• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮

 

স্বাগত ১৪২৫

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলা নতুন বছরকে করা হবে বরণ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮

সংবাদ :
  • সেবিকা দেবনাথ
image

যতবার বাঙালির সংস্কৃতির ওপর সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী শক্তি আঘাত এনেছে ততবারই রুখে দাঁড়িয়েছে এ জাতি। প্রমাণ করেছে অসাম্প্রদায়িক এই দেশে সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের কোন স্থান নেই। যতই অস্থিরতা, শঙ্কা, বিধিনিষেধের বেড়াজাল থাকুক প্রতিবারের মতো এ বছরও বাংলা বর্ষবরণের সর্বজনীন উৎসবের আনন্দে মাতবে সমগ্র বাঙালি। শহর-নগর, গ্রাম-গ্রামান্তর সর্বত্রই বইবে বর্ষবরণের প্রাণোচ্ছল উৎসব-তরঙ্গ। বাংলা নববর্ষ কেবল আনুষ্ঠানিকতানির্ভর কোন উৎসব নয়; তা বাঙালির ধর্মনিরপেক্ষতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, শেকড় সন্ধানের মহান চেতনাবাহী দিন। পুব আকাশে উঠবে বাংলা ১৪২৫ সালের নতুন সূর্য। সবার হৃদয়ে আজ অবিরাম বাজবে রবীন্দ্রনাথের সেই চিরচেনা গানের সুর ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...’ কিংবা নজরুলের ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর....’।

চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা ও রমনা বটমূলে ছায়ানটের প্রভাতী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উচ্চারিত হবে বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশ ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বাণী। বিগত বছরের অনেক অসন্তোষ-না পাওয়ার দুঃখ-গ্লানিকে পেছনে রেখে নতুনের কেতন ওড়ানো বৈশাখ এসেছে নতুন সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও সমৃদ্ধি অর্জনের লড়াইয়ে জয়লাভের প্রতিশ্রুতি ও প্রেরণা নিয়ে। আনন্দ-হিল্লোল, উচ্ছ্বাস-উষ্ণতায় দেশবাসী আবাহন করছে নতুন বছরকে। গ্রীষ্মের দাবদাহ তুচ্ছ করে, অস্বস্তি উপেক্ষা করে চলবে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান।

যেভাবে বাঙালির ঐতিহ্য হলো পহেলা বৈশাখ
সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা বার মাস অনেক কাল আগে থেকেই পালিত হতো। এই সৌর পঞ্জিকার শুরু হতো গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় হতে। সৌর বছরের প্রথম দিন আসাম, বঙ্গ, কেরালা, মণিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু এবং ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই পালিত হতো। এখন যেমন নববর্ষ নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে পালিত একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে, এক সময় এমনটি ছিল না। তখন নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ আর্তব উৎসব তথা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হতো। তখন এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ, কারণ প্রাযুক্তিক প্রয়োগের যুগ শুরু না হওয়া পর্যন্ত কৃষকদের ঋতুর ওপরই নির্ভর করতে হতো।

মোগল সম্রাট আকবরের নির্দেশে তার সভাসদ আমীর ফতেহউল্লাহ খান সিরাজী প্রায় ৪০০ বছরেরও আগে হিজরি সনের সঙ্গে মিল রেখে ফসলি সন হিসেবে বাংলা সন বা বঙ্গাব্দের প্রচলন ঘটিয়েছিলেন। তখনই বঙ্গাব্দের সূচনা হয় বৈশাখের প্রথমদিন থেকে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তা এই জনপদের মানুষের গর্বিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। বৈশাখী উৎসব সংস্কৃতির অন্যতম সমৃদ্ধ এক উপাদানে পরিণত হয়েছে। এককালে বাংলা নববর্ষে হালখাতাই মুখ্য ছিল। এর সঙ্গে কিছু উৎসব ছিল, ছিল কিছু আনন্দসম্ভার। এখনও হালখাতা আছে। ক্রমেই মুখ্য হয়ে উঠছে আনন্দ-উৎসব।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি
বাঙালির এই প্রাণের উৎসবকে ঘিরে রমনা পার্কসহ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পুরোটাই ঢেকে দেয়া হয়েছে নিরাপত্তা চাদরে। শুধু রাজধানী ঢাকাই নয় এ উপলক্ষে সারাদেশেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যৌথভাবে কাজ করছে সব সংস্থা। সার্বিক নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করতে বসানো হয়েছে কন্ট্রোল রুম, অবজারভেশন পোস্ট ও চেকপোস্ট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি থাকছে গোয়েন্দা দলের সদস্য, বোমা ডিসপোজাল টিম ও মেডিকেল টিম। শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া জানিয়েছেন, বর্ষবরণের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শাহবাগ, টিএসসি, রমনা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রবীন্দ্র সরোবর ও হাতিরঝিলে ডগস্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রার চারপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, মাঝখানে কেউ এসে শোভাযাত্রায় যোগ দিতে পারবেন না এবং কেউ মুখোশ ও বিজ্ঞাপনী স্টিকার ব্যবহার করতে পারবে না। ধূমপান ও ইভটিজিং প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বর্ষবরণের অনুষ্ঠানগুলো ধূমপান করে এবং ইভটিজিংয়ের ঘটনা ঘটায় তবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিরাপত্তায় র‌্যাবের হেলিকপ্টার ও সাদা পোশাকে টহলসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রাজধানীর সড়কে যান চলাচলে বিশেষ ব্যবস্থা
বর্ষবরণের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে যানবাহন চলাচলে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। যেসব রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ থাকবে সেগুলো হলো; বাংলামটর থেকে রূপসী বাংলা, শাহবাগ থেকে টিএসসি হয়ে দোয়েল চত্বর। রূপসী বাংলা থেকে কাকরাইল, মৎস্য ভবন থেকে কদম ফোয়ারা। মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ হয়ে কাঁটাবন। পলাশী থেকে শহীদ মিনার হয়ে দোয়েল চত্বর হয়ে হাইকোর্ট ক্রসিং। বকশীবাজার থেকে শহীদ মিনার হয়ে টিএসসি। শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং থেকে দোয়েল চত্বর এবং নীলক্ষেত থেকে টিএসসি। বিকল্প যেসব রুটে যান চলাচলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো; মিরপুর রোড-সায়েন্স ল্যাব-নিউমার্কেট-আজিমপুর-বকশীবাজার-চানখাঁরপুল-গুলিস্তান। রাসেল স্কয়ার-সোনারগাঁও-রেইনবো-মগবাজার-মালিবাগ-রাজমণি-ইউবিএল-গুলিস্তান। মহাখালী-সাতরাস্তা-মগবাজার-কাকরাইল-রাজমণি-ইউবিএল-গুলিস্তান৪। ফার্মগেট-সোনারগাঁও-বাংলামটর-মৌচাকমালিবাগ-খিলগাঁও। ফার্মগেট- সোনারগাঁও-বাংলামটর-মৌচাক-মগবাজার-কাকরাইল চার্চ-রাজমণি-পল্টন-মতিঝিল

এ বছরও সরকারের নিষেধাজ্ঞা বহাল
গত দুই বছরের মতো এবছরও বর্ষবরণের সকল অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করা, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার গণজমায়েত খালি করার সরকারি নির্দেশ বহাল রয়েছে। এছাড়া মুখোশ পরে এবং মাঝখান থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ, ভুতুড়ে বাঁশি (ভুভু জেলা) বাজানোর ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নববর্ষ পালন
গত বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রথমবারে মতো সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্ব স্ব ব্যবস্থাপনায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করা হয়। এবছরও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা অনুষ্ঠান।

নানা আয়োজন :
নাচ, গান, মেলা, নতুন হালখাতা, মিষ্টিমুখ, মঙ্গল শোভাযাত্রা, নতুন পাঞ্জাবি, শাড়ি, ফতুয়া কেনার ধুম, খাওয়া-দাওয়া, বেড়ানো, শুভ নববর্ষ জানানোর রেওয়াজ উৎসবের নানা অনুষঙ্গে নববর্ষ উদযাপন নিত্যনতুন মাত্রিকতায় উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে চলেছে। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে, ধনী-নির্ধন, শিক্ষিত-শিক্ষাবঞ্চিত সব বয়সী মানুষের সর্বজনীন উৎসব হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে এই পার্বণ। শুক্রবার চৈত্রের শেষ দিনে গ্রাম ও শহরে ব্যবসায়ীরা গত বছরের বিকিকিনির হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে দিয়েছেন। আজ খুলবেন তারা হালখাতা। বিভিন্ন স্থানে বসেছে বৈশাখী মেলা। পটুয়া আর মৃৎশিল্পীরা মেলায় নিয়ে আসছেন তাদের সৃজন সম্ভার। নাগরদোলায় চড়া আর খেলনা, পুতুল, বাঁশিসহ বৈশাখী মেলার রকমারী পণ্য কেনার দুর্নিবার আকর্ষণে ছেলে-বুড়ো সবাই আজ মেলামুখো। আশপাশে তাকালে দেখা যাবে পোশাকেও রয়েছে বাঙালিয়ানার ছাপ। নারীরা আজ পরেছেন নানা রঙের বিশেষ করে লাল পাড়ে সাদা শাড়ি। কেউ কেউ খোঁপা বা বেণীতে গুজবেন নানা রঙের ফুল। হাতে পরবেন চুড়ি, কানে দুল। ছেলেরা পরবেন পাঞ্জাবি। হাত বাড়ালেই পাওয়া যাবে হাওয়াই মিঠাই, রঙিন বেলুন, কাঠের পুতুল, মাটির পুতুল, জিলাপি, খৈ-বাতাসা, ঘরগেরস্তির দরকারি বস্তুসহ নানা সামগ্রী। গ্রামবাংলার বৈশাখী মেলা শহরাঞ্চলেও সম্প্রসারিত হয়েছে। রমনার বটমূলে ষাট দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার নবউন্মেষকালে ছায়ানট সেই যে কাকডাকা ভোরে নববর্ষকে আবাহনী গান গেয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল, সেটি আজ রাজধানীবাসীর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। আজ সমগ্র রাজধানীর পথ মিশে যাবে রমনায় এসে। তবে পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণের অনুষ্ঠানটি আজকাল আর রাজধানী ঢাকার রমনাতেই কেবল সীমাবদ্ধ নেই, নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। এবারও মিরপুর, গুলশান, উত্তরা, সাভার প্রভৃতি এলাকায় ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়েই বর্ষবরণ হবে। আর ঢাকার বাইরে গ্রামবাংলায় এক ভিন্ন আমেজে বর্ষবরণ হবে। সেখানে মেলার আয়োজনই মুখ্য।

বাণী
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ পৃথক পৃথক শুভেচ্ছা বার্তায় দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। সংবাদপত্র অফিসও আজ বন্ধ থাকছে। রাতের আঁধার ঠেলে ভোরের রবি যখন উঁকি দেবে ঠিক তখনই শুরু হবে বর্ণাঢ্য বৈশাখী অনুষ্ঠানমালা। সংবাদপত্রগুলো বের করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। দেশের সব কারাগার, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউণ্ডেশন এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের ব্যবস্থাপনায় জাদুঘর ও প্রত্নস্থানসমূহ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে (শিশু-কিশোর, প্রতিবন্ধী ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা টিকেটে)।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে কাজ করতে চায় ব্রিটেন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশর জ্বালানি খাতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ব্রিটেন। রোববার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে

ছাত্রলীগকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

তিনি নিজে এ বিষয়ে ছাত্রলীগের নেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, এমন অভিযোগ যেন আর না শুনি

পশুর হাটে নিরাপত্তার জন্য র‌্যাব-পুলিশের পরিকল্পনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বসবে ২১টি পশুর হাট। হাটগুলোতে

sangbad ad

আমি এই সংবর্ধনা বাংলার মানুষকে উৎসর্গ করলাম

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জনগণের সেবক। জনগণের জন্যই কাজ করে যাব। জনগণের পাওয়াই আমার পাওয়া

প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনায় বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঐতিহাসিক গণসংবর্ধনা প্রদান করা হবে। শনিবার (২১ জুলাই) বিকেল

সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাচ্ছেন গণসংবর্ধনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বর্তমান সরকারের টানা সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশের ধারাবাহিক

জনগণই দু’দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভারত-বাংলাদেশের জনগণই দুই দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার

হাঙ্গেরীতে রসাটমের নিউক্লিয়ার কিডস প্রোগামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন ‘রসাটম’ এর আয়োজনে হাঙ্গেরীতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ ১০ম নিউক্লিয়ার কিডস’ প্রোগামে বাংলাদেশ

মায়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিসির রুলিং চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গাদের বলপূর্বক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ইন্টান্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) এর কাছে রুলিং চেয়েছে

sangbad ad