• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ২৮ মার্চ ২০২১

সংবাদ :
  • সংবাদ অনলাইন ডেস্ক
image

করোনাভাইরাস সংক্রমণের নতুন একটি ধাক্কা (ঢেউ/ওয়েভ) আসছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এ ধাক্কা সামলাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ফেসমাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশবাসীর প্রতি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধির বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করবো মাস্ক ছাড়া কেউ যাতে বাইরে না যায়, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে এবং প্রত্যেকটি সভা বা সিম্পোজিয়াম, সেমিনার বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সামাজিক দূরত্ব মেনে করতে হবে। যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় কর্মসূচি করতে হবে। ঘরের মধ্যে করলে করোনার প্রাদুর্ভাব আরও বেশি দেখা দেয়।’ এ সময় ভ্যাকসিন প্রদানও চলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রোববার (২৮ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দলের আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশে একটি মানুষও আর গৃহহীন থাকবে না তার সরকার সবাইকে ঘর করে দেবে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি যেগুলো বাকি আছে সেগুলোও করে দেব, শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে শতভাগ গৃহকে আমরা আলোকিত করবো।’ তিনি স্কুল-কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা স্কুল কলেজগুলো খুলে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু এখন হঠাৎ করে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াতে আমরা এখন নয়, রোজার ঈদের পরে আমরা স্কুল-কলেজ-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেব।’ এ সময়ের মধ্যে বিশ^বিদ্যালয়ের হলগুলোসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসবের মেরামতের কাজ করতে হবে সরকার তা করে দেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ‘পাশাপাশি, দেশের উন্নয়নের কাজগুলো চলতে থাকবে, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যাতে অব্যাহত থাকে সে প্রচেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখবো’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। সব অনুষ্ঠান সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগসহ প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বলবো, গত বছর যখন করোনাভাইরাস প্রচ- মহামারী আকার ধারণ করলো সে সময় যেভাবে মানুষের পাশে আপনারা দাঁড়িয়েছিলেন আবারও করোনার একটা ধাক্কা আসছে, আমরা দেখতে পাচ্ছি। আপনাদেরও সেভাবে আবার দাঁড়াতে হবে।’ ‘মানুষ যেন কষ্টে না থাকে। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা যা করার করব। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগকেও করোনাদুর্গতদের পাশে থাকতে হবে। যে দল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করেছে, তাদের ওপর অনেক দায়িত্ব। মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ, মাস্কসহ স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও নানা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।’- যোগ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, তার সরকার স্বাধীনতার সুফল বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, যেহেতু করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব আবার দেখা গেছে এবং এই ভাইরাসটাও আবার ভিন্ন ভিন্নভাবে এসেছে। তাই আমাদের ঠিক আগের মতো পদক্ষেপ নিতে হবে। এই প্রার্দুভাব কতদিন থাকবে আমরা এখনও জানি না। তার জন্য আমাদের প্রস্তুতিটা থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ বছরে বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে দেশ পরিচালনা করেছি। এতসব অর্জনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শই কারণ। এটা নতুন কিছু নয়, কোন ম্যাজিকও নয়। এদেশের মানুষ জাতির পিতার নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। ৭ মার্চের ভাষণে যা যা করতে বলেছেন, মানুষ তাই করেছে। তিনিই বলেছিলেন, বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আসলেও দাবায়ে রাখা যায়নি, যাচ্ছে না। আমরা তার আদর্শে দেশ পরিচালনা করে এগিয়ে যাচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু তার সংবিধানে যে মৌলিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন আমরা সে আলোকেই পথ চলছি। তার সব কাজ পূর্ণ করছি। তিনি বলেন, গৃহহীন ও ভূমিহীন কেউ যেন বাদ না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। কেউ বাদ গেলে জানাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এটাই জাতির পিতার স্বপ্ন। তার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব- এটাই প্রতিজ্ঞা।

সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক মেরিনা জামান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কোচি ও হুমায়ুন কবির প্রমুখ। গণভবন প্রান্তে দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের শহীদসহ সব গণআন্দোলনে আত্মদানকারীদের স্মরণে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পাঁচ দেশের প্রধানরা এসেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও ২৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে শুভেচ্ছা বার্তা আমরা পেয়েছি। এটা বাংলাদেশের জনগণের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এটাই আমাদের সার্থকতা। তিনি বলেন, সময়ের অভাবে সব বার্তা শোনাতে পারিনি। সব বার্তা রক্ষিত আছে। এগুলো তৃণমূল পর্যন্ত প্রচার করতে হবে। তাদের শুভেচ্ছা বার্তা যেন জনসাধারণ জানতে পারে। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনকে এগুলো প্রচারে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

ইতিহাস বিকৃতির প্রসঙ্গ টেনেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২১ বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। ৭ মার্চের ভাষণও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বাংলাদেশ ভিন্নখাতে নেয়া হয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর নানা কর্মসূচি নিয়েছিলাম। তারপরও চক্রান্ত থামেনি। ২০০১ এ আমাদের ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। কিন্তু ফল তো ভালো হয়নি। পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নানা খাতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, সবুজ বাংলা আরও সবুজ করতে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। কোন জলাশয় যেন অনাবাদি না থাকে। খাদ্য উৎপাদন করে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে হবে। করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যায় বলা যায় না, যাতে অন্তত খাদ্য সংকট না হয়। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা নিজের খাদ্যের জোগান নিজেই নিশ্চিত করে অন্যকেও দেব।

দেশে করোনায় রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু,শনাক্ত ৪২৭১

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

গত কিছুদিন ধরে দেশে করোনায় মৃত্যুর রেকর্ড প্রায় প্রতিদিনই ভাঙছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১২ জন; যা কিনা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু।

অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট আরও ৭ দিন বন্ধ

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় চলমান কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ফলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচলও আরও এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ ২১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী সাত দিন কোনো শিডিউল ফ্লাইট চলাচল করবে না।

ঈদের আগে লকডাউন শিথিলের চিন্তা : কাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সরকার সারাদেশে আরেও এক সপ্তাহ সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ানোর সক্রিয় চিন্তা

sangbad ad

তাপমাত্রা বাড়লেও বৃষ্টির আভাস

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও

চলমান বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু এবং শনাক্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে

মহাখালীর করোনা হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেছে মহাখালীর ডিএনসিসির করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল। সোমবার সকাল থেকে

আরও এক সপ্তাহ কঠোর লকডাউনের সুপারিশ কমিটির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয়

ইলিয়াস আলীর ‘গুম’ নিয়ে আমার বক্তব্য ‘কাটপিস’ করা হয়েছে: মির্জা আব্বাস

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট,

image

বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে তার বক্তব্য

টানা তিন দিন করোনায় মৃত্যু শতাধিকের ওপরে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আরও ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা দেশে একদিনে ভাইরাসটিতে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে টানা তিন দিন ভাইরাসটিতে ১০০-এর বেশি মৃত্যু হয়েছে।