• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮

 

১৯৭১ : মান্দারী বাজার মুক্ত হলো যেভাবে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮

image

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময় নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর দেশীয় আলবদর রাজাকার বাহিনীর সশস্ত্র সদস্যরা লক্ষ্মীপুর জেলার মান্দারী বাজারে উত্তর-পূর্ব পাশে একটি স্কুলে ক্যাম্প ও বাংকার স্থাপন করে অবস্থান নেয়। তারা মান্দারী, বটতলী, জকশিন, দত্তপাড়া ও বশিকপুরসহ আশপাশ এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে হামলা, হাটবাজার থেকে সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে নির্বিচারে নির্যাতন চালায়। মুক্তিযোদ্ধারা মাঝে-মধ্যে একত্রিত হয়ে পাল্টা আক্রমণ করে। এরপরও মান্দারী বাজার রাজাকারমুক্ত করতে পারেনি। ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের স্পেশাল গেরিলা বাহিনীর ৮০ জন গেরিলা মান্দারী বাজার মুক্ত করার পরিকল্পনা করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সারওয়ার-ঈ-দীনের পরিকল্পনায় ১৯৭১ সালে ১ ডিসেম্বর ভোররাতে ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টির বিশেষ গেরিলা বাহিনী আক্রমণ চালিয়ে মান্দারীবাজার মুক্ত করে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সারওয়ার-ঈ-দীন ওরফে সাত্তার কমান্ডার বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। ১৯৭১ সালে পহেলা ডিসেম্বর ভোররাতে নোয়াখালী অঞ্চলের ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ও ছাত্র ইউনিয়নের ৮০ জন গেরিলা মান্দারী বাজারের পূর্ব ও উত্তর পাশে অবস্থান নেয়। তারা এলএমজি, রাইফেল, গ্রেনেডসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে রাজাকার বাংকার লক্ষ্য করে আক্রমণ শুরু করেন। ভোর বেলায় ঘন কুয়াশার মধ্যে তারা অতর্কিত আক্রমণ চালান। তখন রাজাকার সদস্যরা চারদিকে ছোটাছুৃটি করতে থাকে। এক পর্যায়ে রাজাকার বাহিনী বাংকারে ঢুকে পাল্টা আক্রমণ করে। ওই সময় মুক্তিযোদ্ধা মহিবুর রহিম বাবুলের কমান্ডে আরেকটি গ্রুপ মান্দারী বাজারের পূর্বদিক থেকে বাজারে ঢুকে রাজাকারদের ক্যাম্পের টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করে। গেরিলা যোদ্ধাদের আক্রমণে রাজাকার বাহিনীর অনেক সদস্য হতাহত হয়। আর অনেক সদস্য ক্যাম্পের পেছন দিয়ে পালিয়ে যায়। ভোর থেকে শুরু করে সকাল ৯টা পর্যন্ত গেরিলা টিম যুদ্ধ করে রাজাকারদের আস্তানা তছনছ করে দেয়। এরপর গেরিলা যোদ্ধারা তাদের অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে ঘনকুয়াশার মধ্যে নিরাপদ স্থানে চলে যায়। তারা অদূরে দত্তপাড়া আর আর মডেল হাইস্কুল মাঠে গিয়ে বিশ্রাম নেয়। গেরিলা যুদ্ধের সময় তাদের সবাইর মুখে কালো মুখোশ ছিল। এরপর সকালে সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের আরেকটি গ্রুপ মান্দারী বাজারে স্কুলে মাঠে ঢোকে। ঠিক ওই সময় পাকিস্তানি মিলিশিয়া বাহিনীর একটি গ্রুপ রায়পুর থেকে যুদ্ধ করে মান্দারীর দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ হয়। গোলাগুলিতে একজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মান্দারী বাজারের অদূরে চন্দ্রগঞ্জে সম্মুখযুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধে হানাদার বাহিনী টিকতে না পেরে পিছু হটে যায়। এভাবে গেরিলা যুদ্ধের পর মান্দারী বাজার ১৯৭১ সালের পহেলা ডিসেম্বর রাজাকার ও হানাদার বাহিনীমুক্ত হয়।

যুদ্ধ শেষে সেখানে সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি গঠন করে তাদের হাতে মান্দারী বাজারের কর্তৃত্ব তুলে দেয়া হয়। সেই থেকে মান্দারী বাজারে পহেলা ডিসেম্বর মুক্তদিবস হিসেবে পালন করা হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মহান বিজয় দিবসে সকাল সাড়ে ৭ টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে

বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ৪৮তম বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ ১৬ ডিসেম্বর সকালে

দিন কমছে সংহিসতা বাড়ছে!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে তত সংঘাত সংহিসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের

sangbad ad

ভোট কক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না : সিইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ভোট কক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার

জাতিকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতিকে মেধা শূন্য করার হীন চক্রান্ত

নির্বাচনী সংঘাত চিন্তিত ইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মানে বড় নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিক্ষিপ্তভাবে ছোট ছোট সহিংসতার ঘটনা ঘটতেই

নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে রেঞ্জ ডিআইজিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠকে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আজ ১৪ ডিসেম্বর; শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে

দশ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে ৪ গুণ

ফয়েজ আহমেদ তুষার

image

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গত দশ বছরে প্রায় চারগুণ বেড়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের

sangbad ad