• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮

 

হলফনামা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • ফয়েজ আহমেদ তুষার ও অমিত হালদার
image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের ‘হলফনামা’ দেশের সব শ্রেণীপেশার মানুষের নজর কেড়েছে। বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং রাজনীতিতে পরিচিত মুখ, এমন অনেক প্রার্থী বা তার পরিবারের অর্জিত সম্পদ পূর্ববর্তী (দশম, নবম) সংসদ নির্বাচনে হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের তুলনায় বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ। এছাড়া, খ্যাতনামা ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, রাজনীতিক ও তাদের স্ত্রী- যারা এবারই প্রথম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, ‘হলফনামা’ তাদের পেশা, ব্যবসার ধরন, সম্পদের বিবরণ এবং অজানা অনেক তথ্য দেখেও বিস্মিত জনসাধারণ। ভোটের দ্বারপ্রান্তে এসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের ‘হলফনামা’ সম্পর্কিত বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন নিয়ে সারাদেশেই চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

তফসিল অনুযায়ী গত ২৮ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমার সময় শেষ হয়। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সারাদেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। মনোনয়পত্রের সঙ্গে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক সব প্রার্থীরাই নিজের ও তার পরিবারের সদস্যদের স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তির বিবরণ সম্বলিত হলফনামা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেন। প্রার্থীদের আয় ও আয়ের উৎস, তারা কর দেন কি-না, কী পরিমাণ সম্পদের অধিকারী, তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের মামলা চলমান রয়েছে, এসব বিষয় হলফনামায় উল্লেখ করা থাকে। নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের কাছ থেকে হলফনামা নিলেও, সেখানে সম্পদের বিবরণী কতটুকু সঠিক তা খতিয়ে দেখে না। তাই হলফনামার তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ জনগণের নেই। নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মতে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কিংবা এনবিআর চাইলে এসব হলফনামা খাতিয়ে দেখতে পারে। কোন প্রার্থীর সম্পদে অসামঞ্জস্যতা বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে দুদক।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর হলফনামায় সম্পদের যে বিবরণ দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। কোন প্রার্থীর সম্পদে অসামঞ্জস্যতা বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী এই সংস্থা। সোমবার (৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অনেক প্রার্থী বা তার পরিবারের অর্জিত সম্পদ পূর্ববর্তী নির্বাচনে জমা দেয়া সম্পদের তুলনায় বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আইন ও বিধিসম্মত কিনা তা খতিয়ে দেখা অপরিহার্য।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেছেন, সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের হলফনামা খতিয়ে দেখে অনিয়ম পাওয়া গেলে দুদক থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একাধিক কর্মকর্তার মতে, এদেশে এমন অনেক লোক আছেন যারা বিশাল সম্পদের মালিক হলেও কর পরিশোধের ক্ষেত্রে সম্পদের সঠিক বিবরণী এনবিআরে জমা দেন না। যেহেতু নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে হলফনামায় সম্পদের বিবরণ জমা দিতে হয়, আবার তারা বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেয়ার সময় আয়কর অধ্যাদেশের ১০ বিবি ফরমে নিজেদের সম্পদ বিবরণী দেন; রাজস্ব বোর্ডের হাতে সুযোগ আছে উভয় সংস্থায় দেয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার। তবে বোর্ডের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে হবে।

শেখ হাসিনার সম্পদ দশ বছরে দ্বিগুণ, খালেদার আয় বেড়ে ছয় গুণ : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, তাতে দশ বছরে তার সম্পদের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণের বেশি। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হলফনামা অনুযায়ী, গত দশ বছরে তার আয় বেড়েছে প্রায় ছয় গুণ। একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামা থেকে দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেত্রীর সম্পদের এই বিবরণ পাওয়া গেছে।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন, সেখানে তার বিভিন্ন উৎস থেকে মোট বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছিল ২৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। এক দশকের মাথায় একাদশ দশম সংসদ নির্বাচনের আগে তার জমা দেয়া হলফনামায় বার্ষিক আয় সাড়ে ৭৭ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ দশ বছরে তার আয় বেড়ে আড়াই গুণের বেশি হয়েছে। খালেদা জিয়া ২০০৮ সালে যে হিসাব দিয়েছিলেন, সেখানে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছিল প্রায় ২৬ লাখ টাকা। দশ বছরের মাথায় তার আয় বেড়ে দেড় কোটি টাকা হয়েছে। এই সময়ে তার আয় বেড়ে হয়েছে প্রায় ছয় গুণ। হলফনামা অনুযায়ী, গত দশ বছরে শেখ হাসিনার আয় বেড়ে আড়াই গুণের বেশি হয়েছে। আর খালেদা জিয়ার ভাড়া দেয়ার মতো সম্পদ না বাড়লেও বাড়ি/আপার্টমেন্ট/দোকান ভাড়া এবং শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত মিলিয়ে আয় বেড়ে ছয় গুণ হয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, গত দশ বছরে খালেদার সম্পদ ৪৩ শতাংশ বাড়লেও বাড়ি ভাড়া বাবদ দেড় কোটি টাকার বেশি ঋণ জমেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করা শেখ হাসিনার হলফনামায় বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ধানমন্ডির সুধাসদনের কথা লেখা হয়েছে। এবার রংপুর-৬ ও গোপালগঞ্জ ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটানা দশ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা এই রাজনীতিক। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী ‘স্বশিক্ষিত’ খালেদা জিয়া তার বর্তমান ঠিকানার জায়গায় গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর রোডের ১ নম্বর বাড়ির কথা লিখলেও পাশে বন্ধনীর ভেতরে লিখেছেন- ‘বর্তমানে কেন্দ্রীয় কারাগার, নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা’। দুটি দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের সাজায় দন্ডিত খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় তার পক্ষে আপিল করা হয়েছে। খালেদা জিয়া মোট ৩৪টি মামলার হিসাব দিয়েছেন হলফনামায়। তার মধ্যে দুটিতে রায়ের পর তিনি আপিল করেছেন। বিশেষ জজ আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে একটি করে মামলা ‘পেন্ডিং’ রয়েছে। সাতটি বিচারাধীন, বাকিগুলো স্থগিত রয়েছে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে কোন মামলা নেই।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার কোন দায় দেনা ছিল না; হাতে নগদ ৩৬ লাখ ৫২ হাজার ৮৪৫ টাকা ছিল। ব্যাংকে ছিল আরও পৌনে তিন কোটি টাকা। স্থাবর অস্থাবর মিলিয়ে তার মোট ৩ কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪৩০ টাকার সম্পদ ছিল। ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ছাড়ার পর এখন তার বাড়ি ভাড়া বাবদ ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে। আর হাতে রয়েছে মাত্র ৫০ হাজার টাকা। তবে পৌনে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। আর স্থাবর অস্থাবর মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৭ টাকা।

আর শেখ হাসিনার হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে তার কোন দেনা ছিল না, হাতে ছিল দেড় লাখ টাকা। এর বাইরে ৩ কোটি ১৯ লাখ টাকার মতো ছিল ব্যাংকে। স্থাবর অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ টাকার সম্পদ ছিল তার নামে। মোট তিন বার এবং টানা দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে এখন তার হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ৮৪ হাজার টাকা; ব্যাংকে জমা আছে ৭ কোটি ২১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৩ টাকা; আর সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ বাবদে আরও ৫ লাখ টাকা আছে। স্থাবর অস্থাবর মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৭ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭৮ টাকা। কোন দেনা বা ঋণ তার নামে নেই।

দশ বছর আগে খালেদা জিয়া ১২ হাজার ৩০০ টাকায় কেনা আট শতাংশ অকৃষি জমি এবং যৌথ মালিকানায় ১০০ টাকায় পাওয়া গুলশানের একটি বাড়ির কথা লিখেছিলেন স্থাবর সম্পত্তির হিসাবে। এবারও হুবুহু একই হিসাব তিনি দিয়েছেন। শুধু বাড়তি একটি লাইনে লিখেছেন, ক্যান্টনমেন্টে ৫ টাকা অর্জন মূল্যের একটি বাড়ি থাকলেও বর্তমানে তা তার ‘মালিকানা ও দখলে নেই’। আর শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে নিজের নামে পৌনে দুই লাখ টাকা দামের চার একর কৃষি জমি থাকার তথ্য দিয়েছিলেন। আর এবার ১৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকার জমি থাকার তথ্য দিয়েছেন।

এরশাদের চেয়ে রওশনের সম্পদ বেশি : পরিবারের প্রধান হিসেবে কর্তার আয়-রোজগার এবং সম্পদ বেশি থাকাই স্বাভাবিক। কোন কোন ক্ষেত্রে স্ত্রীর নামে যদি বেশি সম্পদ থাকে তাহলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্থাবর সম্পত্তি পরিমাণ তার স্ত্রী ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদের তুলনায় কম। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদের দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের স্ত্রী রওশন গত পাঁচ বছর বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন বেতন-ভাতাসহ রাষ্ট্রীয় সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন।

হলফনামা অনুযায়ী, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্থাবর সম্পত্তির মূল্যমান ২ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিপরীতে রওশন এরশাদের স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৭ কোটি ৩১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার। ফলে এরশাদের তুলনায় তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পদ বেশি প্রায় ২ দশমিক ৯২ গুন। এরশাদের নিজের নামে ৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৮০ হাজার ২০০ টাকার ও তার স্ত্রীর নামে ৩৪ কোটি, ৭৯ লাখ, ৯১ হাজার ৭১৩ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব রয়েছে। হলফনামায় বাৎসরিক আয় দেখানো হয়েছে, ১ কোটি ৮ লাখ ৪২ হাজার ২০৬ টাকা। একইসঙ্গে হলফনামায় এরশাদের ২ কোটি ৩২ লাখ ৪ হাজার ৬৩৫ টাকার দুইটি ব্যাংকে ঋণের কথাও বলা হয়েছে। ইউনিয়ন ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে এই ঋণ নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে এরশাদের স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে বনানী ইউআই শপিং কমপ্লেক্সের দোকান, বারিধারার দূতাবাস রোডের ফ্ল্যাট, বনানীর ব্লক সি’তে ফ্ল্যাট, গুলশানের ফ্ল্যাট। অন্যদিকে স্ত্রী রওশন এরশাদের নামে রয়েছে পূর্বাচল, গুলশানে জমি, বসুন্ধরা ও গুলশানে একাধিক ফ্ল্যাট। হলফনামায় সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ৬টি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে ও চারটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এছাড়াও অতীতের ২৭টি মামলার কথাও জানিয়েছেন সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। মামলাগুলোর কোনটিতে তিনি খালাস আবার কোনটিতে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদেরের বাড়ি নাই : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নিজের বাড়ি নেই। তিনি স্ত্রীর বাসভবনে থাকেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওবায়দুল কাদেরের হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। হলফনামা অনুযায়ী, তার স্থাবর সম্পত্তি উত্তরায় ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি এবং পৈতৃক সম্পত্তি হিসেবে ৬০ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে। ওবায়দুল কাদেরের নিজস্ব কোন বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট নেই। তার স্ত্রীর ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের এক হাজার ৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে বলে হলফনামায় জানিয়েছেন। তার বার্ষিক আয়ের উৎস হিসেবে দেখিয়েছেন, বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে আয় করেন বার্ষিক ১৩ লাখ ৬৮ হাজার, চাকরি ও লেখালেখি থেকে আয় ১২ লাখ ৬০ হাজার, বই লিখে আয় ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫১ টাকা। সব মিলিয়ে আয় ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৬৫১ টাকা। তার স্ত্রীর বাড়ি ও দোকান ভাড়া বার্ষিক ২ লাখ ৬৬ হাজার ৪৩৬, ব্যবসা থেকে তিন লাখ ৯৩ হাজার ২৬০ ও অন্যান্য খাত থেকে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫১৯ টাকা আয় করেন বলে হলফনামায় বলা হয়েছে। এছাড়া তার নিজের নগদ আছে ৫৫ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৮৩ লাখ ৫৮ হাজার ৭৪২ টাকা। পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ১ কোটি ২৪ লাখ ২১ হাজার ২৭৮ টাকা। ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করেন কাদের। উপহার হিসেবে প্রাপ্ত একটি মোবাইল ফোন রয়েছে। এক লাখ ৫০ হাজার টাকার ২৫ তোলা স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। এছাড়া নিজের নামে আট লাখ ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র আছে। এ মুহূর্তে ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীর হাতে আছে নগদ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩৪ হাজার ৬১১ টাকা। পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ ৫৫ লাখ ৯ হাজার ৮৪৫ টাকা এবং এক লাখ টাকা মূল্যের ২০ তোলা স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। এছাড়া তার ১২ হাজার টাকা দামের ফোন এবং এক লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।

মির্জা ফখরুলের গাড়ি নাই, চড়েন স্ত্রীর গাড়িতে
একাদশ সংসদ নির্বাচনে দেয়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হলফনামা অনুযায়ী, তার নিজের কোন গাড়ি নেই। স্ত্রীর উপহার হিসেবে দেয়া একটি গাড়িতে চড়েন তিনি। ১০ বছর আগে হলফনামায় ব্যাংকঋণের টাকায় কেনা স্ত্রী রাহাত আরার ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাড়ি থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন ফখরুল। এবারের হলফনামায় তার স্ত্রীর ১৭ লাখ ৫৮ হাজার ১৪০ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে। ১০ বছরে রাহাত আরার কোন স্থাবর সম্পদ বাড়েনি। উল্টো বেড়েছে ফখরুলের স্থাবর সম্পদ। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের হলফনামায় রাহাত আরার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ২৯ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। ২০০৮ সালের হলফনামায় ফখরুলের স্থাবর সম্পদ ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা উল্লেখ ছিল। এবারের হলফনামায় তার স্থাবর সম্পদের মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২২ লাখ ১১ হাজার ৯১৬ টাকা। এবারের হলফনামায় ঋণ উল্লেখ করা হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪৪ টাকা। এছাড়া নিজের নামে একটি দোতলা বাসা থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন। পেশা লিখেছেন ব্যবসা ও পরামর্শক। হলফনামা দেখা গেছে. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে ১০ বছর আগে কোন মামলা ছিল না। কিন্তু এখন তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ৪৬। এই ১০ বছরে আড়াই গুণ সম্পদ বেড়েছে তার স্ত্রীর। মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে ১০ বছরে দায়ের হওয়া মামলাগুলো নাশকতা, বিস্ফোরণ, ভাঙচুর, সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে। ৪৬ মামলার মধ্যে ১৬টি চলমান রয়েছে। ১০টি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। ২০টি মামলা স্থগিত করেছেন আদালত। ২০১৩ সালে সর্বাধিক ১৩টি এবং ২০১২ সালে ১২টি মামলা হয়েছে। তিনি বগুড়া-৬ (সদর) ও ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন।

বাড়ি নাই আসবাবপত্র নাই, পুঁজিবাজারেই সালমানের সব : দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ বেক্সিমকোর ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের ব্যবসা থেকে মাসিক আয় মাত্র ৫০ হাজার টাকা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সালমানের মোট সম্পদের আর্থিকমূল্য পৌনে তিনশ কোটির টাকার মতো। এই সম্পদের ৯০ শতাংশই রয়েছে বন্ড, শেয়ার ও ঋণপত্রে। তার নিজের নামে কোন বাড়ি নেই; কোন আসবাবপত্রও নেই। আত্মীয় ও বিভিন্ন কোম্পানিকে তিনি বিনা সুদে ২০ কোটি ১৭ লাখ টাকা ধার দিয়ে রেখেছেন। হলফনামায় বছরে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকা আয়ের যে তথ্য তিনি দিয়েছেন, তার ৯৪ শতাংশই আসে শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত ও ডিবেঞ্চার থেকে। বেইজিংভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘হুরুন গ্লোবাল’ এর করা তালিকায় গত বছর বিশ্বের ২২৫৭ জন ধনবুবেরের মধ্যে বাংলাদেশের সালমান এফ রহমানকে ১৬৮৫ নম্বরে রাখা হয়েছিল। এর ভিত্তিতে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় ‘প্রথমবারের মতো কোন বাংলাদেশি’র স্থান করে নেয়ার খবর আসে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবার রাজধানীর উপকণ্ঠে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

শাজাহান খানের স্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৯৩ গুণ
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেয়া হলফনামা অনুযায়ী নৌপরিবহনমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খানের স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ১২ হাজার ৯৩৩ টাকা। তার স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি ৮৬ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৪ টাকা। আর যৌথ মালিকানায় শাজাহান খান ২ কোটি ৭৫ লাখ ২১ হাজার ৫৩২ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে শাজাহানের স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৬ কোটি ৬৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৬৫ টাকা। এক দশকে শাজাহান খান এবং তার স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তি বাড়ার হার যথাক্রমে ৯৩ ও ১২ গুণের বেশি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক দশক আগে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের নিজের নামে ঢাকায় কোন ফ্ল্যাট কিংবা জমি ছিল না। অথচ এখন লালমাটিয়া, বাড্ডা, মেরাদিয়া ও পূর্বাচলে নিজের এবং স্ত্রীর নামে জমি ও ফ্ল্যাট রয়েছে। গত ১০ বছরে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই মন্ত্রীর স্থাবর সম্পদ ৯৩ গুণ এবং তার স্ত্রীর বেড়েছে ১২ গুণের বেশি। নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাজাহান খানের দেয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০০৮ ও ২০১৪ সালের মতো এবারের নির্বাচনের হলফনামাতেও শাজাহান খান পেশার কথা বলতে গিয়ে রাজনীতি ও ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন। শাজাহান খান একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাজাহান খানের হলফনামায় দেখা যায়, ব্যবসার পাশাপাশি মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে পাওয়া ভাতা হচ্ছে তার আয়ের মূল উৎস। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ৩ কোটি ৩৬ লাখ ২ হাজার ২৫০ টাকা। আর মন্ত্রী ও সাংসদের পারিতোষিক ও ভাতা হিসেবে তিনি বছরে আয় করেন ২৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮০ টাকা। ২০০৮ সালে শাজাহান খানের স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৭ লাখ ১৬ হাজার ৯৫৩ টাকা। তার স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেয়া হলফনামা অনুযায়ী, শাজাহান খান এবং তার স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৩৪৮ টাকা ও ৩৬ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭০ টাকা। আর একাদশ সংসদ নির্বাচনে শাজাহানের হলফনামায় তাঁদের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ যথাক্রমে ৩ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৭২৪ টাকা ও ৪৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। অর্থাৎ গত ১০ বছরে শাজাহান খানের অস্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে পাঁচ গুণ।

পানির দরে স্বর্ণ কিনেছেন বদির স্ত্রী
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ আসনে (টেকনাফ-উখিয়া) ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির স্ত্রী শাহীন আক্তার চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। নৌকা প্রতীকে স্বামীর জায়গায় এবার ভোটের মাঠে নামবেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, বদির স্ত্রী ১৫ ভরি স্বর্ণের মালিক, যার মূল্য ৪৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার টাকা মাত্র, যা বাজারমূল্যের ১৩ ভাগের ১ ভাগ। বদির স্ত্রীর হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘরে ইলেকট্রনিক সামগ্রী বলতে শুধুমাত্র একটি ফ্রিজ ও একটি রঙিন টিভি রয়েছে। আর কিছুই নেই। এই দুটিই তাদের বিয়েতে উপহার পেয়েছেন। এছাড়াও আসবাবপত্রের মধ্যে রয়েছে ডাইনিং টেবিল, সোফা, খাট, আলমিরা, ওয়ারড্রব, ড্রেসিং টেবিল, শোকেস, আলনা, মিটসেট। হলফনামায় এইসব কিছুর মূল্য মাত্র ৩০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। হলফনামায় বদির স্ত্রী নিজেকে ‘বিএ পাস’ ও ‘ধান, চাল, ও লবণ মাঠ লাগিয়ত ব্যবসায়ী’ দাবি করেছেন। ব্যবসা থেকে বছরে সাড়ে ৩ লাখ টাকা আয় তার। নগদ ও ব্যাংক ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে বদির ধারে কাছে নেই তার স্ত্রী। হলফনামায় বদির স্ত্রীর ব্যাংক ব্যালেন্স মাত্র ১০ হাজার ও তার স্বামীর ব্যাংক জমা ৫০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও হলফনামায় শাহীন আক্তারের দুটি দোকানের মূল্য ২ লাখ টাকা, প্রায় সোয়া ৫ একর জমির দাম ১০ লাখ ৫৬ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

হলফনামার তথ্যানুযায়ি, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক রাজনীতিবিদদের অনেকে মাছ ব্যবসায়ী, অনেকে আবার কৃষক, অনেকের নির্দিষ্ট কোন কাজ নেই, নেই আয়ের উৎস। বিভিন্ন গণমাধ্যমে রাজনীতিবিদদের হলফনামা দেখে, নতুন অনেক তথ্য জেনে বিস্মিত জনগণ। সবার তথ্য সঠিক কি-না এ নিয়েও চলছে নানা গুঞ্জন। তাই এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর ২৪ দিন বাকী। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে আওয়ামী লীগের ২৭৮জন, বিএনপির ৫৫৫জন প্রার্থীসহ বিভিন্ন দল, জোট এবং স্বতন্ত্র মোট ২২৭৯জন প্রার্থী ভোটে লড়তে বৈধতা পেয়েছেন। আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরপর সংসদীয় ৩০০ আসনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা জানা যাবে। ইসি’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ হবে তাদের হলফনামা। ১০ ডিসেম্বর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর শুরু হবে প্রতীকসহ প্রচারণা। ভোট হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর, রোববার।

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মহান বিজয় দিবসে সকাল সাড়ে ৭ টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে

বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ৪৮তম বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ ১৬ ডিসেম্বর সকালে

দিন কমছে সংহিসতা বাড়ছে!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে তত সংঘাত সংহিসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের

sangbad ad

ভোট কক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না : সিইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ভোট কক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার

জাতিকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতিকে মেধা শূন্য করার হীন চক্রান্ত

নির্বাচনী সংঘাত চিন্তিত ইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মানে বড় নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিক্ষিপ্তভাবে ছোট ছোট সহিংসতার ঘটনা ঘটতেই

নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে রেঞ্জ ডিআইজিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠকে

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আজ ১৪ ডিসেম্বর; শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে

দশ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে ৪ গুণ

ফয়েজ আহমেদ তুষার

image

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গত দশ বছরে প্রায় চারগুণ বেড়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের

sangbad ad