• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯

 

কোন দল নির্বাচনে না আসলে কিছু করার নেই এটা দলীয় সিদ্ধান্ত

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোন দল যদি নির্বাচনে না আসে, আমাদের কিছু করার নেই। বহুদলীয় গণতন্ত্রে কোন দল নির্বাচন করবে, কোন দল করবে না, এটা দলীয় সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। কেউ যদি বলে নির্বাচন করতে দেব না, তাহলে সেটা তাদের গায়ের জোরের কথা। নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না। যথাসময়ে নির্বাচন হবে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণভবনে ইতালি সফর শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা জনগণের ওপর বিশ্বাস করে তারা নির্বাচন অংশগ্রহণ করবে। বিএনপি গায়ের জোরে বলতে পারে নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। কারণ তাদের জন্মই হয়েছিল গায়ের জোরে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় তো আমি দিইনি, রায় দিয়েছেন আদালত। তাদের নিজেদের লোকেরাই তো মামলা দিয়েছেন। বিএনপির আমলে ফখরুদ্দিন বিশ্বব্যাংকে ছিলেন, তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়। নয়জনকে ডিঙ্গিয়ে জেনারেল মঈনুদ্দিনকে সেনাপ্রধান করা হয়। ইয়াজউদ্দিন তো তাদেরই (বিএনপির) লোক। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মামলা করেছে দুদক। দশ বছর এই মামলা চলেছে। যার কার্যদিবস প্রায় ২৬১ দিন। সেখানে ৮০ বারেও বেশি রিট করে সময় নেয়া হয়েছে। তিনবার আদালত পরিবর্তন হয়েছে। সময় চাওয়া হয়েছে ১০৯ বার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মামলা যখন শুরু হয়, তখন রফিকুল হক সাহেব তার আইনজীবী ছিলেন। তখন রফিকুল হক খালেদা জিয়াকে বলেছিলেন, টাকা দিয়ে দেন, তাহলে আর মামলা থাকে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই টাকা এসেছিল এতিমদের জন্য। সেই টাকা আর এতিমরা আর চোখে দেখেনি। কত হাত ঘুরে এই টাকা তার কাছে চলে আসে। কোরানেও শাস্তির কথা বলা আছে। এতিমের টাকা খেলে আদালত শাস্তি দেন, আল্লাহও শাস্তি দেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ক্ষেত্র বিশেষে, ব্যক্তি বিশেষে দুর্নীতি করলে কোন কথা হয় না। আদালত রায় দিয়েছেন। আদালতের রায়ের আগে বিএনপি নির্বাচন কমিশনে গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের জন্য গঠনতন্ত্র জমা দিয়েছে। তারা যখন একেকজনকে নিয়োগ করে, তখন দেখবেন গঠনতন্ত্রের ধার ধারেন না। যাকে যখন খুশি পদ দিয়ে যাচ্ছে। যিনি চেয়ারপারসন, তার হাতে সকল ক্ষমতা। যেটি আমার হাতে নেই। আওয়ামী লীগে সভাপতিমণ্ডলী এবং পরে কাউন্সিলে এই জাতীয় বিষয় পাস হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যিনি মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে গেলেন, তাকেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা হলো। সে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত, তার বিরুদ্ধে মার্কিন সংস্থা এফবিআই তদন্ত করেও দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছিল। তারা কি কাউকে খুঁজে পেল না যাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা যেত? প্রবাস থেকে করা হলো। দেশে এখন তো খুব কর্মঠ নেতা দেখা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে কাউকে ভারপ্রাপ্ত করা গেল না? বিএনপির চেয়ারপারসনের কি দলের কারও ওপর ভরসা নেই? শেখ হাসিনা বলেন, আমি তো কারাগারে যাওয়ার আগে জিল্লুর রহমান সাহেবকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলাম। আমার বোন, ছেলে কিংবা প্রবাসের কাউকে তো সভাপতি করিনি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের টাকা দিয়ে সরকারি উদ্যোগে এতিমখানা করার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতিমখানার টাকা একজনের ব্যক্তিগত তহবিলে। আদালতের রায় অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর বাইরে কিছু সম্ভব না। এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের মামলার রায়ের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কেউ ফোনও করেনি, কেউ কোন প্রশ্নও করেনি। কিছু জানতেও চাননি। সেদিক থেকে এটি একটি ভালো লক্ষণ। দুর্নীতিবাজদের পক্ষে কেউ কিছু বলে না। বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গৃহপরিচারিকা দেয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যক্তিগত সহকারী রাখার বিষয়টি নতুন না। তখন তার সঙ্গে এই গৃহপরিচারিকা ফাতেমাই ছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে, ৭০টি সরকারি অফিস তারা পুড়িয়েছে, বিজিবি-পুলিশ সদস্যদের হত্যা করেছে। গাড়িতে আগুন-পেট্রল দিয়ে হত্যা করেছে। ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে প্রায় ৫০০ মানুষকে তারা হত্যা করেছে। তিন হাজারের বেশি মানুষকে পুড়িয়েছে। মসজিদে আগুন দিয়ে শত শত কোরআন পোড়ানো হয়েছে, রেল-লঞ্চে তারা আগুন দিয়েছিল। প্রিসাইডিং অফিসারকে হত্যা করেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছে। জনগণ যখন তাদের প্রতিরোধ করল তখন তারা বিরত হলো।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টি করেছে মায়ানমার, সমস্যার সমাধানও করবে তারা। রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মায়ানমার টালবাহানা করছে, এটা তাদের চরিত্র। মায়ানমারের সঙ্গে সীমানা আছে এমন প্রতিবেশী রাষ্ট্র চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, লাওস সব দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আলোচনা হয়েছে। মায়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিকভাবেও চাপ আসছে প্রচুর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ৮ হাজার নিতে বলেছে এখন, আমরা বলছি ৮ হাজার আগে নিক। তারপর আমরা দেখব, তারা এদের সঙ্গে কী ব্যবহার করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালেও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ঢুকেছিলো। তাদের মধ্যে থেকে তিন-চার লাখ আর ফেরত যায়নি। এবার বালুখালী-কুতুপালং রোহিঙ্গারা আছে। ভাসানচরে তাদের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। সেখানে ঘরবাড়ি করা হচ্ছে। প্রথমে এক লাখ মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে যেন জোয়ারের পানি না ঢোকে সে জন্য বাঁধ দিয়ে দেয়া হচ্ছে। যত দ্রুত পারা যায়, তাদের স্থানান্তর করা হবে। শেখ হাসিনা বলেন, একবার যদি যাওয়া শুরু করে তাহলে স্রোতের মতো করে চলে যাবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের এক কোটি শরণার্থী ছিল। তারা কীভাবে চলে এসেছিল?

প্রশ্ন ফাঁস প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস নতুন কিছু না। যুগ যুগ ধরে এটা চলে আসছে। কখনো সামনে চলে আসে, কখনো আসে না। প্রযুক্তি যেমন সুযোগ তৈরি করে দেয়, আবার সমস্যাও তৈরি করে দেয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগের দিন তো প্রশ্ন ফাঁস হয় না। প্রশ্ন ফাঁস হয় পরীক্ষার ২০ মিনিট আগে। কার এমন ‘ফটোজেনিক মেমোরি’ আছে যে, প্রশ্ন দেখে ২০ মিনিটে সবকিছু মুখস্থ করে লিখে ফেলে? শেখ হাসিনা বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস, প্রশ্নপত্র ফাঁস বলে একটি সুর তুলে দেয়া হচ্ছে। তাই বলে মন্ত্রী, সচিবকে চলে যেতে হবে? তারা তো এটা ফাঁস করে চলে আসেনি। গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁকারীদের ধরিয়ে দেন, তাদের শাস্তি দেব। আপনারা লিখলে, পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বন্ধ করে দেব। কিন্তু এটা নিয়ে সুর তোলে একবার মন্ত্রী, সচিব আবার সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আইন নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। কেউ কোন কিছু না করলে অপপ্রয়োগ হবে কেন। শেখ হাসিনা বলেন, সাইবার ক্রাইম একটি বিরাট সমস্যা। এ দেশসহ সারা বিশ্বে এ সমস্যা আছে। সিআরপিসিতে যে সমস্তধারা আছে, সেগুলো। আপনাদের এত ভয় কেন? কেউ যদি এমন অপরাধ করেন, তাহলে তার ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ হবে। ফৌজদারি আইন (সিআরপিসি) অনুযায়ী কেউ অপকর্ম না করলে সেখানে অপপ্রয়োগ কেন হবে।

চালের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, চালের দাম বাড়ানোয় মিডিয়ারও একটু অবদান আছে। ব্যবসায়ীরা যখন চালের দাম বাড়ায়, তখন আপনারা যারা বলেন, তাতে ব্যবসায়ীরা বলেন, আরেকটু বাড়িয়ে নিই। চালের দাম সিন্ডিকেটের জন্যও বাড়ে, আবার মিডিয়ার প্রচারের জন্যও বাড়ে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদ্য সমাপ্ত ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটি সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য শেষে তিনটি সুখবর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্ন নেয়া শুরু করেন। শেখ হাসিনা বলেন, আজ আপনাদের তিনটি সুখবর দেব। প্রথমটি ফোরজি যুগে বাংলাদেশের যাওয়ার সুখবর। একে তথ্যপ্রযুক্তিতে ‘মাইলফলক’ অভিহিত করেন শেখ হাসিনা। দ্বিতীয়টি আগামী মার্চের যে কোন সময় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে যাবে। তৃতীয়টি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে কার্গো বিমান পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। মালিক পক্ষ প্রতিনিধি পাঠাতে দেরি করায় ওয়েজ বোর্ড গঠনে দেরি হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

পোপ ফ্রান্সিসের বৈঠকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট অবসানে মায়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে ক্যাথলিক ধর্মগুরুকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। লিখিত বক্তব্যে জাতিসংঘের কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) কার্যক্রম এবং গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় অংশগ্রহণের বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে ভাষার মাসে বায়ান্নর ভাষাশহীদদের স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, আওয়মী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারি ও সমারিক বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ইতালি ও ভ্যাটিকান সিটিতে চারদিনের সরকারি সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) প্রেসিডেন্ট গিলবার্ট এফ হংবো’র আমন্ত্রণে ইফাদের বার্ষিক পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে তিনি অংশগ্রহণ করেন। পোপ ফ্রান্সিসের আমন্ত্রণে ভ্যাটিকান সিটির হলি সি সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পোপ ফ্রান্সিস ও ভ্যাটিকান সিটির সেক্রেটারি অফ স্টেট কার্ডিনাল পিয়েত্র পারোলিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।

এককভাবে উপজেলা নির্বাচন করবে আওয়ামী লীগ

ফয়েজ আহমেদ তুষার

image

জোটগতভাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করলেও আসন্ন (পঞ্চম) উপজেলা

নির্বাচন বাতিলে ঐক্যফ্রন্টের আবেদন আমলে নেয়নি ইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

নির্বাচন বাতিলের দাবি করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের করা আবেদন আমলে নেয়নি নির্বাচন

আবার সংলাপ : দলগুলোকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানাবেন প্রধানমন্ত্রী

ফয়েজ আহমেদ তুষার ও ইকবাল মজুমদার তৌহিদ

image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও সংলাপে বসবেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা

sangbad ad

গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপিকে সংসদে যোগদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের স্বার্থে জনমতের প্রতি সম্মান

ঐক্যফ্রন্টে ভাঙনের আলামত

অমিত হালদার

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ নেয়া না

এখন নালিশই বিএনপির অবলম্বন : কাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনে

এমিলির মন্ত্রিত্ব মুন্সীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা দশ বছরে মুন্সীগঞ্জ থেকে কোন সংসদ সদস্য মন্ত্রিত্ব

ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত প্রার্থীরা শপথ গ্রহন করবেন : ১৪ দলের আশা প্রকাশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও তাদের প্রধান শরীক বিএনপি থেকে যারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত

বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও নেতৃত্ব নিয়ে জল্পনা-কল্পনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির পর দলটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

sangbad ad