে পরিচিত রাজনৈতিক দলগুলোকে না রাখাসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে ঐক্য গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এজন্য বিএনপির সঙ্গে ঐক্য হলে তাতে জামায়াত থাকতে পারবে না বলে দলগুলোর নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া আগামী নির্বাচনে বিএনপির কাছে ১৫০টি আসনে ছাড় চায় তারা বলে দলগুলোর সূত্রে জানা গেছে।

তবে বিএনপি জামায়াতের ব্যাপারে ‘হ্যাঁ’ ‘না’ কোনটিই না বললেও দলটির সূত্রমতে, বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে সর্বোচ্চ ছাড় দিতে রাজি আছে বিএনপি। দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির পাশাপাশি বৃহত্তর ঐক্য গঠনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এবিষয়ে সম্মত হওয়ার দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। এরবাইরেও কয়েকটি দলের সাথে আলোচনা চলছে। তারাও ঐক্যে আসতে পারে। সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ঐক্য গঠনের কাজ সম্পন্ন হবে। অক্টোবরের শুরুর দিকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। এর পরপরই নির্বাচন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি দাবিতে মাঠে নামার পরিকল্পনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিএনপির দায়িত্বশীল এক নেতা জানান, বর্তমান সরকারের দুঃশাসনের অবসানে সবাই একমত আছেন। ঐক্য প্রক্রিয়ায় ব্যাপারে ২০ দলের সম্মতি রয়েছে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী জোট বা স্থায়ী কোন জোট হলেও কোন সমস্যা হবে না। দাবি আদায় হলে নির্বাচনে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে ২০ দলে থাকা শরিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে, বৃহত্তর ঐক্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মত নিয়ে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের অভিন্ন রূপরেখা দেবে বিএনপি। ঐক্য প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই রূপরেখা ঘোষণা দেয়া হবে। ইতোমধ্যে রূপরেখার তিনটি খসড়া প্রস্তাব লিখিত আকারে বুদ্ধিজীবীরা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের কাছে জমা দিয়েছেন। এসব খসড়া নিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা প্রাথমিক আলোচনাও করেছেন। এগুলো নিয়ে দলের পরামর্শদাতাদের কাছ থেকেও মত নেয়া হয়েছে। এখন খসড়াগুলো বৃহত্তর ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে। পাশাপাশি তাদের নিজস্ব কোন প্রস্তাব আছে কিনা তাও চাওয়া হবে। এরপর সবার মত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর চূড়ান্ত করা হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে আমরা বৃহত্তর ঐক্য গঠনের চেষ্টা করছি। তিনি আরও বলেন, কারাগারে যাওয়ার আগে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ার ডাক দিয়েছেন। বাংলাদেশকে ও দেশের মানুষকে আজকের দুঃশাসন থেকে মুক্ত করা জরুরি। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা জরুরি। এগুলোর ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য হওয়া উচিত।

মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, জামায়াতে ইসলামী থাকলে বিএনপির সঙ্গে কোন জোট হবে না। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে কোন বৃহত্তর ঐক্যে তিনি এবং তার দল যাবে না। তিনি বলেন, সারা জীবন যেটা আমি করিনি, শেষ জীবনে সেটা করতে যাব কেন? অন্য কোন দল করবে কিনা আমি জানি না। তবে আমি যতটুকু জানি, জামায়াতে ইসলামী তো এখন দলও না, ইতোমধ্যে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। আমরা ধারণা করছি বিএনপি জামায়াত ছেড়ে জোটে আসবে। নির্বাচনের আগে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার কাজ কতটা এগিয়েছে জানতে চাইলে ড. কামাল বলেন, এই ঐক্যের কাজ আগাচ্ছে, ঐক্য গড়ে উঠছে, আগাচ্ছে। আমরা সেটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখতে চাই।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে গণফোরাম সভাপতি বলেন, এখানে কোন দল বা নেতানেত্রীর পক্ষে বলছি না। একজন অসুস্থ মানুষের কথা বলছি। আমি মনে করি আমাদের তো একটা ঐতিহ্য আছে পাকিস্তান আমল থেকেই, যে কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া। যারা বিচারাধীন তাদের জন্য সব হাসপাতালেই ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, বিশেষ বিশেষ ভাবে হয়রানি, অসুস্থ মানুষকে কষ্ট দেয়া মোটেও উচিত না। এটা একটা খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলার বিচারে ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালতকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত সংবিধানসম্মত হয়নি বলেও মনে করেন ড. কামাল হোসেন।

আসন বণ্টন আ’লীগ-বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ

ফয়েজ আহমেদ তুষার

ভোটের আগে নিজ নিজ জোট-মহাজোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টনই আওয়ামী লীগ

আ.লীগের সঙ্গে জোটের আলোচনায় যুক্তফ্রন্ট

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

জোটগতভাবে ভোটে অংশ নেয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিকল্পধারা’র বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার

ভোটের নতুন তারিখকে স্বাগত জানিয়েছে আ’লীগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের নতুন তারিখ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে

sangbad ad

নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট স্বাগত প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। একই

ইসি ভোট পেছালে আপত্তি নেই : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন

সংবাদ সম্পাদক আলতামাশ কবিরের আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে দলীয় মনোনয়ন

সমঝোতা ছাড়াই সংলাপ শেষ

ফয়েজ আহমেদ তুষার

image

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শুরু হওয়া ঐক্যফ্রন্ট এবং ১৪ দলের

তফসিল ঘোষণার এখতিয়ার ইসির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমাম বলেছেন, নির্বাচনের

বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ ঢাকা মহানগর উওর ও দক্ষিনের নতুন কমিটি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

sangbad ad